মুসলিম ‌পরী ‌সাধনা ১১ ‌দিনের ‌সাধনা

... মুসলিম পরী সাধনা . 
সমাজে খোব জনো প্রিয় হয়ে উঠেছে পরী সাধনা . যা হাজার বছর আগের চিরন্ত সত্য
পরী সাধনা সময় অন্তত কম লাগে নিয়ম নিষেদ নেই বল্লেই চলে .তবে গোপনিয় তা রক্ষা
করতে না পারলে কোন শল্তিই কাজে আসবে না. সবার জীবনে রয়েছে কিছু সপ্ন কিছু আশা
আমরা কেউই সেই সকল ইচ্ছা পরুন করতে পারি না. তার কনো এক মার্ত উপায় হলো পরী সাধনা
যা করতে পারলে সাধকের সকল ইচ্ছা পুরন হনে ইনশা আল্লাহ.
। পরী সাধনা
পরী সাধনা মন্ত এই সাধানার দ্বার সাধন একটি
অপরূপা মায়াবিনী,মিষ্টি ভাষি,এলো চুল পড়া
পরিকে বশিভূত করে স্ত্রী রূপে রাখতে
পারবেন। এবং
তার দ্বারা অনেক কাজ করাতে পারবেন। মন্ত্র যে
ভাবে আছে ঠিক সে ভাবেই উচ্চারণ করতে হবে
অন্যথা মন্ত্রে কাজ হবেনা। (পরিক্ষিত)
মন্ত্রঃ
মেঘ জটা আধা হরি- পূষ্পা কিংবা অপসরা ধরি,
হামারা শব্দ তিস্তা গড়; জল পরি ফুল পরি শিঘ্র ধর!
ত্রিজটা ফুল পরি- সঙ্গ দে হামারি;যা দেহি তুই
আসবি-মামুলি হয়ে বসবি"মেরা ভক্তি গুরুকা শক্তি-
ভজস্য কর হামারা মুক্তি; শ্রীদাম আগ্গা গুরুর পার-
কালী অর চান্ডালী-জ সিদ্দিকি করে যা-নতো বা
শিবজীকা মাথা খা।দোহাই মহাম্মাদ দোহাই
সোলেমান।
নিয়মঃ এই সাধনা খোব সহজ যা আপনারা
এই সাধনা করে সকলে সফল হতে পারবেন
তাতে কোন সনদেহ নেই কারন এটা বহু।
পরীখিতো
সাধনা। এসাধনা করার ৫/৭দিনের মধে পরী এসে
সাধকে দেখা দিবে
ও সাধকের বস হবে। তা ১০০%গেরান্টি
এই সাধনা কোন দিন বিফল হয় নাই হবেও না। এই
সাধনা সঠিক নিয়ম ও গুরুর অনমতি নিতে। হাদিয়া
দিতে হবে
আপনারা যদি এই সাধনা করতে চান আমার
সাথে যোগা যোগ করবেন। ইনবক্স বা সুদু ইমু
নাম্বার
01757786808 সরা সরি চেম্বার খুলনা খারিস পুর।।
gmail.montrogurubd12@gmail.com

