তান্তিক ‌সেবা

থার্ড আই রেডিয়েশন হা আপনি যদি আপনার বাবা মা ভাই বোন ওস্তাদ শিক্ষক বন্ধু প্রেমিক পরিচিত যে কাহারো সাথে মরোনত্তর বিশেষ কোন বিষয় জানার জন্য যোগাযোগ করতে ইচ্ছুক হয়ে থাকেন তবে অবশ্যই আমাদের সহায্য নিতে পারেন। বিশ্বে একমাত্র আমরাই কোন প্রকার ব্লাক ম্যাজিক, কুফুরী, জীবন নাষের সংঙ্কা ছারাই নিরাপদে আপনার পরলোকগত প্রিয়জনের সাথে আদলোচনা করাতে সক্ষম। সর্ত প্রযোজ্য ‌. সেবা * প্রেম .ভালোবাসায় ব্যাথ*  *বশীকরন . বিচ্ছেদ‌ . শত্রুর থেকে মুক্তি . মামলা মোকাদ্দামা.  স্বামী স্তীর অমিল . সংসারে অ শান্তি *  বান মারন *জাদু টোনা * বাণ কাটা * পালাতক ব্যাক্তি হাজির করা* দোকানে বেচা কিনা বিদ্দি *
লেখা পরায় অমনো যু্গি*  প্ররিক্ষায় পাস *
 মহিলাদের ছেলে সন্তান হয়না*  মনের মানুষ কে বাধ্য করা * যৌন রোগ* চর্মরোগ* মাথাবেথ্যা *  জন্ডিস * যে কোন মানসিক রোগ.* কবিরাজি চিকিংসা ও তান্তিক সেবা পেতে আমাদের সাইটে যোগা যোগ করুন মার্ত 3/5 দিনে 100%গ্যারান্টিতে তদবীর করা হয় ..ফোন .01978142102

ফেক ‌আইডি ‌থেকে ‌সাবধান

                                বন্ড প্রতারক হতে সবাই ‌সাবধান
আমরা এই পেইজটি রেগুলার আপডেট করার চেষ্টা করছি কিন্তু প্রতিনিয়ত এতো পরিমান ভুয়া ও ফেক সাইট তৈরী হচ্ছে যে তা নজর কারার মত, শুধু এটা সমস্যা নয় আমাদের নামের ডুপ্লিকেট করেও কতিপয় অসাধু বালক পেইজ খুলে ব্লগ সাইট খুলে প্রতারনার আশ্রয় নিয়েছে। নিচে আবার কিছু আপডেট করা হলো>> আমাদের লগো ও মন্ত্রগুরু এ্যসোসিয়েশন খুজে পেতে সমস্যা যাতে সর্বসাধারনের না হয় সে কারনেই এই পদক্ষেপ।। কিছু ফেক আইডি তুলে ধরলাম
যেমন . জাদু টোনা 
মহামায়াবী মন্ত্র গুরু
মহা মায়াবী ক্ষমতার অধীকারি (তান্ত্রিক)
তান্ত্রিক সাধু নারায়ণ চান্ডাল (মন্ত্র গুরু)
তান্ত্রিক পলক আচার্য(মন্ত্র গুরু শিষ্য )
সর্ব মন্ত্রের অধিকারী
মহামায়াবী মন্ত্র গুরু
মন্ত্র-গুরু কালোযাদু বশীকরণ মন্ত্র দোয়া ও তাবিজ
মন্ত্র গুরু
তন্ত্র মন্ত্রওকালোযাদু বিদ্যার গুরু
তন্ত্র গুরু Community
অদ্ভুত কবিরাজী শিক্ষা(তন্ত্র মন্ত্র টোটকা গুরু)
তন্ত্র ও মন্ত্র গুরু Attractions/Things to Do
কালা জাদুকর
মন্ত্র গুরুর তাবিজ Montro Gurur Tabiz Publisher
Montro Guru (কালো যাদু )
মন্ত্র তন্ত্র তাবিজ ও কালো যাদু শিক্ষা Business Services
তন্ত্র ও মন্ত্র গুরু Attractions/Things to Do
তান্ত্রিক Community
মন্ত্র দ্বারা সমাধান সাদা ও কালোজাদুর ভাণ্ডার Writer
মন্ত্র তন্ত্র ,যাদু টোনা, ত্রাটক সাধন বিদ্যা Book Store
