দৃষ্টি ‌‌বশীকরন

.
 .

দৃষ্টি দিয়ে বশ করার মন্ত্রঃ

অনেক সময় দেখা আপনি যাকে পছন্দ করেন, তাকে কোন ভাবেই কথা বলা বা কোন ভাবেই কোথাও ঘুরতে নিয়ে যাওয়া কিংবা তাকে কোনভাবেই কিছু খাওয়াতে পারছেন না। তাকে বশ করার মতো অন্য কোন উপায় খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কিন্তু তাকে প্রতিনিয়তই দেখেই যাচ্ছে আর দেখেই যাচ্ছেন ঠিক সেই মুহূর্তে আপনি আপনার দৃষ্টি শক্তি দ্বারা তাকে বশ করতে পারবেন। শুধু মাত্র একটি মন্ত্র পাঠ করে। তো চলুন মন্ত্রটি ও তার প্রয়োগ বিধি সম্পর্কে জেনে নেই।
মন্ত্রঃ-
“ঐ বগ ভুগে ভগনি।। ভাগোদরি ভগমালে।।
যৌনি ভগনিপতিনি।।
সর্ব ভগ সংকরী।।
ভগরুপে নিত্য ক্লৈ।।
ভগস্বরুপে সর্ব ভগান।।
মে বশমানয়ৎবরুদেরেতে।।
সুরেতে ভগ লিংকনে।।
ক্লীং নং দ্রবে ক্লেদয়।।
দ্রাবয় অমোঘে ভগ বিধো।।
ক্ষভু ক্ষোভয় সর্ব।।
সত্বাভগেশ্বরী মে।।
হকং জরু ব্লু ভৈং।।
মৌ বলুং হে হে।।
ক্লিনে সর্বাণি।।
ভগানি তস্মৈং স্বাহাং।।”
প্রয়োগ বিধিঃ- এই মন্ত্র জপ করার পর যদি কারো সঙ্গে দৃষ্টি বা নজর মেলানো হয় তবে সে সাধকের বশীভূত হয়ে যায়। তবে যে কোন গুরু পুষ্য যোগে ১০০৮ বার এই মন্ত্র জপ করে এবং ১০৮ বার উক্ত মন্ত্র দিয়ে আহুতি দিয়ে মন্ত্রকে অবশ্যই সিদ্ধ করে নিতে হবে। তাহলে অবশ্যই কাজ হবে।
বিঃদ্রঃ-কাজটি করার পূর্বে অবশ্যই কোন সিদ্ধ গুরুর অনুমতি নিতে হবে, এবং গুরুকে খুশি রাখতে তাকে কিছু চন্ডিবরণ দিতে হবে। ধন্যবাদ।।।

