পরী সাধনা। মুসলিম।

                 পরী সাধনা। মন্ত গুরু জ্বিন সাধন।
।সর্বাগ্যে আমাদের জানা প্রয়োজন পরী সাধনা কে
করবে? কেন করবে? জগতে যতগুলো শক্তি সাধনা
রয়েছে তার প্রতিটির’ই রয়েছে নির্দিষ্ট কিছু
উদ্দেশ্য। আমরা আমাদের নিজ ব্যক্তি সাধনা
সিদ্ধির জন্যই বিভিন্ন সাধনা করে থাকি। অনেক
সাধনা রয়েছে অর্থ প্রাপ্তির জন্য, অনেক সাধনা
সম্নান প্রতিপত্তির জন্য, অনেক সাধনা সাংসারিক
জীবনে সুখ প্রাপ্তির জন্য। তেমনি পরী সাধনার
রয়েছে নির্দিষ্ট কিছু উদ্দেশ্য। অনেক মেয়ে বা
নারী আমাদের নিকট পরী সাধনা করার জন্য
অভিপ্রায় ব্যক্ত করে থাকেন। কিন্তু বাস্তবিকে পরী
সাধনা কোন মেয়েলি সাধনা নয়, কোন নারী এই
সাধনায় বিন্দু পরিমান উপকৃত হবে বলে মনেও হয় না।
পরী সাধনা মূলত পুরুষদের জন্য একটি সাধনা, এই
সাধনার মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে অবিবাহীত পুরুষের
আত্মিক ও যৌবিক চাহিদা পূর্ণ করা ও সেই সাথে
আর্থিক অনটন থেকে মুক্তি, তবে কেউ যদি শুধু
আর্থিক উন্নতীর জন্য এই সাধনা করেন তবেও সে
নিশ্চিত বিফল হবে। কারন এখানে বিষয়টি এমন যে
আপনি একটি বিত্তশালী মেয়েকে বিয়ে করলেন
এতে করে আপনার যেমন একটি নারী সঙ্গ হলো সেই
সাথে আপনার আর্থিক সহযোগিতা হলো কিন্তু যদি
মেয়েটিকে বিয়ে না করেন তবে সে আপনাকে
ভিক্ষাও দিবে কি না সেটি অনিশ্চিত!!! তেমনি পরী
সাধনার ক্ষেত্রটিও এমনি। তবে এ যাবৎ পর্যন্ত
যতগুলো শক্তি সাধনার সাথে আমরা পরিচিত হয়েছি,
সাধনা বিধি দেখেছি, ক্লাইন্টদের সফলতার হার
নিরিক্ষণ করেছি তাতে পরী সাধনার মত সহজ সরল
কোন সাধনা জগতে নেই, স্বল্প সময়ের কম পরিশ্রমে
এর চাইতে ভালো কোন সাধনাই জগতে নেই। তবে
এখানে একটাই জটিল শর্ত হচ্ছে যে কোনও লুচ্চা
প্রকৃতির, নারী দেহ লোভি, বিবাহিত পুরুষের দ্বারাও
এ সাধনা সম্ভব নয়। এই সাধনায় ভয় ভিতির বা কোন
শারীরিক ক্ষতির আশংকা নেই। আপনি যদি
পরবর্তীতে বিয়ে করতে চান তবেও সমস্যা নেই তবে
আপনি বিয়ে করলে বা অন্য নারীতে আশক্ত হলে এই
সাধনা আপনা হতেই বিলিন হয়ে যাবে।
আমরা এ যাবৎকাল পর্যন্ত পরী সাধনার জন্য সর্বমোট
তিনটি প্রকৃয়া বা নিয়ম সংগ্রহ করতে পেরেছি যার
মধ্যে এশিয়া মহাদেশের পরিমন্ডলে দুটি নিয়মে
সাধনাটি খুব সহজেই সফল হয়। আমরা আপনাদের সাথে
পর্যায়ক্রমে এ দুটি নিয়ম নিয়েই আলোচনা করবো।
তবে পূরনো কথাটি আবারও নুতন করে বলছি (কখনোই
আপনি সিদ্ধগুরুর স্বার্নিধ্য ছাড়া একা কোন সাধনা
করতে যাবেন না।)
মন্ত্রঃ ”বিসমিল্লাহী রাহিমান রাব্বে ইন্নি মঙ্গল
ফান্তসির”
সাধনা বিধিঃ প্রথমেই গুরুর আর্শিবাদ প্রাপ্ত হয়ে
তার অনুমতি সাপেক্ষে একটি শুভ সময় মন্ত্রটি
নির্দিষ্ট সংখক বার জপ করে সিদ্ধ করে নিতে হবে।
এবার আপনাকে এমন একটি গৃহ নির্বাচন করবেন যে
ঘরে কোন মহিলার যাতায়াত নেই বা কোন নারী
সেখানে প্রয়োজনেও যায় না। এবার আপনাকে
আপনার পোশাক নির্বাচন করতে হবে, পরী সাধনার
জন্য রেশমী বা পশমী কাপড়’ই উপযুক্ত, আপনি খুব
রঙ্গিন অর্থাৎ ঝকমকে নতুন পোষাক পরিধান করবেন
সেই সাথে মাথায় পাগড়ি বা বিয়ের সময় বর যে
ধরনের টোপড় পরে তেমন নতুন সুন্দর টোপড় পড়তে
পারেন। এবার চন্দ্রমাসের প্রথম রাত্রি হতেই ( সেদিন
যদি বৃহষ্পতিবার হয় তবেই ভালো) একটি পাঠ বা
মোটা কাপড়ের তৈরী সবুজ রঙ্গের আসন পেতে
বসবেন। সামনে বড় মাপের তিনটি তিন রঙ্গা
মোমবাতি জ্বালাবেন, ঘরে সুগন্ধি ছড়িয়ে দিবেন,
নিজ শরীরেও সুগন্ধি ব্যবহার করবেন, প্রয়োজনে ঘরে
কিছু টাটকা সুগন্ধি ফুলের ব্যবস্থা করে রাখতে
পারেন, এবার একটি তামা বা পিতলের থালায়
আমাদের নিকট হতে প্রাপ্ত নকশাটি কস্তুরি, মেশক,
গোলাপ জ্বল দিয়ে সুন্দর করে আকঁবেন। সেটি আপনার
সামনে স্থাপন করবেন। সমস্ত কাজগুলো রাত্রি ১২ টার
পর করবেন। এবার খুব সুন্দর করে যে কোনও দরুদ শরীফ
১০০ বার তেলাওয়াত করে উক্ত মন্ত্রটি এমন ভাবে
পড়বেন যেন আপনি নিজ কানে শুনতে পান। আপনার
মন্ত্র জপ অন্তত্য ৩ ঘন্টা পর্যন্ত চলবে এরপর আপনি
সেই অবস্থায় মোমবাতি নিভিয়ে সেই আসনেই
ঘুমিয়ে পড়বেন। এভাবে পর পর কয়েকদিন করলেই
( সাধারনত ৩-৭ দিন সময় লাগে) পরী এসে আপনার
সামনে হাজির হবে। সে আসলে প্রথমেই আপনাকে
তার নাম জানতে হবে তার পরীবার সর্ম্পকে
বিস্তারিত জানবে। তার থাকার জন্য বাসস্থানের
ব্যবস্থা করে রাখবে। কারন সে আপনার সাথে
সর্ম্প্যে করলে তার জামায়াত বা তার পরীবারের
কাছে ফিরে যেতে পারবে না। এ জন্য আপনাকে
আপনার বাড়ীতে বা বাস্থানের এমন একটি স্থান
নির্বাচন করতে হবে যেখানে দিনের বেলাতেও
অন্ধকারচ্ছন্য থাকে, সুর্যের আলো পৌছায় না। এবার
তাকে আহ্বানের নিয়মটি যেনে নিবেন, নিয়ে আপনি
তাকে আপনার মনের খায়েস জানাতে পারেন, এতে
সে খুশি হয়ে সেদিন হতেই বা পরবর্তী দিন হতেই
আপনার মনের আকাঙ্খা পূর্ণ করতে তৎপর হবে। মনে
রাখবেন লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু। তাকে আপনার নিজ
স্বার্থে ব্যবহার করতে পারবেন সত্য কিন্তু তাকে
কখনো নিজের চাকর বা দাসী ভাববেন না। এ বিষয়
আরও বিস্তারিত আলোচনা এই চ্যাপ্টারের কোন
অংশে করা হবে ইনশা আল্লাহ। ভালো থাকবে। পরী সাধনার যন্ত টি পেতে অবসই যোগা যোগ করুন।

