নারী / ‌‌পুরুষ ‌ ‌বশীকরন .


আপনার ভালোবাসার মানুষটিকে ফিরে পাওয়ার জন্য আপনি ব্যকুল, পাগলপ্রায়, অন্ধের মত ছুটে বেরিয়েছেন এখানে সেখানে। আপনার কাধে হাত রেখে সান্তনা দিয়ে ভরষা দিয়ে এক শ্রেনীর প্রতারক আপনার সাথে করেছে প্রবঞ্চনা, আপনার সর্বস্য কেরে নিয়ে আপনাকে সকল দিক থেকে নিঃস্ব করেছে। আপনি এখন হতাষ, বিশ্বাষ হারা, তান্ত্রিকতার প্রতি পরিপূর্ণ শ্রদ্ধাহীন।। আর কখনো এসবের পিছনে ছুটে সময়, অর্থ নষ্ট করতে চাইছেন না।।

তাহলে আপনাকে বলবো, মিথ্যা চিরস্থায়ী নয়, সত্য চিরস্থায়ী। তান্ত্রিকতা যদি মিথ্যা হতো তবে যুগযুগ ধরে আমাদের পূর্ব পূরুষগন তা সযত্নে লালন করে আমাদের প্রজন্ম পর্যন্ত বয়ে নিয়ে আসতো না। হ্যা এটা সত্য কিছু শঠ প্রতারক নিকৃষ্ট মানুষ অন্যের অনুভুতি নিয়ে খেলার জন্য তান্ত্রিকতার মত এমন র্স্পশকাতর বিষয় নিয়ে ব্যবসা করছে। তবে সকলকেই এমন ভাবা উচিৎ কখনই হবে না। 

আপনি যদি কোথাও প্রতারিত হয়েও থাকেন তবে সকল ক্ষেত্রে সেই প্রতারক তান্ত্রিক’ই যে দায়ি তা কিন্তু নয়, স্রষ্টা আপনাকে চোখ, বিবেগ, বুদ্ধি দিয়েছে। আপনি কেনো তার সর্ম্পক্যে ভালো ভাবে খোজ খবর নিয়ে তার সর্ম্পকে না জেনে না বুঝে তার বেছানো জালে পা দিয়েছেন, তার চটকদার বিজ্ঞাপনে মুখরিত হয়েছেন। কিছু কথা সকল সময় সত্য। ”দুষ্ট লোকের কথা মিষ্টি হয়”, “চকচক করলেই সোনা হয় না” এই বিষয়গুলো কেনো আপনার মাথায় আসে নি।

  1. আমরা কথা দিচ্ছি আপনি যদি সেই সকল ভগ্নহৃদয় প্রিয়জন হারানো মানুষ হয়ে থাকেন, তবে আপনার প্রিয়জনকে অবশ্যই আপনার নিকট ফিরিয়ে আনবো, ফিরিয়ে আনবো আপনার জীবন থেকে হারিয়ে যাওয়া সেই সুখ, আপনার স্বপ্ন, আপনার বেচে থাকার উদ্দেশ্য। তান্তিক জগতে 100% গ্যারান্টি দিয়ে কাজ করা হয় ‌যে কোন বশীকরন কাজ 3/5 দিনে 100%গ্যারান্টিতে কাজ করা হয় .তান্তিক গুরু আজিজ রহমান .01757786808/ 

ধ্যানের গভীরে প্রবেশ করার শ্রেষ্ঠতম উপায় “ত্রাটক”

