মেডিটেশন ‌কি ‌কে‌নো ‌করবেন ‌মেডিটেশন.

.  


মেডিটেশন কী? কেন মেডিটেশন করা প্রয়োজন? সাথে মেডিটেশনের জন্য

মেডিটেশন কী?

মেডিটেশন হচ্ছে মনের ব্যায়াম। নীরবে বসে সুনির্দিষ্ট অনুশীলন বাড়ায় মনোযোগ, সচেতনতা ও সৃজনশীলতা। মনের জট যায় খুলে। সৃষ্টি হয় আত্মবিশ্বাস ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি। হতাশা ও নেতিবাচকতা দূর হয়। প্রশান্তি ও সুখানুভূতি বাড়ানোর পাশাপাশি ঘটে অন্তর্জাগৃতি।
প্রাচ্যের সাধনা আর আধুনিক বিজ্ঞানের নির্যাসে সঞ্জীবিত কোয়ান্টাম মেথড মেডিটেশন প্রক্রিয়া। সাধকদের সাধনা ও মনোবিজ্ঞানের প্রক্রিয়ার সমন্বয়ের ফলে সহজে মেডিটেটিভ লেভেলে পৌঁছে আত্মনিমগ্ন হওয়া যায়। গভীর আত্মনিমগ্নতা আত্মশক্তির জাগরণ ঘটায় ভেতর থেকেই। আর অন্তরের জাগরণ বদলে দেয় জীবনের বাকি সবকিছু।

মেডিটেশন কী? কেন মেডিটেশন করা প্রয়োজন?

মেডিটেশন হলো সচেতনভাবে দেহ মন এবং মস্তিষ্ককে শিথিল করার আধুনিক বৈজ্ঞানিক এবং সহজ প্রক্রিয়া। মেডিটেশনের মাধ্যমে আমরা আমাদের শরীরকে শিথিল এবং মন ও মস্তিককে প্রশান্ত করতে পারি। ফলে টেনশন অস্থিরতা মুক্ত হয়ে আমরা সচেতনভাবে দেহ-মনে সুখানুভূতি তৈরি এবং সবসময় তা উপভোগ করতে পারি। দৈনন্দিন জীবনে প্রতিটি কাজ করতে পারি আনন্দ নিয়ে, পেতে পারি সহজ সাফল্য। অর্থাৎ শারীরিক মানসিক বৈষয়িক প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রশান্তিতে থাকার জন্যে, মেডিটেশন হচ্ছে দেহমনে সে অবস্থা সৃষ্টির একটি সহজ বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া।
যেমন, টেনশন। মেডিটেশনের প্রথম লাভই হলো টেনশনমুক্তি। বলা হয় টেনশন ও শিথিলায়ন একসাথে থাকতে পারে না। যে শরীরে টেনশন থাকে, সে শরীরে শিথিলায়ন থাকে না। আর শিথিল হলে টেনশন পালিয়ে যায়। আর আমরা এখন জানি, মনোদৈহিক ৭৫ ভাগ রোগের কারণই টেনশন। তাই মেডিটেশন করলে আপনি অনায়াসেই শতকরা ৭৫ ভাগ মনোদৈহিক রোগ যেমন মাইগ্রেন, সাইনুসাইটিস, ঘাড়ে-পিঠে-কোমরে বা শরীরের যেকোনো স্থানে দীর্ঘদিনের ব্যথা, হজমের সমস্যা, আইবিএস, এসিডিটি, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, অনিদ্রা প্রভৃতি রোগগুলো থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন। বা হলে নিরাময় হতে পারবেন। আর অন্যান্য রোগ নিরাময়েও ওষুধ ও সার্জারির পাশাপাশি সুস্থ জীবন-দৃষ্টি এবং মেডিটেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।   
একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আপনি মেডিটেশন করার মাধ্যমে শিখবেন অখণ্ড মনোযোগ ও অল্পসময়ে পড়া আয়ত্ত করার টেকনিক। একজন গৃহিণী হিসেবে আপনি মেডিটেশন করে পাবেন সুখী পারিবারিক জীবন যাপনের আনন্দ। একজন পেশাজীবী হয়ে সবসময় মাথা ঠান্ডা রেখে আপনি নিতে পারবেন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত। আর একজন সফল মানুষ হওয়ার জন্যে মেডিটেশনে মনছবি চর্চা করে আপনি আপনার জীবনের যেকোনো চাওয়াকে পরিণত করতে পারেন স্বতঃস্ফূর্ত পাওয়ায়।
আর ইবাদত উপাসনায় একাগ্রতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আত্মিক আধ্যাত্মিকভাবে আপনি অগ্রসর হতে পারেন ধ্যানের পথ ধরে। এভাবে একটি প্রশান্ত মন, সুস্থ জীবন ও কর্মব্যস্ত সুখী জীবন যাপনের জন্যেই আপনার প্রয়োজন মেডিটেশন করা।

