জ্বীন ‌ভুত প্রেত ‌থেকে ‌বাচার ‌উপায় ‌কি

                                                জ্বিন ভুত প্রেত থেকে বাচার উপায়

আমাদের মধ্যে অনেকেই এরকম আছেন যারা রাতে ঘুমানোর পর ঘুমের মধ্যে অনেকেই ভূত-প্রেতের স্বপ্ন দেখে ভয় পান। কিন্তু আপনি জানেন কি এরকম স্বপ্ন দেখার অর্থ কি। এর অর্থ হচ্ছে আপনার আশেপাশে সবসময়ই অশুভ শক্তি ঘোরাফেরা করছে। আর আপনার আশেপাশে যদি অশুভ শক্তি ঘোরাফেরা করে শুধু যে আপনাকে ঘুমের মধ্যেই অশান্তি সৃষ্টি করবে তা নয় আপনার জীবনে যেকোনো সময় যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। এক্ষেত্রে কেউ যদি আপনার উপর প্রয়োগ করে থাকে তাহলে অনেক সময় আপনার পাড়ের অভ্যন্তরে খারাপ শক্তির প্রকোপ বেড়ে যায়। সেক্ষেত্রেও আপনার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠতে খুব বেশি সময় নেয় না। এজন্য আপনি যদি এ সমস্ত কালো শক্তি অপশক্তি ভুত-প্রেত এর প্রকোপ থেকে রক্ষা পেতে চান তাহলে অবশ্যই সে বিষয়ে আপনাকে জানতে হবে। আপনি এর থেকে কিভাবে মুক্তি পেতে পারেন সে বিষয় নিয়ে আজকে আমাদের এই প্রবন্ধ।
আমাদের আশেপাশে যদি খারাপ শক্তির প্রকোপ বেড়ে যায় তাহলে শুধুমাত্র ঘুমের মধ্যেই নয় আমাদের জীবনে বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। যেমন ধরুন আপনি বাড়িতে একা একা আছেন কেউ যেন আপনাকে ফলো করছে, হয়তো বা অনেক সময় আপনার হঠাৎ করে ঠান্ডা লাগতে শুরু করেছে, আপনার শরীর একটু ছমছম করছে, হঠাৎ করেই আপনার বাড়ির আশপাশ থেকে একটা কুকুর চিৎকার দিয়ে উঠলো এছাড়াও আপনার ঘরের দরজায় একটা শব্দ শোনা গেল। আপনার সাথে যদি এরকম কোন কিছু হয়ে থাকে তাহলে আজকে আমরা আপনাদের সামনে তুলে ধরছি সেগুলো যদি আপনারা নিয়মিত পাঠ করতে পারেন তাহলে খারাপ কোনো অপশক্তি আপনাকে কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আর সেই সাথে আপনার উপর যদি কেউ কালো জাদু প্রয়োগ করে থাকে তাহলে তার প্রভাব খুব দ্রুত নিষ্পত্তি হয়ে যাবে।
এখন হয়তো আপনার কাছে প্রশ্ন হতে পারে তাহলে কোন মন্ত্র গুলির মাধ্যমে আমরা এর থেকে রেহাই পাব। তো চলুন আমরা সে সমস্ত মন্ত্রগুলি দেখে নেই-
১. সিদ্ধিদাতা মন্ত্রঃ হিন্দু ধর্ম শাস্ত্র অনুযায়ী আমরা যদি প্রতিদিন নিয়ম করে পাঠ করতে পারি তাহলে আমাদের থেকে খারাপ আত্মা দূরে থাকবে আর সেই সাথে আমাদের মানসিক শক্তি প্রচুর পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে। সেই সাথে আপনার মনের ভিতর যত রকম থাকবে তা আপনি সিদ্ধিদাতা মন্ত্র যদি পাঠ করে থাকেন তাহলে তা খুব দ্রুত নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। সিদ্ধিদাতা মন্ত্রটি হচ্ছে -"ওম ঘথ ত্রাহা সায়া নামাহ"। এ বিষয়ে দিক থেকে বর্তমান সমাজের দিকে তাকালে দেখা যায় যে বেশিরভাগ যুবকরা মানসিক সমস্যায় জর্জরিত। আর মানসিক সমস্যায় ভুগে থাকে তাহলে তাদের শরীরের মধ্যে বিভিন্ন রকমের রোগ বাসা বাঁধে। বর্তমান সমাজের এই যুবকেরা যদি নিয়মিতভাবে এই সিদ্ধিদাতা মন্ত্রটি পাঠ করে থাকে তাহলে তাদের সমস্ত রকম বাধা বিপত্তি পেরিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে কোন রকম সমস্যা হয় না।
