প্রবল ‌‌বশীকরন

.প্রবল বশিকরন------
আপনি কী প্রেমে ব্যর্থ আপনার / প্রেমিক
অথবা / প্রেমিকা কী আপনাকে ছেরে অন্য কারো সাথে পরকীয়ায় আশক্ত,,,,,,,,,,
এই জন্য কী আপনী এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে আপনি এই দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করবেন,,,,,,,,
এমন কী আপনার স্ত্রী কী আর আপনার সংসার করতে চাচ্ছে না,,,,,,,
এমনকী আপনার স্ত্রী আপনাকে ছেরে চলেও গেছে আপনি কী কিছুই বলতে পারছেন না,,,,,,,,,,,,
আমি সৈয়দ আলী আহমাদুল্লাহ্,,,,,,,
থাকতে কিসের এত দুসচিন্তা এখন থেকে আপনার সমস্যার সমাধান আপনি নিজেই করতে পারবেন,,,,,,,,,,,
হয়তো বলবেন কী ভাবে,,,,,,,,,,
রাতের যে কোন সময় হাতে ৩০ মিনিট সময় নিন,,,,,,,,,,,,
একটি মাটির পাতিলে বড়ই কাটার খড়ি দিয়ে আগুন জালান,,,,,,,,,
সামনে ধূপকাঠি জালান,,,,,,,,,,,,,
এবার ১০০ গ্রাম লবঙ্গ নিন,,,,,,,
এবার একটি করে হাতে লবঙ্গ নিয়ে মন্ত্র জপ করুন আর একটি করে লবঙ্গ আগুনে নিক্ষেপ করুন আর মাঝে মাঝে ধূপ আগনে নিক্ষেপ করুন,,,,,,,,,,
মাত্র ৭২ ঘন্টার মধ্যে আপনার প্রেমিক অথবা প্রেমিকা আপনার,,,,,,,,,,,,,,,,
কিন্তু মনে রাখবেন এই মন্ত্রটা খুবই শক্তিশালী এই মন্ত্রটা কেউ ৩ দিনের বেশি খাটাবেন না,,,,,,মন্ত্রঃমন্ত্র মন্ত্র মায়া মন্ত্র।
চারখানা বড় কিতাব আসমানি গ্রন্থ।
আসমানি গ্রন্থের টানে-
ফলনার কন্যা ফলনার অন্তর জ্বলে।
আসমানি গ্রন্থের টানে অমুকের কন্যা অমুক
আমার এস্কে মহব্বতে পড়ে।
বিল বিল বিলাতি –
অমুক কো আসমানি জাদু খিলাদি।
যদি অমুক আমার বশিভুত না হয়।
দোহায় আজরাইল আজাজিলের মাথা খায়।
এতে যদি আপনার কাংক্ষিত ব্যক্তি মঙ্গলগ্রহেও থাকে আল্লাহ্ তায়ালার কশম তিন দিনের মধ্যে আপনার চরণে হাজির হবে ইনশাআল্লাহ্,,,,,,,,,,,
বি:দ্র:----------
মনে রাখবেন এই মন্ত্রটি কোন না জাহেজ কাজে ব্যবহার করলে সাধকের ক্ষতির আশংক্ষা রয়েছে,,,,,,,,
যাদের এই মন্ত্রটা খুবই প্রয়োজন তারা,,,,,,,,,
ইনবক্স করুন অথবা,,,,,,01757786808
চেম্বার.খুলনা .খালিস পুর

নিজে ‌‌গেয়েব ‌হবার ‌মন্ত


                      নিজে গায়েব হওয়ার মন্ত
নিজে গায়েব হওয়ার মন্ত্র
মন্ত্রঃ কুহুং বিহারী। হামারা কুরদে বিহারী। হেচার
নাহি মেরা চিহারি। তো সবকো শিষ্ট্রা বৃথা
জাউংগো।। বিঃদ্রঃ এই মন্ত্র অমাবস্যা রাতে বা
যে কোন শনি বা মঙ্গলবার প্রসিদ্ধ গুরু দ্বারা
চন্ডিবরন করে নিতে হবে।তারপর গুরু এর দেয়া বিধি-
অনুযায়ী কাজ করলে ১০০% কাজ করবে। অনেক বার
পরীক্ষিত। কিন্তু এই কাজ সব সময় করা যাবে না।যখন
সিদ্ধ গুটিকা সিদ্ধিপ্রাপ্তির সাথে থাকবে তখন সে
গায়েব হতে পারবে। এই কাজ অত্যন্ত সহজ। যাদের
গায়েব হওয়ার ইচ্চা কিন্তু পারছেন না। তারা আজই
যোগাযোগ করুন।।  তবে যে কোন তন্ত মন্ত করেন না কেন
প্রথমে গুরুর অনমতি নিতে হবে ও আপনার নামে চন্ডিবরন
করতে হবে তবেই যে কোন মন্ত কাযকর হবে।