               
        .           
ধ্যানের গভীরে প্রবেশ করার শ্রেষ্ঠতম উপায় “ত্রাটক”
শুভ ভ্যলেনটাইনস ডে, বিশ্বের সকল হৃদয়বান মানুষদের জন্য আমাদের ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা রইলো। আজ আমরা এমন একটি বিষয় আলোচনা করবো, যা আমাদের নিকট সম্প্রতি ত্রাটক গুরুগণ প্রেরন করেছেন সর্বসাধারনের অবগতীর জন্য। আমরা ইতিপূর্বে ত্রাটক সাধনা সর্ম্পক্যে সাম্ম্যক অবগত হয়েছি এর দ্বারা সম্ভব্য কাজ সম্প্যর্কে জেনেছি। আজকের নতুন বিষয়টি হচ্ছে ত্রাটক সাধনায় রশ্মির ব্যবহার, সর্ম্পক্যে, আমরা জানি পৃথিবীতে প্রাকৃতিক শক্তির মধ্যে যদি সর্ববৃহৎ শক্তি আখ্যা দেওয়া হয় তবে তা সুর্যকেই দিতে হবে। দির্ঘ্যদিন যাবৎ সূর্যের অপরিমিত শক্তিকে কাজে লাগিয়ে এর দ্বারা বিভিন্ন ভাবে আমরা উপকৃত হতে পারি কি না তা ভেবে দেখা হচ্ছিল। যেমন আমরা জানি সুর্যের আলোক ও তাপ শক্তিকে বিজ্ঞানিগণ নানারুপে ধারন করে তা আমাদের প্রত্যাহিক জীবনের নানা কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। আবার এও জানি এই বিশ্বব্রহ্মান্ডের এমন কিছু গ্রহের প্রানী রয়েছে যাদের বেঁচে থাকার জন্য খাদ্য হিসেবে শুধু সুর্য্য কিরণ প্রয়োজন পরে। ঠিক যেমনটি আমরা বেঁচে থাকার প্রয়োজনে বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্য পানিয় দ্রব্য খেয়ে থাকি। ন্যাশনাল জীওগ্রাফির বদৌলতে আমরা অনেকেই জানি আধুনিক ভারত বর্ষেও জৈনিক সাধু ব্যক্তি দির্ঘ্য কয়েক বছর যাবৎ শুধু মাত্র সুর্য্য কিরণ শরীরে শোষণ করে অন্য কোন প্রকার খাদ্য দ্রব্য না খেয়েই বেচে রয়েছে। আমরা এ বিষয়টি বহুবার আলোচনায় এনেছি যে এমন কিছু সম্ভব কি না যা দ্বারা ত্রাটকে সূর্য শক্তিকে ব্যবহার করা যায়। দির্ঘ্য গবেষনা ও চর্চার পর্যবেক্ষনের ফলে সম্প্রতি আমাদের গুরুগণ এই বিষয়টি জানিয়েরাখি যে এক জন মানুষ যদি এ্যাটক ... স্বাভাবিক প্র্যাকটিস বাদ দিয়ে শুধু ত্রাটকের সূর্য্য সাধন করে তবেই সে তার অতিত ভবিষ্যৎ শত্রু মিত্র জীবনের সকল প্রকার ভালো মন্দ সহসাই নিজেই নিয়ন্ত্রত করতে সক্ষম হবে। এর সময় ও পরিশ্রমও তুলনা মূলক কম তবে কিছুটা কষ্ট সাধ্য অবশ্যই। আমাদের গুরুগণের অনুমতি ও পরামর্শ্য ছিলো এর কিছু নিয়মাবলী আপনাদের সামনে উন্মচন করা হোক এতে আমাদের বিগত স্টুডেন্ট ও যারা আমাদের নিকট হতে দুরে রয়েছে তারাও হয়তো ত্রাটকের এই সুর্য্য সাধনা প্র্যাকটিস করে উপকৃত হতে পারবে। কিন্তু বাংলাদেশের মত একটি নকল প্রবন দেশে এই কাজটি করা হতে আমরা বাধ্য হয়েই ক্ষান্ত হলাম কারন আমরা জানি যেমন ত্রাটক সাধনার স্রষ্টা আমাদের প্রতিষ্ঠান হয়েও আজ হাজার হাজার ভুয়ো ফেইক তান্ত্রিক সাইটে লেখা দেখা যায় ত্রাটক সাধনার প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। সেখানে আমরা এই বিষয়টিও পোষ্ট করার সঙ্গে সঙ্গেই তা হাজার হাজার কপি হয়ে যাবে।। তবে যে সকল শুভানুধ্যায়ী ভাই বোনেরা ইতি পূর্বে ত্রাটক সাধনা গ্রহন করেছেন এবং যারা করতে ইচ্ছুক তেনাদের জন্য বলা হচ্ছে আপনারা অবশ্যই ইমেইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন তাহলেই আমরা ত্রাটক সাধনায় সংযুক্ত হওয়া এই নতুন সুর্য্য সাধনার বিধি নিয়ম আপনাদের মেইল করে প্রেরন করে দিবো। 