২. হনুমানজি মন্ত্রঃ আপনি যদি প্রতিনিয়ত হনুমানজির মন্ত্র পাঠ করতে পারেন তাহলে আপনার উপর যদি কেউ কালো জাদু প্রয়োগ করে থাকে তাহলে তার প্রভাব খুব দ্রুত নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। সেইসাথে এই হনুমান মন্ত্র পাঠ করার ফলে আপনার কাছে কোন প্রকার অপআত্মা ঘেঁষতে পারবে না। আপনি যদি মনে করেন আপনার আশেপাশে অশুভ শক্তির প্রভাব ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে তাহলে আপনি প্রতিনিয়ত হনুমানজির এই মন্ত্রটি পাঠ করুন। হচ্ছে - "ওম হানুমাতে নামাহ"।এই মন্ত্রটি যখন আপনি পাঠ করবেন তার সাথে অবশ্যই হনুমান চল্লিশা পাঠ করতে কোন ভাবেই ভুল করবেন না। আপনি যদি এভাবে করতে পারেন তাহলে আপনার মনের জোর প্রচুর পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে আর সেই সাথে আপনি বিভিন্ন দিক থেকে বিভিন্ন ভাবে উপকৃত হবেন যা আপনি কখনোই কল্পনা করতে পারবেন না।
৩. দশভূজা মন্ত্রঃ দশভূজা মায়ের মন্ত্র আপনি যদি প্রতিনিয়ত পাঠ করতে পারেন তাহলে আপনার ওপর যদি কেউ কোন প্রকার কালো জাদু প্রয়োগ করে থাকে এবং সেই সাথে আপনার আশেপাশে যদি কোন প্রকার অশুভ শক্তি বিরাজ করে তাহলে তা খুব দ্রুত নির্মূল হয়ে যায়। এ সমস্ত খারাপ শক্তি এবং কালো জাদুর প্রভাবে আপনি যদি ভয় পেয়ে থাকেন এবং সবসময়ই স্বপ্ন দেখতে থাকেন তাহলে এই মন্ত্রটি পাঠ করুন। আমরা সবাই জানি দশভূজা মা হচ্ছেন শক্তির প্রতীক। এজন্য এই মন্ত্রটি আমরা সবসময় পাঠ করব। মন্ত্রটি হচ্ছে -"ওম সার্বা স্বরূপা সার্বেশা, সর্বো শক্তি সমনভিতা ভায়াভায়াসত্রাহি নো দেভি, দূর্গা দেবী নামাস্তুতে"।এই মন্ত্রটি যদি আপনি নিয়মিত ভাবে পাঠ করতে পারেন তাহলে আপনার মনের শক্তি এমনভাবে বৃদ্ধি পাবে আপনার কাছে কোন প্রকার কালো জাদু বা কোনো অশুভ শক্তি আপনাকে কোন ক্ষতি করতে পারবে না।
৪. মহাদেব মন্ত্রঃ আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যাদের মধ্যে ভূতের ভয় তো আছেই কিন্তু তার থেকেও অধিক ভয় হচ্ছে মৃত্যু। আপনি যখন জন্মগ্রহণ করেছেন তখন মৃত্যু আপনারা সেই এ কথাটি চিরসত্য। এই সত্যটিকে আপনারা কখনোই অস্বীকার করতে পারবেন না। কিন্তু তারপরও কিছু অপ্রত্যাশিত ভয় থাকে যেগুলো আপনার জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে। এ সমস্ত অপ্রত্যাশিত ভয় কে আপনার নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য আপনি অবশ্যই এই মন্ত্রটি পাঠ করবেন। আর সেই সাথে আপনি যখন জন্মগ্রহণ করেছেন তখন আপনার মৃত্যু আসে একথাটি যেমন ঠিক আবার এই মৃত্যু ভয় কে আপনি কিভাবে জয় করবেন সেটি আপনাকে এই মন্ত্র দ্বারা আপনাকে সে দিকে নিয়ে যাবে। মন্ত্রটি হচ্ছে -"ওম ত্রম্বকে ইযামাহে সুগান্ধিয়াম পুষ্টি বার্ধানাম উর্ভারুকামিভা বান্ধানাথ মৃত্যুমুকশিয়া মামরিতাত"।
৫.প্রভু বিষ্ণু মন্ত্রঃ আপনার বর্তমান সময় কি অনেক খারাপ এর মধ্য দিয়ে যাচ্ছে? সেইসাথে ভূত-প্রেত অপশক্তি আপনাকে বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে? তাহলে দেরি না করে আজ থেকেই আপনি প্রভু বিষ্ণুর শক্তিশালী এই মন্ত্রটি পাঠ করা আরম্ভ করুন। আপনি যদি প্রতিনিয়ত নিয়ম করে প্রভু বিষ্ণুর এই মন্ত্রটি পাঠ করতে পারেন তাহলে আপনার আশেপাশের সমস্ত প্রকার অশুভ শক্তির বিনাশ হয়ে যাবে। আর সেই সাথে আপনার শুভ শক্তি সব সময় সাথী হয়ে উঠবে। শুধু তাই নয় যত রকম ভূত প্রেত অপশক্তি আপনাকে বিরক্ত করছে তারাও আপনার নিকট থেকে দূরে চলে যাবে। এজন্য অবশ্যই প্রভু বিষ্ণুর এই শক্তিশালী মন্ত্র পাঠ করা থেকে বিরত থাকবেন না। অবশ্যই এই মন্ত্রটি পাঠ করবেন। প্রভু বিষ্ণুর শক্তিশালী মন্ত্র টি হচ্ছে -"ওম ওহরজিতায়া নমহ!"
 যেকোনো প্রশ্ন ও পরামর্শে যোগাযোগ নাম্বার. ..ইমু .01757786808/ 