অবৈধ্য সম্পর্ক বা ভালবাসা বিচ্ছেদ

। বিচ্ছেদ করার মন্ত্রঃ
যদি কোন শয়তান ব্যক্তির কারনে আপনার বন্ধু বা
বান্ধব কিংবা আপনার পরিবারের অথবা আপনার
নিজের ক্ষতি আপনি উপলব্ধি করতে দেখেন তাহলে
আপনি এই মন্ত্রটি কাজে ব্যবহার করতে পারেন।
প্রয়োগের নিয়মটি ও খুব সহজ বলে আমি মনে করি।
মন্ত্রঃ
“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। দোহায়
দোহায় আজাজীল- অমুকের কন্যার সাথে অমুকের
বেটা অমুকের বিচ্ছেদ কর। কাবিলের পুত মুই
কাফেরে আকফান। যত আল্লার কাল্লা কাটি করি
যে খান খান। অমুকের সাথে অমুকের বিচ্ছেদ হন।
হুকুম পালন করে আজাজীল শয়তান। মন্ত্র যদি লড়ে
চড়ে আজাজীলের মস্তক ছিড়ে- নরকের আগুনে
পড়ে।”
বিধিঃ এই মন্ত্র কুফুরী কালোযাদুর মন্ত্র।এর দ্বারা
যেকোন মানুষের মাঝে মাত্র ৭২ ঘন্টায় বিচ্ছেদ করা
যায়। মন্ত্রটি একুশ বার পড়ে সিদ্ধ করে নিতে হবে।
তারপর মন্ত্রটি তিন বার পাঠ করে কোন মিষ্টি
জাতীয় দ্রব্যে অভিমন্ত্রিত করে বা ফুঁ দিয়ে দুই
ব্যক্তির মধ্যে যেকোন এক ব্যক্তিকে খাওয়াতে হবে।
তাহলে তাদের উভয়ের মধ্যে বিচ্ছেদ বা বিদ্বেষ
সৃষ্টি হইবে।