শত্রুর উপর ‌বান ‌চালান

...আপনার শত্রু কে চরম শিক্ষা দেবার এক মার্ত উপায় হলো বান বিদ্যা . সমাজে ও আপনার চাকরির স্থানে অনেক দুষ্টু লোক আছে জারা অন্নাই ভাবে মানুষের উপর অন্নাই অত্তাচার করে ও অনেক ভাবে আপনার ক্ষতি করে বা করার চেষ্টা করে 
তাই এরকম শত্রুকে চরম শিক্ষা দেবার জোন আমাদের কাছে অনেক প্রকার বান মারন কালো যাদু জ্বীন জাদু রয়েছে যা 100%গ্যারান্টিতে করে থাকি.
বান বিদ্যা . বাণ বিদ্যা:
এই বানের দ্বার যে কাউকে মাত্র ২/৪ ঘন্টার মধ্যে মারা সম্ভব। (পরিক্ষিত)
মন্ত্রঃ
ওঁহম রক্ত চামুন্ডায় অমুকাস্য ভষ্ম কারনায় স্বাহা। ওঁহম হ্রীং ক্রীং অমঙ্গলায় ভদ্রকালীয়ায় নমোঃ
ওঁহম অমুকস্য সর্বা রক্তায় কাল চামুন্ডায় পূর্ননাম বিনাষায় কারনায় হ্রীং শ্রীং হৈ ঠঃ ঠঃ ঠঃ ফট্।
নিয়মঃ
প্রথমে একটা বাশের আঁশ দিয়ে তীর ও ধনুক তৈরী করতে হবে। তারপর শ্মশ্বান ও কবরস্থানের মাাটি দিয়ে একটা পুতুল তৈরী করতে হবে। মনে রাখবে পুতুলের থেকে তীর ধনুক অবশ্যই ২ গুণ বড় হতে হবে। এবার নির্দিষ্ট ব্যক্তির কাপড়ের কোনো অংশের দ্বারা পুতুলের জামা তৈরী করতে হবে। পুতুলকে তৈরীকৃত জামাটি পড়াতে হবে। বাজার থেকে ১.সিন্দুর ২.গোলাপজল ৩.আগড়বাতি ৪.ধুপ ৫.ধুপতী ৬.এক জোড়া কবুতর ৭.দেয়ার ৮.সরিষার তেল ক্রয় করতে হবে।( আরও বিশেষ কয়েকটি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহ করতে হবে যা আপনার গুরু বলে দিবে যা সকলের সামনে প্রকাশ করা সম্ভব নয় ) এবার পুতুলের পুরো শরীরে সিন্দুর মাখাতে হবে। ধূপ আগড়বাতি জ্বালাতে হবে। কবুতর দু'টি একটানে ছিড়ে তার রক্ত পুতুলের মাথায় ও বুকে মাখাতে হবে। সর্ব শেষে দেয়ার জ্বালাতে হবে সরিষার তেল দিয়ে। এবার মন্ত্রটি ১০০১ বার পাঠ করতে হবে। মন্ত্র পাঠ হয়ে গেলে উত্তর দক্ষিণ অবস্থায় পুতুল রাখতে হবে। এবার এক ঘট জল নিয়ে মন্ত্রটি আবার ৭ বার পাঠ করে জলে ৩ টা ফুঁক দিতে হবে। তারপর ঘটের মুখ সাল কাপড় দ্বারা বাঁধতে হবে। বাঁধা শেষে দেড় হাত দুর থেকে পুতুলের শরীরে তীর ধনুকের দ্বারা আঘাত করতে হবে। এমন করলে নির্দিষ্ট ব্যক্তি গুরুতর অবস্থায় মৃত্যু বরণ করবে!
নোট : গুরুর অনুমতি ও চন্ডীবরন করে নিবে অন্যথায় অনাকাঙ্ক্ষিত কোন ঘটনার জন্য আমি বা আমার পেজ কোন দ্বায় গ্রহণ করবে না।
[ আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলাইনের মাধমে তদবিদ করতে পারেন যে কোন সমসা 3/5দিনে 100%গ্যারান্টিতে করা হয় বিফলে মুল্য ফেরত . আজি যোগা যোগ করুন 01757786808
তান্তিক গুরু আজিজ রহমান. খুলনা খালিস পুর বাজার 25/3

চাকরী ‌‌‌লাভের ‌জনো ‌যোগা ‌যোগ ‌করুন

মন্ত
‌চাকরি ‌লাভের জনো
আপনি যে কোন সরকারী, বে-সরকারী চাকুরীর আসায়, দিনের পর দিন ইন্টারভিউ দিয়ে দিয়ে হতাষ হয়ে পরেছেন? আপনার যোগ্যতা রয়েছে, কিন্তু প্রতিটি চাকুরীতে যে পরিমান ঘুষ বানিজ্য চলছে, তা আপনার জন্য প্রতিকুল নয়? তবে আপনার জন্য আমরা রয়েছি! ! !