সর্বস্রেষ্ঠ তান্ত্রিক
মহা তান্ত্রিক কৈলাশী
মন্ত্র - তন্ত্র এসোসিয়েশন Public Group
তান্ত্রিক সাধক মহা গুরু
তাবিজ তনত শিখানো হয়
ভয়ংকর তান্ত্রিক গুরু(সকল তন্ত্র মন্ত্রের অধিকারী )
কালো জাদু তন্ত্র সাধনা
সর্ব তান্ত্রিক গুরু(খান আলতাব চিশতী)
অদ্ভত কবিরাজি
জীন সাধক
Táñträ Sädhñä
যাদু মন্ত্রে সমাধান
সর্বস্রেষ্ঠ তান্ত্রিক
ভয়ংকর যাদুকর
সর্ব মন্ত্রধারী শ্রীকান্তসেন(শ্রীকান্ত সেন)
ভৈরব তান্ত্রিক
আদিওআসল কবিরাজী
মন্ত্র গুরু
তন্ত্র মন্ত্রওকালোযাদু বিদ্যার গুরু
কালযাদুতন্ত্রশক্তি
কামরূপ কামাক্ষা মন্ত্র গুরু
মন্ত্র-গুরু সকল সমস্যার সমাধান
আজমেরী রুহানী আজম 

কালো ‌জাদু ‌কি

👾👾 ব্ল্যাক ম্যাজিক রহস্য
সভ্যতার আদি থেকেই জাদুবিদ্যা আর জাদুকর বিষয়ে মানুষের প্রচণ্ড রকম আগ্রহ। জাদুবিদ্যা মূলত অতীন্দ্রিয় আর প্রাকৃতিক শক্তিকে বশ করার বিদ্যা! ইংরেজি ‘ম্যাজিক’ শব্দের উদ্ভব হয়েছে ফারসি শব্দ মাজি থেকে! মাজিরা যে সব ক্রিয়া-কর্ম পালন করত, গ্রিকরা সেসবকে ম্যাজিক বলে অভিহিত করতেন! আর ম্যাজিকের সঙ্গে আত্মা বা ভূতের বিষয়টি চলে আসে অনিবার্যভাবে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী ভূত হলো এমন এক জিনিস, যা মৃত ব্যক্তির আত্মা। আর তা জীবিত ব্যক্তির সামনে দৃশ্য আকার ধারণ বা অন্য কোনো উপায়ে আত্মপ্রকাশ করতে সক্ষম। ভৌতিক অভিজ্ঞতায় ভূতকে নানাভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। কখনো অদৃশ্য বা অস্বচ্ছ বায়বীয় আবার কখনোবা বাস্তবসম্মত সপ্রাণ মানুষ বা জীবের আকারে। আর এসব ভূত বা প্রেতাত্মার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে ভবিষ্যদ্বাণী বা কোনো কাজ করার বিদ্যাকে ব্ল্যাক ম্যাজিক, নেক্রোম্যান্সি বা কালো জাদু বলে। অন্যদিকে এক ধরনের বিশেষ ব্ল্যাক ম্যাজিক হচ্ছে ভুডু। ভুডুবিদ্যার সাহায্যে নাকি কবরের লাশ জ্যান্ত করে তাকে গোলামের মতো খাটানো যায়। অন্যদিকে শামানের কাজও মৃত মানুষের আত্মা নিয়ে। তবে ভুডুর সঙ্গে শামানদের পার্থক্য— এরা মন্দ আত্মার বিরুদ্ধে লড়াই করে। মন্দ আত্মাকে কাজে লাগায়। বিদেশি সিনেমায় এমনকি ভারতীয় সিরিয়ালে প্রায়ই দেখা যায়, একজন দুষ্ট ব্যক্তি একটি পুতুলের গায়ে সুচ ফুটিয়ে আরেক জায়গায় এক ব্যক্তিকে হত্যা করছে কিংবা অন্য কোনো উপায়ে ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। বাংলায় একে ফুঁক দেওয়া, কবজ করা অথবা বাণ মারা বলে। এ ধরনের ঘটনা যারা ঘটায় তাদের ওঝা বলে। আর এ প্রক্রিয়াটিই বিশ্বব্যাপী ব্ল্যাক