থার্ড আই চক্র, Third Eye Radiation

তৃতীয় নয়ন ও রেইকি বা স্পর্শ চিকিৎসা
হাজার বছর পূর্বে যাকে বলা হত
প্রাণশক্তি, আমেরিকা আজ তাকেই বলছে
ইউনিভার্সাল লাইফ ফোর্স এনার্জি,
রাশিয়া বলছে বায়ো প্লাসমিক
এনার্জি; চীন বলছে চি; মাত্র দেড়শো
বছর আগে জাপানে তার নাম হয় রেইকি।
রেই-কি (Rei-ki) জাপানী শব্দ;  ‘রেই’ অর্থ
বিশ্বব্রহ্মান্ড; ‘কি’ অর্থ জীবনীশক্তি।
অর্থাৎ রেইকি হচ্ছে বিশ্বব্রহ্মান্ডের
জীবনীশক্তি তথা মহাজাগতিক শক্তি। 
এই পৃথিবীতে সবল ও সুস্থ দেহ নিয়ে বাঁচার
জন্য যে জীবনীশক্তি আমরা প্রতিনিয়ত
বিনামূল্যে পাচ্ছি, তা আসছে প্রাকৃতিক
৩টি উৎস থেকে সূর্যরশ্মি, মুক্ত বায়ু ও
মাটি। এ তিন শক্তির মধ্যে প্রধান হলো 
সূর্যরশ্মি তথা সোলার এনার্জি। পৃথিবীর
বুকে ছড়িয়ে পড়া সূর্যের প্রাণশক্তিকে
মানবদেহের অসুস্থ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে প্রবেশ
করিয়ে তাকে সুস্থ করে তোলার প্রক্রিয়া
ও পদ্ধতি পুনরুদ্ধার করেছেন আধুনিক
রেইকির প্রবর্তক জাপানের ড. মিকাও
উসুই।  মানবদেহে রয়েছে সাতটি চক্র
ক্রাউন চক্র, থার্ড আই চক্র, থ্রোট চক্র,
হার্ট চক্র, সোলার প্লেক্সাস চক্র,
স্যাক্রাল চক্র, রুট চক্র। এই প্রত্যেকটি
চক্র শরীরের একেকটি এন্ডোক্রিন
গ্ল্যান্ডের সঙ্গে সংযুক্ত। রেইকির কাজ
হলো বিশ্বব্রহ্মান্ডের বিশাল শক্তিকে
শরীরের চ্যানেলের মধ্য দিয়ে আবাহন
করিয়ে চক্রের মধ্যে প্রবাহিত করা। চক্র
থেকে শক্তি সঞ্চালিত হয় এন্ডোক্রিন
গ্ল্যান্ডে। প্রথম তিনটি চক্র হলো
আধ্যাত্মিক চক্র, শেষ তিনটি চক্রের
যোগাযোগ পৃথিবীর সঙ্গে। সোলার
প্লেক্সাস চক্রটি যুক্ত আমাদের হার্ট বা
হৃদয়ের সঙ্গে। পৃথিবী থেকে শক্তি আহরণ 
করে আধ্যাত্মিক চক্র থেকে তা প্রবাহিত
হয় হার্টে। রেইকি মতে, হার্টের
এক্সটেনশন হচ্ছে হাত। কাজেই ব্রহ্মান্ড
থেকে আহরিত শক্তি গিয়ে জমা হয়
হাতের দশটি আঙুলের প্রান্তে। বেড়ে
যায় আঙুলের শক্তি, যে শক্তি দিয়ে
আরোগ্য হয় রোগের।  
সূর্যরশ্মি বা মহাজাগতিক শক্তিকে
আহরণ করে দু’হাতের মাধ্যমে তা
ব্যাধিগ্রস্ত মানুষের শরীরে পৌঁছে
দেয়ার মানেই হলো প্রাণশক্তি প্রদান 
অথবা ট্রান্সফার অব লাইফ ফোর্স
এনার্জি তথা রেইকি। যুগ যুগ ধরে
মহামানবগণ শুধুমাত্র হাতের স্পর্শেই
জরাগ্রস্ত ও ব্যাধিগ্রস্ত মানুষকে নিরাময়
করে এসেছেন। এতে কোনো যাদুমন্ত্রের
ব্যাপার বা বিষয় নেই; বরং রয়েছে
বিশেষ মানুষের বিশেষ জ্ঞান তথা
বিজ্ঞান।  রেইকি বা স্পর্শ চিকিৎসার
মাধ্যমে নিজেই নিজের চিকিৎসক হওয়া
যায়। সামান্য কাশি থেকে ক্যান্সার
পর্যন্ত বিনা ঔষধে, বিনা অস্ত্রোপচারে
কেবলমাত্র হাতের স্পর্শ দিয়ে নিরাময়
করা যায়। 
যেকোনো পরিস্থিতিতে, যেকোনো
স্থানে, যেকোনো সময়ে রেইকি শক্তি
প্রয়োগ করা সম্ভব। তবে ভোর চারটা
থেকে ছ’টার মধ্যে করলে বেশি কার্যকর
হয়। এ সময় ইউনিভার্স থেকে একটি বিশেষ
রশ্মি পৃথিবীতে আসে, যা শরীরের জন্য
অত্যন্ত উপকারী। এ রশ্মির হিলিং 
পাওয়ার অনেক বেশি।  কোনো আকস্মিক
দুর্ঘটনায় রেইকি হতে পারে ফার্স্ট এইড। 
সাধারণ অসুখের ক্ষেত্রে ৩ দিনের রেইকি
চিকিৎসা যথেষ্ট। কঠিন রোগে চিকিৎসা
করতে হয় ২১ দিন।
একজন রেইকি মাস্টার নিজের শরীরে
কসমিক এনার্জি এবজর্ব করেন তার
শরীরের বিভিন্ন এন্ডোক্রিন গ্রন্থির
মাধ্যমে। এই এনার্জি হাতের মাধ্যমে
বাহিত হয় অন্যের শরীরে বা বস্তুতে। 
রেইকি এনার্জি আপন গতিতে চলে। হয়ত
শরীরের যে সমস্যার জন্য রেইকি করা
হচ্ছে, তারচে’ বড় সমস্যা ঐ শরীরে আছে। 
