জ্যাকপট, সাট্টা জুয়ায় বিজয়ী হওয়ার সাধনা মন্ত্র তান্ত্রিক পদ্ধতি)


 জ্যাকপট, সাট্টা জুয়ায় বিজয়ী হওয়ার সাধনা মন্ত্র
                            তান্ত্রিক পদ্ধতি)



 দেবলোকের সর্বো শক্তিমান সৃষ্টি আদি রহস্যাবৃত "কালী "দেবীর সাধনা ছাড়া পৃথিবীর কেউ কখনোই সাট্টার নাম ,জ্যাকপট ,বা জুয়ায় জয়ী হওয়ার নাম্বার পায় না বা বের করতে পারেনা শুধুমাত্র মহাদেবী কালীর সাধকগন এই কাজে সফলতা পায়। 
এই সাধনা মোটেও সহজ কোন পথ নয় ,যদি এতো সহজেই এইসব জুয়ার নাম্বার পাওয়া যেতো তাহলে তো সকলেই এই কাজ করতো, এই পথ কঠিন বলেই হাজারে একজন সফলতা পায় 
এই সাধনা কালে অনেক অনেক বিপদ ও বিঘ্নের সন্মুখীন হতে পারেন তা মনে রেখে সাধনা তে বসবেন । কালির অনেক রুপ ভদ্রকালি , শ্মশান কালি , রক্ষা কালি দক্ষিণা কালি ইত্যাদি ।
অনুষ্ঠান সামগ্রী ঃ
১ মহাকালির চিত্র ২ পরনে শ্বেত বস্ত্র ,৩ ভোগ ও নৈবেদ্য ৪ ধুপ ও দীপ ৫ ফুল ফল।                                    
সাধনা কালে উপবাস থেকে সন্ধ্যাকালে হাল্কা ফল মুল ভোজন করবেন । পূর্ণ ব্রহ্মচর্য পালন করবেন । অনুষ্ঠানের আগে স্নান আবশ্যক তার পর স্বচ্ছ বস্ত্র ধারন করবে । আসনে কালি মূর্তি স্থাপন তার সামনে ধুপ দীপ জ্বালাবে আর নৈবেদ্য রাখবে । সর্ব প্রথম গুরু কে স্মরণ করে মা কালির ধ্যান করবে । ধ্যান করার সময় মন বশে রেখে এক দৃষ্টি কালির দিকে তাকিয়ে থাকবেন , 
durga-mntr-1
কালি আরাধনার শক্তিলাভ , দুঃখ , শোক , রোগ , মারীভয় নিবারণ ,গ্রহ শান্তি , দারিদ্রতা নাশ , শত্রু ক্ষয় ,  সর্বপরি সিদ্ধি লাভ , মুক্তি লাভের জন্য কালী পুজা করা । শাস্ত্রে দেখা যায় কালী আরাধনা ব্যতিত মুক্তি অসম্ভব
জপের মন্ত্র ঃ
ক্রীং ক্রীং ক্রীং হুং হুং হ্রীং হ্রীং দক্ষিণ কালিকে ক্রীং ক্রীং ক্রীং হুং হুং হুং স্বাহা 
আচমন ঃ
ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ তদবিষ্ণুঃ পরমং পদং পশ্যন্তি সুরয়ঃ । দিবীব চক্ষুরাততম ।। ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ।।
পুস্প শুদ্ধি ঃ
ওঁ পুস্পে পুস্পে মহাপুস্পে সুপুস্পে পুস্পে পুস্পসম্ভবে । পুস্পেচয়াবকীরনে ওঁ হুং ফট স্বাহা ।
ওঁ খর্ব স্থুলতনু গজেন্দ্রবদনং লম্বধরনং সুন্দরম । প্রসন্দন মদগন্ধলুব্ধমধুপব্যালোলগণ্ডস্থলম । দন্তঘাত বিদারিতারিরুধিরৈঃ সিন্দুরশোভাকরম , বন্দে শৈলসুতাং গনপতিং সিদ্ধিপ্রদং কর্মসু ।।
পুজোর আসনে গন্ডি দিয়ে উক্ত শ্লোক ১০১বার পাঠ করা হলে মহা মায়া মা কালী স্বরুপে উপস্থিত হবেন এবং আপনার প্রার্থনা কৃত নাম্বার ও প্রয়োজন পূর্ণ করবেন, তার আগে মন্ত্র পাঠ ও আসনে নানাবিধ ভয় প্রদর্শিত হয় যা দৃঢ় সাহসী ব্যক্তির পক্ষে মোকাবেলা সম্ভব এছাড়া যে সহ্য করতে পারবেনা ,ভয় করবে, বা মাঝ পথে বন্ধ করে দিবে, ছেড়ে দিবে, এইরুপ করলে মৃত্যু নিশ্চিত ।
  • নোট : এই মন্ত্র ও পুজো করার আগে অবশ্যই উপযুক্ত তান্ত্রিক গুরু বা তান্ত্রিক জ্ঞান সম্পুর্ন ব্যক্তির পরামর্শ নিয়ে করবেন। কোন ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য আমি বা আমার ব্লগ কোন ধরনের দ্বায় গ্রহণ করবে না। ‌তান্তিক গুরু ‌আজিজ ‌রহমান ‌01757786808/