ম্যাজিক বা কালো জাদু নামে পরিচিত। খ্রিস্টধর্ম প্রবর্তনেরও আগের কথা। বহুকাল আগে পাশ্চাত্যে বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে নির্দিষ্ট কোনো ধর্মের প্রচলন ছিল না। তবে তাদের মধ্যে অদ্ভুত কিছু বিশ্বাস ও কর্মকাণ্ডের চর্চা ছিল। এরা এক একটি গোত্র বিভিন্ন কাল্পনিক ভূত-প্রেত বা অশুভ আত্মার আরাধনা করত। যা আফ্রিকান ব্ল্যাক ম্যাজিক বা কালো জাদু নামে পরিচিত। এমনকি এখনো এ বিদ্যার গোপন অনুসারীরা তাদের এ বিদ্যা দিয়ে মানুষের ক্ষতি করে আসছে। এ বিদ্যায় পারদর্শীদের ডাকি বা ওঝা বলে আর আফ্রিকান ভাষায় এদের বলে কিনডকি।
👺আত্মাসংক্রান্ত ধারণা থেকেই উদ্ভব
পৃথিবীতে ধর্মের আবির্ভাবের আগেও মানুষের মধ্যে আধ্যাত্মিক চর্চা ছিল। আবার ধর্মের আবির্ভাবের পরও এই চর্চা অব্যাহত ছিল। বহুকাল আগে পাশ্চাত্যের ধর্মহীন গোত্রের মধ্যে অদ্ভুত কিছু বিশ্বাস ও কর্মকাণ্ডের চর্চা ছিল। এরা এক একটি গোত্র বিভিন্ন কাল্পনিক ভূত-প্রেত বা অশুভ আত্মার আরাধনা করত। আর নিজেদের প্রয়োজনে এই আত্মাকে ব্যবহার করত। এই বিশ্বাসের চর্চা মূলত ছিল আফ্রিকানদের মধ্যে। আর তাই বিশ্বজুড়ে এটি আফ্রিকান ব্ল্যাক ম্যাজিক বা কালো জাদু নামে পরিচিত। এমনকি এখনো এ বিদ্যার গোপন অনুসারীরা তাদের এই চর্চা চালিয়ে যাচ্ছে।
মূলত প্রাক-শিক্ষিত সংস্কৃতির সর্বপ্রাণবাদ ও পূর্বপুরুষ পূজার মধ্যে ভূত বা আত্মাসংক্রান্ত ধ্যান-ধারণার প্রথম বিবরণ পাওয়া যায়। সে যুগে কিছু নির্দিষ্ট ধর্মীয় প্রথা, অন্ত্যেষ্টি সংস্কার, ভূত তাড়ানো অনুষ্ঠান ও জাদু অনুষ্ঠান আয়োজিত হতো। আর এসব আয়োজনের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল মৃত আত্মার সন্তুষ্টি আনয়ন। মূলত আত্মাসংক্রান্ত সেই ধ্যান-ধারণা থেকেই ব্ল্যাক ম্যাজিক বা কালো জাদুর বিবর্তন।

👹রোজাদের দাপুটে প্রথা
আদিম সমাজে ওইভাবে ধর্মের চর্চা না থাকলেও যেসব লোক আধ্যাত্মিক চর্চা করতেন, তাদের আলাদা দাপট ছিল। সাধারণ মানুষ এদের প্রচণ্ড রকম ভয়ের চোখে দেখতেন। আদিম সমাজের এমনই এক ধরনের মানুষ ছিল যাদের উইচ-ডক্টর বা রোজা নামে ডাকা হতো। এরা এমন ব্যক্তি ছিলেন যারা ব্ল্যাক ম্যাজিক জানতেন। অতীন্দ্রিয় শক্তির বলে প্রেতাত্মাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারতেন। আর প্রেতাত্মাদের দিয়ে সম্ভব-অসম্ভব যে কোনো কাজ করে ফেলতে পারতেন খুব সহজেই। সে কারণে ওই সময় রোজারা একাধারে চিকিৎসক, জাদুকর এবং পুরোহিতের ভূমিকা পালন করতেন। বর্তমানকালেও আদিম-সামাজিক ব্যবস্থায় বসবাসকারীদের মধ্যে উইচ-ডক্টর বা রোজাদের প্রভাব দেখা যায়। আদিম জাতিদের মধ্যে রোজাদের খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হতো।
