খুলে ‌ফেলুন ‌তৃতীয় ‌নেত্র ‌বা ‌থার্ড ‌আই ..

                           খুলে ফেলুন তৃতীয় নেত্র বা থার্ড আই ‌‌.আর হয়ে যান অলৌকিক খমতার
 অধিকারি‌‌‌  তৃতীয় চোখ
প্রত্যেকেরই দুটো চোখ রয়েছে। কিন্তু এই দুটো চোখ বাদেও আমাদের আরও একটি অদৃশ্য চোখ রয়েছে। যাকে বলা হয় তৃতীয় নেত্র বা থার্ড আই। এর শক্তি অনেক। এই থার্ড আই বডির ছয় চক্রের একটি। এটি দুই ভ্রূর মাঝ বরাবর থাকে। এই চোখ বাইরে থেকে দেখা যায় না। এটি থাকে ভেতরের দিকে।
যদি তৃতীয় চোখের এই স্থানকে জাগ্রত করতে পারেন তবেই হয়ে উঠতে পারবেন সাধারণের থেকে অসাধারণ। ভবিষ্যত দেখতে পারবেন ও অন্যের মনের কথা জানতে পারবেন। তখন যে কাউকেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। প্রশ্ন হল, কি করে থার্ড আই খুলবেন? সাধারণত এই চোখ খোলার জন্য দীর্ঘ মেডিটেশনের প্রয়োজন।
ইন্সটিউট অফ হার্ড ম্যাথের একদল গবেষক বলেন, হিউম্যান হার্ট শরীরের সব থেকে শক্তিশালী অর্গ্যান। এর আগে সবাই জানত, সব থেকে শক্তিশালী অঙ্গ হল মানুষের মন। রিসার্স করার পর বিজ্ঞানিরাও অবাক হয়ে গেছে, এই মনের শক্তি ক্ষমতা দেখে। ইলেক্ট্রিক্যাললি মন ব্রেনের থেকেও ১০০ হাজার গুণ বেশি শক্তিশালী। আর ম্যাগনেটিকের দিক থেকে মন ব্রেনের থেকে ৫ হাজার গুণ বেশি শক্তিশালী। যদি ব্রেনের শক্তি আর হার্টের শক্তিকে এক করে দেয়া যায় তবে এই দুই শক্তিশালী অঙ্গের সব শক্তি মিলে তৃতীয় চোখও খুলে যাবে। এর জন্য আলাদা কিছুই করতে হবে না। আগেও যেমন মেডিটেশন করতেন তেমনি বসে যাবেন। শুধু খেয়াল রাখবেন যাতে পিঠের মেরুদন্ড সোজা থাকে। এরপর সম্পূর্ণ ফোকাসকে হার্টের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। আর অনুভব করতে হবে যেন হার্ট থেকে শক্তি বের হয়। এসব শক্তি উপরের দিকে উঠে যাচ্ছে তৃতীয় চোখের জায়গায়। এটা যখন করবেন তখন মন থেকে সব ধরনের চিন্তাশক্তি চলে যাবে। তখন মন একদম ফাঁকা হয়ে যাবে। কারণ সম্পূর্ণ ফোকাস থাকবে হার্টের মধ্যে।
কি মনে হচ্ছে মেডিটেশনের সেই মুহূর্তে তা অনুভব করতে হবে। বেশি নয় প্রত্যেক দিন ১০ মিনিট এই মেডিটেশন করতে হবে। এর কিছুদিন পরই দেখতে পাবেন মিরাকেল। মেডিটেশন করার যেসব লাভ তা তো পাবেনই। তার সঙ্গে আপনার থার্ড আইও জাগ্রত হবে। মনে প্রশ্ন আসতে পারে, এই মেডিটেশন কতদিন করতে হবে। আসলে ব্যাপার হল, কত দিনে সফল হবেন সেটা নির্ভর করবে আপনার উপরে। থার্ড আই খোলার জন্য মনোভাব কতটা গভীর এর উপর নির্ভর করে। ইচ্ছাশক্তি যত গভীর হবে তত তাড়াতাড়ি এই চোখ খুলে যাবে।  ..তৃতীয় চোখ তো দূরের কথা ইচ্ছা শক্তি প্রখর থাকলে যে কোন জিনিসই পেয়ে যাবেন। থার্ড আই, সিক্সথ সেন্স কিছুকেই উন্মুক্ত করে ফেলতে পারবেন। কতটা গভীর থেকে এই চোখ খুলতে চান? কতটা মনযোগ সহকারে ভিজুয়্যালাইজ করবেন তার ওপর এই নির্ভর করে থার্ড আই কত সময়ের মধ্যে জাগ্রত হবে। মেরিটেশন করার সময় সমস্ত ইমোশন দিয়ে মনের মধ্যে বলবেন, থার্ড আইকে খুলতে চাই। এক পজেটিভ বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে, পারবেন এ চোখ জাগ্রত করতে। একবার এ চোখ জাগ্রত হলেই হয়ে উঠবেন অসাধারণ।
প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নিবিড়, এটা আত্মাও জানে। মোবাইল ও কম্পিউটারের ফলে আমরা ক্রমাগত প্রকৃতি থেকে দূরে চলে যাচ্ছি। প্রকৃতির সঙ্গে যত তাড়াতাড়ি সংযোগ স্থাপন করতে পারবেন তত তাড়াতাড়ি এ চোখ খুলে যাবে। কিছু সময় একা একা প্রকৃতির সঙ্গে কাটাতে হবে। নিজেকে জানার চেষ্টা করতে হবে। আপনি কি? আপনি কে যাকে আপনি চেনেন? আপনার বাস্তবিক রূপ কি বোঝার চেষ্টা করুন? এ চোখ জাগ্রত করার জন্য প্রয়োজন প্রচুর ইচ্ছা শক্তি আর নিজেকে জানা। যত তাড়াতাড়ি প্রকৃতির সঙ্গে মিশতে পারবেন আর নিজের ইচ্ছাশক্তি বাড়াতে পারবেন তত তাড়াতাড়ি এই চোখ জাগ্রত হবে।

