‌‌‌মন্ত ‌গুরু ‌সেবা


মন্ত গুরু এ্যাসোসিয়েশন
নিশি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় বা বিছানায় শুয়ে যার কথা আপনার মনে পরে সে আপনার ভালোবাসা নয়, যাকে দেখলেই মনের মাঝে তাকে পাওয়ার তিব্র আকাঙ্খা জন্মে সেও আপনার ভালোবাসা নয়।। আপনার ভালোবাসা হচ্ছে সে- আপনি যখনি কোন অপরিচিত অপজিট লিঙ্গকে দেখেন তখনি যার মুখ খানা মনে ভেসে উঠে, যাকে সামনে দেখলেই মনের মাঝে কেমন জানি ভিত, পূলকিত চিন চিন করে উঠে, যাকে স্বপ্নে দেখেন না কিন্তু যার স্বপ্ন দেখার জন্য আপনি ব্যকুল থাকেন, স্বপ্ন ভাঙ্গলেই যাকে কল্পনায় দেখেন সেই আপনার ভালোবাসা।। একটি কথা মনে রাখুন তান্ত্রিক নয়, আপনার ভালোবাসা ও সৎ সাহস’ই আপনার প্রিয় মানুষটির সাথে মেলানোর জন্য যথেষ্ট। আপনি যাকে ভালোবাসেন তাকে পাওয়ার জন্য কোন তান্ত্রিকের নিকট না গিয়ে প্রথমেই নিজে সাহস করে মনের কথাটি তাকে যানান। সরাসরি মুখে বলুন। দেখুন আপনার কাজ হয়ে যেতে পারে। যদি কোন কারনে না করে দেয়, অপমান করে, বা ব্যতিক্রম কিছু উত্তর দেয়, আপনার হৃদয় ভেঙ্গে দেয় তবেও তো ভয় নেই। সে সময়ের জন্য আমাদের সেবা তো রয়েছেই। এরপরেও একটি কথা ভেবে দেখার জন্য বলবো তাকে নিয়ে ঘর বাধার স্বপ্ন দেখুন, যে আপনাকে ভালোবাসে, তাকে নিয়ে ঘর বাধার স্বপ্ন দেখবেন না, যাকে আপনি শুধু ভালোবাসেন।। ছল চাতুরী টেকনিক খাটিয়ে পরিবারকে রাজি করিয়ে তাদের অনুমতি ও পছন্দ করিয়ে ভালোবাসার মানুষটির সাথে সংসার পাতুন। পরিবারকে বাদ দিয়ে নিজের ভালোবাসার মানুষ নিয়ে দুরে গিয়ে সুখের ঘর বাধার স্বপ্ন দেখা বোকামী।।
আপনার সমসা আমাদের জানান ..ফোন 01978142102