রোজারা তাদের ডাকিনীবিদ্যা খাটিয়ে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিতে পারত। চোর বা হত্যাকারী ধরা ও শাস্তি প্রদানে রোজাদের অপরিহার্য ভূমিকা ছিল। এ ছাড়াও তারা জাদুবিদ্যার সাহায্যে রোগ নির্ণয় এবং এর প্রতিকার করতেন। তারা তাদের শিশুদের রোগাক্রান্ত করতে পারতেন এবং মানুষের মৃত্যুও ঘটাতে পারতেন। মানুষের মৃত্যু ঘটানোর জন্য তারা নানা ধরনের পদ্ধতি অবলম্বন করতেন। কখনো মানুষের একটি ছোট আকৃতির পুতুল তৈরি করে তাতে পিন বিদ্ধ করতেন। আবার কখনো কোনো লোকের চুল বা নখের টুকরো সংগ্রহ করে তা মাটিতে পুঁতে রাখতেন। এগুলো যখন আস্তে আস্তে শুকিয়ে যেত মানুষটিও ক্রমেই মৃত্যুমুখে পতিত হতো। রোজারা প্রায়ই রোগের চিকিৎসার জন্য গাছ-গাছড়া, লতাপাতা ব্যবহার এবং রোগের সংক্রমণ দূর করার জন্য জল ব্যবহার করত। কখনো তারা জাদুকরী পাথরসহ জল ছিটিয়ে দিত।
তারা জাদুকরী গান, প্রার্থনা এবং আশ্চর্য ভঙ্গিমায় নৃত্য করত। এর উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ মানুষের মনকে প্রভাবিত করা। রোজারা সব সময় রঙিন পোশাক পরত, মুখোশ ধারণ এবং মুখমণ্ডল চিত্রিত করত। কেউ কেউ পশুর চামড়াও পরিধান করত। বস্তুত মানুষকে সম্মোহিত করত। আর লোকজন বিশ্বাস করতে বাধ্য হতো যে তাদের সৌভাগ্যের জন্য রোজারাই দায়ী।
👺 ভুডু বনাম শামান
ভুডু (Voodoo) হচ্ছে এক ধরনের ব্ল্যাক ম্যাজিক বা ডাকিনীবিদ্যা। শোনা যায়, ভুডুবিদ্যার সাহায্যে নাকি কবরের লাশ জ্যান্ত করে তাকে গোলামের মতো খাটানো যায়। শামানের কাজও মৃত মানুষের আত্মা নিয়ে। তবে ভুডুর সঙ্গে শামানদের পার্থক্য হলো— এরা মন্দ আত্মার বিরুদ্ধে লড়াই করে। মন্দ আত্মাকে কাজে লাগায়। ভুডু এক ধরনের অপবিদ্যা। যারা ভুডুবিদ্যা জানে, তারা নাকি ইচ্ছা করলেই যাকে খুশি তার ক্ষতি করতে পারে। তাই এ বিদ্যায় পারদর্শীদের অনেকেই এড়িয়ে চলেন।
তবে শামান সব সময় ন্যায়ের পক্ষে কাজ করে। শামানকে কেউ বলে জাদুকর, কেউ কবিরাজ। শামান কথাটি এসেছে সাইবেরিয়ার তুঙ্গুস ভাষী মেষ পালকদের কাছ থেকে। অষ্টাদশ শতাব্দীর ভ্রমণকারীরা প্রথম শামানদের ব্যাপারে বিশ্ববাসীকে অবহিত করে। জানা যায়, শামানরা এমন ধরনের মানুষ যাদের রয়েছে অবিশ্বাস্য শক্তি। মৃত ব্যক্তির আত্মার কাছ থেকে জ্ঞান সংগ্রহ করে তারা। ইচ্ছা করলেই নাকি নশ্বর দেহ ত্যাগ করে স্বর্গ বা নরকে স্বচ্ছন্দে প্রবেশ করতে পারে। শামানদের প্রধান বাসস্থান এক