বশীকরন ‌কালো জাদু

মন্ত
বশীকরন কালো জাদু মন্তু .
প্রেম, ভালোবাসা, বিচ্ছেদ দুর করার জন্য তান্ত্রিক জগতের অব্যর্থ শক্তিশালী বশীকরণ শয়তানী মন্ত্র, যদি সঠিকভাবে তান্ত্রিক রীতি নীতি পালন করে প্রয়োগ করা হয় তাহলে 💯% ফলাফল হবে।
/শয়তানের মন্ত্র:
অলফ গুরু গুফতার রহমান!! 
জাগ জাগ রে অলহাদীন শয়তান।!
সাতবার অমুকী কো জা আন।
জীন রানে তো তেরী মা কি তিন তালাক।!!
বহন কী তিন তালাক।।!
/নিয়ম :নিশিরাতে যেকোনো উত্তম রাতে তিন রাস্তার মোরে বা শ্বশানে বা বটবৃক্ষের নিচে প্রথমে বেসন দিয়ে একটি চতুর্থ মুখী প্রদীপ তৈরী করে তার চার কোনে পাখির রক্ত ও নিজের ডান হাতের অনামিকার রক্ত লাগিয়ে চারটি সলতে তৈরি করে জ্বালাতে হবে,তার পর নিজে উলঙ্গ হয়ে দক্ষিন দিকে মুখ করে বসতে হবে,লোবান ধুপ চন্দন ধোয়া জ্বালাতে হবে,এবং ভোগ হিসেবে বুট,চাল ভাজা ও যব ভাজা একটি পাত্রে সাজিয়ে দিবে ,এবং ফল, মিষ্টির ভোগ দিতে হবে। সবকিছু আপনার সামনে সাজিয়ে তারপর উক্ত মন্ত ১০৮ বার জপ করিবে,মন্ত্রে উল্লেখিত অমুকীর জায়গায় যাকে পছন্দ করবেন তার নাম বলতে হবে,তার ফলে ২৪/৪৮ঘন্টার ভেতরে আপনার কাংখিত মানুষ পাগলের মতো আপনার নিকট ছুটে আসবে বা যোগাযোগ করবে এবং যেকোনো উপায়ে আপনাকে তার ভালোবাসা প্রকাশ করবে।

বিদ্র : শয়তানের মন্ত্র প্রয়োগ করার আগে অবশ্যই একজন উপযুক্ত অভিজ্ঞ ব্যক্তির নিকট পরামর্শ নিয়ে পরিপূর্ণ তান্ত্রিক আচারে প্রয়োগ করবেন।

✡যেকোনো প্রশ্ন ও পরামর্শে যোগাযোগ 
মন্তমন্তু গুরু এ্যসোসিয়েশন 01978142102/.  