আপনার যদি এখনো মনে হয় সরকারী চাকুরী সোনার হরিন, তবে আমরা বলবো আপনি এখনো কুয়োর ব্যাঙ্গ হয়ে রয়েছেন, কুয়ো থেকে বের হয়ে দেখুন। শতশত বেকার যুবোক আমাদের সেবা গ্রহন করে চাকুরীজীবি হয়েছে, সরকারের নিন্মস্তর থেকে শুরু করে সর্বচ্য পর্যায় পর্যন্ত রয়েছে তারা। আপনি নিজের মুর্খতাকে পরিহার করুন, সঠিক সন্ধানী চোখ খুলে আজ’ই নিজের ভাগ্যদুয়ার খুলে দিন।

দেশের হাজারো বেকার যুবকের মুখে, তার পরিবারের মুখে হাসিয়ে ফুটিয়েছি, তাদের নতুন জীবন সাজাতে সাহায্য করেছি, তাহলে আপনি বাদ থাকবেন কেনো? আপনার ভাগ্য বিধাতা আপনার প্রতি বিরুপ নয়, আপনি আপনার ভাগ্যের সাথে ছলাকলা করছেন, আর তার জন্য দায়ভার আপনার।

আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আপনার চাকুরী এবার হবেই হবে।
এ বিষয় শতভাগ নিশ্চয়তা প্রদান করছি। বিগত ১১ বছরে কেহ কখনো আমাদের নিকট হতে  রিক্ত হস্তে ফিরে যায়নি, আপনিও যাবেন না, আপনার ভাগ্য রেখায় নতুন সুচনা করুন আজ এই মুহুর্ত থেকে।

হ্যা এখনি সময়, আপনার পরিবার, আত্মীয় স্বজন, পাড়া পড়শী সকলকে জানানোর যে আপনি আর বেকার নন, আপনার নিন্দুকদের জানানো প্রয়োজন আপনি দুর্বল নন। আপনি কখনই অবহেলার পাত্র ছিলেন না, আর থাকবেনও না।
‌যোগা যোগ  ‌করুন‌‌ 01757786808

তুলসি ‌পাতার ‌উপকারিতা

.তুলসী একটি ঔষধি গাছের নাম। এটি সুগন্ধিযুক্ত, কটু তিক্তরস, রুচিকর। সর্দি, কাশি, কৃমি ও বায়ুনাশক এবং মূত্রকর, হজমকারক ও এন্টিসেপটিক হিসেবে ব্যবহৃত হয় তুলসী পাতা। বিশেষ করে কফের প্রাধান্যে যেসব রোগ সৃষ্টি হয়, সে ক্ষেত্রে তুলসী বেশ ফলদায়ক। তবে উদ্ভিদটির আরও নানা গুণ সম্পর্কে হয়তো অনেকেরই অজানা। জেনে নেওয়া যাক, তুলসী পাতার নানা গুণ।
ছবি: সংগৃহিত
সর্দি-কাশির মহাষৌধ
শিশুদের সর্দি-কাশির জন্য তুলসী পাতা মহাষৌধ হলেও যেকোনো বয়সের মানুষই এ থেকে উপকার পেয়ে থাকে। শিশুর সর্দি-কাশি থাকলে শিশুকে আদা চা চামচ মধু এবং তুলসী পাতার রস খাওয়ালে কাশি কিছুটা কমবে।
হার্টের অসুখ
তুলসী পাতায় আছে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই উপাদানগুলো হার্টকে বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্ত রাখতে সহায়তা করে। তুলসী পাতা হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ায় ও এর স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
মানসিক চাপ
তুলসীর ভিটামিন সি ও অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে। এই উপাদানগুলো নার্ভকে শান্ত করে। এছাড়াও তুলসী পাতার রস শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
ছবি: সংগৃহিত
মাথা ব্যাথা
মাথা ব্যাথা ও শরীর ব্যাথা কমাতে তুলসী খুবই উপকারী। এর বিশেষ উপাদান মাংশপেশীর খিচুনী রোধ করতে সহায়তা করে।
বয়স রোধ করা
তুলসী পাতার ভিটামিন সি, ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস ও এসেন্সিয়াল অয়েলগুলো চমৎকার অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের হিসেবে কাজ করে; যা বয়সজনিত সমস্যা কমায়। তুলসী পাতাকে যৌবন ধরে রাখার টনিকও মনে করেন কেউ কেউ।
রোগ নিরাময় ক্ষমতা
তুলসীকে নার্ভের টনিক বলা হয় এবং এটা স্মরণশক্তি বাড়ানোর জন্য বেশ উপকারী। এটি শ্বাসনালী থেকে শ্লেষ্মাঘটিত সমস্যা দূর করে। তুলসী পাতা পাকস্থলীর ও কিডনীর স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
পোকার কামড়
তুলসী পাতা হলো প্রোফাইল্যাক্টিভ যা, পোকামাকড় কামড় দিলে উপসম করতে সক্ষম। পোকার কামড়ে আক্রান্ত স্থানে তুলসী পাতার তাজা রস লাগিয়ে রাখলেকামড়ের ব্যথা ও জ্বলা থেকে কিছুটা মুক্তি পাওয়া যায়।
ছবি: সংগৃহিত
ত্বকের সমস্যা
তুলসী পাতার রস ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। তুলসী পাতা বেটে সারা মুখে লাগিয়ে রাখলে ত্বক সুন্দর ও মসৃণ হয়। এছাড়াও তিল তেলের মধ্যে তুলসী পাতা ফেলে হালকা গরম করে ত্বকে লাগালে ত্বকের যেকোনো সমস্যায় বেশ উপকার পাওয়া যায়। এছাড়া ত্বকের কোনো অংশ পুড়ে গেলে তুলসীর রস এবং নারকেলের তেল ফেটিয়ে লাগালে জ্বালা কমবে এবং সেখানে কোনো দাগ থাকবে না ৷
ঘরের বারান্দাতে একটু আলো বাতাস আসলে সেখানেই একটি তুলসী গাছ লাগিয়ে দিতে পারেন। নিয়মিত তুলসী পাতার রস খেলে রোগ-বালাই থাকবে অনেক দূরে। তাই সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন অন্তত একটি করে তুলসী পাতা খান।