মেডিটেশন

জ্ঞানবোধ জাগ্রত করার জন্য বা অন্তর্যাত্রা করার জন্য আমাদের জীবনে শক্তির ব্যবহার করতে হয় কিন্তু এর জীবনী শক্তি এবং আমাদের দেহ মন অনেক কুলুষিত হয়ে থাকে বা বলতে পারেন অনেক ধরনের ময়লা-আবর্জনা দ্বারা এটি আচ্ছন্ন হয়ে যায় ফলে শরীর অসুস্থ হয়ে পরে সুস্থ থাকে যার কারণে বিবেকের আচ্ছন্নতা বৃদ্ধি পায় ফলে সেটি আমাদের জ্ঞান বোধ অন্তর্যাত্রা ও শক্তির জাগ্রতি তে বাধা হয়ে পরে..
যদি নিয়মিত এই শক্তিকে স্বচ্ছ ও পরিপুষ্ট রাখা যায় তবেই আমাদের শরীর সুস্থ থাকে আর বিবেকের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায় ফলে সেটি আমাদের জ্ঞান বোধ অন্তর্যাত্রা ও শক্তির জাগ্রতি ঘটতে সহায়তা করে.।
এনার্জি হিলিং এমন একটি ধ্যান পদ্ধতি যেদিন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানুষ তাদের জীবন শক্তি কে স্বচ্ছ এবং জাগ্রত করে সহজেই অন্তর্যাত্রা তে ধাপিত হইতে পারে..
নিজেকে চেনার জন্য এবং জ্ঞান বোধ জাগ্রত করার জন্য অন্তর্যাত্রা একমাত্র পথ...
তবে তার জন্য নিয়মিত অভ্যাস সময় ও শ্রম দেবার প্রয়োজন তার জন্য সঠিক নিয়ম তাও জানা প্রয়োজন..
ধ্যান বিষয়ে অনেকগুলো ভিডিওতেই বলা হয়েছে আবার অনেক ভিডিওতে ধ্যান এর সূত্র ও বলা হয়েছে কিন্তু সে সূত্রগুলো সকলের পক্ষে বোঝা বোধগম্য হয়ে ওঠে না।
আপনারা যারা আপন দর্শন পরিবারের সাথে যুক্ত তাঁদের জন্য একটি সু সংবাদ রয়েছে..
আপন দর্শন-aponphilosophy র পক্ষ থেকে এই প্রথম দুই দিনের এনার্জি হিলিং বেসিক মেডিটেশন কোর্স ও মুক্ত আলোচনা আপনাদের জন্য আনা হচ্ছে যা সকলের জন্য জন্য উন্মুক্ত..
সেশনটির পুরো সময়টা জুড়ে মুক্ত আলোচনা ও ধ্যান আপনাকে ভীষণ রকম রিলাক্স করবে। আর সাথে দিবে আপনাকে আপনার দৈনন্দিন জীবনের সমস্যাগুলোর মুখোমুখি হবার শক্তি। সকল কিছুর মাঝে থেকেও নিজের জীবনী শক্তিকে কি করে স্বচ্ছ ও পরিষ্কার রাখা যায় কিভাবে অন্তর্যাত্রা দিকে ধাবিত হওয়া যায় সেই পদ্ধতি..
এই সেশন শেষে, আপনি পারবেনঃ
- দেহের শক্তি কিভাবে সহজেই ধ্যানের কাজে লাগানো হয়
- ধ্যানে শক্তি জাগ্রত করে দেহ মন কে সুস্থ রাখার উপায়
- সহজে যেকোনো সময় যেকোনো পরিবেশে ধ্যান করার দক্ষতা
- অন্তর্যাত্রা প্রাথমিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা
- শুদ্ধ ও মুক্ততার ধারণা ও আগের চেয়ে আরো বেশি আত্মবিশ্বাসী হতে
এনার্জি হিলিং মেডিটেশন সায়েন্টিফিকলি কত উপকারী, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এ সেশনটি আপনাকে যেমন ভালো থাকতে সাহায্য করবে। তেমন আপনিও পারবেন আপনার পাশের মানুষটিকে সাহায্য করতে।
আপনি যদি বিশ্বাস করেন, মেডিটেশন আপনার জন্য না। তবে আমরা দাবির সাথে বলবো, এই সেশনটি আপনার জন্য।
আমি আপনানন্দ আপনাদের সাথে উপস্থিত থেকে কোর্সটি করাবো তাই যারা আগ্রহী তারা অতিসত্বর যোগাযোগ করুন আসন সংখ্যা সীমিত
আগামী 23 ফেব্রুয়ারি 2020 রেজিস্ট্রেশন করার শেষ দিন তাই তার পূর্বেই আপনার আসনটি সংগ্রহ করে নিন,,
কোর্স ডিটেলস ও রেজিস্ট্রেশন নিয়ম ডেসক্রিপশন বক্সে দেয়া আছে..
আপনার চাইলে আমাদের ফেসবুকে নক দিতে পারেন ফেসবুক ইভেন্ট লিঙ্ক ডিসক্রিপশন এ দেয়া আছে.
ধন্যবাদ।।01978142102