সময় সাইবেরিয়া হলেও সোভিয়েতদের অত্যাচারে তারা দেশ ত্যাগে বাধ্য হয়। তারা ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বের নানা জায়গায়। শামান বর্তমানে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে উত্তর আমেরিকা এবং পশ্চিম ইউরোপের শহরাঞ্চলেও। শামানরা তাদের নানা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড প্রদর্শনের জন্য ভ্রমণ করছে চিলির সান্তিয়াগো থেকে শুরু করে কোরিয়ার সিউল পর্যন্ত। যদিও অনেক দেশের সরকার শামানিক চর্চাকে অবৈধ এবং বিপজ্জনক বলে বর্ণনা করেছে। কিন্তু রোমান্টিক মানুষের কাছে শামান হলো ধর্মীয় অভিজ্ঞতা লাভের গাইড। আর জাতীয়তাবাদীরা শামানকে মনে করে প্রাচীন সাংস্কৃতিক জ্ঞানের বাহক।
👺শামানদের ইতিবৃত্ত
শামানদের মতে, আমাদের চারপাশে যত উপাদান রয়েছে সব কিছুর মাঝে আছে আত্মার অস্তিত্ব। ‘ভুডু’ কথার অর্থও ‘আত্মা’। এই শব্দটির উৎপত্তি ফন জাতির কাছ থেকে। এরা ইউয়ি সম্প্রদায়ের আত্মীয়। ভুডু চর্চার উৎপত্তি হাইতিতে। তবে আফ্রিকায় এর চর্চা ব্যাপক। ব্রাজিল, জ্যামাইকাতেও কিন্তু কম ভুডু চর্চা হয় না। তবে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন নাম। যেমন, হাইতিতে বলা হয় ভুডু, ব্রাজিলে ক্যানডোমবল, জ্যামাইকাতে ওবিয়াহ ইত্যাদি। পশ্চিম আফ্রিকার মানুষ সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করে ভুডুতে সেখানকার কমপক্ষে ২৫ লাখ মানুষ এ বিদ্যার অনুরাগী। এ চর্চা সবচেয়ে বেশি হয় আফ্রিকার ঘানায়। ঘানার ককুজানের অধিবাসীরা এ বিদ্যাটির সাংঘাতিক অনুরাগী। এরা অসুখ-বিসুখে সরকারি হাসপাতালের ডাক্তারদের কাছে যাওয়ার চেয়ে ভুডু চিকিৎসকদের ওপর অনেক বেশি ভরসা করে।
শামানরাও তাই। আত্মার ওপর এদের বিশ্বাস গভীর। এদের ধারণা, আত্মা তাদের সব বিপদ থেকে রক্ষা করবে। বংশপরম্পরায় এ বিশ্বাস চলে আসছে তাদের মাঝে। আফ্রিকায় যারা ভুডু চর্চা করে তারাও কিন্তু বংশানুক্রমে এ কাজ করে আসছে। আফ্রিকান বাবা-মা তাদের সন্তানদের এ বিদ্যা চর্চায় উৎসাহ জোগায়। প্রতিদিনই সকালে পূজারিরা স্থানীয় দেবতাদের উদ্দেশে নৈর্বেদ্য অর্পণ করে তারপর নিজের কাজে বের হয়। শামানরা শুধু বিশ্বাস করে আত্মায়। তাদের কোনো দেবতা নেই। তবে ভুডু শুধু বিশ্বাস করে আত্মায়। তাদের কোনো দেবতা নেই। তবে ভুডু অনুসারীদের বিভিন্ন দেবতা আছে। যেমন ফ্লিমানি কোকু হলো রোগ মুক্তির দেবতা, হেভিও সো হলো, বিদ্যুৎ এবং ব্রজের দেবতা, মেমি ওয়াটা ধন-সম্পদের দেবী ইত্যাদি। দেবতার ওপর তাদের এত বিশ্বাস যে, তারা মনে করে আগুন তাদের ক্ষতি করতে পারে না। ছুরি দিয়ে পেট কাটলেও তারা ব্যথা পায় না। তারা বলে, দেবতারা তাদের সব বিপদ থেকে রক্ষা করে।