মন্ত গুরু জ্বিন সাধক। তান্তুক গুরু আজিজ রহমান
তন্ত মন্ত কালো যাদু তাবিজ তদবির ও জ্বিন চালানের মাধমে কাজ করা হয় যে কোন কঠিক কাজ ১/৭দিনে ১০০%গ্যরান্টিতে করা হয়। আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলাইনে মাধমে তদবির ও যে কোন সমসার সমাধান পেতে পারেন।  এমন কি যে কোন তন্ত মন্ত সাধনা শিখে নিজেও তান্তিক হতে পারবেন।  আজি যোগা যোগ করুন।  রাজশাহী বাগ মারা হাসপাতাল রেড...  যোগা যোগ
montroguro7@gmail.com..call.. 01757786808/ 

মহা আকর্ষন বিদ্যা

.....আকর্ষন মহাবিদ্যাঃ
এটা একটি কুফরি মন্তু অন্নাই কাজে মন্তু বেবহার করবেন না.
মন্ত্রঃ ওঁ সোহহং ফট্
রুদ্রায় স্বাহা।।
বিধিঃ প্রথমে উপরোক্ত
মন্ত্রটি ১০০৮ (হাজার আট)
বার জপ করে সিদ্ধ করে
নিতে হবে। এরপর কৃষ্ণ
ধুতুরার পাতার রস ও
গোরোচনা একত্র করে
করবীর ডাল দ্বারা কলম
তৈরী করে ভূজপত্রে
উপরোক্ত মন্ত্র সহ যার নাম
লিখবে, সে নারী বা পূরুষ
শত যোজন দুরে থাকলেও
আকর্ষিত হয়ে কাছে চলে
আসবে।
এখানে উল্লেক্ষ্য
যে অবশ্যই কোন সিদ্ধ গুরুর
নিকট হতে প্রথমে অনুমতি
প্রাপ্ত হয়ে কাজে হাত
দিবে এবং পর স্ত্রীর উপর
এর প্রয়োগ করবে না.. এটা বহু পরিক্ষিতো কুফরি মন্তু যা কারার সংগে সংগে কাজ করে . আপনাদের যে কোন দিদ্যা পশিক্ষনের জনো যে কোন সমস্যা সমাধানের জনো যোগা যোগ করুন মন্ত গুরু .ইুমু 01757786808