নতুনদের জনো ‌সুচনাঃ


নতুনদের জন্য সুচনাঃ
বর্তমানে স্যোসাল মিডিয়ায় যে পরিমান ভুইফোড় তান্ত্রিকদের নিত্য শতকরা হিসেবে আগমন ঘটছে, তাতে আমাদের সকলেরই দুশ্চিন্তার কারন হয়ে দারিয়েছে। প্রথমত একজন সাধারন বিপদগ্রস্ত, হতাস, ভগ্নহৃদয় দ্বিকবিদিক শুন্য মানুষ তার সমস্যা সমাধানের জন্য যখনি চারপাসে হাতরে বেরোয় তখনি তথাকথিত তান্ত্রিক, বাবা, ফকির, পীর হাজারো প্রলোভন ও গ্যারান্টি সহ তাদের সামনে উপস্তিত হচ্ছে(অনলাইনে কিংবা অফলাইনে), যাদের চাকচিক্যতে অনেকেই হতবিহ্বল হয়ে চোরাবালিতে ডুবে মরছে, একটি সময় যখন সে হুস ফিরে পাচ্ছে তখন সমস্ত তান্ত্রিক জগতের উপরেই তার সন্দেহের তীর। আমরা বার বার সাবধান করছি অনলাইনে যেনাদের জ্ঞান সিমিত তারা কোন ভাবেই যেনো তান্ত্রিক বিষয় কোন ধরনের সেবা গ্রহন না করে। কারন এখানে ৯৯% ফেইক ভুয়ো। আমরা এ শতাব্দীর শুরুতে যখন প্রথম অনলাইনে তান্ত্রিক সেবা চালু করি তার পরবর্তী ৩-৪ বছরেও কোন প্রকার এ সকল ফেইক তান্ত্রিকদের আগমন হয়নি, সে সময় শুরু হয়, কিছু টিভি মিডিয়ায় এ্যাড, এর পরের ৩-৪ বছর শুরু হয় আমাদের পোষ্ট কনটেন্ট কপি পেষ্টের রমরমা, ফেইসবুক, ইউটিউব, ব্লোগারে ছরাতেই থাকে, তার পরের ধাপ থেকে ইতিহাসের জঘন্যতম নিকৃষ্টতম ঘটনা, তান্ত্রিক নাম দিয়ে কিছু উদ্ভট বাজে জিনিস মন্ত্র/তন্ত্র ইত্যাদি বানিয়ে প্রচার শুরু, যা কিছু কম বয়সি বেকার টোকাই শ্রেনীভুক্ত ছেলেদের কাজ। সেটা যে ভাবেই ছরাক না কেনো ক্ষতি গ্রস্ত হতে থাকে হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহি তান্ত্রিক চিকিৎসার সুনাম, লক্ষ লক্ষ সমস্যাগ্রস্ত তান্ত্রিকতার উপর অগাধ বিশ্বাস রাখা সাধারন মানুষদের আস্থা ও বিশ্বাস, ভেঙ্গে চুরমার হচ্ছে তাদের স্বপ্ন। যা অনায়েসে সফল হতে পারতো একজন সত্যিকার তান্ত্রিকদের একটু স্পর্শেই। তাই আপনাদের নিকট অনুরোধ যেনারা অনলাইন সম্পর্কে জ্ঞান রাখেন, বুঝতে পারেন কোনগুলো নতুন, কোনগুলো পুরাতন, কোন ফিডব্যাক শুধু একজনের সুনাম খুন্য করার জন্য, কোন ফিডব্যাক ফেইক আইডি দিয়ে করা, এইসকল বিষয় ভালোভাবে যেনে বুঝে এরপর অনলাইনে যোগাযোগ করবেন।imo .01757786808