আমি কীভাবে মেডিটেশন করতে পারি?

খুব সাধারণ কিছু নিয়ম অনুসরণ করে আপনি অনায়াসেই হারিয়ে যেতে পারেন মেডিটেশনের গভীরে। ধ্যানের শক্তিকে কাজে লাগাতে পারেন দেহের স্বাস্থ্য উদ্ধারে, মেধার বিকাশে, সম্ভাব্য সংকট নিরসনে, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে, চেতনার অভ্রভেদী বিস্তারে।
মেডিটেশনের প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে আপনাকে বেছে নিতে হবে একটা শান্ত নিরিবিলি জায়গা যেখানে কিছুক্ষণ সময় আপনি নিজের মতো করে কাটাতে পারবেন। প্রথমেই সহজভাবে বসুন। যেভাবে বসতে আপনি আরামবোধ করেন। এটা আপনি মেঝেতে বা বিছানায় বসতে পারেন বা পারেন চেয়ারে বসতে।s
শুরু করার আগে আপনার যেকোনো একটি আনন্দের ঘটনা বা স্মৃতিকে মনে করুন। মনে নিয়ে আসুন একটা আনন্দভাব।
এবার হালকাভাবে চোখ বন্ধ করুন। চোখের দুই পাতাকে ধীরে ধীরে জোড়া লেগে যেতে দিন। এবার নাক দিয়ে লম্বা দম নিন। আস্তে আস্তে মুখ দিয়ে দম ছাড়ুন। দম নিতে নিতে আপনি ভাবতে পারেন প্রকৃতি থেকে অফুরন্ত প্রাণশক্তি আপনার শরীরে প্রবেশ করছে। আর দম ছাড়তে ছাড়তে ভাবতে পারেন শরীরের সকল দূষিত পদার্থ বাতাসের সাথে বেরিয়ে যাচ্ছে। এবার কিছুক্ষণ ধীরে ধীরে নাক দিয়ে দম নিন, ধীরে ধীরে নাক দিয়ে ছাড়ুন। এবার মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করুন দমের ওপর। মনের চোখে কল্পনা করুন বাতাস কীভাবে নাক দিয়ে ঢুকছে, নাক দিয়ে বেরুচ্ছে। বাতাস স্বাভাবিকভাবে যাওয়া-আসা করুক। আপনি শুধু দমের প্রতি মনোযোগ দিন। এভাবে কিছুক্ষণ দম নেয়া এবং দম ছাড়ার পর আপনি অনুভব করবেন যে আপনার শরীর শিথিল হয়ে আসছে।
এখন আপনি কল্পনা করুন একটা চমৎকার প্রাকৃতিক পরিবেশ যেটাকে কল্পনা করলেই আপনার মন প্রশান্তি/ আনন্দে ভরে উঠবে। এটাকে বলা যেতে পারে আপনার মনের বাড়ি। যে স্তরে মনের যেকোনো কল্যাণমুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্রেনকে আপনি পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারবেন। যেমন- মনে মনে বলতে পারেন, এখন থেকে আমার স্মৃতিশক্তি বাড়বে। আত্মবিশ্বাস ও সাহস বাড়বে। আমার মনোযোগ বাড়বে। শরীর ও মন সবসময় সুস্থ থাকবে।
এবার জেগে ওঠার পালা। কিছুসময়- এটা ১০/ ১৫ বা ২০ মিনিটও হতে পারে-মনের এক চমৎকার প্রশান্ত অবস্থায় কাটিয়ে আপনি মেডিটেশন থেকে বাস্তবে ফিরে আসবেন।