লটারী জেতার টোটকা


লটারি জেতার টোটকা
==========================================
আপনারা হয়তো অনেকেই লটারি কিনেন, নিজের আর্থিক অবস্তা পরিবর্তনের জন্য অথবা নিজের ভাগ্য যাচাইয়ের জন্য । কিন্তু লটারি কিনলেই তো আর লটারি জেতা যায় না।
আপনি হয়তো অনেক লটারি কিনেছেন কিন্তু একটি পুরুস্কারও আপনি জিততে পারেননি অতছ আরেকজন একটি মাত্র লটারি কিনেই প্রথম পুরুস্কার জিতে নিয়েছেন । মনে রাখবেন লটারি হচ্ছে সম্পূর্ণ ভাগ্যের খেলা ।
আপনার ভাগ্য প্রসন্ন না থাকলে আপনি যতই লটারি আর জুয়া খেলুন না কেন আপনি কখনই জিততে পারবেন না । লটারি জেতার উপায় , তাই আজ আমি আপনাদেরকে লটারি জেতার এমন একটি টোটকা বলবো যার মাধ্যমে আপনি জুয়া ও লটারি জিততেও পারেন।
তবে কাজটি আপনাকে লটারির টিকেট কিনা বা জুয়া খেলার আগে করতে হবে । এই টোটকাটি করার জন্য প্রয়োজন হবে লজ্জাবতী বা লাজ্জাবতী গাছ । তাই লজ্জাবতী গাছ আপনাকে খুঁজে বার করতে হবে ।
এই গাছটি দেশের সর্বত্রই পাওয়া যায় । এর জন্য যেকোনো শনিবার দিনে প্রথমে আপনাকে এই লাজবন্তী বা লজ্জাবতী গাছকে নিমন্ত্রণ দিয়ে আসতে হবে । অর্থাৎ যেকোনো শনিবার সকালে স্নান করে লজ্জাবতী গাছের কাছে গিয়ে বলতে হবে হে লাজবন্তী আমি তুমাকে কালকে নিয়ে যাবো তুমি আমার লাজ রেখো । এই কথা বলে চলে আসবেন । এর পরের দিন সকালে স্নান করে ওই লজ্জাবতী গাছ শিকড় সহ তুলে আনতে হবে ।
তবে মনে রাখবেন সকালে যাওয়ার সময় এবং গাছটি নিয়ে আসার সময় কেউ যেন আপনাকে স্পর্শ না করে। তাই এই কাজটি খুব ভোরে করতে হবে তাহলে এই সমস্যাটি হবে না । গাছটি বাড়িতে নিয়ে আসার পর ওই গাছের একটি ডাল ও শিকড় নিয়ে লাল কাপড় দিয়ে বেধে রাখবেন । এরপর এই ডাল ও শিকড় সহ বাধা লাল কাপড়টি পুরুষেরা ডান হাতে ও মহিলারা বাম হাতে ধারণ করে লটারির কিনলে বা জুয়া খেললে সেটায় জয়লাভ করা যায় ।
তবে আপনার জন্ম কুন্ডলী বা হাতের রেখায় যদি কাল সর্প দোষ বা কালসর্প যোগ থাকে তাহলে এই টোটকাটি কাজ করবে না।
মনে রাখবেন জোতিষ শাস্ত্রে তিন হাজারের উপর কালসর্প দোষ রয়েছে । তাই প্রথমে কালসর্প দোষ প্রতিকার করুন ।

এ্যাটক ‌সম্পর্কে ‌জানুন

.

অনেক ভিজিটর জানতে ইচ্ছুক ত্রাটক কি? ত্রাটক কি ভাবে করে? কেনো করবে? ত্রাটক সাধনার সাথে ধর্মের কোন সংঘর্ষ রয়েছে কি না? ইত্যাদি নানা রকম বিষয়- বস্তুত আমরা ত্রাটক সাধনা উদ্ভাবনের পর হতে এ বিষয় আমাদের ওয়েবে বার বার বিস্তারিত লিখার চেষ্টা করেছি, এতে অনেকেই হয়তো উপকৃত হয়েছেন, কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে কিছু দুর্নিতিবাজ দুষ্ট বাঙ্গালী সেই সকল তথ্য নিয়ে ত্রাটক প্রশিক্ষক ও ত্রাটক প্রশিক্ষণের গুরু সেজে বিভিন্ন ওয়েব সাইট, ব্লগ সাইট, ফেইসবুক সহ হাজারো অনলাইন স্যোসাল মিডিয়ায় লিখেই চলেছে, যার কিছু হয়তো ত্রাটকের সাথে সামযস্যপূর্ণ আবার কিছু নিছক’ই গাল গল্প বানোয়াট। আপনারা যারা সত্যিকার অর্থে ত্রাটক সাধনায় ইচ্ছুক বা ত্রাটক সর্ম্পকে জানতে ইচ্ছুক দয়া করে আপনার সঠিক তথ্য প্রদান করে আমাদের মোবাইল এ্যডমিনের নিকট নতুবা ওয়েবে গিয়ে বিস্তারিত জেনে নিতে পারেন। একটি বিষয় সর্তক থাকুন- বিশ্বে ত্রাটক সাধনার সৃষ্টিকর্তা থার্ড আই রেডিয়েশন এবং একমাত্র পরিবেশক মন্ত্রগুরু এ্যসোসিয়েশন। এর বাইরে আর অন্য কোথাও এর গুরু প্রশিক্ষক প্রতিষ্ঠান নেই।। আপনাদের মনের আকাঙ্খা পূরনের জন্য ত্রাটক সর্ম্পকে সাধারন কয়েকটি কথা নিচে তুলে দেওয়া হলো-