montroguro.com

আমরা আজ আমাদের সার্বজনিন কিছু ভুল নিয়ে আলোচনা করবো। সাধারনত তান্ত্রিক বিষয়ে আমরা সচারাচর যে ভুল গুলো করে থাকি-
আমরা অনেকেই জীবনের কোন এক সময় এসে আমাদের চিরচেনা খুব কাছের খুব আপন, খুব’ই গুরুত্বপূর্ণ মানুষটাকে অকারনেই হটাৎ বদলে যেতে দেখি বা অন্যের সাথে ঘনিষ্ট হতে দেখি বা নিজের কাছ থেকে দুরে সরে যেতে দেখি যা আমাদের হৃদয়কে আন্দলিত করে, কখনো কখনো হৃদয়কে ক্ষত বিক্ষত চূর্ন বিচূর্ণ করে দেয়। আমাদের বেচে থাকার অর্থ’ই শেষ করে দেয়। কোন ভাবেই তাকে ফেরাতে পারি না, তাকে বোঝাতে পারি না, তাকে পূর্বের ন্যায় ভালোবাসায় জরাতে পারি না। হটাৎ করেই যেনো চিরচেনা মানুষটা একদম অপরিচিত হয়ে যায়। এমন সময় খুব সাধারন ভাবেই আমাদরে মেধা শূন্য হয়ে যায়, এবং তাকে ফিরে পাবার জন্য ব্যকুল হয়ে উঠি, যে কোন মূল্যেই তাকে ফিরে পেতে চাই, কাছে পেতে চাই। দ্বিক-বিদ্বীক জ্ঞানশুন্য হয়ে যাই। আর এই আমাদের মাথায় আসে তান্ত্রিকদের কথা, বশিকরণের কথা, আকর্ষন, বশ করা বা বাধ্য করার কথা। তখন আমরা বন্ধু মহলে বা এলাকার কিছু চতুর মানুষদের সাথে আলাপ চারিতার মাধ্যমে জানতে চেষ্টা করি কে বা কারা এই সকল তান্ত্রিক কাজের সাথে জরিত। অনেকেই অনলাইনে বিভিন্ন স্যোসাল মিডিয়ায় সার্চ করা শুরু করি। মনে পরে যায় পথে ঘাটে বিভিন্ন লিফলেট বা ২৪ ঘন্টায় মুশকিল আসান সাইন বোর্ড ইত্যাদি। এ ক্ষেত্রে শতকরা আমরা ৯৯% ভুল করি সঠিক তান্ত্রিক চিনতে। কারন বর্তমান সময়ে আমাদের আসে পাসে যেমন হাজারো ভূইফোড় জিন হুজুর, জীন মাতা, কালি সাধকের অবির্ভাব তেমনি অনলাইনেও টোকাই শ্রেনীর নষ্টবুদ্ধির অল্প বয়ষ্ক ছেলেদের দ্বারা তৈরী ফেইসবুক বা ব্লগার তান্ত্রিকের ছরাছরি। বিশেষ করে এ্যন্ড্রোয়েড মোবাইল যারা ব্যবহার করে তারা নিশ্চয় মোবাইল এ্যাপ ও ভিডিও ডাউনলোড করতে এমন হাজারো হাইব্রিড তান্ত্রিকের এ্যড বা পেইজ দেখেই থাকবে। আমরা ইতিপূর্বেই ফেইক তান্ত্রিক পেইজ বা সাইট চেনার বেশ কয়েকটি পোষ্ট করেছি। আজ এ বিষয় আলোচনা নয়, আজকের আলোচনা যারা সত্যিকারের তান্ত্রিকের স্বরনাপন্য হয়েও ফল পেতে বিলম্ব হচ্ছে তাদের বিষয় নিয়ে।
দেখুন সর্বপ্রথম কাজ হচ্ছে আপনার সমস্যাটি নিজেই বা তান্ত্রিক মহোদয়কে দিয়ে সঠিক ভাবে বিশ্লেষন করুন। কারন যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি আপনার সম্পর্কের অবনতির কারন খুজে বের করতে না পারবেন ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি সঠিক ভাবে তার তদবীরও করতে পারবেন না। মনে রাখুন তান্ত্রিকতা এক প্রকার চিকিৎসা ব্যবস্থা যাকে আপনি আধ্যাত্মিক চিকিৎসা বা মনচিকিৎসাও বলতে পারেন। সুতারাং কোন রোগের চিকিৎসার জন্য যেমন সর্বপ্রথম বিভিন্ন পরিক্ষা নিরিক্ষার মাধ্যমে সমস্যার মূল খুজে বের করতে হয়, তেমনি এই তান্ত্রিকতার ক্ষেত্রেও আপনাকে সর্বপ্রথম সমস্যার মূল খুজে বের করতে হবে। সমস্যার মূল খুজে না পেলে আপনার সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। যেমনটা প্যারাসিটামল টেবলেটে সব ধরনের জ্বর ভালো হয় না। তেমনি বশিকরণ তদবীর করলেই যে একজনকে বশিকরণ করতে পারবেন সেটা ভাবা মূর্খতা। পৃথিবীতে প্রায় ৭৩ হাজারের মত বশিকরণ মন্ত্র/দোওয়া তাবিজ রয়েছে, এই সকল কিছুই বিভিন্ন প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে সৃষ্টি। বিভিন্ন জাতের বিভিন্ন ধরনের মানুষের জন্য বিভিন্ন প্রকার তন্ত্র। একটি ছেলে বা একটি মেয়ে কেমন, তার আচরণ কেমন, তার স্বভাব কেমন, তার ভালো লাগা, মন্দ লাগা, তার পূর্বশুরীরা কোন চরিত্রের/ তার বর্তমান কোন নতুন সঙ্গী রয়েছে কি না, তার জন্ম তারিখ কি, তার উপর পূর্বেকার কোন তদবীর চলমান কি না, বর্তমানে তার উপর কোন ভিন্ন ধর্মি তদবীর চলছে কি না, তার পূর্বের কোন পছন্দের মানুষ আছে কি না। ইত্যাদি নানা বিষয় অনুসন্ধান করতে হয়। আর যদি যিনি তদবীর করাতে এসেছে তার দ্বারা এই সকল কিছু অনুসন্ধান করা সম্ভব না হয় তবে অবশ্যই তান্ত্রিক মহোদয়কে দিয়ে এই বিষয়গুলো পরিষ্কার করে বের করতে হবে। তবেই একজন নারী/স্ত্রী বা পূরুষকে সহযেই বশিকরণ করা সম্ভব। নতুবা আপনার সময়, শ্রম, অর্থ সবকিছুই জলে ডুববে। আর একটি কথা আপনার তান্ত্রিক যদি আপনাকে এটি বলে যে তার কাছে জীন বা পরী আছে তার মাধ্যমে সে সবকিছুই যেনে যাবে সমস্যা নেই ২৪ ঘন্টা বা ৭ দিনে আপনার আকাঙ্খীত ব্যক্তিকে সে আপনার কাছে এনে দিবে। তবে আমাদের পরামর্শ থাকবে সেই সকল তান্ত্রিক হতে শতহাত দুরে থাকুন। কারন এই শ্রেনীর ভন্ডরাই আমাদের মাঝে তান্ত্রিক সম্প্রদায়ের কলঙ্ক লেপে দিচ্ছে। একটু ভাবুন তো------ ছোট বেলায় আলিফ লায়লা দেখেছেন নিশ্চয় ??? আলাদিনের নিকট হাজার টা নয়, একটি মাত্র জীন ছিলো তাতেই সে একটি রাজ্যের মালিক ও রাজ কন্যাকে বিয়ে করে সুখি হয়। তাহলে এই জীন পালক তান্ত্রিক কেনো আপনার কাজ করে পয়সা নিচ্ছে। সেতো কোটি কোটি টাকা জীনের মাধ্যমেই আনতে পারতো বা কোথায় মাটির নিচে কোষ্টি পাথর রয়েছে তা খুজে বের করতে পারতো। নিজে ভাবুন অন্যকেও ভাবতে উৎসাহিত করুন। মনে রাখবেন তান্ত্রিকতা একটি আধ্যাত্মিক চিকিৎসা পদ্ধতী মাত্র, এরদ্বারা অনেক অসাধ্য সাধন সম্ভব তবে এমন কিছু ভাববেন না যা ভন্ডরা আপনাকে ডুবিয়ে ভাবায়।।