তখন কসমিক এনার্জি বড় সমস্যার স্থানেই
চলে যায়। বড় সমস্যার সমাধান শেষে
অন্যান্য ছোট সমস্যার সমাধান করে। এ
কারণে রেইকিকে বলা হয় স্বয়ংসম্পূর্ণ
চিকিৎসা পদ্ধতি।
রেইকি হলো স্লো বাট স্টেডি চিকিৎসা
পদ্ধতি; এটি কোনো ম্যাজিক নয়, বরং
সম্পূর্ণরূপে প্রাকৃতিক বিজ্ঞান। অন্যান্য
চিকিৎসার পাশাপাশি রেইকি করলে 
রোগীর মানসিক ও শারীরিক কষ্ট দূর হয়। 
তাছাড়া এতে শরীর রেসপন্সও করে
বেশি। অর্থাৎ রেইকি পরোক্ষভাবে
চিকিৎসা পন্থার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। 
এজন্যই বর্তমানে রেইকি মাস্টাররা
হাসপাতালের আইসিইউতেও প্রবেশের
অনুমতি পেয়ে থাকে।  মানবদেহের
এনার্জি চক্র থেকে এন্ডোক্রিন গ্ল্যান্ড
পর্যন্ত যোগাযোগে যখন বিঘœ ঘটে, তখনই
শরীরে সমস্যা দেখা দেয়। আর এই
বিঘœতার কারণ আমাদের নেগেটিভ 
এটিচিউড, নেগেটিভ ফিলিংস এবং
কনফিউশন এগুলোই বাধা তৈরি করে। 
এগুলো থেকেই খাওয়া-দাওয়া ও
জীবনযাপনে নেগেটিভ এনার্জি চলে
আসে, দেখা দেয় রোগ-শোক। সাধারণত
রোগের লক্ষণ শরীরে থাকলেও এর মূল উৎস
মনে। যেমন আর্থ্রাইটিসের কারণ মনের
মধ্যে ভালোবাসা না পাওয়ার যন্ত্রণা,
এজমার কারণ মনের মধ্যে বদ্ধতা ইত্যাদি। 
রেইকি মনের এই নেগেটিভ কারণগুলো দূর
করে, ফলে রোগ সেরে যায়। 
রেইকির প্রধান সূত্র হল কুচিন্তা ত্যাগ
করে নিরন্তর শুভচিন্তা নিয়ে জীবন যাপন।
দীর্ঘদিনের নেগেটিভ চিন্তা আমাদের
শরীরে এনার্জি গ্রহণের প্রবেশপথ বন্ধ
করে দেয়। নেগেটিভ চিন্তার বদলে
পজিটিভ এনার্জির প্রতিনিয়ত ব্যবহারই
খুলে দিতে পারে শরীরে কসমিক এনার্জি
গ্রহণের সবক’টি দ্বার। রেইকি পজিটিভ 
এনার্জি হওয়ায় মনের ওপর এর প্রভাব
অপরিসীম। এতে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি
পাল্টে যায়। সে সবকিছু পজিটিভ দৃষ্টিতে
দেখতে থাকে। রেইকি চিকিৎসায়
শেখানো হয়
১। আজকের জন্য আমি এই বিশ্বের কাছ
থেকে যা পেয়েছি, তার প্রতি কৃতজ্ঞ
থাকব;
২। আজকের জন্য আমি কোনো দুঃশ্চিন্তা
করব না;
৩। আজকের জন্য আমি মোটেই রাগ করব
না;
৪। আজকের জন্য আমি প্রতিটি কাজ
সৎভাবে করব;
৫। আজকের জন্য আমি প্রতিটি প্রাণির
প্রতি ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা প্রদর্শন
করব। 
রেইকির মাধ্যমে এজমা, আর্থ্রাইটিস,
এলার্জি, আলসার, ডায়াবেটিস থেকে শুরু
করে যেকোনো ক্রনিক রোগ সারানো
যায়। রেইকি চিকিৎসা নিতে শারীরিক
কোনো প্রস্তুতির প্রয়োজন নেই। তবে
মানসিক প্রস্তুতির প্রয়োজন আছে, কারণ
এতে মাইন্ড কনসেনট্রেশন করতে হয়।
রেইকি মাস্টারের মাধ্যমে সোলার
এনার্জি গ্রহণের আস্থা বা বিশ্বাস
এখানে জরুরি বিষয়। 
যেকোনো এডিকশন বা আসক্তি ছাড়াতে,
বাচ্চাদের পড়াশোনায় মনোযোগী করতে,
সম্পর্ক উন্নয়নে, ওজন কমাতে রেইকি
চমৎকার ফল দেয়। রেইকি মন ও শরীরের
মধ্যে সমন্বয় সাধন তথা ভারসাম্য রক্ষা
করে। শরীর ও মনের ভারসাম্য থাকলে
শরীরে অসুখ বাসা বাঁধতে পারে না।
খাবারের ওপরও রেইকি করা যায়। এতে
খাবারের পুষ্টিগুণ বাড়ে। রেইকির শক্তি
খাবারের ক্ষতিকর উপাদান মুছে ফেলে। 
তাই রেইকি করলে খাবার হজম হয় ভালো। 
রেইকি চিকিৎসা গ্রহণের সময় এমন খাবার
খাওয়া উচিত নয়, যা খেলে শরীরে টক্সিন
জমে। যেমন চা, কফি, সিগারেট,
এলকোহল প্রভৃতি। বরং কাঁচা বা সেদ্ধ
সব্জি ও ফল খাওয়া উচিত। কারণ এগুলোর
‘র’ এনজাইম শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
বাড়িয়ে তোলে। তাছাড়া এ সময় প্রচুর
পানি পান করা উচিত।