১) ত্রাটক সাধনার সাথে যোগ ব্যায়াম বা মেডিটেশনের কোন প্রকার সর্ম্পক’ই নেই।

২) ত্রাটক সাধনার কিছু অংশে ধ্যান করার বিষয় রয়েছে সেটিও প্রচলীত ধ্যান সাধনার উর্দ্ধে। মনে রাখবেন এই ধ্যানের মাধ্যমেই মহামানব হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) নবুয়ত প্রাপ্ত হয়েছেন। বুদ্ধ তার উদ্বিষ্ট লক্ষ্য খুজে পেয়েছেন, দেবাদি দেব মহাদেব সকল সময় ধ্যানেই মগ্ন রয়ে জগতের মঙ্গলে রত। এভাবে আমরা যদি ইতিহাস লক্ষ করি তবে সকল স্থানেই শক্তির শুরু হয় ধ্যানেই।
৩) ত্রাটক সাধনার সাথে কোন ভাবেই কোন ধর্মের সংঘর্ষ নেই। সংশ্লিষ্ঠতাও নেই।
৪) ত্রাটক সাধনা শুধু অনলাইনে নয় সরাসরি প্রাকটিক্যাল ক্লাস দ্বারা সম্পন্য হয়ে থাকে। প্র্যাকটিক্যেল ছাড়া ত্রাটক সম্ভব’ই নয়।
৫) ত্রাটক সাধনায় সফল বা বিফলতার কোন সুযোগ নেই। ত্রাটক সাধনা যত করবেন তত বেশি ফল পাবেন। যদি না করেন তবে সেদিন থেকে বা তার কিছু পর থেকে আপনার সুফল পাওয়া বিঘ্নিত হবে। এবং এর শুরু থেকেই সুফল পাওয়া শুরু হয়।
৬) ত্রাটক সাধনায় কোনরুপ মন্ত্র/তন্ত্র প্রয়োগ নেই।
৭) একজন গুরুর দ্বারা বা একজন শিশ্যর দ্বারা কোনদিন’ই ত্রাটক সাধনা আয়ত্ব করা বা প্রশিক্ষণ প্রদান করা সম্ভব নয়।
৮) আমরা ত্রাটক সাধনা প্রশিক্ষণ গ্রহন কারি কোন স্টুডেন্টকেই ত্রাটক প্রশিক্ষণের পার্মিশন বা সেই স্তর প্রদান করি না।
৯) ত্রাটক সাধনার হাদিয়ায় কখনো কোন প্রকার লেস বা কাষ্টমাইজ হয় না।
১০) ত্রাটক সাধনা দ্বারা আপনি আপনার মনের যে কোন খায়েস পূরন  করতে পারবেন যতক্ষণ তা নিতি ‍বিরুদ্ধ না হয়। অর্থাৎ আপনি সমাজের অমঙ্গলের জন্য তা ব্যবহার করতে পারবেন না।
১১) ত্রাটক সাধনা দ্বারা আপনি অন্যের সামনে শক্তি প্রদর্শন করতে পারবেন না, বা অন্যকে জানানোর জন্য ত্রাটকের ব্যবহার করতে পারবেন না।
১২) ত্রাটক সাধনার দ্বারা আপনার শারীরিক, মানুষিক, পারিবারিক, দ্বাম্পত্য, ভালোবাসা, চাকুরী, ব্যবসা, রাজনীতি, দুষ্টের দমন, অন্যের উপকার, অন্যায়কারীকে সাস্তি প্রদান ইত্যাদি সকল কাজই অনায়েসে সম্পন্য করতে পারবেন।


আশা করছি আপনার জিজ্ঞাসিত বিষয় আপনি বুঝতে পারছেন।
imo. 01757786808

জ্বীন .‌পরী ‌সাধক ‌আজিজ ‌রহমান .