প্রেমে ‌পাগল ‌করে ‌কাছে ‌আনার ‌‌তদবীর

আপনি কি ‌কাউকে ভালোবেসে কাচে পেতে 
চান তাহলে এই পোষ্ট টি আপনার জন্য। এবার ভাবা যাক সমস্যার কথা আপনি যাকে আপন করে পেতে চান সে হয়ত আপনাকে চায় না, ভালোবাসে অন্য কাউকে এমতবস্থায় আপনি কি করবেন। আবার হয়তবা কোন ছেলে/মেয়ে আপনার সাথে কিছুদিন ভালোবাসার অভিনয় করে তারপর আপনাকে ত্যাগ করে অন্য কারও সাথে প্রেম করে। তখন কি করবেন?
এই সকল সমস্যার সমাাধান করার জন্য তখন বাধ্য হয়ে একমাত্র ভরসা হিসেবে বশীীকরণ করতে হয়। এই ধরনের বশীকরণ গুুলো দ্রুত ,মধ্যম, ও ধীরে পদ্ধতি ,ব্যবহার করা হয়, মাত্র ৩/৫ দিন থেকে ৭/৯ দিনের মধ্যে ছেলে/মেয়েকে আপনার সামনে হাজির করা হয় । এই ধরনের বশীকরণ প্রয়োগ করা হলে ছেেল বা মেয়ে একে অপরের জন্য ব্যকুল হয়ে যায় ,ভালোবাসা কথা নিজেই প্রকাশ করে এই ধরনের কাজের জন্য যা যা প্রয়োজন হয়।
১.মেয়ের নাম,
২.মেয়ের মায়ের নাম,
৩.মেয়ের বাবার নাম।
৪.ছেলের নাম ,
৫.ছেলের বাবার নাম।
৬.ছেলের মায়ের নাম
ছবি যদি উভয়ের ছবি দেওয়া হয় তাহলে কাজের জন্য আরও বেশি সুবিধা হবে।
অনেক সময় ছেলে মেয়ে উভয়ে পছন্দ করে একে অপরকে ভালোবাসে কিন্তু এক পরিবার মেনে নিচ্ছে তো আর এক পরিবার গ্রহণ করছে না ,পরিবারের সকলেই রাজি কিন্তু পিতা বা মাতা রাজি নয় এক্ষেত্রে বশীকরণ সর্বোচ্চ গ্রহণ যোগ্য পথ এবং এটাই নিরাপদ ও কার্যকরী পথ। যদি বিয়ের জন্য রাজি না হয়।
 বশীকরণ ,বিচ্ছেদ ,মিলনে নির্ভরযোগ্য ও অব্যর্থ ১০০% কার্যকরী মন্ত্র।
💖মন্ত্র:
হড় গৌরি ইন্দ্রপতি হর গৌরি মা বসুমতী ।!!
ফলনা ফলনীর মিলন করি দে মা চন্ডি ।
ফলনা ফলনীর মিলন না হবু!!
গাধার মিলন না হবু !
হর গৌরি হর নৌরি!
দোহাই মা বসুমতি ।
দোহাই হাড়ির ঝি চন্ডি ।!!
কালীর দোহাইয়ে মন্ত্র চলে ফলনা ফলনীর মিলন করে!!!
নোট : মন্ত্র প্রয়োগ ও বিধিমালা, তান্ত্রিক জ্ঞান সম্পুর্ন অভিজ্ঞ ব্যক্তি ,কোন সাধক, বা ভালো কোন তান্ত্রিক গুরুর উপযুক্ত পরামর্শ নিয়ে কাজ করবেন। সঠিকভাবে নিয়ম ও পদ্ধতি পালন করা হলে শতভাগ ফলাফল পাবেন। তন্ত মন্ত কালো জাদুর মাধমে ‌100% গ্যারান্টিতে ‌তদবীর করা হয় .ফোন ..01978142102/