প্রেম ভালোবাসা-স্বামী-স্ত্রীর মিলনের তদবীর

প্রেম ভালোবাসা-স্বামী-স্ত্রীর মিলনের তদবীর (মহব্বত, প্রণয় ও বিচ্ছেদের তদবীর)
💖ইসলামিক তদবির  প্রেমিক, প্রেমিকা,স্ত্রী,স্বামীকে রাজী করতে হলে অথবা কাউকে বাধ্য করতে হলে নিম্নলিখিত আয়াত শরীফ সাতবার পাঠ করে একটি ঘ্রাণ যুক্ত ফুলের উপর সাতবার দম করবে এবং স্বামী, স্ত্রী,প্রেমিক,প্রেমিকা বা যাকে বাধ্যগত ইচ্ছে, তাকে ঘ্রাণ নিতে দিবে।আল্লাহর রহমতে যাকে বাধ্যগত করবেন বা প্রেমিক, প্রেমিকা বা স্বামী রাজী এবং স্ত্রী বাধ্য হবে ।
আয়াত শরীফ এই -
আরবি : اِنَّ اللَّهَ كُلِِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ - فَسَيَكْفِكَهُمُ اللَّهُ وَهُوَ السَّمِْعُ الْعَلِيِْمُ
বাংলা উচ্চারণ : ইন্নাল্লাহা আ’লা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর । ফাসা-ইয়াক-ফীকা হুমুল্লাহু ওয়া হুয়াস সামীউল আলীম।
শরিয়ত বিরোধী কোন কাজে বা নাজায়েজ কোন কাজে উক্ত আমল নিষিদ্ধ
নিষিদ্ধ সময় ব্যতীত যেকোনো নির্দিষ্ট সময়ে আমল কর যাবে।
 ইসলামিক হুকুম পালন করা শর্ত প্রযোজ্য।
স্বামী, স্ত্রী যেকোনো সময় ব্যবহার করতে পারবেন, কিন্তু ভিন্ন কোন প্রয়োজন বা প্রেম ভালোবাসা বিষয়ে শরিয়তের বিধান ও মাসালা দেখে ব্যবহার করবেন।
🛑নোট : এই আমল করার আগে অবশ্যই উপযুক্ত পন্ডিত এর পরামর্শ নিয়ে করবেন, প্রথমে আমল করতে হবে এবং সদকা প্রদান করেই কাজ করবেন, অন্যথায় ফলাফল হবেনা।
🌐প্রশ্ন ও পরামর্শে যোগাযোগ ‌তান্তিক ‌গুরু ‌আজিজ ‌রহমান ..01757786808

মন্ত ‌গুরু‌ ‌তান্তিক ‌সেবা

সুপ্রিয় ভিজিটর, আমরা ইতিপূর্বে ত্রাটক সাধনা সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য আমাদের ওয়েবে শেয়ার করেছি, এরপরেও আমাদের নিকট প্রতিনিয়ত রিকোয়েষ্ট আসছে ত্রাটক সর্ম্পকে জানার জন্য। আমরা বিনিত ভাবে অনুরোধ করছি, আপনারা ত্রাটক সাধনা সর্ম্পকে যা কিছু অনলাইনে আমাদের ওয়েবে রয়েছে এর বেশি কিছু জানতে চাইবেন না। কারন বর্তমানে এক সন্তানের অসংখ্য জননী তৈরী হয়েছে, এমনটাই দাবি বাংলাদেশে হচ্ছে। কারন যেখানে ত্রাটক সাধনার জন্ম ও উত্থান থার্ড আই রেডিয়েশন এবং এশিয়া মহাদেশে এর একমাত্র পরিবেশক মন্ত্রগুরু এ্যসোসিয়েশন। এরপরেও হাজারো ফেবু আইডি পেইজে দেখা যাচ্ছে ত্রাটক প্রশিক্ষণের জন্য কোর্স ছেড়েছে কতপয় ওহি প্রাপ্ত গুরু। এবং অন্য এক শ্রেনীর দিব্যজ্ঞানি তান্ত্রিক মহাসম্রাট মহাগুরু গণ ত্রাটক সাধনার নাম পরিবর্তন করে ভিন্ন নামে যেমন মায়া সাধনা, থার্ড আই, তৃতীয় নেত্র, ইত্যাদি হৃদয়গ্রাহী চিত্তাকর্ষক নামে ত্রাটক সাধনার ফলাফলের বিকল্প শুরু করেছে যা সম্পূর্ণই ভুয়া উজভুকি বিষয়। আমরা ত্রাটক সাধনার বিষদ বিবরনী ওয়েবে প্রকাশের পর হতেই মহাজ্ঞানী গন এই সকল কনটেন্ট সামান্য পরিবর্তন পরিবর্ধন করে স্যোসাল মিডিয়ায় প্রচার করছে এবং স্ব ঘোষিত মহাগুরু শিরোমনী বিভিন্ন ভারতীয় তান্ত্রিক বইয়ের নাম দিয়ে সাইট চালাচ্ছে। সেই সাথে অনেকেই মেডিটেশন ও যোগ সাধনাকেই ত্রাটক সাধনা বলে চালিয়ে দিচ্ছে বা সর্বসাধারনকে বোঝাচ্ছে। মনে রাখবেন ত্রাটক সাধনা সর্বময় ক্ষমতার উৎস। সকল কিছুর সম্ভব ত্রাটকে। অপরদিকে যোগা বা মেডিটেশন শারীরিক ও মানুষিক স্থীরতা ও চিত্তকে নির্দিষ্ট বিষয়ে নিবিষ্ট করার জন্য একটি ছক মাত্র। এই সকলের সাথে ত্রাটক সাধনার কোন প্রকার মিল বা সঙ্গতী নেই। ত্রাটক সাধনা সেই সাধনা যা দ্বারা আপনার জীবনের যে কোন ধরনের প্রয়োজন পূরন করতে পারেন। হতে পারে সেটি আপনার ভালোবাসার মানুষকে নিয়ে, স্ত্রী সন্তান নিয়ে, ব্যবসা বানিজ্য নিয়ে, পরিবারের বা নিজের শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে, চাকুরী নিয়ে, সহায় সম্পদ নিয়ে, রাজনৈতিক ইশ্যু নিয়ে, মামলা মোকদ্দমা নিয়ে, আধ্যাত্মিক বিষয়, জীন ভুত, আত্মা, গ্রহদোষ, দুর্ঘটনা ইত্যাদি যে কোন সমস্যার সমাধান অনায়েসে নিজেই নিজের সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। বর্তমান সময়ে এটি প্রতিটি মানুষের সবচাইতে বেশি জরুরী এই কারনে যে, আপনি আপনার কোন সমস্যা নিয়ে যার কাছে যাবেন সে কতটুকু সঠিক বা আসল তা বোঝা বা খতিয়ে দেখা আমাদের পক্ষে সম্ভব হয় না। শতকরা ৯৯% তান্ত্রিক বা কবিরাজ এখন ভন্ড। এক্ষেত্রে নিজেই নিজের সমস্যা সমাধান করাই স্রেষ্ট উপায়। সুতারাং আর বিলম্ব না করে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। 01978142102/ 