.তান্তিকক গুরু আজিজ রহমান
তন্ত মন্ত কালো যাদু তাবিজ টোটকা ও
জ্বিন চালানের মাধমে কাজ করানহয়
১★ প্রম ভালোবাসায় ব্যথ্য ★বশীকরণ ★
২★/ স্বামী,স্তীর অমিল সংসারে অশান্তি ★
৩★/ মনের মানুষকে প্রমে বা বিবাহে রাজি করা ★
৪★/ স্বামী, স্তীর অবধ্য সম্পক নষ্ট করা ★
৫★/ দুই ব্যক্তির মধে বিচ্ছেদ করা ★
৬★/ যে মহিলাদের ছেলে সন্তান হয় না তদবির
দেয়া
৭★/ ছেলে মেয়ের লেখা পরায় মন বসে না ★
৮★/ পরীখায় ও মামলায় জয় লাভ ★
৯★/ যাদু টোনা জ্বিন পরীর আচর থেকে চির
মুক্তি
১০★/ যে কোন জটিল ও কঠিন রোগ থেকে
মুক্তি★
১১★/ শত্রুর হাত থেকে মুক্তি
১২★/ শত্রুকে বান মারণ ও খতি করা ★
১২★/ নিখুজ বা পালাতক ব্যক্তি কে হাজির করা ★
১৩★/ চোর ধরা ও চোকে চিনার তদবির ★
১৪★/ চোরা ই মামা মাল ফিরে পাবার তদবির ★
১৫★/ জুয়া বা লটারী জয় লাভ করার তদবির ★
আরো অনেক কঠিন সমসার সমাধান করা হয় ১/৭
দিনের
গ্যরান্টিতে কাজ করা হয় বিফলে মুলো ফেরত ও
জ্বিন পরী কালি দেবি বিভিনো সাধনা শিখানো ও
জ্বিন পরী চালান করে দেয়া হয়। আজি যোগা
যোগ
করুন।
তান্তিক গুরু ও কবিরাজ আজিজ রহমান।
ঠিকানা খুলনা খারিস পুর বাজার রোড়...২৫/৩.....
যোগা যোগ শুধু ইমু নাম্বার imo/01757786808
montrogorbd12@gmail.com.
আপনার যে কোন দেশ বা জেলা থেকে
অনলাইনের
মাধমে তদবির ও যে কোন সমসার সমাধান পেতে
পারেন। ধন্যবাদ।