কিভাবে লটারীতে জয়ী হবেন

কিভাবে লটারীতে জয়ী হবেন!!!

জেতার সম্ভাবনা কম জেনেও মানুষ কেন লটারি কেনে? ৩টি মনস্তাত্ত্বিক কারণ। সম্মানিত দর্শক ও শ্রোতাবৃন্দ আমাদের চ্যানেল সনাতন পন্ডিতের পাঠশালায় আপনাকে স্বাগত। লটারি! বহুল পরিচিত একটি কাঙ্খিত নাম। ‘যদি লাইগা যায়’ এই মানসিকতায় ভর করে প্রায় প্রত্যেকেই কম-বেশী লটারি কিনে থাকেন। কিন্তু আদতে লটারি জেতে ক’জন? লটারি কম পরিশ্রমে অর্থ আয়ের এমন একটি পদ্ধতি যা সবাই পূরণ করতে চান। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, প্রত্যেক মানুষের লটারি জেতার সম্ভাবনা খুবই কম। আমেরিকায় প্রতি ২৯ কোটি ৯২ লক্ষ মানুষের মধ্যে লটারি জেতার সম্ভাবনা থাকে মাত্র ১ জনের। তবু কেন মানুষ লটারির পিছনে ছুটেন? আলবার্টার ইউনিভার্সিটি অব লেখব্রিজ-এর হেলথ সায়েন্স অ্যান্ড গ্যাম্বলিং স্টাডিজের প্রফেসর রবার্ট উইলিয়ামস দীর্ঘ দিন গবেষণা শেষে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন। তার মতে ৩ ধরনের বিস্ময়কর মনোবিজ্ঞান এর পিছনে কাজ করে। ১. ‘প্রায় জিতেছিলাম’ অবস্থার শিকার হওয়া : অনেক লটারিতেই মনে হয়, প্রায় জিতে গিয়েছিলাম। আর একটু এদিক সেদিক হলেই মিলে যেত ইত্যাদি। অথচ হয়তো তার ধারে-কাছেও নেই আপনি। যেমন পাওয়ার বল লটারিতে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়। সেখানে আপনার ছয় অঙ্কের নম্বর পুরোপুরি মিলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে প্রতি ২৯২ মিলিয়নে ১ বার। ৬ অঙ্কের মধ্যে ৩টি মিলে গেলেও বাকি ৩টি মেলার সম্ভাবনা হয়তো আপনি নিজে নিজেই হিসাব করবেন। ভাববেন অর্ধেক করে নিলেই হয়। অর্থাৎ সম্ভাবনা থাকে প্রতি ১৪৬ মিলিয়নে ১ বার। কিন্তু এটা ভুল। এতে সম্ভাবনা হবে ৬০০-তে ১ বার। মানসিক বিষয়টা হলো, মাত্র ৩টি নম্বর মিলে গেলেই মানুষ ভাবেন, তারা জয়ের কাছাকাছি ছিলেন। ২. সূক্ষ্ম সম্ভাবনার হিসাবে করতে পারে না মস্তিষ্ক : মানুষের মস্তিষ্ক সংখ্যা বিষয়ে তুলনামূলক হিসাব সহজেই করতে পারে। যেমন- ১০ জন সেনা বনাম ১০০ জন সেনার যুদ্ধে কি হতে পারে তা আমরা সহজেই ধারণা করতে পারি। কিন্তু বিশাল মাপের