মেডিটেশন করলে কী কী উপকার পাওয়া যায়?

মেডিটেশনের উপকার এক কথায় বলতে গেলে বহুমুখী ও বিবিধ। নিয়মিত মেডিটেশন করার ফলে আপনার জীবন হবে আরো সহজ, আরো সুন্দর, আরো উপভোগ্য। আপনি পাবেন সুস্থ দেহ, প্রশান্ত মন, কর্মব্যস্ত সুখী জীবন।
মেডিটেশনের শত উপকার দেখুন এখানে 
মেডিটেশন সম্পর্কে আরও জানতে কোয়ান্টাম মেথডের এই ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

মেডিটেশন শেখার জন্য আজি যোগা যোগ করুন ইমু 01757786808/ 


অদৃশ্য হবার কালো জাদু

.অদৃশ্য হবার কালো জাদু..
..অদৃশ্য হবার ইচ্ছে মানুষের ব‌হু দিনের কে বা না চায় এরকম কাজ করতে অনেকে আবার বিশ্বাসই করতে চানা .‌তবে আমি বলছি হে অদৃশ্য হওয়া যায়
এটা কালো জাদু ও সাধনা করেনিতে হবে এতে বিপত জনক ও বটে ..পুর্ব কালের মনি রিষি ও অনেক জাদু কর তান্তিক রা এই কালো জাদুর মাধমে অদৃশ্য হেয়েছে
এর প্রমান প্রচিন কালো জাদুর কিতাব ও বিজ্ঞানেও পাউয়া গেছে ‌. তবে আপনি জদি অদৃশ্য হতে চান তার জনো দর কার দির্গ আত্নবিশ্বাস ‌‌ ও ধোর্য ..
অদৃশ্য হওয়ার মন্ত্র
মন্ত্রঃ
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম। আলি বা তা ছা- ইয়া ফা ওয়া হা; ক্বাফ আলিফের হরফন- জ্বীন সূরার বাদশা। দোহাই কামাখ্যা মা; কেউ যেনো না দেখে মোরে- দেখলে মা পদ্মা হবে" রাবণের মহা স্বচ্ছর.! ডানে থাক ইসরাফিল- বামে থাক মনাইসা মা" শরীর এক্ষণি গায়েব হয়ে যা.! বাক্যের দাপটে বাক্য লড়ে; বাক্য যদি লড়ে চড়ে- দোহায় মা পদ্মার মাথা জটা; কার্তিকের পায়ে পড়ে।
নিয়মঃ
মন্ত্র ১২০০ বার পাঠ করে সিদ্ধি করে নিতে হবে। তারপর ১০৮ বার পাঠ করে প্রয়োগ করতে হবে। নোটঃ
আমার কাছে অনুমতি নিয়ে কাজ করতে হবে। অন্যথায় বিপদের সম্মুক্ষিন হতে হবে। মন্তু গুরু
দেশ বিদেশ থেকে কল করুন ..imo/ 01757786808