তন্তু ‌সাধনা . রহস

                                              তন্ত সাধনা র রহসৎ


তন্ত্র শাস্ত্রবিশেষ। ‘তন্ত্র’ শব্দের অনেক অর্থের মধ্যে একটি হলো ত্রাণ বা মুক্তি। যে শাস্ত্রানুযায়ী সাধন করলে জীবের মোক্ষ বা মুক্তি লাভ হয়, সাধারণভাবে তাকেই বলা হয় তন্ত্র। তত্ত্ব ও মন্ত্রের সমন্বয় হচ্ছে তন্ত্র; এর সাধনার দ্বারা জীব উন্নততর স্তরে পৌঁছতে পারে বলে তান্ত্রিকদের বিশ্বাস। তন্ত্র শ্রৌতজ্ঞানভিত্তিক বলে একে ‘পঞ্চম বেদ’ নামেও অভিহিত করা হয়।
তন্ত্রের উদ্ভব সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, কলিযুগে বেদমন্ত্রের কার্যকারিতা হ্রাস পেলে জীবের মোক্ষ লাভের উপায় হিসেবে তন্ত্রের উদ্ভব হয়। প্রকৃত ঘটনা হয়তো এই যে, সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের প্রয়োজন ও রুচির যেমন পরিবর্তন ঘটে, তেমনি অন্যান্য বিষয়ের মতো শাস্ত্রাদিরও পরিবর্তন ঘটেছে। তাছাড়া শাস্ত্রমতে কলিযুগে মানুষের আয়ুষ্কাল কমে যাওয়ায় বিশাল বৈদিক শাস্ত্র অনুযায়ী সাধনা করা তাদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়ে; তাই বিকল্প হিসেবে তন্ত্রশাস্ত্রের উদ্ভব ঘটে। কলিযুগে তন্ত্রোক্ত মন্ত্র আশুফলপ্রদ; জপ, তপ, যজ্ঞ প্রভৃতি সব কর্মেই তা প্রশস্ত। তাই বঙ্গের বিখ্যাত স্মৃতিশাস্ত্রকার রঘুনন্দন ভট্টাচার্য (১৫শ-১৬শ শতক) তন্ত্রশাস্ত্রকে প্রামাণিক বলে গ্রহণ করেছেন।
বিষয়গত দিক থেকে তন্ত্রশাস্ত্র প্রধানত তিন শ্রেণীতে বিভক্ত আগম, যামল ও তন্ত্র। সৃষ্টি, প্রলয়, দেবপূজা ইত্যাদি সপ্ত লক্ষণযুক্ত রচনাকে বলা হয় আগম; সৃষ্টিতত্ত্ব, জ্যোতিষ, বর্ণভেদ, নিত্যকর্ম, যুগধর্ম ইত্যাদি আটটি লক্ষণযুক্ত রচনা যামল এবং সৃষ্টি, লয়, দেবতাদের কাহিনী, তীর্থবর্ণন, আশ্রমধর্ম, পুরাণাখ্যান, নারী-পুরুষের লক্ষণ, রাজধর্ম, যুগধর্ম ইত্যাদি লক্ষণযুক্ত রচনাকে বলে তন্ত্র। তবে এই পার্থক্য সর্বৈব রক্ষিত হয়নি।
সম্প্রদায়গত দিক থেকে তন্ত্র প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত হিন্দু ও বৌদ্ধ তন্ত্র। ঐতিহ্যগতভাবে হিন্দুতন্ত্রকে বলা হয় শিবোক্ত শাস্ত্র। এর প্রাচীনতম উল্লেখ পাওয়া যায় অথর্ববেদীয় নৃসিংহতাপনীয় উপনিষদে। শঙ্করাচার্য এর ভাষ্য রচনা করেছেন বলে অনুমান করা হয় যে, সপ্তম শতকের পূর্বেই হিন্দুতন্ত্র রচিত হয়েছে এবং তার অনুকরণে রচিত হয়েছে বৌদ্ধতন্ত্র। খ্রিস্টীয় ৯ম থেকে ১১শ শতকের মধ্যে বহুসংখ্যক বৌদ্ধতন্ত্র তিববতি ভাষায় অনূদিত হয়; সুতরাং মূল তন্ত্রসমূহ ন্যূনপক্ষে এর এক-দেড়শ বছর আগে রচিত হয়েছে সন্দেহ নেই। মধ্যযুগ হচ্ছে তন্ত্রসাহিত্যের গৌরবময় যুগ। আধুনিক যুগে তন্ত্রশাস্ত্রের সর্বাপেক্ষা বড় পন্ডিত ছিলেন ভাস্কর রায় (১৮শ শতক)। তাঁর রচিত বামকেশ্বরতন্ত্রের অনেক টীকা রচিত হয়েছে। ভারতবর্ষে ব্রিটিশ রাজত্ব কায়েম হওয়ার পরেও অনেক তন্ত্র রচিত হয়েছে; এর প্রমাণ কোনো কোনো তন্ত্রে ‘লন্ড্রজ’, ‘ইঙ্গ্রেজ’ ইত্যাদি শব্দের ব্যবহার।