রইকি কসমিক পাউয়ার কি

.REIKI / রেইকি
কোন না কোন দিন সবারই এরকম বিকল্প কিছুর দরকার হবে ,, রেইকি REIKI জাপানি শব্দ যার অর্থ মহাজাগতিক প্রাণশক্তি ,, রেইকি একটি স্বয়ং সম্পূর্ণ জাপানী বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতির নাম ,, যাকে এক কথায় বলা হয় স্পর্শ চিকিৎসা (Touch healing) ,, কেবলমাত্র দু-হাতের তালুর স্পর্শেই সকল রোগ সেরে যায় ,, সাধারণ ঠান্ডা লাগা থেকে ক্যান্সার পর্যন্ত- যে কোন রোগ ,, সেটা দৈহিক বা মানসিক, আত্মিক, সাধারণ বা জটিল যাই হোক না কেন ,, কোন রকম ওষুধ বা রক্ত ক্ষরণ ছাড়াই রেইকি চিকিৎসা আপনাকে সুস্থ করে তোলে ,, শুধুমাত্র হাতের ছোয়ায় সহজ থেকে দূরারোগ্য সকল ব্যাধির আরোগ্য সাধন করে- মানুষের, গাছ-পালার, পশু-পাখীর, জীব-জন্তুর কিংবা জড় বস্তুর ,, তবে অপারেটিভ জিনিস হয় না(যেমনঃ হাড় ভাঙ্গা জোড়া), এবং সময় কম বা লাস্ট স্টেজ দূরারোগ্য ব্যাধিতে যত দিন লাগবে ততদিন হয়তো রোগীর হাতে সময় থাকেনা ,, ডঃ মিকাও উসুই ১৯২২ সালে রেইকি পদ্ধতি আবিষ্কার করেন ,, আমাদের সবার মাঝেই এই শক্তি বিদ্যমান সর্বদা ,, রেইকি শিখে আমরা এই শক্তি অনেক বাড়াতে ও প্রয়োজনের সময় ব্যবহার করতে পারি ,, আমাদের প্রতি দিন শুধু ২১ মিনিট চর্চা করতে হয় ,, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় বলা হচ্ছে ,, রেইকির মাধ্যমে আমাদের শরীরের ও মস্তিষ্কের বিদ্যুৎ প্রবাহ বাড়ে ,, সেই বর্ধিত বিদ্যুৎ আমাদের হাতের তালু দিয়ে বের হয় ,, মানে যে কাউকেই শুধু স্পর্শ করেই তার রোগ সারানো যায় ,, এবার রেইকি শিখতে গেলে প্রথম দিনেই যখন যোগাযোগ করার সিম্বল আঁকানো শেখাবে ,, আর দেশের বাইরে ও যে কারো জন্য এই এনার্জি পাঠিয়ে তাঁকে সাহায্য করতে পারবেন ,, তার ব্যাখ্যা বিজ্ঞান দিতে পারেনা ,, রেইকি সাধনা তবে প্রচলিত অনেক মেডিটেশান এর মত বছরের পর বছর সাধনা করতে হয় না ,, প্রথম দিনেই আপনার হাতে শক্তি আসবে ,,পরীক্ষা করে দেয়া হবে ,, এর পর নিয়মিত চর্চায় এক বছরেই অনেক অলৌকিক মানের কাজ করতে পারবেন ,, এখানে বিশ্বাসের কিছু নাই ,, আপনি এটা বিশ্বাস না করলে ও কাজ হয় ,, পথ চলায় বা গাড়ীতে ভ্রমণের সময় ও চোখ খুলে এই শক্তি পাঠানো যায় ,, অন্যের জমি এইটা দিয়ে দখল করতে পারবেন না ,, তবে অন্যরা আপনার সম্পদ দখল করলে খুব সহজেই তাদের তাড়াতে পারবেন ,, তারা এমনিই আপনার জমি আপনাকে বুঝিয়ে দিয়ে যাবে ,, আপনার জমি তাদের স্যুট করবেনা ,, রেইকি দিলে যদি রোগীর বাঁচার হয় ,, খুব দ্রুত আইসিইউ থেকে বের হয় ,, অন্য কোনো মাধ্যমের সাথে চেষ্টা করলে আর ও দ্রুত ফল হয় ,, মানে সমস্যায় সবদিক দিয়ে আক্রমণ করা উচিৎ ,, যে কোন কাজেই রেইকি দ্রুত কাজ করে ,, যে কোন ব্যথা ১০ মিনিটেই দূর করা যায় ,, হারানো জিনিসও এর মাধ্যমে ফেরত আসে ,, যদি জিনিসটার প্রকৃত মালিক আপনি হন ,, আর সেটি ঠিক থাকে ,, সমস্যা যত বড় হবে সময় তত বেশী লাগে ,, তবে ২১ দিনের বেশী কোন কাজেই লাগেনা ,, আবার যার হাঁটুর ও মাজার হাড় ক্ষয় হয়েছে ,, তাকে হয়তো ৩-৪ মাস প্রতিদিন ১৪-২১ মিনিট করে দিতে হবে ,, বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে সফল ও ব্যয়বহুল চিকিৎসা পদ্ধতি এটি ,, এই পদ্ধতি শেখার জন্য আর ও অন্য অনেক অল্টারনেটিভ এনার্জি হিলিং মেথড সম্পর্কে জানলাম ,, এগুলোর প্রত্যেকটিই সরাসরি বা দূরদেশ থেকে পাঠালে ও একই কাজ করে ,, এগুলোর প্রত্যেকটিই সারাবিশ্বে সার্টিফিকেট কোর্স হিসেবে প্রচলিত ,,