এিফলা ‌সকল ‌রোগের ‌মহা ‌ওষদ

এিফলা র  ু
  • অনলাইন   
প্রতিদিন ত্রিফলা খান, তারপর দেখুন কী হয়!
শরীরকে রোগ মুক্ত রাখতে ত্রিফলার বাস্তবিকই কোনও বিকল্প নেই। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে এর এত কদর। তিনটি ফলকে শুকিয়ে নিয়ে তারপর তা গুঁড়ো করে একসঙ্গে মিলিয়ে যে শক্তিশালী মিশ্রনটি তৈরি করা হয়, তাকেই আযুর্বেদ শাস্ত্রে ত্রিফলা নামে ডাকা হয়ে থাকে। 
কি কি ফল ব্যবহার করে ত্রিফলা বানানো হয়?  সাধারণত আমলকি, হরিতকি এবং বহেরা একসঙ্গে বানানো হয় এই ঔষধিটি, যাতে একাধিক ভিটামিন এবং মিনারেল ছোট-বড় নানা রোগকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে এতে উপস্থিত গ্যালিক অ্যাসিড, ইলেগিক অ্যাসিড এবং চেবুলিনিক অ্যাসিড ত্বক এবং চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতেও কাজে আসে। 
ক্ষত সেরে যায় চোখের নিমেষে : অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটারি এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদানে টাসা হওয়ার কারণে এই মিশ্রনটি খাওয়া শুরু করলে শরীরের এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে ক্ষত সারতে সময় লাগে না। এই কারণেই তো চোট বাচ্চাদের নিয়মিত এই আয়ুর্বেদিক মিশ্রনটি খাওয়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে : রক্তচাপ কি ওঠানামা করে? তাহলে নিয়মিত ত্রফলা খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগবে না। এই মিশ্রনটিতে লাইনোলিক অ্যাসিড, শরীরে প্রবেশ করা মাত্র এমন খেল দেখায় যে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা কমে। 
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : নিয়মিত ত্রিফলা খাওয়া শুরু করলে দেহের পুষ্টিকর উপাদানের মাত্রা এতটা বেড়ে যায় যে তার প্রভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। ফলে ছোট-বড় রোগব্যাধির প্রকোপ কমে চোখের নিমেষে।
ক্যান্সারকে কাছেই আসতে দেয় না : নিয়মিত খালি পেটে এই আয়ুর্বেদিক চূর্ণটি খাওয়া শুরু করলে শরীরের এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে ক্যান্সার সেল জন্মে নেওয়ার কোনও সুযোগই পায় না। আর একবার যদি জন্ম নিয়েও ফেলে তাহলেও তার বৃদ্ধি আটকে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই মারণ রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।
খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করে : ত্রিফলার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট একদিকে যেমন এল ডি এল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। তেমনি হার্টে যাতে কোনওভাবেই প্রদাহ সৃষ্টি না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই কোনও ধরনের করনারি আর্টারি ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।
কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রকোপ কমায় : সকালটা যদি আপনার কাছে অভিশাপের সমান হয়, তাহলে আজ থেকেই ত্রিফলা চুর্ন খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলবে। যে বাওয়েল মুভমেন্টের উন্নতি ঘটানোর মধ্যে দিয়ে কনস্টিপেশনের মতো রোগের চিকিৎসায় এই হার্বাল মিশ্রনটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। কোলোনকে পরিশুদ্ধ করার মধ্যে দিয়ে আরও নানা ধরনের রোগের আশঙ্কা কমাতেও ত্রিফলার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।
ওজন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমে : অতিরিক্ত ওজনরে কারণে যদি চিন্তায় থাকেন, তাহলে ডায়েট কন্ট্রোলের পাশাপাশি আপনার প্রথম পছন্দ হওয়া উচিত ত্রফলা চুর্ণ। কারণ নিয়মিত এই প্রাকৃতিক উপাদানটি গ্রহণ করলে বাওয়েল মুভমেন্টের উন্নতি ঘটে। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটার কারণে শরীরে মেদ জমার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন কমতে শুরু করে।
দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে : এক গ্লাস গরম পানিতে ১-২ চামচ ত্রিফলা গুঁড়ো মিশিয়ে সারা রাত রেখে দিন। পরদিন সকালে উঠে পানিটা ছেঁকে নিয়ে ভালো করে চোখ পরিষ্কার করুন। এইভাবে নিয়মিত চোখের পরিচর্যা করতে পারলে দেখবেন দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটতে সময় লাগবে না। সেই সঙ্গে চোখের সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও যাবে কমে।
অ্যাংজাইটি এবং স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণে চলে আসে : নিয়মিত খালি পেটে ত্রিফলা খাওয়ার অভ্যাস করলে শরীরের অন্দরে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যা ব্রেন পাওয়ার বাড়ানোর পাশাপাশি মানসিক ক্লান্তি এবং স্ট্রেস কমাতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়।  ু‌