ত্রাটক; Psychic Power; অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা ইত্যাদির সত্যতা কতটুকু ?

। ত্রাটক; Psychic Power; অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা
ইত্যাদির সত্যতা কতটুকু ?।।
।আমাদের সকলের মাঝেই রয়েছে আত্ত্ব অলৌকিক
সুপার ন্যচেরাল কিছু পাওয়ার যা আমরা সাধারন
ভাবে বুঝতে না পারলেও জীবনের কোন না কোন
সময় তা ঠিকই উপলব্ধি করতে পারি, বিশেষ করে
আমরা যখন অবচেতন হৃদয়ে বা অন্যমনষ্ক ভাবে থাকি
তখনি অনাকাঙ্খীত ভাবেই অনেক সময় আমাদের
সাথে কিছু ঘটে যায় যা আমরা সেই মুহুর্তে তো
আশ্চার্য্য জনিত হই কিন্তু পরক্ষনেই তা বেমালুম
ভুলে যাই। আমাদের “ত্রাটক” সাধনার উদ্দেশ্য হচ্ছে
সেটাই যা আমাদের অভ্যন্তরে লুকায়িত শক্তিকে
আমাদের প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহার করার অবস্থায়
নিয়ে আসবে। আমরা যদি এটা ভুলে যাই যে
আমাদের এই মানব জন্ম নেওয়া কোন সাধারন ব্যপার
তবে আমরা ভুল করবো, আমাদের এই পৃথিবীর মুখ
দেখতে লক্ষকোটি জিবনকে (ভ্রুন) ডিঙ্গিয়ে তারপর
আমরা আজ আমরাতে পরিনত হয়েছি। আমরা যারা
স্রষ্টাকে বিশ্বাষ করি তারা একটু গভির ভাবে
ভাবলেই বুঝতে পারবো এই মানুষ্যরুপ যিনি দিয়েছেন
যিনি আমাদের এই ব্রহ্মান্ড জয় করার মেধা
দিয়েছেন তিনি কি আমাদের মাঝে কোন শক্তিই
দিয়ে পাঠায়নি।। অবশ্যই দিয়েছে- অনাদি কাল হতে
আমাদের যান্ত্রিক যুগের পূর্বেও আমরা আমাদের এই
আধ্যাতিক শক্তির ব্যবহারে নানা বিধ অসাধ্য
অকল্পনীয় কর্ম সাধনের কথা আমাদের পূর্বপুরুষদের
কাছ থেকে শুনে আসছি। এটা কোন গাল গল্প নয়,
কোন লোক গাথাও নয়। আমরা স্যাটেলাইট যুগে বাস
করি আমরা এখন পৃথিবীর আনাচে কানাচের খবর
মুর্হুতেই জানতে পাই, আজও আমরা দেখি তিব্বতের
সাধুদের কথা, ভারত উপমহাদেশের বিভিন্ন জাতীর
কথা আফ্রিকা ইউরোপের বিভিন্ন টাবুর প্রকৃয়া ও
তার ব্যবহারের কথা। এসব কিছু তো আর মিথ্যা নয়।
তবে হ্যা ম্যাজিক মানুষকে বিষ্মিত করার জন্য
দেখানো হয়- সাধনা নয়। সাধনা মানুষের লুকায়িত
শক্তি যা তার নিজ প্রয়োজন পূর্তির জন্য ব্যবহৃত হয়।
সাধনা আর ম্যজিক এক বিষয় নয়। আপনি সাধনা
দ্বারা আত্ব অলৌকিক শক্তি অর্জন করে তা জন
সম্মূখ্যে শক্তি প্রদর্শনের জন্য ব্যবহার করতে
পারবেন না। আপনি তা নিজ প্রয়োজনে ব্যবহার
করতে পারবেন। যেমন কিছু উদাহরন দেয়া যাক-
বর্তমানে ইসলামী তন্ত্রে বহুল ভাবে ব্যবহৃত “পরী
সাধনা” ইহা বিশ্বের প্রায় অধিকাংশ দেশেই
অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সাধনা কিন্তু এর দ্বারা সাধক
কি প্রাপ্ত হন? পরী সাধনা করলে কি সে কোহে
কাফের পরীকে বিয়ে করতে পারে ? তাকে দিয়ে
অজশ্র সম্পদ হাসিল করতে পারে? তা কিন্তু নয়। পরী
সাধনা দ্বারা আপনার ভৌতিক নারী চাহিদা পূর্ন
হতে পারে, আপনার অনেক অজানা বিষয় জানতে
পারেন, আপনি ভবিষ্যতের কিছু ইঙ্গিত পেতে
পারেন এই মাত্র। নারী চাহিদা পূরনের ক্ষেত্রেও
আমাদের অনেক সাধকের মাঝে কিছু ভিন্নতা
রয়েছে যেমন কেউ ঘুমন্ত অবস্থায় স্বপ্নঘোরে তার
সাখ্যাৎ পেয়ে থাকে, কেউ জাগ্রত অবস্থায় কোন
নারীকে অনাকাঙ্খীত ভাবে পেয়ে থাকে, আবার
কেউ কাঙ্খীত নারীকেও পেয়ে থাকে তবে তা
সম্পূর্ন ভাবেই জগতের অন্য সকলের চোখের