আপনার সঙ্গীটি কী ধরনের সুগন্ধ পছন্দ করেন, তা জেনে নিন তাঁর রাশির বিচারে





.আপনার সঙ্গীটি কী ধরনের সুগন্ধ পছন্দ করেন, তা জেনে নিন তাঁর রাশির বিচারে
সুগন্ধ’ এমনই এক বিষয় যার আকর্ষণ থেকে রেহাই পান না কেউই। ব্যক্তি বিশেষে এই গন্ধের আকর্ষণ এক এক জনের কাছে এক এক রকমের হয়। এই গন্ধের সম্মোহনেই যৌন ইচ্ছা পায় চরম মাত্রা।
এ বার আসুন জেনে নেওয়া যাক রাশির বিচারে কে কোন সুগন্ধ পছন্দ করেন:
মেষ: সাধারণত মেষ রাশির জাতকরা ফুলের গন্ধ পছন্দ করেন। সুগন্ধীর মধ্যে মিন্ট জাতীয় বা মাস্ক জাতীয় কিছু গন্ধ পছন্দ করেন এই রাশির জাতকরা। ফলে আপনার সঙ্গী যদি মেষ রাশির হয়, তা হলে তাঁকে কাছে পেতে হলে তার পছন্দ বুঝে এই গন্ধের সুগন্ধী লাগিয়ে যওয়াই ভাল।
বৃষ: মোহময়ী যে কোনও গন্ধে এই রাশির জাতকেরা সহজেই আকৃষ্ট হন। আপনার সঙ্গী যদি বৃষ রাশির জাতক হন, তা হলে তিনি অবশ্যই পছন্দ করবেন জুঁই, ল্যাভেন্ডার বা ভ্যানিলার গন্ধ। তাঁকে সম্মোহনের নিশানা করতে হলে, এই ধরনের সুগন্ধী লাগানো ভাল।
মিথুন: এই রাশির জাতক কিছু হাল্কা গন্ধের পারফিউম পছন্দ করেন। তাই তাঁদের আকর্ষণ করতে হলে, হাল্কা গন্ধের কিছু পারফিউমই একমাত্র হাতিয়ার।
কর্কট: এই রাশির জাতকরা এমনিতেই একটু রোম্যান্টিক স্বভাবের হয়ে থাকেন। গন্ধ তাঁদের যেন সম্মোহিত করে। একটু অভিজাত ধরনের গন্ধ হলে এঁরা বেশ মেতে ওঠেন।
সিংহ: ফলজাতীয় কিছুর গন্ধে বেশ আকৃষ্ট হন এই রাশির জাতকরা। কোকো জাতীয় কোনও পারফিউমের গন্ধ হলে সবচেয়ে বেশি আকর্ষিত হন সিংহ রাশির জাতকরা।
কন্যা: এই রাশির জাতকরা যে ধরনের গন্ধে একটা ছোঁয়া দিয়ে থাকে, তা অত্যন্ত পছন্দ করেন। কোনও উগ্র গন্ধ এঁরা এক্কেবারেই নিতে পারেন না। তাই কন্যা রাশির জাতকদের ঘনিষ্ঠ ভাবে পেতে চাই হাল্কা গন্ধের সুগন্ধী।
তুলা: সবার থেকে এই রাশির জাতকদের পছন্দ একটু আলাদা। এঁরা সম্মোহনে নিজেকে হারিয়ে ফেলতে পছন্দ করেন বলে, যে গন্ধ হাল্কা অথচ যৌন তীব্রতায় ঠাসা, সেই গন্ধ পছন্দ করেন এঁরা।
বৃশ্চিক: আপনার সঙ্গী যদি বৃশ্চিক রাশির জাতক হন, তা হলে তাঁকে চকোলেট, এক্সোটিক, জ্যাসমিন— এই ধরনের গন্ধের জাদুতে নিজের দিকে আকৃষ্ট করতে পারেন। এই ধরনের গন্ধ এঁরা পছন্দ করেন।
ধনু: যে গন্ধ রোমাঞ্চ জাগায়, তাতেই আকৃষ্ট হয়ে যান এঁরা। চেরি ব্লসম, হোয়াইট টি এই সব গন্ধে সম্মোহনের আকর্ষণে সহজেই ধরা দেন।
মকর: রাশির জাতকেরা সোঁদা গন্ধ থেকে গ্রিন টি-র মতো একটু পার্থিব গন্ধ বেশি পছন্দ করেন। সেই বুঝে এই রাশির জাতকদের আকৃষ্ট করতে, তাঁদের পছন্দ অনুযায়ী পারফিউম লাগানো ভাল হবে।
কুম্ভ: লোটাস বা সুইট ভ্যানিলা জাতীয় গন্ধে সহজেই ধরা দেন কুম্ভ রাশির জাতকরা। আপনার সঙ্গী যদি কুম্ভরাশির জাতক হন, তা হলে তাঁকে এই গন্ধের জাদুতে নিজের দিকে আকৃষ্ট করতে পারেন।
মীন: ফলের গন্ধের মতো যাবতীয় মিষ্টি গন্ধের পারফিউম এই রাশির জাতকদের বেশ পছন্দ। তাঁদের পছন্দের মধ্যে মদের মিষ্টি গন্ধও পড়ে। তাই সঙ্গী যদি মীন রাশির জাতক হন, তা হলে সামলে পারফিউম মাখুন। আপনাদের যে কোন সমসা আমাদের ‌জানান ‌আমারা 100% গ্যরান্টিতে ‌সমাধান দিব .01757786808