ঊসুই রেইকিঃ
---------------------------
একটু ধীর তবে যারা সুস্থ তাদের জন্য শেখা ভাল ,, কমপক্ষে ২১ দিন চর্চার পর নিজের ও অন্যদের কাজ করতে পারবেন ,, যে কোন স্বাস্থ্য ও জীবন সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে ,,
হোলি ফায়ার রেইকিঃ
----------------------------------------
উসুই রেইকির উন্নত সংস্করণ শক্তি অনেক বেশি ,, একটু দ্রুত কাজ করে ,, কমপক্ষে ২১ দিন চর্চার পর নিজের ও অন্যদের কাজ করতে পারবেন যে কোন স্বাস্থ্য ও জীবন সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে ,,
করুনা রেইকিঃ
-------------------------------------
যে কোন রেইকির মাস্টার লেভেলে কয়েক মাস কাজ করার পরই এই রেইকি শেখানো হয় ,, বিভিন্ন বিষয় ও রোগের বিশদ শাখার জন্যে বিশেষায়িত এই পদ্ধতি ,, খুবই ভালো কাজ করবে মাস্টার লেভেলের এনার্জি থাকলে ,,
কুন্ডলিনী রেইকিঃ
---------------------------------
যে কোন স্বাস্থ্য ও জীবন সম্পর্কিত বিষয় থেকে সাথে সাথে মুক্ত হতে চাইলে ,, আপনি খুব দ্রুত বাইক চালিয়ে যাচ্ছেন, এক পা যে কোন কারণে অবশ হয়ে গেল ,, পায়ের উপর নির্দিষ্ট ভাবে রেইকি প্রয়োগ করলেই ১০-২৫ সেকেন্ডেই পা ঠিক হয়ে যাবে ,, থামবার প্রয়োজন নেই ,, তবে এই রেইকিই সবচেয়ে বেশি সময় নেয় ,, এর শক্তি আপনার ভেতর হজম হতে ,, প্রায় দুই মাসে ৫ টি এটিউন্মেন্ট এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয় শেখা ,, তারপর চর্চা এক মাস ,,প্রচুর শক্তিশালী ..........
ক্রিস্টাল রেইকিঃ
-------------------------------
রেইকিতে একসাথে একজনকে এনার্জি পাঠানো যায় ,, ক্রিস্টালের মাধ্যমে যে এনার্জি পাঠাবেন তা অনবরত সেই মানুষদের পাঠানো হয় সুস্থ না হওয়া আবধি ,, নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে পাথরে যাই দেবেন তাই সে বার বার ছড়াতে থাকে ,, ক্রিস্টাল দিয়ে একসাথে অনেক মানুষের চিকিৎসা করা যায় ,, যখন আপনি অন্য কাজে থাকবেন তখন ও ,,মাষ্টার হবার পরই ক্রিস্টাল শেখা ও নেয়া বাধ্যতামুলক ,,
এঞ্জেল রেইকিঃ
--------------------------------
উপরের সবগুলোই সাধনা কয়েকমাস বা এক সপ্তাহ ,, আর এঞ্জেল হল প্রার্থনা ,, এই পদ্ধতিতে এঞ্জেলদের তাদের ধরণ ও কাজ অনুযায়ী ডাকা হয় ও সমস্যার সমাধানের জন্য প্রার্থনা করা হয় ,, এই পদ্ধতিতে কোন কিছুই টের পাওয়া যায় না ,, কাজ হয়ে গেলে বুঝবেন কাজ হচ্ছে ,, তবে শরীরে মানুষের মত দেখবেন বা কথা বলবেন এরকম না ,, এটা ও যত চর্চা করবেন তত শক্তিশালী ও দ্রুত কাজ করবে ,,
ম্যাগ্নিফাইড হিলিংঃ
--------------------------------
যারা এই সাধনা ও প্রার্থনা করার সময় দিতে পারবেননা তাদের জন্য ,, চর্চা মাত্র ৭ দিন ,, তারপর নিজের অন্যদের কাজ করতে পারবেন যে কোন স্বাস্থ্য ও জীবন সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে ,, ধারণা করা হয়, ১০০০ জন রেইকি গ্রান্ডমাস্টার এর মত শক্তি এই পদ্ধতিতে প্রবাহিত হয় ,, তাদের দাবি যে কোন রোগ মাত্র ১০-১৫ মিনিটেই ঠিক করা যায় ,, ডি এন এ ও ঠিক করা যায় ,, হাড় ক্ষয় পূরণ হয় সাথে সাথেই ,, প্রচুর এনার্জি প্রবাহিত হয় হাত খুব গরম হয় ,, যাকে দেবেন সেও এই শক্তি বুঝতে পারে ,, এটাকে রেইকির বাপ বলা চলে ,, এর বাপ কিছু আছে হ্যাঁ তবে বাংলাদেশে এখন এটা শিখা সম্ভব ,,
বাংলাদেশে ও এটা শিখানো হয় আপনি চাইলে শিখতে পারেন ,, আর ও জানতে চাইলে জানাতে চাইলে আমাকে ইনবক্স করুন রেইকি শিখুন ঘরে বসে 01757786808