মনের সকল ইচ্ছা পুরনের আমল

            সমানিতো ভিজাটার গন . আপনাদের জনো ইসলামি আমলের মাধমে সকল সৎ ইচ্ছা পুরনের আমল পোষ্ট করেছি যা 100%পরিক্ষিতো..
মনের আশা পূর্ণ হওয়ার জন্য সূরা ইয়াসিন!!
দৈনন্দিন জীবনে আমাদের অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় | অনেক কষ্টের মাঝে আমরা মাঝে মধ্যে দিশা হারিয়ে ফেলি | কষ্টের কথা আমরা আশেপাশের মানুষকে বলে বেড়াই এবং তাদের সান্তনা নেই | কিন্তু আমরা ভুলে যাই এমন একজন আছেন যিনি আমাদের সকল কষ্ট দূর করার মালিক | যার দয়া যার রহমত সব কিছুর উর্ধে | যিনি কখনো তার বান্দার খারাপ চান না | আর তিনি আর কেউ নন আমাদের সারা জাহানের মালিক মহান আল্লাহ পাক |
আল্লাহ পাক যেমন বিপদ দেন তেমন বিপদ উত্তরণের পথ ও তিনি করে দেন | তাই কখনো নিরাশ না হয়ে একমনে আল্লাহ কে ডাকা উচিত | উনাকেই সকল কষ্টের কথা বলা উচিত |
বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ও মহান আল্লাহ তা আলা কোরান শরীফ এ বিভিন্ন সূরা আমাদের জন্য দিয়ে দিয়েছেন | আজ আমি এমন একটি সূরার কথা বলবো যেটি পরে আপনি আল্লাহর কাছে দুআ চাইলে আল্লাহ অবশ্যই আপনার নেক ইচ্ছা কবুল করে নিবেন ইন শা আল্লাহ যদি আপনার করা দুআ টি আল্লাহ আপনার জন্য মঙ্গলজনক মনে করেন | আর এই আমলটি করে আমিও অনেক উপকৃত হয়েছি আলহামদুলিল্লাহ |
কোরান শরীফের একটি বিশেষ দুআ হচ্ছে সূরা ইয়াসিন | যার ফজিলত কম বেশি আমরা সবাই জানি | এই সূরাটি ৪১ বার পাঠ করে আপনি আল্লাহর কাছে যদি নেক দুআ করেন ইন শা আল্লাহ আল্লাহ আপনার দুআ কবুল করে নিবেন | একবারে যে সূরাটি ৪১ বার পাঠ করতে হবে এমন কোনো কথা নেই | আপনি কতদিনে সূরাটি ৪১ বার পাঠ করতে পাঠ করতে পারবেন এটি সম্পূর্ণ আপনার উপর | তবে যেদিন থেকে আপনি সূরা ইয়াসিন পাঠ করা শুরু করবেন তার আগে অবশ্যই দুরুদে ইব্রাহিম ১১ বার পাঠ করে আল্লাহর কাছে এভাবে দুআ করে নিবেন যে আল্লাহ আমি এই উদ্দেশ্যে সূরা ইয়াসিন পাঠ করছি | আপনি এই সূরার বরকতে এবং রহমতে আমার এই নেক ইচ্ছাটি কবুল করে নিয়েন |
আবার যেদিন আপনার ৪১ বার সূরা ইয়াসিন পাঠ করা শেষ হবে সেদিন আবার ১১ বার দুরুদে ইব্রাহিম পরে আল্লাহর কাছে দুআ করবেন | অনেকেই আছেন সূরা ইয়াসিন বাংলা তা দেখে পাঠ করেন তাতেও অসুবিধা নেই তবে ভালো হয় আরবি দেখে পাঠ করলে | কারণ অনেক সময় বাংলা দেখে পাঠ করে টান গুন্নাহ ঠিক থাকে না |
অনেকেই হয়তো জানেন না দুরুদে ইব্রাহিম কোনটা | যেই দুরুদ আমরা সবসময় নামাজে পড়ি সেটাই দুরুদে ইব্রাহিম | আর মনে রাখবেন আমলটি করার পাশাপাশি ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবেন | আমলটি করার মাঝে যদি আপনার দুআ কবুল ও হয়ে যায় তাও আপনি ৪১ বার পড়া শেষ করবেন |
যেমন মনে করুন ১৮ বার পড়ার পর আপনার দুআ কবুল হয়ে গেলো তারপর আপনি ৪১ বার পড়ে শেষ করবেন | আর আমল টি করার সময় অবশ্যই মনে এই বিশ্বাস রাখবেন যে আল্লাহ আপনার দুআ অবশ্যই কবুল করবেন |
সবশেষে বলতে চাই সব কিছু দেয়ার মালিক আমাদের রাব্বুল আলামিন | তাই যে কোনো আমল করার সময় মনে রাখতে হবে আল্লাহ ভালো মনে করলেই আমরা সেই জিনিসটা আমাদের জীবনে পাবো | তাই কোনো সময় কিছু না পেলে আশাহত হওয়া যাবেনা | সবসময় মনে রাখতে হবে আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন | তাই যতদিন পর্যন্ত দুআ কবুল না হয় আল্লাহর কাছে দুআ করে যাবেন | ইন শা আল্লাহ একসময় না অ আপনার দুআ আল্লাহ অবশ্যই কবুল করবেন যদি সেটি আপনার জন্য আল্লাহ ভালো মনে করেন |।
[ যেকোনো প্রশ্ন ও পরামর্শে যোগাযোগ নাম্বার : 01757786808

তান্তিক ‌গুরু ‌আজিজ ‌রহমান

.