বডি ‌ঘর ‌বন্ধ ‌করার ‌তদবীর



বাড়ী বন্ধ করার জন্য চারটি লোহার পেরেক লম্বা দেখে নিতে হবে এবং চারটি শিশি বা বোতল সংগ্রহ করিবে ৷ তার পর তিনবার সূরায় মুয্ যাম্মিল ও তিনবার চেহেলকাফ পাঠ করিয়া প্রতিবারে পেরেক চারটার উপরে দম করিবে, এরপর জাফরান ও গোলাপ পানির কালি দ্বারা চার খন্ড কাগজে চেহেল কাফ ও নিম্নোক্ত দোয়া লিখিবে ৷ তারপর একটি করিয়া উক্ত লিখিত কাগজ শিশির ভিতরে ভরিয়া উহার মুখ এমনভাবে বন্ধ করিবে , যাহাতে উহার ভিতর পানি ঢুকিয়া কাগজ নষ্ট হইয়া না যায় ৷
পূর্বেই বাড়ীর চার কোনে চারটি গর্ত করিয়া রাখিবে ৷ আর নিম্নোক্ত দোয়া তিনবার পাঠ করিয়া এক বালতি বালুর উপরে দম করিয়া রাখিবে ৷ আযান দেবার জন্য চারজন লোক আর বালু ছিটাইবার জন্য প্রয়োজন মত লোক ঠিক করিয়া রাখিবে ৷ এরপর এশার নামাজের ওয়াক্তে কাজ শুরু করিবে, প্রথমে যে কোনা হইতে শুরু করিবে, সেই কোনায় যইয়া বিদায় লইবে ৷
আমল শুরু করার পূর্বে তিনবার আয়াতুল কুরছী পাঠ করিয়া আমেল নিজে ও সঙ্গিদের শরীরে ফুক দিয়া লইবে ৷ কারন জিনের আড্ডা থাকিতে পারে, সেই জন্য পূর্বেই সাবধান হইয়া কাজ শুরু করিবে, এবং সকলেই সাহসের সহিত কাজ করিবে, ভয় পাইলে বিপদ হইতে পারে ৷
বালু পাড়ার দোয়া
ইন্নাহুম ইয়াকিদুনা কইদাওঁ ওয়া আকিদু কাইদা ফামাহহিলীল কাফিরিনা আমহিলহুম রুআইদা ৷
এই আমল দুই প্রকাপে করা যায়
প্রথম নিয়ম
চারজন আযান দিবাস লোক এক কোনায় গিয়া একত্রে আযান দিতে থাকিবে আর আমেল গর্তের ভিতরে একটি পেরেক পুতিয়া উহার উপরে একটি শিশি রাখিয়া মাটি ভর্তি করিয়া দিবে ৷ এরপর একাধারে অন্যান্য কোনায় আযান দিবে এবং পেরেক ও শিশি রাখিয়া মাটি মাটি ভর্তি করিয়া কাজ শেষ করিবে ৷ আর আযান শেষ হওয়া পর্যন্ত অন্য লোকেরা বাড়ীর সর্বত্র উক্ত বালু ছিটাইয়া দিবে ৷
দ্বিতিয় নিয়ম
চার কোনায় চার জন লোক একই সময় আযান দিবে এবং অন্য লোকে পেরেক ও শিশি গর্তের মধ্যে রাখিবে ৷ আর বালু আযানের সময় ছিটিয়ে দিবে ৷
কাগজে লেখার দুআ
سبحان الله والحد لله ولااله الا الله والله اكبر
চেহেল কাফ
کَفَاکَ رَبُکَ کَم یَکفَیکَ وَاکِفَۃً
کِفکَافھَا کَکَمِینَ کَانَ مِن لَکَکِ
تَکِرُ کَراً کَکِرُ الکَرِ فِی کَبَد
تَحکِی مُشکَشَکۃً کَلُکلُکِِِ لَکَکِ
کَفَامَابِی کَفاکَ الکَافِ کُریبَتَەُ
یَاکَو کَبًا کَانَ یَحکِی کَوکَب الفَلَکِ
বাংলা উচ্চারণ
কাফাকা রাব্বুকা কাম ইয়াকফিকা ওয়া কিফাতান
কিফকা ফুহা কাকামিনা কানা মিন কালুকি তাকির্রু
কার্রা কাকার্রিল কার্রি ফি কাবাদিন তাহকি
মুসাকসাকতান কালুকলুকি লাকাকি কাফাকা মাবি
কাফাকাল কাফ কুর বাতিহি ইয়া কাওকাবান কানা
ইয়াহ কি কাওকাবাহু ইয়া কাওকাবাল ফালাক ।
🔰যেকোনো প্রশ্ন ও পরামর্শে যোগাযোগ নাম্বার :01878142102/