নীল পরী সাধনা

   নীল পরী সাধনা..
এই মন্ত্র ধারা সাধক একটি নীল পরী কে বশীভুত করে সারা জীবন কাছে রাখতে পারবে
.নীল পরী সাধনা করা জাবে সঠিক নিয়মে প্রয়গ করতে পারলে 100% সফল হবে তাতে কোন সন্দেহ নাই _______
নীল পরী ‌সাধনা র মন্ত্রঃ
ফুল বান্ধু ফল বান্ধু বান্ধু লাতা পাতা।
ঝাও বনে বাস করে নিল পরি কথা।
সর্গের ফুল জানি নিল পরি বাসা।
আকাশেতে রাম ধনুর সাত রাংগা।
নিল পরি হোক হাজির শিবের কথা।
কালির কিরা লাগে তবে শশ্মান ঘাট।
নিল পরি সির্গই হাজির হয়ে জাক-
কার আজ্ঞে - কামাক্ষার
কার আজ্ঞে- হড়ির ঝিঁ চামুণ্ডর
বিধিঃ- এই মন্ত নিল পরী সাধনা করা জাই এটা হিন্দু ধর্মের সাধনা প্রচিন কালে জখন রাজা বিক্রমা দিত্য বেতাল সাধনা করেন তখন বেতাল তাকে এই সাধনা দিয়ে ছিল। এবং সর্গের পরি দের কাহিনী সে সুনিয়ে ছিল।
নিয়মঃ- এই প্রথমে ১২০০(বারশ বার) পাঠ করে সিদ্ধি করে নিতে হবে এই সাধনা আমাবশ্যা রাতে ই সিদ্ধি করতে হবে। পরে আমাবশ্যাই তিন দীন এই সাধনা করতে হবে বাড়িতে আগর বাতি জালিয়ে ধুপ দীপ, নৈবদ, সহ এই মন্ত ১০৮ বার পাঠ করতে হবে। এবং রুদ্রাক্ষ মালা জপ করতে হবে তিন দিনের দিন এই প্রকার করলেই পরি হাজির হবে।
নোটঃ - এই মন্ত আমার অনুমতি নিতে হবে নতুবা বিপদ হতে পারেই বা গুরু অনুমতি প্রাপ্ত করতে পরবে। এই মন্ত্র পরিক্ষীত আমি করে এই সাধনা সফল হয়েছি এমন কি বিক্রমা দীত্যর কাহিনি তে আছে ( নীল পরী সাধনা ,). 01757786808. মম্তু গুরু