সংখ্যা নিয়ে মস্তিষ্ক হিসাবের পার্থক্য বুঝতে পারে না। ২ হাজারের মধ্যে ১ এবং ২৯২ মিলিয়নের মধ্যে ১-এর পার্থক্য স্পষ্ট বুঝতে পারবে না মগজ। কাজেই লটারি কেনার পর কোনো মানুষ বুঝতে পারেন না তার জেতার সম্ভাবনা কতটা কম। ৩. সহজলভ্যতা দ্বারা প্ররোচিত হই আমরা : কোনো ঘটনা সম্পর্কে আমরা যত বেশি জানি, তত বেশি বিশ্লেষণ করতে পারি। তথ্য-উপাত্তের এই সহজলভ্যতা আমাদের ধারণা পোষণ করতে প্ররোচিত করে। পাওয়ারবলের জ্যাকপট প্রাইজ জেতার প্রসঙ্গে আসলেই আমরা দেখি, স্বল্প সংখ্যাক মানুষ এটি জিতেছেন। তাদের নিয়েই ভাবি আমরা। কিন্তু যে অসংখ্য মানুষ জেতেননি তাদের নিয়ে ভাবনা আসে না মনে। এর কারণ বিজয়ীদের নিজেই নানা তথ্য ও খবর প্রচারিত হতে থাকে। তাদের সম্পর্কে তথ্য পাই আমরা। এখন প্রশ্ন হলো, আমাদের কি লটারির টিকেট কেনা উচিত নয়? এটা যার যার ব্যক্তিগত ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে বলে জানান উইলিয়ামস। সম্ভাবনা নেই বলে যে টিকেট কেনা বন্ধ করতে হবে, বিষয়টি তাও নয়। এটা এক ধরনের জুয়া। আরো মারাত্মক সব জুয়ার খেলার ধরন রয়েছে। তার চেয়ে লটারির বিষয়টি বরং অনেক কম ক্ষতি করে। এতে সামান্য অর্থ খোয়া যায়। অন্যদিক থেকেও বলা যায়, বিনোদনের জন্যে লটারি দারুণ সস্তা মাধ্যম। অর্থাৎ, অতি সামান্য পরিমাণ অর্থ খরচ করে আপনি লাখপতি হওয়ার স্বপ্নে বিভোর হলেন। এটা বেশ আনন্দদায়ক। আবার না পেলেও বেশি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ার যন্ত্রণা নেই। তবে একে নিয়ে খুব বেশি আশাবাদী হওয়ার প্রয়োজন নেই। তাতে সুখ নষ্ট হয়। বিলিয়নিয়ার মার্ক কিউবান দারুণ একটা কথা বলেছেন, ধরুন আপনি গতকাল সুখী ছিলেন। কিন্তু আগামীকাল সুখী নন। এর কারণ পয়সার কারণে। এটা সত্যিকারের সুখ ছিল না।
বিঃদ্রঃ- যদি কেউ লটারী কিনবেন ভাবছেন, আপনাকে জিততেই হবে। যেভাবেই হোক আপনার জেতার লাগবেই। তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আমরা চেষ্টা করবো আপনাদের মনে আশা পূরণ করতে। আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন আমাদের যোগাযোগ পেজে গিয়ে।। ধন্যবাদ।।
Share this...