শামানরাও বলে আত্মা তাদের সব রোগ মুক্তির পথ বাতলে দেয়। যারা এ সংস্কৃতিতে বিশ্বাসী, তারা বলে শামানদের রয়েছে অলৌকিক ক্ষমতা। এরা আত্মার শক্তিতে বলীয়ান হয়ে স্বাস্থ্য, খাদ্য, উর্বরতা বিষয়ক সব সমস্যারও সমাধান করে দিতে পারে। শামানদের ব্যাপ্তি সাইবেরিয়া থেকে ল্যাপল্যান্ড, বিব্বত, মঙ্গোলিয়া, উত্তর এবং দক্ষিণ আমেরিকা (বিশেষ করে আমাজন এলাকায়) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, এমনকি ভারতেও বিস্তৃত। পূর্ব ভারতে সোরা নামে এক উপজাতি আছে, জঙ্গলে বাস করে। এরাও শামান সংস্কৃতিতে বিশ্বাসী। সোরা উপজাতির লোকেরা মৃতের সঙ্গে কথা বলে। এখানে শামানের ভূমিকা সাধারণত পালন করে মহিলারা। তারা দুই ভুবন অর্থাৎ পৃথিবী ও স্বর্গের মাঝে সমন্বয় সাধন করে বলে শামান অনুসারীদের বিশ্বাস। মহিলা শামানকে কবর দেওয়া হয়। এরপর তার আত্মা চলে যায় অন্য ভুবনে। সেখানে মৃত ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে সে। লোকে মহিলাকে কথা বলতে দেখে। সোরাদের মতে, মৃত্যু মানে কারও অস্তিত্বের ধ্বংস নয়। মৃত্যু তাদের কাছে নতুন আরেক জীবন মাত্র। মৃত্যুর পরেও আত্মা যথেষ্ট শক্তিশালী থাকে, তাদের আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলে— এমনটিই বিশ্বাস সোরা উপজাতির।
👺শয়তানের প্রতীক
ব্ল্যাক ম্যাজিকের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো প্রতীক ও সংকেতচিহ্নের ব্যবহার। অনিষ্টকারী শয়তানের প্রতীককে ব্ল্যাক ম্যাজিশিয়ানরা কাজে লাগিয়ে এসেছেন যুগ যুগ ধরে। শয়তানের প্রতীক হিসেবে বিভিন্ন সভ্যতার মানুষের বিশ্বাস ছিল সেটি হচ্ছে— শিং। ব্ল্যাক ম্যাজিক চর্চায় শিং তাই অপরিহার্য। এক সময়ের বিখ্যাত জাদুকর ছিলেন জোহান রোসা। তার একটা মন্ত্রপুত আংটি ছিল। যেটায় একটা প্রেতাত্মাকে তিনি আটকে রেখে ছিলেন আর এটাকে দিয়ে সব কাজ করাতেন। তার মৃত্যুর পরে প্রকাশ্য জনসভায় আংটিটা হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ভেঙে ফেলা হয়েছিল। গর্ভবতী নারীদের প্রসব বন্ধ করা থেকে শুরু করে যৌনাকাঙ্ক্ষা চিরতার্থ করার মতো বীভৎস সব জাদু বিধানের চর্চা হতো তখন। এ সময়ে বিশ্বাস করা হতো বশীকরণের মাধ্যমে মানুষকে দাস বানিয়ে রাখা যায়। যে কোনো বিপজ্জনক কাজে যাওয়ার আগে ‘প্রয়োজনীয় মন্ত্রপুত জামা’ পরে যাওয়ার রীতি ছিল, কুমারী মেয়ের বড় দিনের এক সপ্তাহ ধরে এই ধরনের জামা ঘরে বুনত। ‘বান’ ছেঁড়ার কথা বাংলাদেশে অপরিচিত নয়, মধ্যযুগের এই (Magical Arrow) ধারণাটার ব্যাপক প্রচার ছিল। বিশ্বাস করা হতো এভাবে মানুষের ক্ষতি করা সম্ভব! মধ্যযুগে রেনেসাঁর আলো যতই ছড়াক না কেন, ব্ল্যাক ম্যাজিশিয়ানদের হাত থেকে কেউই রক্ষা পায়নি।