( কালো জাদু ‌বানমারন বিদ্যা )

( কালো যাদু/বান মারন বিদ্যা)
তান্ত্রিক বিদ্যা
উচ্চটান ,মারন বিদ্যা মানব জাতির জন্য ক্ষতিকর এবং অকল্যানকর, কিন্তু তারপরও জীবন চলার পথে এমন কোন পরিস্থিতি চলে আসে যখন বিপরীত শত্রুদের সাথে লড়াই করে কোনভাবেই যখন টেকা যায়না তখনই অলৌকিক শক্তির দারস্ত হতে হয় এবং ইচ্ছার বিরুদ্ধে হলেও এই বিদ্যা প্রয়োগ করতে হয়।
সাধনা ছাড়া কখনোই কোন মন্ত্র দ্বারা কোন ফলাফল আশা করা সম্ভব নয়, তাই সাধারণ মানুষের কাছে মন্ত্র কে হাস্যকর বা সাধারণ বস্তু মনে হতে পারে তাই প্রকাশিত সকল মন্ত্রই, তান্ত্রিক, সাধক, ঋষি, কবিরাজ, তান্ত্রিকদের জন্য প্রযোজ্য

‼বিশেষ বিবেচনায় মন্ত্রটি প্রকাশ করা হলো কিন্তু তান্ত্রিক জ্ঞান ব্যতীত কখনোই অতিকৌতুহলী হয়ে কখনোই এইসব মন্ত্র ব্যবহার করবেন না কারন এইসকল মন্ত্র যথেষ্ট ভয়ংকর, এটা প্রয়োগ করতে সামান্যতম ভুল হলে নিজের জীবন ধ্বংস হতে পারে, তাই অবশ্যই কোন তান্ত্রিক গুরু বা অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শ নিয়ে, যদি খুব বেশি বিশেষ প্রয়োজন হয় তাহলেই প্রয়োগ করবেন ‼

⭕মন্ত্রঃ
কাল কাল মহাকাল।
জুগ্নযোগনী ইন্দ্রজাল।।
কাংকালিনী অগ্নিধারে।
অমুকের কাছে যা- দোহায় কেয়া যুগ্নযোগিনী অমুক কে নাশ কর,বিনাশ কর।
কার আজ্ঞে- কালীর কাল আজ্ঞে।
মন্ত্র যদি লড়ে চড়ে মহাদেবের রোশ ভুমিতে পড়ে।।।

🔘 বিদ্রঃ এই কাজের জন্য যাদের মারবে তাদের নাম ও পিতা মাতার নাম লাগবে কাজের ফলাফল ৩ দিনে।

🉑 প্রয়োজনীয় উপকরণ : শ্বসানের কাষ্ঠ, ফাঁস দড়ি, তিনটি শিব মন্দিরের মাটি, কাঁচা মোম, ২১ টি সুঁই, চামেলি তেল, পন্চপ্রদীপ, শীবজটা, চন্দন, কুমকুম, লোবান, ধুপ, তিনটি মোরগ, প্রয়োজনীয় ভোগ।

👁️‍🗨️👁️‍🗨️ বিশেষ নিরাপত্তা কারনে নিয়ম ও প্রয়োগ সময় প্রকাশ করা হলো না। আপনি যে তান্ত্রিক গুরু বা অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শ নিবেন, অবশ্যই তারা নিয়ম জানে এবং আপনাকে নিয়ম বলে দিবে।