মেডিটেশন ‌কি ‌কেনো ‌কিবাবে ‌করবেন ‌‌মেডিটেশনের ‌উপকারীতা.

মেডিটেশন কি,কেন, কিভাবে করলে কি উপকার হয় জেনে নিনঃ-মেডিটেশন কি
মেডিটেশন হলো সচেতন দেহ মন এবং মস্তিষ্ককে শিথিল করার আধুনিক বৈজ্ঞানিক এবং সহজ প্রক্রিয়া। মেডিটেশনের মাধ্যমে আমরা আমাদের শরীরকে শিথিল এবং মন ও মস্তিষ্ককে প্রশান্ত করতে পারি। ফলে টেনশন অস্থিরতা মুক্ত হয়ে আমরা সচেতনভাবে দেহ-মনে সুখানুভূতি তৈরি এবং সবসময় তা উপভোগ করতে পারি। দৈনন্দিন জীবনে প্রতিটি কাজ করতে পারি অনন্দ নিয়ে, পেতে পারি সহজ সাফল্য। অর্থাৎ শারীরিক মানসিক বৈষয়িক প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রশান্তিতে থাকার জন্যে, মেডিটেশন হচ্ছে দেহমনে সে অবস্থা সৃষ্টির একটি সহজ বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া। যেমন, টেনশন। মেডিটেশনের প্রথম লাভই হলো টেনশনমুক্তি। বলা হয় টেনশন ও শিথিলায়ন একসাথে থাকতে পারে না। যে শরীরে টেনশন থাকে, সে শরীরে শিথিলায়ন থাকে না। আর শিথিল হলে টেনশন পালিয়ে যায়। আর আমরা এখন জানি, মনোদৈহিক ৭৫ ভাগ রোগের কারণই টেনশন। তাই মেডিটেশন করলে আপনি অনায়াসেই শতকরা ৭৫ ভাগ মনোদৈহিক রোগ যেমন, মাইগ্রেন, সাইনুসাইটস, ঘাড়ে-পিঠে-কোমরে বা শরীরের যেকোন স্থানে দীর্ঘদিনের ব্যথা, হজমের সমস্যা, আইবিএস, এডিডিটি, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, অনিদ্রা প্রভৃতি রোগগুলো থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন। আর যদি আপনি মেডিটেশন শুরুর আগে থেকেই এই সকল রোগে রোগান্বিত থাকেন তাহলে মেডিটেশনের মাধ্যমে তা চিরতরে নিরাময় থাকতে পারবেন। আর অন্যান্য রোগ নিরাময়েও ওষুধ ও সার্জারির পাশাপাশি সুস্থ জীবন -দৃষ্টি এবং মেডিটেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আপনি মেডিটেশন করার
মাধ্যমে শিখবেন অখন্ড মনোযোগ ও অল্পসময়ে পড়া আয়ত্ত করার টেকনিক। একজন গৃহিণী হিসেবে আপনি মেডিটেশন করে পাবেন সুখি পারিবারিক জীবন যাপনের আনন্দ। একজন পেশাজীবি হয়ে সবসময় মাথা ঠান্ডা রেখে আপনি নিতে পারবেন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত। আর একজন সফল মানুষ হওয়ার জন্যে মেডিটেশনে মনছবি চর্চা করে আপনি আপনার জীবনের যেকোন চাওয়াকে পরিনত করতে পারেন স্বতঃস্ফূর্ত পাওয়ায়। আর ইবাদত উপাসনায় একাগ্রতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আত্মিক আধ্যাত্মিকভাবে আপনি অগ্রসর হতে পারেন ধ্যানের পথ ধরে। এভাবে একটি প্রশান্ত মন, সুস্থ জীবনে ও কর্মব্যস্ত সুখী জীবন যাপনের জন্যেই আপনার প্রয়োজন মেডিটেশন করা
যেভাবে শুরু করবেন মেডিটেশনঃ