Trataka is the best Pursuit in the world

                     আমরা ইতিপূর্বে ত্রাটক সাধনা সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য আমাদের ওয়েবে শেয়ার করেছি, এরপরেও আমাদের নিকট প্রতিনিয়ত রিকোয়েষ্ট আসছে ত্রাটক সর্ম্পকে জানার জন্য। আমরা বিনিত ভাবে অনুরোধ করছি, আপনারা ত্রাটক সাধনা সর্ম্পকে যা কিছু অনলাইনে আমাদের ওয়েবে রয়েছে এর বেশি কিছু জানতে চাইবেন না। কারন বর্তমানে এক সন্তানের অসংখ্য জননী তৈরী হয়েছে, এমনটাই দাবি বাংলাদেশে হচ্ছে। কারন যেখানে ত্রাটক সাধনার জন্ম ও উত্থান থার্ড আই রেডিয়েশন এবং এশিয়া মহাদেশে এর একমাত্র পরিবেশক মন্ত্রগুরু এ্যসোসিয়েশন। এরপরেও হাজারো ফেবু আইডি পেইজে দেখা যাচ্ছে ত্রাটক প্রশিক্ষণের জন্য কোর্স ছেড়েছে কতিপয় ওহি প্রাপ্ত গুরু, এবং অন্য এক শ্রেনীর দিব্যজ্ঞানি তান্ত্রিক মহাসম্রাট মহাগুরু গণ ত্রাটক সাধনার নাম পরিবর্তন করে ভিন্ন নামে যেমন মায়া সাধনা, থার্ড আই, তৃতীয় নেত্র, ইত্যাদি হৃদয়গ্রাহী চিত্তাকর্ষক নামে ত্রাটক সাধনার ফলাফলের বিকল্প শুরু করেছে যা সম্পূর্ণই ভুয়া উজভুকি বিষয়। আমরা ত্রাটক সাধনার বিষদ বিবরনী ওয়েবে প্রকাশের পর হতেই মহাজ্ঞানী গন এই সকল কনটেন্ট সামান্য পরিবর্তন পরিবর্ধন করে স্যোসাল মিডিয়ায় প্রচার করছে এবং স্ব ঘোষিত মহাগুরু শিরোমনী বিভিন্ন ভারতীয় তান্ত্রিক বইয়ের নাম দিয়ে সাইট চালাচ্ছে। সেই সাথে অনেকেই মেডিটেশন ও যোগ সাধনাকেই ত্রাটক সাধনা বলে চালিয়ে দিচ্ছে বা সর্বসাধারনকে বোঝাচ্ছে। মনে রাখবেন ত্রাটক সাধনা সর্বময় ক্ষমতার উৎস। সকল কিছুর সম্ভব ত্রাটকে। অপরদিকে যোগা বা মেডিটেশন শারীরিক ও মানুষিক স্থীরতা ও চিত্তকে নির্দিষ্ট বিষয়ে নিবিষ্ট করার জন্য একটি ছক মাত্র। এই সকলের সাথে ত্রাটক সাধনার কোন প্রকার মিল বা সঙ্গতী নেই। ত্রাটক সাধনা সেই সাধনা যা দ্বারা আপনার জীবনের যে কোন ধরনের প্রয়োজন পূরন করতে পারেন। হতে পারে সেটি আপনার ভালোবাসার মানুষকে নিয়ে, স্ত্রী সন্তান নিয়ে, ব্যবসা বানিজ্য নিয়ে, পরিবারের বা নিজের শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে, চাকুরী নিয়ে, সহায় সম্পদ নিয়ে, রাজনৈতিক ইশ্যু নিয়ে, মামলা মোকদ্দমা নিয়ে, আধ্যাত্মিক বিষয়, জীন ভুত, আত্মা, গ্রহদোষ, দুর্ঘটনা ইত্যাদি যে কোন সমস্যার সমাধান অনায়েসে নিজেই নিজের সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। বর্তমান সময়ে এটি প্রতিটি মানুষের সবচাইতে বেশি জরুরী এই কারনে যে, আপনি আপনার কোন সমস্যা নিয়ে যার কাছে যাবেন সে কতটুকু সঠিক বা আসল তা বোঝা বা খতিয়ে দেখা আমাদের পক্ষে সম্ভব হয় না। শতকরা ৯৯% তান্ত্রিক বা কবিরাজ এখন ভন্ড। এক্ষেত্রে নিজেই নিজের সমস্যা সমাধান করাই স্রেষ্ট উপায়। সুতারাং আর বিলম্ব না করে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন imo 01757786808/ 