যেকোনো প্রশ্ন ও পরামর্শে যোগাযোগ করুন তান্তিক গুরু আজিজ রহমান .জ্বীন সাধক .আপনারা যে কোন দেশ বা জেলে থেকে অনলাইনে তদবীর করতে পারেন .100% গ্যারন্টিতে তদবীর করা হয় যে কোন কঠিন কাজ 3/5 দিনে সমাধান করা হয় ফোন .01757786808/ খুলনা .খালিস পুর


জ্যাকপট, সাট্টা জুয়ায় বিজয়ী হওয়ার সাধনা মন্ত্র তান্ত্রিক পদ্ধতি)


 জ্যাকপট, সাট্টা জুয়ায় বিজয়ী হওয়ার সাধনা মন্ত্র
                            তান্ত্রিক পদ্ধতি)



 দেবলোকের সর্বো শক্তিমান সৃষ্টি আদি রহস্যাবৃত "কালী "দেবীর সাধনা ছাড়া পৃথিবীর কেউ কখনোই সাট্টার নাম ,জ্যাকপট ,বা জুয়ায় জয়ী হওয়ার নাম্বার পায় না বা বের করতে পারেনা শুধুমাত্র মহাদেবী কালীর সাধকগন এই কাজে সফলতা পায়। 
এই সাধনা মোটেও সহজ কোন পথ নয় ,যদি এতো সহজেই এইসব জুয়ার নাম্বার পাওয়া যেতো তাহলে তো সকলেই এই কাজ করতো, এই পথ কঠিন বলেই হাজারে একজন সফলতা পায় 
এই সাধনা কালে অনেক অনেক বিপদ ও বিঘ্নের সন্মুখীন হতে পারেন তা মনে রেখে সাধনা তে বসবেন । কালির অনেক রুপ ভদ্রকালি , শ্মশান কালি , রক্ষা কালি দক্ষিণা কালি ইত্যাদি ।
অনুষ্ঠান সামগ্রী ঃ
১ মহাকালির চিত্র ২ পরনে শ্বেত বস্ত্র ,৩ ভোগ ও নৈবেদ্য ৪ ধুপ ও দীপ ৫ ফুল ফল।                                    
সাধনা কালে উপবাস থেকে সন্ধ্যাকালে হাল্কা ফল মুল ভোজন করবেন । পূর্ণ ব্রহ্মচর্য পালন করবেন । অনুষ্ঠানের আগে স্নান আবশ্যক তার পর স্বচ্ছ বস্ত্র ধারন করবে । আসনে কালি মূর্তি স্থাপন তার সামনে ধুপ দীপ জ্বালাবে আর নৈবেদ্য রাখবে । সর্ব প্রথম গুরু কে স্মরণ করে মা কালির ধ্যান করবে । ধ্যান করার সময় মন বশে রেখে এক দৃষ্টি কালির দিকে তাকিয়ে থাকবেন , 
durga-mntr-1
কালি আরাধনার শক্তিলাভ , দুঃখ , শোক , রোগ , মারীভয় নিবারণ ,গ্রহ শান্তি , দারিদ্রতা নাশ , শত্রু ক্ষয় ,  সর্বপরি সিদ্ধি লাভ , মুক্তি লাভের জন্য কালী পুজা করা । শাস্ত্রে দেখা যায় কালী আরাধনা ব্যতিত মুক্তি অসম্ভব
জপের মন্ত্র ঃ
ক্রীং ক্রীং ক্রীং হুং হুং হ্রীং হ্রীং দক্ষিণ কালিকে ক্রীং ক্রীং ক্রীং হুং হুং হুং স্বাহা 
আচমন ঃ
ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ তদবিষ্ণুঃ পরমং পদং পশ্যন্তি সুরয়ঃ । দিবীব চক্ষুরাততম ।। ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ।।
পুস্প শুদ্ধি ঃ
ওঁ পুস্পে পুস্পে মহাপুস্পে সুপুস্পে পুস্পে পুস্পসম্ভবে । পুস্পেচয়াবকীরনে ওঁ হুং ফট স্বাহা ।
ওঁ খর্ব স্থুলতনু গজেন্দ্রবদনং লম্বধরনং সুন্দরম । প্রসন্দন মদগন্ধলুব্ধমধুপব্যালোলগণ্ডস্থলম । দন্তঘাত বিদারিতারিরুধিরৈঃ সিন্দুরশোভাকরম , বন্দে শৈলসুতাং গনপতিং সিদ্ধিপ্রদং কর্মসু ।।
পুজোর আসনে গন্ডি দিয়ে উক্ত শ্লোক ১০১বার পাঠ করা হলে মহা মায়া মা কালী স্বরুপে উপস্থিত হবেন এবং আপনার প্রার্থনা কৃত নাম্বার ও প্রয়োজন পূর্ণ করবেন, তার আগে মন্ত্র পাঠ ও আসনে নানাবিধ ভয় প্রদর্শিত হয় যা দৃঢ় সাহসী ব্যক্তির পক্ষে মোকাবেলা সম্ভব এছাড়া যে সহ্য করতে পারবেনা ,ভয় করবে, বা মাঝ পথে বন্ধ করে দিবে, ছেড়ে দিবে, এইরুপ করলে মৃত্যু নিশ্চিত ।
  • নোট : এই মন্ত্র ও পুজো করার আগে অবশ্যই উপযুক্ত তান্ত্রিক গুরু বা তান্ত্রিক জ্ঞান সম্পুর্ন ব্যক্তির পরামর্শ নিয়ে করবেন। কোন ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য আমি বা আমার ব্লগ কোন ধরনের দ্বায় গ্রহণ করবে না। ‌তান্তিক গুরু ‌আজিজ ‌রহমান ‌01757786808/