জ্বীন ‌হাজির ‌‌করার ‌মন্ত

জ্বীন সাধনা:
মন্ত্রঃ
আছমানে সুলেমান চন্ডাল কুন্ডাল,
জিন আখফান আমার বশে আন।
জুল জাল মহা ইন্দ্রজাল।
আমার বাক্য ঠেলেনা জিন আখফান মহাকাল।
সুলেমান নবী আল্লার বাক্যে রও।
আল্লার হুকুম জিন্নি আমার আয়ত্ব হও।
না হইলে আজরাইল জমের ঘরে যাও।
নিয়মঃ
প্রথমে মন্ত্রটা শনিবার রাতে মুখস্ত করে নিতে হবে। তারপর চন্দ্রমাসের যে কোনো শুক্রবারে এশার নামজ পড়ে বিছানায় জায়নামাজ বিছিয়ে হাটু গেড়ে বসতে হবে। এবার দরূদ শরীফ ১১ বার পাঠ করতে হবে। তারপর মন্ত্রটা ৭৮৬ বার পাঠ করতে হবে পুনঃরায় দরূদ শরীফ ১১ বার পাঠ করতে হবে পাঠ শেষে ঘুমিয়ে পড়তে হবে এভাবে নিয়মিত একটানা ২১ দিন সাধনা চালাতে হবে ১৯ দিনের দিন জ্বীন দেখা দিবে তবে সাধনা ২১ দিন পর্যন্ত অবশ্যই করতে হবে। অন্যথা সাধনা বিফলে যাবে।
নোট : অভিজ্ঞ ভালো তান্ত্রিক গুরু বা ওস্তাদ এর নিকট অনুমতি গ্রহণ করবেন ও চন্ডীবরন করে নিবেন, অন্যথায় একাকী এই ধরনের বিপদজনক সাধনা করার প্রচেষ্টা করবেন না, যদি কেউ করেন নিজ দ্বায়িত্বে করবেন যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য আমি বা আমার পেজ কোন দ্বায় গ্রহণ করবে না।
( যেকোনো প্রশ্ন ও পরামর্শ নিতে যোগাযোগ নাম্বার : IMO,
01757786808

আসুন জেনে নেই রাশি কি

.