                                                   ‌ ‌  ‌‌‌‌‌নীল পরী সাধনা

বশীকরন ধুলি পরা মন্তু

নারী বশীকরন।  .২৪ঘন্টায় ফলা ফল
১০০%গ্যারান্টিতে তদবির করা হয়।
। নারী ভুলানী সাবার মন্ত
ধুল ধুল ধুলিয়া
এই ধুল পরি দিনু পমিক লাগিয়া
হাত জলুক পা জলুক
জলুক মাথার বিষ
মোক না দেখিলেতোর
কলিজা পুড়ি হইবে শেষ।।
বিধিঃ উপরক্ত মন্ত্রটি একটি সাবর মন্ত্র, উক্ত মন্ত্র
অবশ্যই তান্ত্রিক আচারে কোন পূনির্মা যুক্ত
পূষ্যনক্ষত্রে মুখস্ত করতে হবে। শাবর
মন্ত্রের একটি
বিশেষ বৈশিষ্ঠ রয়েছে, যা তাকে যুগ যুগ ধরে
মানব
সমাজে টিকিয়ে রেখেছে সেটি হচ্ছে এর
একছত্র
প্রঞ্জল্যতা শাবর মন্ত্র স্বয়ং সিদ্ধ। এবার যাকে বশ
করতে চান, সে যখন খালি পায়ে কোথাও হেটে
যায়
তখন তার পা লক্ষ করুন, এবং তার ডান পায়ের নিচের
মাটি তুলে নিয়ে আসুন এবং উপরক্ত মন্ত্রটি ১১ বার
উচ্চারন করে মন্ত্রপূত করুন, এবং সুযোগ বুঝে
তার
মাথায় ছিটিয়ে দিন, দেখুন কয়েকদিনের মধ্যে
সেই
মেয়ে একান্তই আপনার হয়ে যাবে।।
বিঃ দ্রঃ মন্ত্রের যেখানে পমিক লেখা আছে
সেখানে আপনার কাঙ্খীত মেয়ের নাম উচ্চারন
করুন।।
তান্তিক গুরু আজিজ রহমান।
তন্ত মন্ত কালো যাদু টোটকা তাবিজ ও
জ্বিন চালানের মাধমে তদবির করা হয়
আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে
অনলাইনের
মাধমে তদবির করতে পারেন
আরো জানতে নিচের নাম্বারে যোগা যোগ
করুন
সরা সরি চেম্বার। খুলনা খারিস পুর বাজার রোড
২৫/৩..imo/01757786808

অদৃশ্য বাবে হাতে কিছু আনার মন্তু

.অদিশ্যভাবে নিজ হাতে কিছু আনার
মন্ত্র
মন্ত্রঃ
ত্রিভুবন নিলাম হাতে। আঠার হাজার মাখলুক নিলাম আমার
সাথে। মনে যাহা চাইগো আলী। হাতের উপর
আনিয়া দাও জয়মা কালী। নজর বান্ধিয়া নিলুম হস্তের
উপর। চাই আমি (অমুক)বস্তু শীঘ্রঈ এসে পড়।
হামারা মন্ত্র আজ্ঞা দোহায়।আজ্ঞা দোহায়
আল্লাহ। দোহায় পাগলা। দোহায় কালী।দোহায়
কালী।দোহায় আলী।
এই মন্ত্র দারা হাজার মাইল দুর থেকে আপনার হাতে
অদিশ্যভাবে যে কোন জিনিস আনতে পারবে। এই
মন্ত খোব পাউয়ারফুল মন্ত যা করার সংগে সংগে
কাজ করে
বহুপরীক্ষীত মন্ত। আপনারা যারা এই মন্ত কাজে
খাটাতে চান। তার সঠিক নিয়ন যানতে জানতে ইনবক্স
সে যোগা যোগ করুন। এই কালো যাদু বিদ্যা
শিখতে। চন্ডিবরন করে হাদিয়া দিতে হবে।
অনোথায় মন্ত কাজে আসবে না
। তান্তিক গুরু আজিজ রহমান
তন্ত মন্ত কালো যাদু টোটকা ও জ্বিন চালানের
মাধমে তদবির করা হয়
আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে
অনলাইনের মাধমে তদবির করতে পারেন বা যে
কোন বিদ্যা প্রশিক্ষন পেতে পারেন।
আরো জানতে। কল করুন
imo/01757786808

ভয়ংকর বান মারন..মন্তু..