বশীকরন ‌কালো জাদু

মন্ত
বশীকরন কালো জাদু মন্তু .
প্রেম, ভালোবাসা, বিচ্ছেদ দুর করার জন্য তান্ত্রিক জগতের অব্যর্থ শক্তিশালী বশীকরণ শয়তানী মন্ত্র, যদি সঠিকভাবে তান্ত্রিক রীতি নীতি পালন করে প্রয়োগ করা হয় তাহলে 💯% ফলাফল হবে।
/শয়তানের মন্ত্র:
অলফ গুরু গুফতার রহমান!! 
জাগ জাগ রে অলহাদীন শয়তান।!
সাতবার অমুকী কো জা আন।
জীন রানে তো তেরী মা কি তিন তালাক।!!
বহন কী তিন তালাক।।!
/নিয়ম :নিশিরাতে যেকোনো উত্তম রাতে তিন রাস্তার মোরে বা শ্বশানে বা বটবৃক্ষের নিচে প্রথমে বেসন দিয়ে একটি চতুর্থ মুখী প্রদীপ তৈরী করে তার চার কোনে পাখির রক্ত ও নিজের ডান হাতের অনামিকার রক্ত লাগিয়ে চারটি সলতে তৈরি করে জ্বালাতে হবে,তার পর নিজে উলঙ্গ হয়ে দক্ষিন দিকে মুখ করে বসতে হবে,লোবান ধুপ চন্দন ধোয়া জ্বালাতে হবে,এবং ভোগ হিসেবে বুট,চাল ভাজা ও যব ভাজা একটি পাত্রে সাজিয়ে দিবে ,এবং ফল, মিষ্টির ভোগ দিতে হবে। সবকিছু আপনার সামনে সাজিয়ে তারপর উক্ত মন্ত ১০৮ বার জপ করিবে,মন্ত্রে উল্লেখিত অমুকীর জায়গায় যাকে পছন্দ করবেন তার নাম বলতে হবে,তার ফলে ২৪/৪৮ঘন্টার ভেতরে আপনার কাংখিত মানুষ পাগলের মতো আপনার নিকট ছুটে আসবে বা যোগাযোগ করবে এবং যেকোনো উপায়ে আপনাকে তার ভালোবাসা প্রকাশ করবে।

বিদ্র : শয়তানের মন্ত্র প্রয়োগ করার আগে অবশ্যই একজন উপযুক্ত অভিজ্ঞ ব্যক্তির নিকট পরামর্শ নিয়ে পরিপূর্ণ তান্ত্রিক আচারে প্রয়োগ করবেন।

✡যেকোনো প্রশ্ন ও পরামর্শে যোগাযোগ 
মন্তমন্তু গুরু এ্যসোসিয়েশন 01978142102/.  