আড়ালেই রয়ে যায়। তবে এ বিষয় সাধক কখনো
কাউকে বলতে পারে, না কেউ তা দেখতে পায়। তবে
এখানে একটি বিষয় “স্বপ্ন সেটা যা আপনাকে
ঘুমাতে দেয় না, স্বপ্ন সেটা নয় যা আপনি ঘুমিয়ে
ঘুমিয়ে দেখেন”। অনেকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা
থেকে যানা যায় যে কেউ কেউ পরী সাধনার দ্বারা
তাদের রাজ্যেই বিচরন করে এবং সে তাকে এ
জগতেই নিয়ে এসে রাখে, এবং তা এতোটাই জীবন্ত
যে প্রতিদিনের স্বাভাবিক সকল মানুষের মতই সে
তার কাছে বাস্তব। তবে সবার ক্ষেত্রে একই নয়।
একজন সাধকের বানীতে যানা যায় যে সাধনার পর
থেকে তার আহ্বান ছাড়াই জাগ্রত অবস্থায় তার রুমে
প্রতিদিন একটি অপরুপ নারীর আগমন ঘটতো এবং
সন্ধ্যা হতে সকাল পর্যন্ত তার যাবতীয় সংসারে সকল
কর্ম করে সে বিদায় নিত। মেয়েটিকে সে চিনতো
তার আসে পাসের’ই কেউ কিন্তু কোন বাড়ী বা
কতদুরে থাকে সেটা সে কখনই দিনের বেলায় খুজে
পাই নি। এমন অনেকের অনেক রকম অভিজ্ঞতা
রয়েছে। সেই সাথে যে সকল সাধক এই বিষয় তার
কোন কাছের লোকের কাছেও ব্যক্ত করেছে গুরু
ছাড়া সে চিরতরে তাকে হারিয়েওছে।। এমনি ভাবে
প্রতিটি সাধনার গোপনিয়তাই তার শক্তি ও
সার্থকতা। বিজ্ঞানে এমন হাজারো অতিপ্রাকৃত
বিষয় রয়েছে যা প্রমান সাধ্য নয়, এবং কখনই তা
প্রমান করা সম্ভবপর হবেও না, যেমন অনেক সাধক গন
এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বিচরন করে, তার
প্রয়োজন পূরন করতে সে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে
অন্য প্রান্তে চোখের পলকেই ঘুরে আসে কিন্তু তা
প্রমান করা না তো সাধকের পক্ষে না তো
বিজ্ঞানের পক্ষে সম্ভব, হিপনোটাইজের মাধ্যমে
এক ব্যক্তি অন্য আরেকজন ব্যক্তিকে সম্পূর্ণরুপে
অপ্রকৃতিস্থ করতে পারে কিন্তু সেটা কোন ধরনের
রেডিয়েন্স ব্যবহার হচ্ছে তা বিজ্ঞানের জ্ঞ্যানের
বাইরে। ট্যলিপ্যাথির মাধ্যমে এক ব্যক্তি অন্য
ব্যক্তির সাথে পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত থেকে
যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে বিজ্ঞান এটা চর্চা
করছে দির্ঘদিন যাবৎ কিন্তু সেটা কোন শক্তি বলে
ঘটে থাকে এবং কোন রেডিয়েশনে তা বিজ্ঞানের
জ্ঞ্যানের বাইরে রয়েছে। অটো সাজেশনের
মাধ্যমে একজন ব্যক্তিকে ১ বছর পরের কমান্ড প্রদান
করা সম্ভব যা নির্দিষ্ট সময় তার অবচেতন মনেই তা
করে ফেলে কিন্তু সেটা কি ভাবে ঘটে তা প্রমান
সম্ভব নয়। তেমনি “ত্রাটক” সাধনা দ্বারা আমরা
আমাদের মাঝে লুকায়িত সেই শক্তিকে ব্যবহার
করার উপযোগি করে থাকি যা একজন সাধরন
মানুষকে সুপার ন্যাচেরাল হিউম্যানে রুপান্তরিত
করে থাকে। তবে এর মানে এই নয় সে জন সম্মুখ্যে
হাত উপরে তুলে সুপার ম্যানের মত উড়ে যাবে। তবে
এমন কিছু সে করতে পারবে যা সে নিজেও কখনো
স্বপ্নযোগে বা কল্পনাতে ভাবতে পারেনি।
“ত্রাটক” সাধনার একজন মানুষ যে কোন ধরনের
অসাধ্যকেই সাধন করতে পারবে তার প্রাকটিস ও
উদ্দেশ্য প্রনোদিত চর্চায়। সে তার জীবনের প্রতিটি
পদক্ষেপে তার জীবনকে উপভোগ করতে পারবে, তার
সমস্ত চাওয়াকে পাওয়াতে রুপান্তরিত করতে
পারবে। চলবে। এ্যাটক ও যে কোন সাধনা
কালো যাদু যে কোন বিদ্যা প্রশিক্ষনের জনো
মন্ত গুরু জ্বিন সাধন।সাইট থেকে যোগা যোগ করুন।