.আসুন জেনে নেই রাশি কাকে বলে,রাশি শব্দের সাধারন অর্থ- রাশ বা সমষ্টি, স্তুপ, সন্নিবেশিত, সন্নিকটে, একত্রে জড়োকৃত ইত্যাদি। যেমন- রাশি রাশি বললে অনেক গুলি বুঝায়। কিন্তু জ্যোতিষবিদ্যায় একত্রে কতগুলি জড়োকৃত নক্ষত্রের কল্পিত আকৃতি নিয়ে রাশি কথাটি এসেছে। অর্থাৎ অনেকগুলি তারকা সমন্বয়ে গঠিত বলেই রাশি নামকরন হয়েছে। প্রাচীনগণ রাশির বৈশিষ্ট্য এবং নক্ষত্রমন্ডলের দৃশ্যমান চিত্রানুযায়ী বিভিন্ন প্রাণী ও চিহ্ন সমন্বয়ে রাশি সমূহের কল্পিত নামকরন করেন। যেমন- মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীন। আমরা সকলেই জানি পৃথিবী নিজ অক্ষের ওপর লাটিমের মতো সর্বদানির্দিষ্ট গতিতে পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে আবর্তিত (Rotation) হচ্ছে। এই আবর্তনেরফলে দিবা-রাত্রি সংঘঠিত হয়। একে বলে পৃথিবীর আহ্নিক গতি। এছাড়াও আপন অক্ষে আবর্তনের সাথে সাথে পৃথিবী একটিনির্দিষ্ট পথে সূর্যের চতুর্দিকে পরিক্রমণ (Revolution) করে। সূর্যকে একবার পরিক্রমণকরতে পৃথিবীর যে সময় লাগে, তাকে সৌরবছর বলে। মহাকাশে পৃথিবীর চারপাশে সূর্যেরআপাত বার্ষিক গতিপথকে বলা হয় ‘রবিমার্গ‘। এই রবিমার্গেই বারোটি রাশির অবস্থান। সায়ন মতে রবি যখন যে রাশিতে থাকে তখন জন্মগ্রহণকারীর সেই রাশি। আর নিরায়ণ মতে চন্দ্র যখন যে রাশিতে থাকে তখন জন্মগ্রহণকারীর সেই রাশি হয়। রাশি সম্পর্কে পরবর্তীতে বিস্তারিত লিখব। সংক্ষেপে এই হল রাশির পরিচয়। সকল মানুষের মধ্যে সকল যোগ্যতা থাকেনা সত্য, কিন্তু কিছু মানুষের মধ্যে কিছু যোগ্যতার বীজ সুপ্ত থাকে যা অনুকুল পরিবেশ পেলে সময়ে তার অঙ্কুর উদ্গম হয়। আর তার সাথে প্রয়োজনীয় জোগান পেলে এবং চেষ্টা থাকলে এক সময় বিরাট মহীরুহে পরিনত হতে পারে। এজন্যই চেষ্টা করে যেতে হবে। জগতে যারা সৌভাগ্যবান তারা চেষ্টা করেই সৌভাগ্য অর্জন করেন বলেই আমরা জানি, কিন্তু আমরা জানিনা তারা যে জন্মগতভাবেই সৌভাগ্যের বীজ বয়ে এনেছেন। আর সেটা জানতে হলে এস্ট্রলজিকে জানতে হবে। এস্ট্রলজি তথা জ্যোতিষবিদ্যা কারো জন্মসময়, তারিখ ও স্থান সাপেক্ষে গ্রহ-নক্ষত্রাদির ভূ-কেন্দ্রিক অবস্থান (Geo-Centric Position) বিশ্লেষণ করে তার সারা জীবনের সম্ভাবনা সম্পর্কে আগাম ভবিষ্যদ্বানী করতে পারে। যেভাবে আবহাওয়াবিদ আবহাওয়ার পূর্বাভাস কিংবা ডাক্তার রোগীর রোগ সম্পর্কে বলতে পারেন। তারা যেমন কিছু লক্ষ্মণ দেখে পূর্বাভাস দেন জ্যোতিষবিদ্যাও তেমনি গ্রহ-নাক্ষত্রিক অবস্থান দেখে ভবিষ্যদ্বানী করেন।
 ...

পুরাতন পোষ্ট গুলি দেখুন