গলায় ‌মাছের ‌কাটা ‌দুর করার ‌আমল

যে দোয়ায় গলার কাঁটা নেমে যাবে💖ইসলামিক আমল)
বাঙালিদের ভাতে কিংবা পোলাও সঙ্গে মাছ ছাড়া চলেই না। আর এ মাছে রয়েছে বিভিন্ন পুষ্টিগুণ। কিন্তু এই মাছ নিয়ে সমস্যা শুধু এক জায়গায়। সেটা হলো তার কাঁটা। সাধের মাছ খেতে গিয়ে গলায় কাঁটা বিঁধেনি এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যাবে।আপনার গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে কোনো চিন্তা নেই। ডাক্তারের কাছে যেতে হবে না। পবিত্র কোরআনের আয়াতের আমল ও ফজিলতেই তা চলে যাবে ইনশাল্লাহ! দেখুন-
আপনি পবিত্র হয়ে নিচের দোয়াটি বিসমিল্লাহসহ পড়ুন আর ঢোক গিলতে থাকুন অথবা হাতের আঙ্গুল দিয়ে আলতো করে মালিশ করবেন কাটা চলে না যাওয়া পর্যন্ত। ইনশাল্লাহ! কিছুক্ষণের মধ্যে কাঁটা চলে যাবে।
দোয়াটি হলো-
فَلَوْلَآ إِذَا بَلَغَتِ ٱلْحُلْقُومَ
উচ্চারণ: ‘ফালাওলা ইযা-বালাগাতিল হুলকুম।’
অর্থ: অতঃপর যখন কারো প্রাণ কন্ঠাগত হয়।
(সূরা: আল-ওয়াকিয়াহ (الواقعة), আয়াত: ৮৩)।
‌যে কোন সমসায় ‌কল করুন তান্তুিক গুরু আজিজ রহমান .তন্ত মন্ত কালো জাদু ‌ও জ্বিন চালানের মাধমে কাজ করা হয় .01757786808

গুপ্তধন ‌পাবার ‌উপায়


        গুপ্তধন পাওয়ার উপায়
 ❣এই প্রথম এই গুপ্ত বিদ্যা প্রকাশ করা ✡সঠিকভাবে নিয়ম ও রীতি নীতি পালন করে যেকোনো ধর্ম পালনকারী উক্ত পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারবেন। ✡মাটির নীচের গুপ্তধন কোথায় আছে? কিভাবে জানতে পারবেন?