তন্ত্রের বিকাশ ঘটেছে বঙ্গদেশে। বঙ্গে বৌদ্ধধর্ম হীনবীর্য হয়ে পড়লে তান্ত্রিক ধর্ম প্রচারিত হয় এবং এখান থেকেই এক সময় তা সমগ্র ভারতবর্ষে ছড়িয়ে পড়ে। বাঙালি পন্ডিত অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান (৯৮০-১০৫৩) তিববতে গিয়ে তান্ত্রিক বৌদ্ধধর্ম প্রচার করেন। রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব (১৮৩৬-১৮৮৬), বামাক্ষ্যাপা (১৮৩৭-১৯১১) প্রমুখ সিদ্ধপুরুষ তান্ত্রিক সাধক ছিলেন। অর্ধকালী নামে জনৈকা বাঙালি মহিলাও তন্ত্রসাধক হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করেন। তান্ত্রিকদের ইষ্ট দেবী হলেন কালী, তারা বা ভৈরবী। বঙ্গের বিভিন্ন পূজা-পার্বণ এখন তন্ত্র অনুযায়ীই সম্পন্ন হয়। তারা বঙ্গে তান্ত্রিকমতে দীক্ষাগ্রহণ হিন্দুদের জীবনে অপরিহার্য; বৈদিক দীক্ষার প্রচলন এখন আর নেই। তান্ত্রিক দীক্ষার আবশ্যকতা সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, অদীক্ষিত ব্যক্তির জপ-পূজাদি নিষ্ফল হয় এবং মৃত্যুর পরে তার নরকে গতি হয়। তান্ত্রিক মতের পূজা এখনও কোনো কোনো মন্দির এবং রক্ষণশীল পরিবারে অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ মানুষের বিশ্বাস, তন্ত্রে তাদের ব্যবহারিক জীবনে সুখ-সম্পদ লাভের জন্য করণীয় বিভিন্ন প্রকার আচার-আচরণের বিবরণ আছে। এছাড়া বশীকরণ, বিদ্বেষণ, উচ্চাটন, অভিচার ইত্যাদি গুহ্য কর্মকান্ড তন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
হিন্দুতন্ত্র প্রধানত শৈব, শাক্ত ও বৈষ্ণব ভেদে ত্রিবিধ। তান্ত্রিকগণ স্বস্ব সম্প্রদায়ের তন্ত্র অনুযায়ী তাঁদের ক্রিয়াকর্ম পরিচালনা করে থাকেন। তন্ত্রশাস্ত্রে সাত প্রকার আচারের কথা বলা হলেও মূলত দক্ষিণাচার ও বামাচার এই দুই প্রকার আচারই প্রধান। দক্ষিণাচারীরা বেদোক্ত বিধি অনুযায়ী চলে; তারা মাছ, মাংস, মদ্য ইত্যাদি পরিহার করে। অপরপক্ষে বামাচারীরা অনেক বেদবিরোধী আচরণ করে এবং মৎস্যাদি তাদের নিকট নিষিদ্ধ নয়, এমনকি নারীসঙ্গও। অতীতে বঙ্গদেশে তান্ত্রিক বলতে বামাচারীদেরই বোঝাত; বর্তমানে উভয় প্রকারই রয়েছে।
তন্ত্রের সংখ্যা অনেক। তন্মধ্যে কয়েকটি প্রধান হিন্দুতন্ত্র হলো: সারদাতিলক, যোগিনীতন্ত্র, বারাহীতন্ত্র, বিশ্বসারতন্ত্র, দুর্গাডামর, রুদ্রযামল, তন্ত্রসার, সরস্বতীতন্ত্র, কুলার্ণবতন্ত্র, কামাখ্যাতন্ত্র ইত্যাদি। কয়েকটি বৌদ্ধতন্ত্র হলো: হেবজ্র, বারাহীকল্প, মরীচিতন্ত্র, উড্ডামরতন্ত্র, ক্রিয়াসার, মঞ্জুশ্রীতন্ত্র, প্রমোদমহাযুগ, কৌলজ্ঞাননির্ণয় ইত্যাদি। হিন্দুতন্ত্রসমূহ যেমন শিবোক্ত বলে কথিত, তেমনি বৌদ্ধতন্ত্রগুলি বজ্রসত্ব বুদ্ধ কর্তৃক বর্ণিত বলে উক্ত হয়। উল্লেখ্য যে, তন্ত্রসকল সংস্কৃত ভাষায় রচিত এবং বর্তমানে সেসবের যে পুথিসমূহ দেশের বিভিন্ন গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত আছে সেগুলি বঙ্গাক্ষরে লিখিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারসহ বিভিন্ন সংগ্রহশালায় প্রচুর তন্ত্রের পুথি রয়েছে। এ থেকে প্রমাণিত হয় যে, বাংলার অন্যান্য অঞ্চলের মতো এক সময় এ অঞ্চলেও তন্ত্রের ব্যাপক চর্চা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত সবচেয়ে প্রাচীন তন্ত্রের পুথি হলো ১৪৩৯ খ্রিস্টাব্দে গাছের বাকলে লিখিত সারদাতিলক (নং-৪৬০৮)।
তন্ত্রশাস্ত্রের কয়েকজন প্রধান রচয়িতা হলেন: শীলভদ্র (৭ম শতক), শান্তিদেব (জহোর/সাভার, ৭ম শতক), কুমারবজ্র (১০ম শতক), মৎস্যেন্দ্রনাথ (চন্দ্রদ্বীপ/সন্দ্বীপ, ১০ম শতক), অভয়াঙ্কর গুপ্ত (১১শ শতক), মহামহোপাধ্যায় পরিব্রাজকাচার্য (১৪শ শতক), সর্বানন্দ (মেহার, ১৫শ শতক), কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ (নবদ্বীপ, ১৬শ শতকের প্রথমভাগ), ব্রহ্মানন্দ গিরি (১৬শ শতক), পূর্ণানন্দ পরমহংস পরিব্রাজক (নেত্রকোনা, ১৬শ শতক), গৌড়ীয় শঙ্কর (১৬শ-১৭শ শতক), হরগোবিন্দ রায় (শ্রীহট্ট, ১৯শ শতক) প্রমুখ।  [দুলাল ভৌমিক]