জুয়া বা লটারীর নাম্বান জানার সাধনা

মন্ত গুরু জ্বিন সাধন
। লটারী জুয়ার নাম্বার জানার উপায়
লটারী জুয়া ও সাট্টার নাম্বার জানার সাধনা।
আজকাল মানুষ খুব সহজেই ধনী হবার জন্য জুয়া,
লটারী, সাট্টা ইত্যাদি বেছে নিয়েছে। যদি ও এই
খেলা গুলো আইনগত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ তবু ও সানুষ এই সব
খেলে। কখনো হারে আবার কখনো জিতে। এটি এক
ধরনের নেশার মত। ভৈরোজীর সাধনা ও কালী সাধনা
দ্বারা জানা যায় সঠিক লটারীর নাম্বার। লটারী
সাট্টার নাম্বার জানতে কল করুন আমাকে।। আমি
ভৈরোজীর সাধনা, ও কালী সাধনা দ্বারা বলে দিব
আপনার লটারীর নাম্বার। আযি যোগা যোগ করুন। 
মন্ত গুরু জ্বিন সাধনা সাইট থেকে।
তন্ত মন্ত কালো যাদু ও জ্বিন চালানের মাধমে তদবির
করা হয়। যে কোন জুয়া বা লটারীর
নাম্বার জানতে। তার উপযুক্ত হাদিয়া প্রথান করতে
হবে। সরা সরি বা অনলাইনের মাধমে
নাম্বান জানতে নিচের নাম্বারে যোগা  যোগ করুন।