 💢💢প্রথমে কাঁসার বাটির একবাটি বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করুনএইপানির উপর ১ নম্বর দোয়াটি ৩৩৩ বার পাঠ করে ফুঁ দিবেন এবং২ নম্বর দোয়াটি ১০১ বার পাঠ করে ফুঁ দিবেন। তখন কাঁসার বাটিনিজেই চলতে থাকবে যেখানে গুপ্তধন আছে সেখানে গিয়েঘুরতে থাকবে বা দাঁড়িয়ে যাবে। যদি দেখেন পানির রং পরিবর্তনহয়েছে। তাহলে মনে করবেন সেখানে জ্বীনের আছর আছে। এটি আরেক ভাবেও পরীক্ষা করতে পারবেন সেটা হলো একবোতল ভিনেগার কিনে নিবেন। দাম ৩৫/৪০ টাকা আর ২০টাকার সমুদ্র ফেনা কিনে গুড়া করে নিয়ে ভিনেগারের বোতলে হোক বা কোন বাটিতে ভিনেগার ঢেলে তার ভিতর ভিনেগার ঢেলে তার মধ্যে ভিনেগার দিয়ে রেখে আসবেন সকালে যদি দেখেন পানির রং পরিবর্তন হয়েছে তখন বুঝবেন জ্বীনের আসর আছে।আর যদি দেখেন পানির রং পরিবর্তন হয়নি তবে কোন জ্বীন নাইবুঝতে পারবেন।এখন দোয়া দুটি লিখে দিলাম। ✡ ১ নম্বর দোয়াঃ-- الم -الرٰ- طهٰ- حم-محمد- یس- یا اعزرایل والمیکیل -یا اسرافیل والعزرایل - بسم الله الرحمن الر حیم - یا رد ردوعان আলিফ লাম মিম, আলিফ , ত্বহা, হামিম, মিম হা মিম দাল,ইয়াসিন' ইয়া আজ্রাইল ওয়াল মিকাইল, ইয়া ইস্রাফিল ওয়ালআজ্রাইল, বিসমিল্লাহ হির রহমানির রাহিম, ইয়া রদ রিদুয়ান। এবার ২ নম্বর দোয়াটি আগে ৪১০০ বার পাঠ করলেই দোয়াটিসিদ্ধ হবে। কিন্তু ১ নম্বর দোয়াটি সিদ্ধ করার প্রয়োজন নাই। ✡ ২ নম্বর দোয়াটিঃ— یا جبراعیل - یا رد ردوعان - احمد - الم- الله زلزالل ইয়া জিব্রাইল, ইয়া রদ রিদুয়ান, আলিফ হা মিম দাল, আলিফলাম মিম, আল্লাহু জুল জালাল। আপনারা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। তবে একটি কথা বলে রাখা দরকার সেটা হলো। ভিনেগারের পানিতে সমুদ্র ফেনার গুড়া দেওয়ার পরে বীক্রিয়ার সৃষ্টি হবে অর্থাৎ পানিতে বলক হবে তাই বাটিতে পানি পূর্ন করে রাখবেন না। পানি পূর্ন করা থাকলে উতলে পড়ে যেতে পারে।

 🛑 নোট : পরিপূর্ণ কবিরাজি বিদ্যা না জেনে বা অভিজ্ঞতা না থাকলে কখনোই এইসব নিজে নিজে করবেন না একটু ভুল হলে বা পরিপূর্ণ নিয়ম রীতি নীতি পালন করা না হলে যেকোনো বিপদ হতে পারে এমনকি জীবনের ক্ষতি হতে পারে তাই নিজে নিজে করতে চাইলে অবশ্যই সেই বিষয়ে বিশদভাবে জ্ঞান অর্জন করে করবেন।

 ❌❌ একটু ভুল সারা জীবনের কান্না হতে পারে। লোভ মানুষকে ধ্বংস করে দেয় তাই অতিরিক্ত। লোভ কখনোই করবেন না ❌❌

  1.  🌐🌐 যেকোনো প্রায় ও পরামর্শে যোগাযোগ  01757786808/

‌ ‌তান্তিক ‌গুরু ‌আজিজ ‌রহমান

জ্বিন পরী সাধক )
তান্তিক গুরু আজিজ রহমান।
তন্ত মন্ত কালো যাদু তাবিজ টোটকা ও জ্বিন
চালানের মাধমে তদবির করা হয়
১/★ প্রেম ভালোবাসা বের্থ
২★/ স্বামী,স্তীর অমিল সংসারে অশান্তি ★
৩★/ মনের মানুষকে প্রমে বা বিবাহে রাজি করা ★
৪★/ স্বামী, স্তীর অবধ্য সম্পক নষ্ট করা ★
৫★/ দুই ব্যক্তির মধে বিচ্ছেদ করা ★
৬★/ যে মহিলাদের ছেলে সন্তান হয় না তদবির দেয়া
৭★/ ছেলে মেয়ের লেখা পরায় মন বসে না ★
৮★/ পরীখায় ও মামলায় জয় লাভ ★
৯★/ যাদু টোনা জ্বিন পরীর আচর থেকে চির মুক্তি
১০★/ যে কোন জটিল ও কঠিন রোগ থেকে মুক্তি★
১১★/ শত্রুর হাত থেকে মুক্তি
১২★/ শত্রুকে বান মারণ ও খতি করা ★
১২★/ নিখুজ বা পালাতক ব্যক্তি কে হাজির
১৩★/ চোর ধরাও চোরকে চিনার তদবির ★
১৪★/ চোরা ই মামা মাল ফিরে পাবার তদবির ★
১৫★/ জুয়া বা লটারী জয় লাভ করার তদবির ★
১৬/ ★মামলায় জয় লাভ করা
১৭/★ চাকরী হয়না চাকরী লাভের তদবির
১৮/★/ শুভ কাজে বাধা বিবাহে বাধ্যা
১৯/★ শনীর ধশা থেকে মুক্তি
২০/★ দেকানে বেচা কিনা হয় না
২১/★ প্রেমিক প্রিকার বিবাহ বন্ধ করার তদবির
২২/★ অবৌধ সম্পর্ক বিচ্ছেদ করা।
আরো যে কোন সমসা সমাধান পেতে
আজি যোগা যোগ করুন।তান্তিক গুরু আজিজ রহমান ও
কবিরাজ।খোলনা খারিস পুর বাংলাদেশ।
যোগা যোগ। শুধু ইমু নাম্বার imo/01757886808/
gmail/. montrogurubd12@gmail.com
আমাদের সাদে থাকার জন্নে। ধন্যবাদ