মুসলিম ‌পরী ‌সাধনা ১১ ‌দিনের ‌সাধনা

... মুসলিম পরী সাধনা . 
সমাজে খোব জনো প্রিয় হয়ে উঠেছে পরী সাধনা . যা হাজার বছর আগের চিরন্ত সত্য
পরী সাধনা সময় অন্তত কম লাগে নিয়ম নিষেদ নেই বল্লেই চলে .তবে গোপনিয় তা রক্ষা
করতে না পারলে কোন শল্তিই কাজে আসবে না. সবার জীবনে রয়েছে কিছু সপ্ন কিছু আশা
আমরা কেউই সেই সকল ইচ্ছা পরুন করতে পারি না. তার কনো এক মার্ত উপায় হলো পরী সাধনা
যা করতে পারলে সাধকের সকল ইচ্ছা পুরন হনে ইনশা আল্লাহ.
। পরী সাধনা
পরী সাধনা মন্ত এই সাধানার দ্বার সাধন একটি
অপরূপা মায়াবিনী,মিষ্টি ভাষি,এলো চুল পড়া
পরিকে বশিভূত করে স্ত্রী রূপে রাখতে
পারবেন। এবং
তার দ্বারা অনেক কাজ করাতে পারবেন। মন্ত্র যে
ভাবে আছে ঠিক সে ভাবেই উচ্চারণ করতে হবে
অন্যথা মন্ত্রে কাজ হবেনা। (পরিক্ষিত)
মন্ত্রঃ
মেঘ জটা আধা হরি- পূষ্পা কিংবা অপসরা ধরি,
হামারা শব্দ তিস্তা গড়; জল পরি ফুল পরি শিঘ্র ধর!
ত্রিজটা ফুল পরি- সঙ্গ দে হামারি;যা দেহি তুই
আসবি-মামুলি হয়ে বসবি"মেরা ভক্তি গুরুকা শক্তি-
ভজস্য কর হামারা মুক্তি; শ্রীদাম আগ্গা গুরুর পার-
কালী অর চান্ডালী-জ সিদ্দিকি করে যা-নতো বা
শিবজীকা মাথা খা।দোহাই মহাম্মাদ দোহাই
সোলেমান।
নিয়মঃ এই সাধনা খোব সহজ যা আপনারা
এই সাধনা করে সকলে সফল হতে পারবেন
তাতে কোন সনদেহ নেই কারন এটা বহু।
পরীখিতো
সাধনা। এসাধনা করার ৫/৭দিনের মধে পরী এসে
সাধকে দেখা দিবে
ও সাধকের বস হবে। তা ১০০%গেরান্টি
এই সাধনা কোন দিন বিফল হয় নাই হবেও না। এই
সাধনা সঠিক নিয়ম ও গুরুর অনমতি নিতে। হাদিয়া
দিতে হবে
আপনারা যদি এই সাধনা করতে চান আমার
সাথে যোগা যোগ করবেন। ইনবক্স বা সুদু ইমু
নাম্বার
01757786808 সরা সরি চেম্বার খুলনা খারিস পুর।।
gmail.montrogurubd12@gmail.com

পুরাতন পোষ্ট গুলি দেখুন