অদৃশ্য হবার কালো যাদু

                         অদৃশ্য হবার কালো যাদু
এখন হয়তো আর কাউকে প্রুফশিট প্রদান করতে হবে
না, কারন বর্তমান স্যোসাল মিডিয়ার কল্যানে ও
বিভিন্ন পত্রিকায় বিষয়টি বেশ আলোড়িত।
তান্ত্রিক বা আধ্যাত্মিক কোনও অলৈাকিক
কাজের প্রমান বা স্বাক্ষি থাকে না কিন্তু অনেক
সময় আমাদের সকলের চোখের সামনেই তা ঘটে চলে
আমরা আমাদের অনুভব ও পরিবেশের বৈপিরিত্ব
দেখেই উপলব্ধি করি। ঘটনাটি এমন আমাদের কাছে
বেশ কিছুদিন যাবৎ কয়েকজন অদৃশ্য হওয়ার তদবীর
চাচ্ছিলো কিন্তু তদবীর টি পরিক্ষিত না হওয়ার
অত্যন্ত স্বল্প দক্ষিণায় অভিজ্ঞ গুরুদের দ্বারা
কয়েকজন ক্লাইন্টকে তদবীরের অনুমতি দেয়া হয়,
পরিক্ষিত না হয়ওয়ায় ক্লাইন্টদের বিস্তারিত তথ্য
উপাত্ত ও গ্রেট পর্যালোচনা না করেই কাজ শুরু করা
হয়, যাদের প্রশিক্ষণের ৭৫ দিনের মাথায় ২ জন
ক্লাইন্টের সাথে যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে যায়
একজন আমাদের তার সফলতার বিষয় অবহিত করেন।
পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি বাকি ২জন
ক্লাইন্টও সফল, তবে আমাদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন,
তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টাকালিন জানা
যায় তারা তাদের অমানবিক দুষ্টবুদ্ধির প্রবল চাপে
সমাজে নানাবিধ অসামাজিক অপকর্মের সাথে
জরিয়ে পরেছে, বর্তমানে আমাদের পক্ষহতে তাদের
নিজ আয়ত্বে নিয়ে ব্যবস্থা দেয়ার প্রক্রিয়া
অব্যাহত। হয়তো বিষয়টি দেশেই নয় দেশের বাইরেও
সমান ভাবে প্রচার পেয়েছে তবে এ জন্য কনোভাবে
আমরা দায়ি নই, কারন আমাদের কাজ প্রশিক্ষণ
প্রদান করা প্রশিক্ষিত ছাত্ররা যদি ভুল রাস্তায় পা
বারায় তবে কি ভাবে শিক্ষক দায় গ্রহন করবে। তবে
ভবিষ্যতে আর কাউকে এভাবে প্রশিক্ষণের আওতায়
নেয়া হবে না। প্রতিটি ছাত্রের লাগাম অবশ্যই
আমাদের হাতেই রাখা হবে। আমাদের সকল সেবা
ব্যক্তি, সমাজ, জাতী তথা সারা বিশ্বের মানব
কল্যানে, কনো ভাবেই মানব অনিষ্টকারক কিছু হতে
দেয়া হবে না।। অদৃশ্যতন্ত্র একটি প্রাচিন প্রশিদ্ধ
তন্ত্র, যা মানুষ তার নিজের ও সমাজের মঙ্গলহেতু
ব্যবহার করতে পারে। সকল সাধনার ক্ষেত্রেই
সাবধানতা ও জীবনের সংশ্বয় থাকবেই, তবে যিনি
জয়ি তিনিতো অক্ষয়। আপনারা যারা ইতিপূর্বে এই
সাধনা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন তারা
যোগাযোগ করতে পারেন তবে অবশ্যই মানব
কল্যানের নিমিত্তে। আমরা অবশ্যই আপনাকে

সার্বিক ভাবে সহযোগিতা করবো।। তন্ত মন্ত কালো যাদু ও জ্বিন চালানের মাধমে তদবির করা হয় যে কোন কাজ ৩/৫দিনে ১০০%গ্যারান্টিতে করা হয়। আপনার যে কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলাইনের মাধমে তদবির
করতে পারেন। বা যে কোন বিদ্যা প্রশিক্ষন পেতে পারেন
আরো জানতে নিচের নাম্বারে যোগা যোগ করুন। ধন্যবাদ

মহা বশীকরণ। কুফরি মন্ত

। মহা বশিকরন কুফরী মন্ত্রঃ
মন্ত্রঃমাদার মনি অস্তাগ মনি,দোহায় আজাজিল
অমকের রুহু টানি,কাফ্ফাতা কুদরতে, মুহম্মদ গুরুর
দোহায় অমকের জান প্রান যৌনহানী আমাকে এনে
দে।আল্লার মস্তক কাল্লা ফাটে,আমার বিদ্যায়
অমকের মন প্রাণ দেহ যৌন আয় ছুটে।সামনে
আলী,পিছনে কালী,উত্তরে আজাজিল,বামে আল্লা
জুল জালালী।অমকের মন প্রাণ আমি করলাম চুরি,পার
কর মোকাররোম দোহায় তোরী।বিদ্যা যদি উল্টা
খাটে,দোহায় হযরত নবী ইবরাহিম আর নবী মহম্মাদের
মাথা ফাটে,লাগ আল্লার নামে লাগ,শয়তানের
নামে আমার দিকে অমকের মহব্বত জাগ।।।
বিদ্রঃআপনার পছন্দের মানুষের মন যতই কঠোর হোক
না কেন,অথবা শরীর বন্ধ থাকুক না কেন।এই মন্ত্রের
কাজ 100% মাত্র ৩ দিনে ফলাফল।
সমাধানঃ তাই যারা যারা কাজ করাতে ইচ্ছুক শুধু
তারাই আর দেড়ী না করে এক্ষুনী যোগাযোগ করুন।। তন্ত মন্ত কালো যাদু টোটকা ও জ্বিন চালানের মাধমে তদবির করা হয়। যে কোন কাজ ৩/৫দিনে ১০০%গ্যারান্টিতে করা হয়।  আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলাইনের
মাধমে তদবির করতে পারেন। আরো জানতে নিচের নাম্বারে যোগা যোগ করুন

পুরাতন পোষ্ট গুলি দেখুন