জাদু ‌টোনা ‌থেকে ‌বাচার ‌উপায়


জাদুটোনা কিংবা কুফরি থেকে বাঁচতে আমাদের যেমন সঠিক আমল করা জরুরি। তেমনি আক্রান্ত হয়ে গেলে তা থেকে বাঁচতে সঠিক তদবির গ্রহণ করাও জরুরি। 
জাদুটোনা কিংবা কুফরির মাধ্যমে মানুষের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যায়। তা থেকে বেঁচে থাকতে রয়েছে আমল ও দোয়া। এ জাদুটোনা মানুষ এবং বদ-জ্বীনের কুপ্রভাবে হয়ে থাকে।
জাদুটোনার প্রভাব থেকে মুক্তির জন্য কিছু আমল, উপা
য় ও পদ্ধতি নিম্নে তুলে ধরা হলো-
> জাদুটোনার ধরণ বুঝে পদক্ষেপ গ্রহণ: মানুষের ক্ষতি কী ধরণে জাদুটোনা দ্বারা করা হয়েছে প্রথমেই সে সম্পর্কে জেনে নিতে হবে। আর তা জানতে সক্ষম হলে জাদুর জিনিসগুলো ধ্বংসের মাধ্যমেই তা থেকে মুক্ত হওয়া যায়। যেমন- কোনো নির্দিষ্ট স্থানে কিংবা নির্দিষ্ট কোনো জিনিসের মাধ্যমে হতে পারে তা মানুষের চুল, ব্যবহৃত চিরুনি, পানি পানের গ্লাস বা মগ কিংবা অন্য কোনো ব্যবহৃত জিনিস। তবে সে সব জিনিস আগুণে কিংবা পানি দ্বারা নষ্ট করে দিতে হবে।
> জাদুকার চিহ্নিত করা: কোন ব্যক্তির দ্বারা ক্ষতিকর জাদুটোনা করা হয়েছে, সম্ভব হলে তা জেনে নেয়া। জাদুটোনাকারী কে? তা জানতে পারলে সে ব্যক্তিকে তা নষ্ট করতে বাধ্য করা। জাদুটোনাকারী ব্যক্তিকে তা নষ্ট করার পর তাওবা করানো। ইসলামে জাদুটোনাকারীকে হত্যার নির্দেশ এসেছে। মুসলিম (ইসলামি শাসন প্রক্রিয়ায়) শাসকের ওপর দায়িত্ব হলো জাদুকারীকে তাওবার আহ্বান না করেই হত্যা করা।
হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদিস পাকে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘জাদুকরের শাস্তি হচ্ছে তলোয়ারের আঘাতে তার গর্দান ফেলে দেয়া।’ ফলে হজরত হাফসা রাদিয়াল্লাহু আনহা যখন জানতে পারলেন যে, তার এক বাদী জাদুটোনা করে, তখণ তাকে হত্যা করা হয়।
> ঝাঁড়ফুঁকের মাধ্যমে জাদুটোনা নষ্ট করা: জাদু নষ্ট করার ক্ষেত্রে ঝাড়ফুঁকের রয়েছে বড় ধরনের প্রভাব। আর তাহলো এমন, ‘জাদুটোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির ওপর অথবা কোনো একটি পাত্রের পানিতে আয়াতুল কুরসি অথবা সূরা আরাফ, সূরা ইউনুস, সূরা ত্বহা এর যাদু বিষয়ক আয়াতগুলো পড়ে দম করা এবং তা পান করা।
হজরত ওয়াহাব রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, যে ব্যক্তি জাদু-টোনার শিকার হয়, তাকে জাদুর প্রভাব থেকে মুক্ত করতে হলে নিম্নোক্ত আমলটি করতে হবে। আর তা হলো, ‘কুলের সাতটি পাতা পাটায় বেটে পানিতে মিশাতে হবে। অতঃপর আয়াতুল কুরসি পড়ে ওই পাটা পাতার ওপর ফু দিতে হবে। সেগুলো পানির সঙ্গে মিশাতে হবে। তা থেকে জাদুকৃত ব্যক্তিকে তিন ঢোক পানি পান করাতে হবে। অবশিষ্ট পানি দিয়ে গোসল করাতে হবে। ইনশাল্লাহ! এ আমলের কারো প্রতি জাদু ক্রিয়া হয়ে থাকে; তবে তা নষ্ট হয়ে যাবে।
জাদুটোনা থেকে বাঁচার আমল: নিয়মিত আয়াতুল কুরসি, সূরা কাফিরুন, সূরা ইখলাস, সূরা নাস ও সূরা ফালাক পড়া। 
এবং নিয়মিত নিম্নের দোয়াটি পড়া-
اَللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ أذْهِبِ الْبَأسَ وَاشْفِ أنْتَ الشَّافِيْ لَا شِفَاءَ إلَّا شِفَاؤُكَ ، شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمَا
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা রাব্বান নাস! আজহিবিল বাস। ওয়াশফি আনতাশ শাফি। লা শিফাআ ইল্লা শিফাউকা, শিফাআন লা ইয়ুগাদিরু সাকামা।’
অর্থ : ‘হে আল্লাহ, হে মানুষের প্রতিপালক! আপনি কষ্ট দূর করে দিন ও সুস্থতা দান করুন। (কেননা) আপনি রোগ থেকে সুস্থতা দানকারী। আপনার সুস্থতা দানই হচ্ছে প্রকৃত সুস্থতা দান। আপনি এমনভাবে সুস্থতা দান করুন, যাতে তা রোগকে নির্মূল করে দেয়।’
> হজরত জিবরাঈল (আ.) এর দোয়া: বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য হজরত জিবরাঈল আলাইহিস সালাম এ দোয়া পড়ে ঝাঁড়ফুঁক করেছিলেন।
জিবরিলের দোয়াটি পড়া-
بِاسْمِ اللهِ أَرْقِيكَ، مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيكَ، مِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنِ حَاسِدٍ، اللهُ يَشْفِيكَ بِاسْمِ اللهِ أَرْقِيكَ
উচ্চারণ : ‘বিসমিল্লাহি আরক্বিকা মিন কুল্লি শাইয়িন ইয়ুজিকা। মিন শাররি কুল্লি নাফসিন আও আইনি হাসিদিন; আল্লাহু ইয়াশফিকা । বিসমিল্লাহি আরক্বিকা।’
অর্থ : ‘আল্লাহর নামে সব কষ্টদায়ক বিষয় থেকে আমি আপনাকে ঝাঁড়ফুঁক করছি। প্রত্যেক আত্মা ও ঈর্ষাপরায়ণ চোখের অনিষ্ট থেকে। আল্লাহ আপনাকে সুস্তরাখুক. ..তান্তিক গুরু আজিজ রহমান ..01757786808/