ভয়ংকর বান বিদ্যা
ওঁ কালী কংকালী মহাকালী কে পুত্র,
কংকার ভ্যায়রুঁ হুকম হাজির রহে,
মেরা ভেজা কাল কার‌্যায়,
মেরা ভেজা রাকছা করে,
আন বাঁধু, বান বাঁধু, দশো সুর বাঁধু,
নও নাড়ী বহত্তর কোঠা বাঁধু,
ফুল মে ভেঁজু, ফল মে জাই,
কোঠ জী পড়ে থরহর
কঁপে লহন হলে, মেরা ভেজা,
সওয়া ঘড়ী সওয়া পহর কুঁ,
বাউলা ন করে তো মাতা কালী কী
শয্যা পর পগ ধরে,
পে বাচা চুকে তো উবা সুকে বাচা,
ছোড়ি কুবাচা করে তো ধোবী নাদ,
চামার কে কুন্ডু মে পড়ে মেরা ভেজা,
বাউলা না করে তো মহাদেব কী জটা,
টুট ভুগ মে পড়ে,
মাতা পারওয়তী কে চীর প্যায় ছোট করে,
বিনা হুকুম নহী মারনা হো,
কালী কে পুত্র কংকাল ভ্যায়রু
ফুরো মন্ত্র ঈশ্বরী বাচা।।
বিধিঃ তান্ত্রিক উপাচারে দীপান্বিতা বা গ্রহনের দিন উক্ত মন্ত্র 10,000 (দশ হাজার) বার জপ করলে মন্ত্র সিদ্ধি হবে।
এরপর লবঙ্গ, বাতাসা, পান-সুপারী, কলাওয়া, লোবান, ধুপ, কর্পুর, একটি সরায় রেখে তাতে ৭টি সিন্দুরের ফোটা দিয়ে,
একটি ত্রিশুলের মত করে উপরোক্ত মন্ত্রে অভিমন্ত্রিত করে 22 বার মন্ত্র পড়তে পড়তে আগুনে
হোম করতে হবে, এই প্রয়োগের দ্বারা, সাধ্য ব্যক্তির শিঘ্রই মৃত্যু হয়।
মারন ৪র্থ প্রকার
“ওঁ নমো নরসিংহায় কপিস জটায়,
অমোঘ-বীচা সতত বৃত্তান্ত,
মহোগ্রহুরুপায়।
ওঁ হ্লীং হ্লীং ক্ষাং ক্ষীং ক্ষীং ফট স্বাহা।”
বিধিঃ তান্ত্রিক আচাড়ে উক্ত মন্ত্র 10,000 (দশ হাজার) বার জপ করলে মন্ত্র সিদ্ধ হবে।
এরপর, উক্ত মন্ত্র 1000 (এক হাজার) রক্তবর্ন পুস্প (জবা)নিয়ে
ঘৃতের সঙ্গে কোবিদার মিশিয়ে হোম করলে শত্রুর মৃত্যু হয়। ..তান্তিক গুরু আজিজ রহমান.‌....তান্তিক গুরু আজিজ রহমান। তন্ত মন্ত কালো যাদু তাবিজ টোটকাও জ্বিন চালানের মাধমে কাজ করা হয়।
আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলাইনের মাধমে
তদবির ও সমাধান পেতে পারবেন
আজি যোগা যোগ করুন তান্তিক গুরু আজিজ রহমন।
ঠিকানা। খুলনা খারিস পুর বাজার রোড. ২৫/৩..
শুধু ইমু নাম্বার 01757786808
montrogurbd@12gmail.com/