শত্রুকে ‌বিনাস ‌করার ‌‌তবদীর



শত্রুকে ‌বিনাশ করতে চান.
বিদ্বেষপূর্ণ ধ্বংসাত্বক,শত্রুকে পরাস্ত (বান) মন্ত্র .তান্ত্রিক বিদ্যা
যদি কোন ব্যক্তি তার শক্তর সাথে কোন দিক দিয়েই না পেরে উঠে বা শত্রু এতটাই শক্তিশালী যে তার কারনে জীবন বিপন্ন হয়ে উঠে, এই ধরনের শত্রুে ধ্বংস করতে এই মন্ত্র অব্যর্থ ভাবে কার্যকরী।
যেকোনো বান বিদ্যা মানুষের জন্য অকল্যাণ কর তাই এইসব বান বিদ্যা প্রয়োগের আগে নিজ নিজ ধর্মীয় পথ অনুসন্ধান করে যদি দেখেন যে শত্রুর উপরে প্রয়োগ সিদ্ধ, তখনই এইসব কাজ করবেন।
বিনা কারনে উদ্দেশ্য প্রনীত হয়ে যদি কেউ এই মন্ত্র প্রয়োগ করে, তাহলে উল্টো ক্রীয়া হিসেবে এই মন্ত্র তার উপরেই প্রতিষ্ঠিত হবে এবং সে ধ্বংস হবে
মন্ত:
ওঁ নমো আদেশ গুরু কা।
সিন্দুর কি মায়া।
সিন্দুর নাম তেরী পওী।
কামাখ্যা সির পর তেরী উওপতি।
সিন্দুর পঢ়ি মৈ লগাউ বিন্দী।
বশ অমুক হোকে রহে নিবুদ্ধী।
মহাদেব কী শক্তি।
গুরু কী ভক্তি।
ন বশী হো কো কামরু কামাখ্যা কো দুহাই।
আদেশ হাড়ী দাসী চন্ডী কা।
অমুক (নাম হবে) কা মন লও নিকাল।
নহী তো মহাদেব পিতা কা বাম পঢ় জায়ে লাগ।
আদেশ! আদেশ! আদেশ!
🛑নোট : নিরাপত্তা জনিত কারনে প্রয়োগ বিধি প্রাকাশ করা সম্ভব নয়। যারা তান্ত্রিক বা অভিজ্ঞ ব্যক্তি তারা এই বিষয়ে ভালো করেই জানেন আর যারা এই বিযয়ে অভিজ্ঞ নয় তারা নিকটবর্তী ভালো কোন তান্ত্রিক এর নিকট হতে শিক্ষা গ্রহণ করে নিবেন।
যেকোনো প্রশ্ন ও পরামর্শে যোগাযোগ নাম্বার :তান্তিক গুরু আজিজ রহমান .01757786808

পুরাতন পোষ্ট গুলি দেখুন