খুব সাধারণ কিছু নিয়ম অনুসরণ করে আপনি অনায়াসেই হারিয়ে যেতে পারেন মেডিটেশনের গভীরে। ধ্যানের শক্তিকে কাজে লাগাতে পারেন দেহের স্বাস্থ্য উদ্ধারে, মেধার বিকাশে, সম্ভাব্য সংকট নিরসনে, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে, চেতনার অভ্রভেদী বিস্তারে। মেডিটেশনের প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে আপানাকে বেছে নিতে হবে একটা শান্ত নিরিবিলি জায়গা যেখানে কিছুক্ষণ সময় আপনি নিজের মতো করে কাটাতে পারবেন। প্রথমেই সহজ ভাবে বসুন। যেভাবে বসতে আপনি আরামবোধ করেন। এটা আপনি মেঝেতে বা বিছানায় বসতে পারেন বা পারেন চেয়ারে বসতে। মেডিটেশনের সময় হালকা আলো থাকবে। পর্যাপ্ত বাতাস থাকবে। কখনো অন্ধকার রুমে মেডিটেশন করবেন না। রাতে যখন মেডিটেশন করবেন সবসময় হালকা আলো জ্বালিয়ে করবেন। একটু যদি হাত মুখ ধুয়ে নেন বা ঠান্ডা পানির ঝাপটা মুখে দিয়ে নেন তো খুব ভালো হবে। এছাড়া ঢিলেঢালা আরামদায়ক পোশাক পরবেন। এবং চশমা খুলে নেবেন। যদি সকালে করেন তবে সকালে বারান্দার হালকা রোদে মেডিটেশন করতে পারেন। শুরু করার আগে আপনার যেকোন একটি আনন্দের ঘটনা বা স্মৃতিকে মনে করুন। মনে নিয়ে আসুন একটা আনন্দভাব। এবার হালকাভাবে চোখ বন্ধ করুন। চোখের দুই পাতাকে ধীরে ধীরে জোড়া লেগে যেতে দিন। এবার নাক দিয়ে লম্বা দম নিন। আস্তে আস্তে মুখ দিয়ে দম ছাড়ুন। দম নিতে নিতে আপনি ভাবুন প্রকৃতি থেকে অফুরন্ত প্রাণো শক্তি আপনার শরীরে প্রবেশ করছে। আর দম ছাড়তে ছাড়তে ভাবুন শরীরের সকল দূষিত পদার্থ বাতাসের সাথে বেরিয়ে যাচ্ছে। এবার কিছুক্ষণ ধীরে ধীরে নাক দিয়ে দম নিন, ধীরে ধীরে নাক দিয়ে ছাড়ুন। এবার মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করুন দমের ওপর। মনের চোখে কল্পনা করুন বাতাস কীভাবে নাক দিয়ে ঢুকছে, নাক দিয়ে বেরুচ্ছে। বাতাস স্বাভাবিক ভাবে যাওয়া আসা করুক। আপনি শুধু দমের প্রতি মনোযোগ দিন। এভাবে কিছুক্ষণ দম নেয়া এবং দম ছাড়ার পর আপনি অনুভব করবেন যে আপনার শরীর শিথিল হয়ে আসছে। এখন আপনি কল্পনা করুন একটা চমৎকার প্রাকৃতিক পরিবেশ যেটাকে কল্পনা করলেই আপনার মন প্রশান্তি আনন্দে ভরে উঠবে। এটাকে বলা যেতে পারে আপনার মনের বাড়ি। যে স্তরে মনের যেকোনো কল্যাণমুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্রেনকে আপনি পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারবেন। যেমন মনে মনে বলতে পারেন, এখন থেকে আমার স্মৃতিশক্তি বাড়বে। আত্মবিশ্বাস ও সাহস বাড়বে। আমার মনোযোগ বাড়বে। শরীর ও মন সবসময় সুস্থ থাকবে। এবার জেগে ওঠার পালা। কিছু সময় এটা ১০, ১৫ বা ২০ মিনিটও হতে পারে মনের এক চমৎকার প্রশান্ত অবস্থায় কাটিয়ে আপনি মেডিটেশন থেকে বাস্তবে ফিরে আসবেন।  ..  উপকারীতা ..মেডিটেশন করলে কি কি উপকার পাউয়া যায় .মেডিটেশনের উপকার এক কথায় বলতে গেলে বহুমুখী ও বিবিধ। নিয়মিত মেডিটেশন করার ফলে আপনার জীবন হবে আরো সহজ, আরো সুন্দর, আরো উপভোগ্য। আপনি পাবেন সুস্থ দেহ, প্রশান্ত মন, কর্মব্যস্ত সুখি জিবন। মেডিটেশন করতে করতে একসময় থার্ড আই ওপেন হয়ে যায় তখন মেডিটেশনের দ্বারা আপনি যাহাই আকাঙ্খা করবেন তার বাস্তবে রুপ পাবেন। থার্ড আই ওপেন করে নিজের সকল চাহিদা মেটাতে পারবেন প্রিয়জনকে কাছে পাবেন। সবার মন জয় করতে পারবেন। উপকারীতা..
১. মেডিটেশনে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে। ২. হৃদরোগেরও উপশম হয় মেডিটেশনে। ৩. আবেগ, অভিমান, হীনম্মন্যতা দূর করে। ৪. মানসিক চাপ কমায়। ৫. চিন্তাশক্তির প্রথরতা বাড়ে। ৬. মনোকষ্ট দূর করে। ৭. দীর্ঘায়ু লাভ হয়। ৮. দেহতন্ত্রের সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সুন্দরভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। ৯. অনিদ্রা থেকেও মুক্তি পেতে সক্ষম। ১০. মনের উদ্বিগ্ন, হতাশা, অশান্তি দূর করে। ১১. স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক। ১৩. মনের একাগ্রতা বাড়ে। ১৪. প্রিয়জনকে ফিরে পাওয়া যায়। ১৫. পরিবারের প্রত্যেক জনের উপরে সুখের ছায়া রুপান্তর করা যায়। ১৬. যে কাউকে নিজের প্রতি আকৃষ্ট করা যায়। ১৭. চাকুরীতে তাড়াতাড়ি প্রমোশন লাভ করা যায়। ১৮. যেকারোর মাইন্ড পড়া ও বুঝা যায়। ১৯. আপনার মনের কথা গুলি অন্যের মাইন্ডে পৌঁছে দেওয়া যায়। ২০. সবখানে নিজেকে হাইলাইট হিসেবে প্রমাণ করা যায়। ইত্যাদি চাহিদা গুলি মেডিটেশনের দ্বারা পূরণ করা যায়। { বিঃদ্রঃ- উপরোক্ত আলোচনার দ্বারা আপনারা মেডিটেশন শুরু করতে পারেন। তবে ভালো হয় মেডিটেশন ফুল কোর্চ টি যেকোন ভালো মানের প্রতিষ্ঠান থেকে কোর্চ টি ফুল ফিল করা। বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে মেডিটেশন কোর্চ শেখানো হচ্ছে। আপনারা চাইলে আমাদের কাছ থেকেও মেডিটেশন কোর্চটি সংগ্রহ করতে পারেন আমাদের কাছ থেকে মেডিটেশন কোর্চ টি নিলে আপনারা অনেক লাভবান হবেন। কারণ আমরা মেডিটেশনের মধ্যে ত্রাটক বিষয়ক কয়েকটি অধ্যায় যোগ করেছি যেগুলো সম্পূর্ণ ফ্রিতে আমরা দিয়ে থাকি। তাই আমাদের কাছ থেকে মেডিটেশন কোর্চ টি সল্প মূ্ল্যেই সংগ্রহ করুন ও নিয়মিত কোর্চ টি মেকাপ করুন। ধন্যবাদ।} ইমু 01978142102/montrogurbd12@gmail.com

পুরাতন পোষ্ট গুলি দেখুন