স্তী ‌বশীকরন. ‌মন্তু

.আমরা সাধারনত স্ত্রী বলতে নিজ স্ত্রীকেই বুঝিয়ে থাকি কিন্তু এখানে স্ত্রী বলতে নারী জাতীকেই বোঝানো হয়েছে, আপনি স্ত্রী জাতীর যে কাউকেই এই তদবীর দ্বারা নিজ আয়ত্বে নিয়ে আসতে পারবেন যদি শুধু আপনার স্বার্নিধ্যে একজন সদগুরু থাকে, যেহেতু এ সকল তন্ত্র/যন্ত্র সকলি গুরুমুখি তাই গুরু বিহীন তা সফলতার স্বপ্নদেখা মুর্খ্যতার সামিল। আমাদের উদ্দেশ্য আপনাদের জানানো সেই সাথে আমাদের আদি পুরুষদের ঐতিহ্য বহন করে চলা যাতে সময়ের অতল গহিনে তা হারিয়ে না যায়, আমরা চাইবো আপনারা ছোট্ট এই জীবনে সকলেই সুখে শান্তিতে জীবন যাপন করুন, কিন্তু কখনো যদি আপনাদের তান্ত্রিক সাহায্যের প্রয়োজন পরেই যায় তবে বর্তমান সময় উপযোগি তান্ত্রিক ক্রিয়াগুলো করবেন, যা অতিব সহজ পান্থায় সৃষ্ট সেই সাথে খুব সহজেই আমাদের মনের আকাঙ্খা পূর্ণ করতে সক্ষম। নিচে বহুল ব্যবহৃত এক সময়ের স্রেষ্ট একটি তন্ত্র ক্রিয়া উপস্থাপন করা হলোঃ
সামগ্রী- বশীকরন গুটিকা, কুমকম, ঘিয়ের প্রদীপ, ধূপকাঠি, জলপাত্র, কেশর।
মালা- মুঁগের মালা
সময়-রাতের যে কোন সময়
দিন- শুক্রবার
আসন- সাদা সুতির আসন
দিক- উত্তর দিক
জড় সংখ্যা- ১০০০০
অবধি- দশ দিন
মন্ত্র-“ওঁ নমো উর্বশী তোহে মন্ত্র পঢ়ী সুনাউ, তোহী কলেজা লাবে তোহী জীবতা চাহে জো বশ্য ন হোয় তো হনুমন্ত কী আন অমুক বশ্য করে, দৌড় কর হিয়ে লগে। মেরা কহা করে, শব্দ সাচা পিন্ড কাচা, ফুরো মন্ত্র ঈশ্বরো বাচা।।”
প্রয়োগ- যে কোন শুক্রবার রাতে উত্তর দিকে মুখ করে সাদা আসনে বসতে হবে ও সামনে কোন পাত্রে বশীকরন গুটিকা রাখতে হবে। সবচেয়ে প্রথমে এক জলে ধুয়ে মুছে তার উপর কুমকুম বা কেশরের তিলক লাগাতে হবে। এবার সামনে ধূপকাঠি ও প্রদীপ জ্বালিয়ে উক্ত মন্ত্র জপ শুরু করতে হবে ও মন্ত্রে যেখানে ‘অমুক’ শব্দ লেখা আছে সে জায়গায় যাকে বশ করা দরকার তার নাম উচ্চারণ করতে হবে। দশ দিনে দশ হাজার দফা মন্ত্র জপ সর্ম্পন করা দরকার। মন্ত্র জপ করা হবার পর বশীকরন গুটিকা পকেটে রেখে যে স্ত্রীর কাছে যাবে সে নিশ্চিত রুপে বশীভুত হবে। যদি সে দুরে থাকে তবে তার ফটোর সাথে বশীকরন গুটিকা বেঁধে সিন্দুকে রাখতে হবে। এতে তার মন সাধকের সাথে দেখা করার জন্য উতলা হবে ও যতক্ষন না দেখা হচ্ছে শান্তি পাবে না। মনে রাখবেন এই মন্ত্রের দুরুপোযোগে সাধকের ভয়ংকর ক্ষতি হতে পারে। তাই অত্যাবশ্যক পরিস্থিতিতেই এই মন্ত্র প্রয়োগ করা দরকার। ..‌তান্তিক ‌গুরু ‌আজিজ‌ ‌রহমান ‌‌আপনা রা ‌যে ‌কোন ‌দেশ বা ‌জেলা ‌থেকে অনলানের মাধমে তদবির করতে পারেন ..ইমু 01757786808