হিন্দু ‌‌বশীকরণ ‌মন্তু

হিন্দু বশিকরন
হিন্দু বশিকরনঃ “ওঁ নমো আদেশ গুরু কো সিদ্ধ মাতা স্তম্ভনি মোহিনী বশীকরণী .নাম. মোহিনী মম বশ্য করি করি ইচ্ছিত কার্য পূর্তি কুরু কুরু স্বাহা।।” প্রয়োগঃ প্রথমে গুরুর অনুমোতি প্রয়োজন, অনুমোতি চন্ডিবরন দিতে হবে। কালো জাদু সাধনা, কুফুরী যাদু মন্ত্র বান, আসমানি জাদু, লজ্জাতুন্নেছা কিতাব, তন্ত্র মন্ত্র সাধনা। এর শুরু যে কোন শুক্রবার করতে পারবেন। প্রথমে দশ হাজার বার মন্ত্র জপ করলেই মন্ত্র সিদ্ধি হয়। মন্ত্র সিদ্ধি করার জন্য নিজের সামনে কাঠের তক্তার উপর সাদা কাপর বিছিয়ে তার উপর একটি পাত্রের মধ্যে এক হাত জোড়ী রাখতে হবে এবং তার উপর কেশরের তিলক লাগাতে হবে। এবং ধুপকাঠি প্রদিপ জ্বালাতে হবে। এরপর রুদ্রাক্ষের মালায় জপ করতে হবে। দশ হাজার জপে এটি সিদ্ধ হয়। তখন ঐ একহাত জোড়ীকে কোন গোপন জায়গায় রেখে দিতে হবে। এবং যখন কাউকে বশ করতে হবে তখন ঐ একহাত জোড়ীর উপর অল্প কিছু চিনি বা বা দুধের তৈরী প্রসাদ অথবা পান/সুপারী বা যে কোন বস্তু রেখে এগারো বার মন্ত্র জপ করতে হবে। এবং নাম এর স্থানে বশ্য ব্যক্তির নাম উল্লেখ্য পূর্বক জপ করতে হবে। এবার যাকে বশ করতে চান সেই ব্যক্তিকে খাওয়াতে পারলেই আপনার মনোস্কামনা পূর্ন হবে।। প্রয়োজনে আমার সাথে যোগাযোগ করুনঃ তান্তিক গুরু আজিজ রহমান ..ইমু 01757786808

নজর বন্ধিরাখার মন্ত্র

নজর বন্ধিরাখার মন্ত্র
নজর বন্ধির মন্ত্র: নজর বন্ধি তুলা তুলা, চারি চোখে জোরি মিলা। অমুক আমার দিকেচা আমায় অন্যদিকে, বাড়াও যদি কারতিক গনেশের মাথা খাঁ। বিধি: প্রথমে গুরুর অনুমোতি প্রয়োজন, অনুমোতি নিতে চন্ডিবরন দিতে হবে। এই ‌মন্তু ‌খোব পাউয়ার ফুল মন্তু ..এই মন্তু দিয়ে ‌যে কোন মানুষকে ‌মার্ত তিন ঘন্টায় নিজের বশে আনতে পারবেন তা 100% গ্যারান্টি এই মন্তু
নিয়ম জানতে আমার সাথে যোগাযোগ করুন. আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে কালো জাদু .প্রশিক্ষন ও‌যে কোন তদবির করতে পারেন আরো জানতে কল করুন ..ইমু 01757786808

লটারী ও জুয়ায় জয় লাভ..

.                             

লটারি ও জয়া জয়লাভ করার মন্ত্র

লটারী জুয়া ও সাট্টার নাম্বার জানার সাধনা। আজকাল মানুষ খুব সহজেই ধনী হবার জন্য জুয়া, লটারী, সাট্টা ইত্যাদি বেছে নিয়েছে। যদি ও এই খেলা গুলো আইনগত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ তবু ও সানুষ এই সব খেলে। কখনো হারে আবার কখনো জিতে। এটি এক ধরনের নেশার মত। ভৈরোজীর সাধনা ও কালী সাধনা দ্বারা জানা যায় সঠিক লটারীর নাম্বার। লটারী সাট্টার নাম্বার জানতে কল করুন আমাকে।। আমি ভৈরোজীর সাধনা, ও কালী সাধনা দ্বারা বলে দিব আপনার লটারীর নাম্বার।,এছারাও কালো জাদু ও জ্বিন চালানের মাধমে লটারীর নাম্বার জানা জায়  তাছারা ও আমাদের কাছে জুয়া ও লটারী জেতার জনো  আরো বহু প্ররিক্ষিত তদবির ও মন্তু আছে জার মাধমে 100% জুয়া বা লটারি জিতে পারেন .. যে কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলাইনের মাধমে তদবির করতে পারবেন ..যোগা যোগ ..তান্তিক গুরু আজিজ রহমান
বিদেশ থেকে ইমু ..01757786808/ 