প্রেমে ‌পাগল ‌করে ‌কাছে ‌আনার ‌‌তদবীর

আপনি কি ‌কাউকে ভালোবেসে কাচে পেতে 
চান তাহলে এই পোষ্ট টি আপনার জন্য। এবার ভাবা যাক সমস্যার কথা আপনি যাকে আপন করে পেতে চান সে হয়ত আপনাকে চায় না, ভালোবাসে অন্য কাউকে এমতবস্থায় আপনি কি করবেন। আবার হয়তবা কোন ছেলে/মেয়ে আপনার সাথে কিছুদিন ভালোবাসার অভিনয় করে তারপর আপনাকে ত্যাগ করে অন্য কারও সাথে প্রেম করে। তখন কি করবেন?
এই সকল সমস্যার সমাাধান করার জন্য তখন বাধ্য হয়ে একমাত্র ভরসা হিসেবে বশীীকরণ করতে হয়। এই ধরনের বশীকরণ গুুলো দ্রুত ,মধ্যম, ও ধীরে পদ্ধতি ,ব্যবহার করা হয়, মাত্র ৩/৫ দিন থেকে ৭/৯ দিনের মধ্যে ছেলে/মেয়েকে আপনার সামনে হাজির করা হয় । এই ধরনের বশীকরণ প্রয়োগ করা হলে ছেেল বা মেয়ে একে অপরের জন্য ব্যকুল হয়ে যায় ,ভালোবাসা কথা নিজেই প্রকাশ করে এই ধরনের কাজের জন্য যা যা প্রয়োজন হয়।
১.মেয়ের নাম,
২.মেয়ের মায়ের নাম,
৩.মেয়ের বাবার নাম।
৪.ছেলের নাম ,
৫.ছেলের বাবার নাম।
৬.ছেলের মায়ের নাম
ছবি যদি উভয়ের ছবি দেওয়া হয় তাহলে কাজের জন্য আরও বেশি সুবিধা হবে।
অনেক সময় ছেলে মেয়ে উভয়ে পছন্দ করে একে অপরকে ভালোবাসে কিন্তু এক পরিবার মেনে নিচ্ছে তো আর এক পরিবার গ্রহণ করছে না ,পরিবারের সকলেই রাজি কিন্তু পিতা বা মাতা রাজি নয় এক্ষেত্রে বশীকরণ সর্বোচ্চ গ্রহণ যোগ্য পথ এবং এটাই নিরাপদ ও কার্যকরী পথ। যদি বিয়ের জন্য রাজি না হয়।
 বশীকরণ ,বিচ্ছেদ ,মিলনে নির্ভরযোগ্য ও অব্যর্থ ১০০% কার্যকরী মন্ত্র।
💖মন্ত্র:
হড় গৌরি ইন্দ্রপতি হর গৌরি মা বসুমতী ।!!
ফলনা ফলনীর মিলন করি দে মা চন্ডি ।
ফলনা ফলনীর মিলন না হবু!!
গাধার মিলন না হবু !
হর গৌরি হর নৌরি!
দোহাই মা বসুমতি ।
দোহাই হাড়ির ঝি চন্ডি ।!!
কালীর দোহাইয়ে মন্ত্র চলে ফলনা ফলনীর মিলন করে!!!
নোট : মন্ত্র প্রয়োগ ও বিধিমালা, তান্ত্রিক জ্ঞান সম্পুর্ন অভিজ্ঞ ব্যক্তি ,কোন সাধক, বা ভালো কোন তান্ত্রিক গুরুর উপযুক্ত পরামর্শ নিয়ে কাজ করবেন। সঠিকভাবে নিয়ম ও পদ্ধতি পালন করা হলে শতভাগ ফলাফল পাবেন। তন্ত মন্ত কালো জাদুর মাধমে ‌100% গ্যারান্টিতে ‌তদবীর করা হয় .ফোন ..01978142102/

পুরাতন পোষ্ট গুলি দেখুন