অমর হবার আধ্যাত্নিক ‌সাধনা ‌বা উপায়

         
নশ্বর এই পৃথিবীতে মানুষের চিরকালের আকাঙ্ক্ষা ছিল অমর হওয়ার। এই অমরত্ব লাভের উপায় খুঁজতে অনেকেই নিজের জীবন অতিবাহিত করেছেন। প্রাচীন যুগের যোগীদের থেকে শুরু করে আধুনিক যুগের গবেষকরা পর্যন্ত সমুদ্র, পাহাড়-পর্বত পাড়ি দিয়েছেন অমরত্ব লাভের খোঁজে। সন্ধান করেছেন অমৃত সুধা। যা পারে নিজের অস্তিত্বকে পুরো মহাজগতের সঙ্গে এক করে ফেলতে। নিয়ে যেতে পারে জাগতিক দর্শনের ঊর্ধ্বে। মানুষকে করতে পারে সর্বশক্তিধর, নিরোগ, সুস্বাস্থ্যের অধিকারী এবং ধনরত্নপ্রদায়ক।
সোমলতা বা সোমরস তেমনি এক উপাদান। হাজার হাজার বছর ধরে চলছে অনুসন্ধান। গবেষণা চলছে এখনো। কারণ ধারণা করা হয় এই সোমলতা থেকেনির্গতসোমমানুষকেএনেদিতে পারে অমরত্ব!
সোমরস বৈদিক চিন্তার একধরনের মহাজাগতিক শক্তি। একধরনের আধ্যাত্মিক নীতি। উদ্ভিদ জগতের প্রতিরূপ হলো এই সোমরস।
মূলত সোম হলো গুল্ম বা লতা। এই লতার রস ছিল আর্য এবং প্রাগবৈদিক যুগের ঋষিদের অতি প্রিয় পানীয়। সোমরস বিন্দু বিন্দু করে ক্ষরিত হতো বলে এর নাম দেয়া হয়েছিল ইন্দু। এই রস হতে একধরনের উত্তেজক তরল প্রস্তুত হতো। প্রাচীন মুনী-ঋষিদের বিশ্বাস ছিল সোমরস পান শুধু তাদের শক্তি এবং সাহস দিবে তাই নয়; বরং এটি পান করলে ধনার্জনে পারঙ্গমতা লাভ করবে এবং বেড়ে যাবে সন্তান উৎপাদনের ক্ষমতা। সোমরস ছিল যজ্ঞের প্রধান আহুতি।
ঋগ্বেদে সমস্ত নবম মণ্ডল সোমের স্তবে পরিপূর্ণ। সোম বন্দনার সুক্ত সংখ্যা ১২০। এর বাইরে অন্য ছয়টি সুক্তে অগ্নি, ইন্দ্র, পূষা এবং রুদ্র দেবতার সঙ্গে সোমের স্তব করা হয়েছে।
পৃথিবীর অধিকাংশ প্রাচীন আখ্যানে অমরত্ব প্রদানকারী রূপে কোনো না কোনো বনস্পতির উল্লেখ তাৎপর্যপূর্ণ। এমনকি প্লিনি রচনাতেও অমরত্ব প্রদানকারী অ্যাম্ব্রোসিয়া বা অমৃত শব্দ বিভিন্ন বনস্পতির প্রতি নির্দেশক। বনস্পতির দীর্ঘকালীন জীবন, প্রাচীন মানবদের নিকট চিত্রিত হয়েছিল-বনস্পতি মরণহীন রূপের প্রতিচ্ছবিতে। মানুষ সম্ভবত এ রকম দীর্ঘজীবী বৃক্ষগুলোকে দেখে প্রথম অমরত্ব লাভের কল্পনা করতে শুরু করে।
পৃথিবীব্যাপী বিশেষ করে ইউরোপ এবং আমেরিকায় বেশকিছু পাইন ও অলিভ বৃক্ষের সন্ধান পাওয়া যায়। যেগুলোর বয়স কয়েক হাজার বছর। অদ্যাবধি প্রাপ্ত তথ্যের নিরিখে, পৃথিবীর প্রাচীনতম জীবিত প্রাণের একটি হলো স্প্রুস গোত্রের বৃক্ষ। যার অবস্থান সুইডেনে। ওল্ড টিজেআইকেকেও নামে পরিচিত। এই বৃক্ষের বয়স প্রায় ৯ হাজার ৫ শ ৫০ বছর বলে ধারণা করা হয়। গবেষণা চলছে, হতে পারে এই প্রাচীন কোনো বৃক্ষের মাঝেই লুকিয়ে আছে অমরত্বের রহস্য!