তান্তিকক গুরু আজিজ রহমান
তন্ত মন্ত কালো যাদু তাবিজ টোটকা ও
জ্বিন চালানের মাধমে কাজ করানহয়
১★ প্রম ভালোবাসায় ব্যথ্য ★বশীকরণ ★
২★/ স্বামী,স্তীর অমিল সংসারে অশান্তি ★
৩★/ মনের মানুষকে প্রমে বা বিবাহে রাজি করা ★
৪★/ স্বামী, স্তীর অবধ্য সম্পক নষ্ট করা ★
৫★/ দুই ব্যক্তির মধে বিচ্ছেদ করা ★
৬★/ যে মহিলাদের ছেলে সন্তান হয় না তদবির
দেয়া
৭★/ ছেলে মেয়ের লেখা পরায় মন বসে না ★
৮★/ পরীখায় ও মামলায় জয় লাভ ★
৯★/ যাদু টোনা জ্বিন পরীর আচর থেকে চির
মুক্তি
১০★/ যে কোন জটিল ও কঠিন রোগ থেকে
মুক্তি★
১১★/ শত্রুর হাত থেকে মুক্তি
১২★/ শত্রুকে বান মারণ ও খতি করা ★
১২★/ নিখুজ বা পালাতক ব্যক্তি কে হাজির করা ★
১৩★/ চোর ধরা ও চোকে চিনার তদবির ★
১৪★/ চোরা ই মামা মাল ফিরে পাবার তদবির ★
১৫★/ জুয়া বা লটারী জয় লাভ করার তদবির ★
আরো অনেক কঠিন সমসার সমাধান করা হয় ১/৭
দিনের
গ্যরান্টিতে কাজ করা হয় বিফলে মুলো ফেরত ও
জ্বিন পরী কালি দেবি বিভিনো সাধনা শিখানো ও
জ্বিন পরী চালান করে দেয়া হয়। আজি যোগা
যোগ
করুন।
তান্তিক গুরু ও কবিরাজ আজিজ রহমান।
ঠিকানা খুলনা খারিস পুর বাজার রোড়...২৫/৩.....
যোগা যোগ শুধু ইমু নাম্বার imo/01757786808
montrogorbd12@gmail.com.
আপনার যে কোন দেশ বা জেলা থেকে
অনলাইনের
মাধমে তদবির ও যে কোন সমসার সমাধান পেতে
পারেন। ধন্যবাদ

কালো ‌জাদু ‌কি

জন দ্য এবং এডওয়ার্ড কেল্লি একটি গির্জা কবরস্থানে একটি আত্মা আহ্বান একটি জাদু বৃত্ত অনুষ্ঠান ব্যবহার করে।কালো জাদু বা অন্ধকার জাদু হলো এমন এক ধরনের চর্চা যা অন্যের অনিষ্ট সাধনে কিংবা নিজের স্বার্থ সিদ্ধির জন্যে করা হয়। এটি অতিমানবিক ও অশুভ শক্তির সংশ্লিষ্টতা । কালো জাদু সাধারনত অতিমানবিক শক্তি দ্বারা করা হয় । তবে অনেকে বলেন এতে ভূত, প্রেত, আত্মা, প্রেতাত্মা ব্যবহার করা হয় । অর্থাৎ বলা হয়ে যে কালো জাদু দিয়ে ভুত, প্রেত, প্রেতাত্মা ইত্যাদি বশ করে তাদের দিয়ে নানা কাজ করা যায়। যারা কালো জাদু করে তাদের কালো জাদুকর বলা হয়।কালো জাদু ঐতিহ্যগতভাবে অলৌকিক শক্তি বা মন্দ এবং স্বার্থপর উদ্দেশ্যের জন্য জাদুর ব্যবহার উল্লেখ করা হয়েছে।[১] বাম দিকের পথ এবং ডান দিকের পথ ডাইকোটোমির ক্ষেত্রে, কালো জাদুটি দয়ালু সাদা জাদুটি দূষিত, বাম দিকের অংশ। আধুনিক সময়ে, কেউ কেউ "কালো যাদু" সংজ্ঞাটিকে "কালো যাদু" হিসাবে অস্বীকার করে। এমন যাদু বা রীতিগত অনুশীলনগুলিকে সংজ্ঞায়িত করে, তাদের দ্বারা সংকুচিত করা হয়েছে।[২]
কালো জাদু ঐতিহ্যগতভাবে অলৌকিক শক্তি বা মন্দ এবং স্বার্থপর উদ্দেশ্যের জন্য জাদুর ব্যবহার উল্লেখ করা হয়েছে।[১] বাম দিকের পথ এবং ডান দিকের পথ ডাইকোটোমির ক্ষেত্রে, কালো জাদুটি দয়ালু সাদা জাদুটি দূষিত, বাম দিকের অংশ। আধুনিক সময়ে, কেউ কেউ "কালো যাদু" সংজ্ঞাটিকে "কালো যাদু" হিসাবে অস্বীকার করে। এমন যাদু বা রীতিগত অনুশীলনগুলিকে সংজ্ঞায়িত করে, তাদের দ্বারা সংকুচিত করা হয়েছে।[২]

পুরাতন পোষ্ট গুলি দেখুন