ভালোবাসায় অস্থির করার তদবীরঃ

ভালোবাসায় অস্থির করার তদবীরঃ

মন্ত্রগুরু

ভালোবাসায় অস্থির করার তদবীরঃ
۷۸٦
۲۵۰
۲۵۳
۲۵٦
٢۴۳
۲۵۵
۲۴۴
۲۴۹
۲۵۴
۲۶۵
۲۵۸
۲۵۱
۲۴۸
۲۵۲
۲۴۷
۲۴٦
۲۵۷




বিধিঃ উপরক্ত নকশাটি সূরায়ে ইখলাসের-  ইহা লিখিয়া তার নিচে আপনার প্রেমীকার নাম ও তার মায়ের নাম এবং তারপর আপনার নাম ও আপনার বাবার নাম লিখে যদি কোন উচু গাছে লটকিয়ে দেওয়া হয় তবে উহা যখন’ই বাতাসে নরাচরা করবে তখন’ই আপনার প্রেমীকার হৃদয়ে প্রেমীকার প্রতি ভালোবাসার ঝড় বইতে শুরু করবে। তবে উপরক্ত নকশার জাকাত ও বিধি অবশ্যই পালন করতে হবে।। ‌মন্তু ‌গুরু ..01757786808

মামলা মকদ্দমা হতে পরিত্রান (Rescue from the lawsuit

মামলা মকদ্দমা হতে পরিত্রান (Rescue from the lawsuit)


আপনার পরিবারের কেউ কি অযথা কোন মামলা মোকদ্দমায় নাজেহাল হচ্ছে? আপনি বা আপনার কোন আপনজন যে অন্যায় বা অপরাধ করেনি সেই অপরাধের সাস্তি আপনাদের ভোগ করতে হচ্ছে?? সামাজিক বিচারের সম্মুখীন, পুলিশি হেফাজতে বা জেলে রয়েছে, মামলা চলমান, আপনার জমি অন্যরা দখল করে আপনার উপরেই মামলা দিয়ে রেখেছে, দ্বাম্পত্য কোলহের জের ধরে মামলায় ভুগছেন, ওয়ারিশান সম্পত্তি নিয়ে মামলা চলছে, আপনি হয়তো ঘুষ নেননি অথচ আপনাকে ফাসানো হয়েছে, এলাকায় কোন মারামারি, খুন, চুরি, দাঙ্গা ইত্যাদিতে আপনি জরিত নন তবুও আপনার নামে মামলা হয়ে হয়রানি করছে। এমন হাজারো ছোট খাটো কিংবা বৃহত্তর বিষয় নিয়ে আপনি নানা রোকম মিথ্যা মামলা বা পুলিশি হয়রানির সম্মুখীন হতে পারেন, এ অবস্থা থেকে পরিত্রান পেতে আমরা আপনাকে সাহায্যের প্রতিশ্রুতি প্রদান করছি। 
বলা হয়ে থাকে যখন সময় খারাপ যায় তখন আটার খমির করতেও আঙ্গুল ভেঙ্গে যায়, আপনি যদি অনাকাঙ্খীত কোন সমস্যায় অহেতুক জরিয়ে পরেছেন তবে অবশ্যই আপনার এই অবস্থার জন্য সময়ের একটি বড় ভুমিকা রয়েছে যাকে আমাদের ভাষায় কাল দোষ বা গ্রহদোষ বলা হয়ে থাকে। যদিও সময় খারাপ হলে শুধু মামলা মোকদ্দমাই নয় নানাবিধ সমস্যার মধ্যেই আপনাকে জরিয়ে পড়তে হতে পারে। তবে আমাদের আজকের আয়োজন সেই সকল ভাগ্য বিরম্বীত মানুষদের জন্য যারা অপ্রয়োজনীয় মিথ্যা মামলায় নাজেহাল হচ্ছেন বা জেল খাটছেন, তবে একটি কথা মাথায় রাখা কর্তব্য তদবীরে অবশ্যই আপনার সম্পূর্ণ সত্য বয়ান দিতে হবে নতুবা কোন প্রকার সাহায্যের আশা রাখা অনর্থক। আমরা আপনার সময়ের করাল গ্রাস হতে রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় তদবীর প্রদান করবো, হয়তো আপনি দির্ঘ্যদিন যাবৎ যে মামলায় জেল খাটছেন বা মামলায় জরিয়ে আছেন সেই অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে ৩-২৪ ঘন্টায় পারবো না, তবে প্রসিডিউর অনুসারে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই আপনাকে আপনার সন্মান ফিরিয়ে দিতে পারবো। আমরা ছিলাম আছি থাকবো যতদিন যাবৎ পৃথিবীর একটি কোনাতেও বাংলা ভাষাভাষি একজন সৎ মানুষও বিনা কারনে হয়রানির স্বিকার হবে।