আধুনিক ধারণায় সোম আসলে শুধু একটি উদ্ভিদ নয়। যদিও একসময় নির্দিষ্ট কোনো স্থানে প্রাথমিকভাবে সোম উদ্ভিদ বা সোমলতার অস্তিত্ব ছিল বলে প্রাচীন গ্রন্থে উল্লেখ রয়েছে। ঋগ্বেদ অনুযায়ী বিভিন্ন বিশেষ উদ্ভিদের পরিমাণ মতো মিশ্রণেও তৈরি হয় সোমরস (ঋগ্বেদ ১০.৯৭.৭)। এ ছাড়াও ঋগ্বেদে সোমের আরো কিছু ধরনের কথাও উল্লেখ রয়েছে। যেমন, হিমালয় থেকে উৎপন্ন হিমবাহের পানি (ঋগ্বেদ ৬.৪৯.৪)। বেদ অনুসারে অগ্নি বা আগুনের প্রতিটি রূপের মধ্যেও রয়েছে সোম। এই ক্ষেত্রে মহাবিশ্বের সর্বত্রই সোমের উপস্থিতি রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। এমনকি অগ্নি এবং সোম, চীনা ‘ইন অ্যান্ড ইয়ং’ দর্শনের সমতুল্য।
প্রাচীন গ্রন্থে সোমরসের বর্ণনা অনুযায়ী, সোমরস শুভ্র-বর্ণ, ঈষৎ অম্ল ও মাদকতাজনক। যার জন্মস্থান মুজবান পর্বত কিংবা সরস্বতী নদী। বলা হয় স্বর্গ হতে শ্যানপক্ষী সোম আহরণ করে এনেছিলেন। এরপর সোমকে পর্বত হতে শকটে করে যজ্ঞ স্থানে আনা হতো। পরে পাথর বা লোহা দ্বারা ছেঁচে সোমরস নিষ্কাশন করা হতো। রস নিষ্কাশনের একটি পদ্ধতিও ছিল। দুই হাতের দশ আঙুল দিয়ে চেপে রস নিঙড়ানো হতো। পরে ‘তনা’ নামে মেষ লোম-নির্মিত ছাঁকনি দ্বারা ছেঁকে দুগ্ধ মিশ্রিত করে সোমরস পান করা হতো। এটি ছিল অমরত্ব লাভের লুকায়িত জ্ঞান। যা যুগে যুগে মানুষেরা নিজেদের ভেতর ধারণ করে এসেছিল।
আধুনিক পণ্ডিতদের মতে ‘এফেড্রা’ থেকে সোমরস তৈরি হয়। আফগানিস্তান এবং ইরানে এফেড্রা খুবই পরিচিত উদ্ভিদ। ফারসিদের কাছে এফেড্রাই ছিল সোম উদ্ভিদ। এমনটাই ধারণা করা হতো। বর্তমান যুগেও ভারতের কিছু অংশে এফেড্রার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়। যা সোমলতা নামে পরিচিত। কিন্তু এর মধ্যেও কিছু মতভেদ রয়েছে। সোম নিঙড়ালে দুধের মতো রস নির্গত হয়। কিন্তু এফেড্রা শুকনো উদ্ভিদ যা থেকে সামান্য পরিমাণে রস নির্গত হয়। তাই এফেড্রা থেকে সোম রস তৈরির যুক্তি খুব বেশি গ্রহণযোগ্য নয়।
প্রাগৈতিহাসিক সময় থেকে পৃথিবীব্যাপী সোমের সন্ধান খুঁজে চলেছেন গবেষকরা। তার মধ্যে বিগত আড়াইশ বছর ধরে বিশেষভাবে আমেরিকান এবং ইউরোপিয়ানদের মধ্যে চলছে সোম রস খোঁজার চেষ্টা।
চালর্স উইন্সকিনের মতে, সোম একপ্রকার লতাজাতীয় বনস্পতি। যা যজ্ঞ অনুষ্ঠানের অন্তিম পর্যায়ে পশুবলির পর সোম রস পান করা হয়।
গ্রিক জেনারেল জেনোফেন ৪০১ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে তার গবেষণায় তিনি মধুকে সোমরস বলে ভুল করেন।
১৮৫৫ সালে ম্যাক্স মুলার একটি প্রাচীন আয়ুর্বেদিক শ্লোক উদ্ধার করে। সেই শ্লোক অনুযায়ী সোম কৃষ্ণবর্ণ, শুভ্র-বর্ণ, ঈষৎ অম্ল ও মাদকতাজনক। সোমরস নিয়ে এটিকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সঠিক বর্ণনা হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। এ ছাড়া ড. ওয়াল্টার রক্সবার্গ, জর্জ স্টিফেনসন, ড. ডেভিড ফ্রোলে বিভিন্ন সময় সোমলতা এবং সোমরস আবিষ্কারে নিয়োজিত ছিলেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সোমরস ‘অ্যামানাইটা মাসকারি’ মাশরুম থেকে তৈরি হয়। যার উৎপত্তি স্থল সাইবেরিয়াতে। বেদ সোমকে ভিন্নভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। যার পাতা রয়েছে। কিন্তু মাশরুমের কোনো পাতা হয় না।