স্ত্রী ‌বশীকরন ‌মন্তু

আমরা সাধারনত স্ত্রী বলতে নিজ স্ত্রীকেই বুঝিয়ে থাকি কিন্তু এখানে স্ত্রী বলতে নারী জাতীকেই বোঝানো হয়েছে, আপনি স্ত্রী জাতীর যে কাউকেই এই তদবীর দ্বারা নিজ আয়ত্বে নিয়ে আসতে পারবেন যদি শুধু আপনার স্বার্নিধ্যে একজন সদগুরু থাকে, যেহেতু এ সকল তন্ত্র/যন্ত্র সকলি গুরুমুখি তাই গুরু বিহীন তা সফলতার স্বপ্নদেখা মুর্খ্যতার সামিল। আমাদের উদ্দেশ্য আপনাদের জানানো সেই সাথে আমাদের আদি পুরুষদের ঐতিহ্য বহন করে চলা যাতে সময়ের অতল গহিনে তা হারিয়ে না যায়, আমরা চাইবো আপনারা ছোট্ট এই জীবনে সকলেই সুখে শান্তিতে জীবন যাপন করুন, কিন্তু কখনো যদি আপনাদের তান্ত্রিক সাহায্যের প্রয়োজন পরেই যায় তবে বর্তমান সময় উপযোগি তান্ত্রিক ক্রিয়াগুলো করবেন, যা অতিব সহজ পান্থায় সৃষ্ট সেই সাথে খুব সহজেই আমাদের মনের আকাঙ্খা পূর্ণ করতে সক্ষম। নিচে বহুল ব্যবহৃত এক সময়ের স্রেষ্ট একটি তন্ত্র ক্রিয়া উপস্থাপন করা হলোঃ
সামগ্রী- বশীকরন গুটিকা, কুমকম, ঘিয়ের প্রদীপ, ধূপকাঠি, জলপাত্র, কেশর।
মালা- মুঁগের মালা
সময়-রাতের যে কোন সময়
দিন- শুক্রবার
আসন- সাদা সুতির আসন
দিক- উত্তর দিক
জড় সংখ্যা- ১০০০০
অবধি- দশ দিন
মন্ত্র-“ওঁ নমো উর্বশী তোহে মন্ত্র পঢ়ী সুনাউ, তোহী কলেজা লাবে তোহী জীবতা চাহে জো বশ্য ন হোয় তো হনুমন্ত কী আন অমুক বশ্য করে, দৌড় কর হিয়ে লগে। মেরা কহা করে, শব্দ সাচা পিন্ড কাচা, ফুরো মন্ত্র ঈশ্বরো বাচা।।”
প্রয়োগ- যে কোন শুক্রবার রাতে উত্তর দিকে মুখ করে সাদা আসনে বসতে হবে ও সামনে কোন পাত্রে বশীকরন গুটিকা রাখতে হবে। সবচেয়ে প্রথমে এক জলে ধুয়ে মুছে তার উপর কুমকুম বা কেশরের তিলক লাগাতে হবে। এবার সামনে ধূপকাঠি ও প্রদীপ জ্বালিয়ে উক্ত মন্ত্র জপ শুরু করতে হবে ও মন্ত্রে যেখানে ‘অমুক’ শব্দ লেখা আছে সে জায়গায় যাকে বশ করা দরকার তার নাম উচ্চারণ করতে হবে। দশ দিনে দশ হাজার দফা মন্ত্র জপ সর্ম্পন করা দরকার। মন্ত্র জপ করা হবার পর বশীকরন গুটিকা পকেটে রেখে যে স্ত্রীর কাছে যাবে সে নিশ্চিত রুপে বশীভুত হবে। যদি সে দুরে থাকে তবে তার ফটোর সাথে বশীকরন গুটিকা বেঁধে সিন্দুকে রাখতে হবে। এতে তার মন সাধকের সাথে দেখা করার জন্য উতলা হবে ও যতক্ষন না দেখা হচ্ছে শান্তি পাবে না। মনে রাখবেন এই মন্ত্রের দুরুপোযোগে সাধকের ভয়ংকর ক্ষতি হতে পারে। তাই অত্যাবশ্যক পরিস্থিতিতেই এই মন্ত্র প্রয়োগ করা দরকার। ..‌তান্তিক ‌গুরু ‌আজিজ‌ ‌রহমান ‌‌আপনা রা ‌যে ‌কোন ‌দেশ বা ‌জেলা ‌থেকে ‌অনলাইনে ‌তদবির করতে ‌পারেন ...ইমু 01757786808