এটক সাধনা ..বা এাটক সিদ্ধি.

ত্রাটক অনেকেই ত্রাটক সমন্ধে জানতে চেয়েছেন,,, যদিও এটা অতি গোপনীয় বিষয়, এর পরও ত্রাটক নিয়ে এক্টা পোস্ট করলাম,,,,,, ,,
,
,
পৃথিবীতে এখন পর্যুন্ত যতগুলো দোওয়া,
তাবিজ, মন্ত্র, তন্ত্র, টোনা, টোটকা,
নকশা
ইত্যাদি আছে তার ভিতর সবচাইতে
পাওয়ারফুল হলো “ত্রাটক”।
এই “ত্রাটক” সাধনের ফলেই আগের
দিনের মনি ঋষিগন ও অন্নান্য পীর
দরবেশগন,
নানান অলৈকিক কর্মকান্ড করেগেছেন।
বর্তমানে আমাদের মাঝে যে সকল
ব্যক্তিগন দোওয়া / মন্ত্র ইত্যাদি নিয়ে
সফলকাম
হয়ে থাকেন বা চেষ্টা করছেন তাদের
মাঝে বেশির ভাগই বিফল কারন-
বর্তমানে মানুষের মাঝে ধর্য্য ও সময় দুই
খুব কম, এবং সবচাইতে কম
ন্যায়পরায়নতা
সততা, নিষ্ঠা, মুখের কথার মূল্যবোধ।
তার চাইতে বেশি
সমস্যা হচ্ছে পেটের চিন্তা। আমাদের
প্রয়োজন নগদ অর্থ এবং সেটাও জলদি।
আর তাই আমরা এগুলো থেকে অনেক
পিছিয়ে পড়েছি। অনেকেই তো বিশ্বাষ
পর্যন্ত করতে চায় না, যে মানুষের
পক্ষে এ সকল কাজ করা সম্ভব।।
তাই বর্তমানে শুধু মাত্র একটি পথ খোলা
আছে একজন সাধারন মানুষ
অসাধারন অলৈকিক ক্ষমতার অধিকারী
হতে পারার, আর তা হলো “ত্রাটক”।
কারন ত্রাটক সাধনায় সময় অত্যন্ত কম
লাগে, একজন মানুষের মাঝে গুটিকয়েক
লক্ষন দেখেই বোঝা যায় সে এই সাধনা
করতে সক্ষম কি না। এর ফলাফল দ্রুত
ঠিক যেমন বর্তমানে রিমট-কন্ট্রোল এর
ব্যবহারের মতই।
মানুষের কল্পনার চাইতেও শক্তিশালী
এই ক্ষমতা।
ব্যবহারের জন্য নিয়ম নিতি নাই বল্লেই
চলে।
শ্রেনীবিভাগ প্রায়ই একই প্রকার।
তবে শিখার খরচ তুলনা মুলক একটু বেশি।
যে কেউ শুধু অনুশিলনেই হয়ে উঠতে
পারে অতিমানব।
তবে এর সবচাইতে বড় বাধা হচ্ছে
গোপনিয়তা।
শক্তি সর্ম্পকে গোপনিয়তা রক্ষা করতে
না পারলে শক্তি নিশ্বেষ হতে পারে।
আপনি যা চান আর যা চান নি সবই
করতে পারেন এই একটি মাত্র বিদ্যায়।।
সুপার ভিষন "ত্রাটক ",
,
ত্রাটক জিনিসটি এমনই শক্তিশালী যে
আপনি আপনার চোখ দিয়ে একটি চলন্ত
রেলগাড়ীকে থামাতে পারবেন। আপনার
মন ও চোখ দিয়ে যে কোন মানুষের ক্ষতি
স্বাধন বা উপকার করতে পারবেন।
ধরুন যে আপনার সামনে দিয়ে একটি
চলন্ত রেলগাড়ি যাচ্ছে এখানে এই
স্বাধনাটি করার পর আপনি যদি আপনার
চোখের দৃষ্টি রেলগাড়ির ইন্জিনে
প্রয়োগ করেন এবং মন দিয়ে
রেলগাড়িকে থামানোর চেষ্টা করেন
তাহলে ঐ রেলগাড়িটি ততখনাত থেমে
যাবে। এভাবেই চোখ এবঙ মন দিয়ে যে
কোন কাজ সমাধা করা যাবে।
উল্লেখ্য থাকে যে এই ত্রাটক সিদ্ধি সব
থেকে সহজ এবং শক্তিশালী। এাটক সাধনার মাধমে জীবনের যে ‌কোন ইচ্ছেই
পুরন করতে পারেন তাও  খোব কম সময়ে আমাদের এই প্রতিষ্টান টি মুল অতো এাটক সাধনা ও ‌আধ্যাত্নিক সাধনার জনো
কালো জাদু তন্ত মন্তু যে কোন সাধনা প্রশিক্ষন পেতে আজি যোগা যোগ করুন ইমু 01757786808

পুরাতন পোষ্ট গুলি দেখুন