এ ছাড়া অথর্ব বেদে বলা হয় (অথর্ব বেদ ১১.৬.১৫) কিছু উদ্ভিদ যেমন মারিজুয়ানা বা গাঁজা, যব অথবা দূর্বা থেকে সোম অনেক উন্নত। কিন্তু ডারভা বা দূর্বার, মারিজুয়ানার মধ্যে সোমের কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। অন্যান্য উদ্ভিদ যেগুলো সোমের সাথে সংযুক্ত সেগুলো হলো পদ্ম এবং শাপলা। সোমের মতো এই উদ্ভিদগুলো পিষলে এদের থেকেও দুধের মতো রস নির্গত হয়। সোমরস সুমিষ্ট, এই রস যেমন পানীয় হিসেবে ব্যবহৃত হতো-তেমন দুধ, দধি ও ক্ষীরে দেয়া হতো মিষ্টতার জন্য। এ কারণে হয়তো সোমকে মধুও বলা হয়ে থাকে।
আয়ুর্বেদে বিভিন্ন রোগনাশক ভেষজ ঔষধি উদ্ভিদের নাম হিসাবে সোমকে বর্ণনা করা হয়েছে। বর্তমান আয়ুর্বেদে সোম উদ্ভিদ বলতে কোনো একটি বিশেষমাত্র উদ্ভিদকে চিহ্নিত করে না। সোম উদ্ভিদ মানে উদ্ভিদগোষ্ঠীর ২৪ ধরনের ভিন্ন উদ্ভিদের সমন্বয়। সোম গোষ্ঠীর উদ্ভিদগুলোর ভেষজ গুণাগুণ সম্পর্কে বৈদিক ঋষিরা খুব ভালোভাবে পরিচিত ছিলেন।
সোমলতা মস্তিষ্কের সঙ্গে দেহের আত্মিক এক সম্পর্ক তৈরি করে- যা যোগাসন, প্রাণায়াম অথবা ধ্যান করতে  সাহায্য করে।
সোমকে প্রাচীন এবং পবিত্র উদ্ভিদ হিসেবে ধরা হয়। যা আধ্যাত্মিকতা বৃদ্ধিকারী, অনুপ্রেরণাদায়ক এবং বুদ্ধিবৃত্তি উন্নয়নকারী। ধারণা করা হয় প্রতিটি সম্প্রদায়ে অথবা ভৌগলিক অঞ্চলে তাদের নিজস্ব সোমলতা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক গবেষক এবং বিশিষ্ট চিন্তাবিদের মতে, সোম হলো ধ্যানের এমন এক পর্যায় যাওয়া- যে পর্যায়ে নিজের অস্তিত্বের সাথে পৃথিবীসহ পুরো জগৎকে এক করে ফেলা। প্রাচীন যুগের যোগীরা দীর্ঘ সাধনার মাধ্যমে এমন এক পর্যায় উপনীত হতে পারতেন, যে পর্যায়ে মস্তিষ্ক থেকে একধরনের মোমের মতো রস পুরো শরীরে নিঃসরণ করার সক্ষমতা রাখতেন। যে রস প্রতিটি কোষ-অনুকোষকে নতুনভাবে জন্ম দিতে পারত। প্রাচীন যোগীরা বারবার এই ধ্যানের মাধ্যমে দীর্ঘ জীবন লাভ করতেন। মূলত সোম থেকে সমুদ্র শব্দটি এসেছে। সোম মানে উপরে থেকে নীচে প্রবাহমান। সাধারণ মানুষকে এর মাহাত্ম্যকে উপলব্ধি করতে পারে না। প্রাচীন মুনী-ঋষিরা তাদের প্রাপ্ত বা গবেষণালব্ধ জ্ঞানকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সহজভাবে পূজার মাধ্যমে জ্ঞানগুলো হস্তান্তর করেছেন।
বিদেশি বিজ্ঞানীদের সোমরস নিরসনের প্রচেষ্টা পরপর ব্যর্থ হয়ে আসছে। তবু ইউরোপ বা আমেরিকার বিশেষজ্ঞগণ আজও সোমরসের সন্ধান করে যাচ্ছেন। আজও সোমরস অনুসন্ধানে যে-পরিমাণ গবেষণা চলছে, তাতে বোঝা যায় সোমরসে হয়তো অমরত্বের সন্ধান থাকলেও থাকতে পারে                               অমর হবার ইচ্ছা মানুষের বহুদিনের  কে বা না চায় অমর হতে

পুরাতন পোষ্ট গুলি দেখুন