দৃষ্টি ‌বশীকরণ. ‌মন্তু

দৃষ্টি ‌বশীক‌রণ ‌মন্তু
অনেক সময় দেখা যায় আপনি যাকে পছন্দ করেন, তাকে কোন ভাবেই কথা বলা বা কোন ভাবেই কোথাও ঘুরতে নিয়ে যাওয়া কিংবা তাকে কোনভাবেই কিছু খাওয়াতে পারছেন না। তাকে বশ করার মতো অন্য কোন উপায় খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কিন্তু তাকে প্রতিনিয়তই দেখেই যাচ্ছে আর দেখেই যাচ্ছেন ঠিক সেই মুহূর্তে আপনি আপনার দৃষ্টি শক্তি দ্বারা তাকে বশ করতে পারবেন। শুধু মাত্র একটি মন্ত্র পাঠ করে। তো চলুন মন্ত্রটি ও তার প্রয়োগ বিধি সম্পর্কে জেনে নেই।
মন্ত্রঃ-
“ঐ বগ ভুগে ভগনি।। 
ভাগোদরি ভগমালে।।
যৌনি ভগনিপতিনি।।
সর্ব ভগ সংকরী।।
ভগরুপে নিত্য ক্লৈ।।
ভগস্বরুপে সর্ব ভগান।।
মে বশমানয়ৎবরুদেরেতে।।
সুরেতে ভগ লিংকনে।।
ক্লীং নং দ্রবে ক্লেদয়।।
দ্রাবয় অমোঘে ভগ বিধো।।
ক্ষভু ক্ষোভয় সর্ব।।
সত্বাভগেশ্বরী মে।।
হকং জরু ব্লু ভৈং।।
মৌ বলুং হে হে।।
ক্লিনে সর্বাণি।।
ভগানি তস্মৈং স্বাহাং।।”
প্রয়োগ বিধিঃ- এই মন্ত্র জপ করার পর যদি কারো সঙ্গে দৃষ্টি বা নজর মেলানো হয় তবে সে সাধকের বশীভূত হয়ে যায়। তবে যে কোন গুরু পুষ্য যোগে ১০০৮ বার এই মন্ত্র জপ করে এবং ১০৮ বার উক্ত মন্ত্র দিয়ে আহুতি দিয়ে মন্ত্রকে অবশ্যই সিদ্ধ করে নিতে হবে। তাহলে অবশ্যই কাজ হবে।
বিঃদ্রঃ-কাজটি করার পূর্বে অবশ্যই কোন সিদ্ধ গুরুর অনুমতি নিতে হবে, এবং চন্ডিবরণ করতে হবে। ধন্যবাদ।।।
[ যেকোনো প্রশ্ন ও পরামর্শে যোগাযোগ নাম্বার
01757786808

পুরাতন পোষ্ট গুলি দেখুন