👺জাদুবিদ্যার নানান প্রকার
জাদুবিদ্যার প্রচলন সব সময়ই কৌতূহলজনক। সেজন্য বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সমাজবিদ- নৃতাত্ত্বিকরা সমাজে প্রচলিত জাদু বিধানগুলো পর্যালোচনা করে এর শ্রেণি বিভাগ করার চেষ্টা করেছেন। যেমন স্যার জেমস জর্জ ফ্রেজারের মতে জাদুবিদ্যার বিধানগুলো প্রধানত দুই রকমের হোমিওপ্যাথিক এবং কনটেজিয়াস ম্যাজিক।
হোমিওপ্যাথিক ম্যাজিক সব সময়ই শত্রু ধ্বংসের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। এক্ষেত্রে শত্রুর প্রতিমূর্তি [মোম, মাটি, কাঠ, কাপড়] বা ছবি ইত্যাদি তৈরি করে পুড়িয়ে বা ছুরি দিয়ে কেটে ধ্বংস করা হয়। ধারণা এই যে, মূর্তিটা যে যন্ত্রণা পাচ্ছে, শত্রুও তেমন যন্ত্রণা বা আঘাত পাচ্ছে। এটাকে ব্ল্যাক ম্যাজিক বলে। তবে এই জাদু আবার অনেক সময় মানুষের উপকার বা ভালোর জন্যও ব্যবহার করা হয়। যেমন ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে এমন একটা জাদু বিধান আছে, কোনো নারীর সন্তান হচ্ছে না, তখন একটা কাঠের ছোট শিশু বানিয়ে নিঃসন্তান রমণীটির কোলে বসিয়ে আদর করে। এর ফলে তার সন্তান হবে এমন ভাবা হয়। কখনো কখনো রোগের চিকিৎসার জন্যও এই ধরনের জাদুর প্রয়োগ দেখা যায়। অন্যদিকে কনটেজিয়াস ম্যাজিক হচ্ছে মানুষের শরীরের বিভিন্ন অংশ বিশেষ যেমন চুল, নখ, থুথু বা পরিধেয় বস্ত্রের মাধ্যমে জাদু করে মানুষের ক্ষতি বা উপকার করা। এক্ষেত্রে শত্রুর আঙ্গুলের নখ, চুল, ভ্রু, থুথু -এসব সংগ্রহ করে মোমের সাহায্যে শত্রুর একটা অবিকল প্রতিরূপ তৈরি করা হয়। প্রতিমূর্তিটি ছয় দিন ধরে মোমের তাপে ঝলসাতে হবে এবং সাত দিনের দিন মূর্তিটি পুড়িয়ে ফেললে শত্রুর মৃত্যু হবে! জাদুবিদ্যার ধরন আর প্রকারভেদ নিয়ে অনেকে অনেক মত দিয়েছেন, তাদের সব মতবাদ একসঙ্গে করলে বলা যায় জাদুবিদ্যা প্রধানত তিন ধরনের। প্রথমত, সৃজনধর্মী জাদু বা হোয়াইট ম্যাজিক। ফসলের ভালো উৎপাদন, বৃষ্টি নামানো, গাছে ভালো ফল হওয়া প্রেম বা বিয়ে ইত্যাদির উদ্দেশ্যে এ জাদু ব্যবহৃত হয়। দ্বিতীয়ত প্রতিরোধক জাদু। এই জাদুকেও হোয়াইট ম্যাজিকের মধ্যেই ফেলা যায়। এটা বিপদ-আপদ এড়ানো, রোগব্যাধি দূর করা আর কালো জাদুর প্রভাব এড়ানোর কাজে ব্যবহার করা হয়। আর সর্বশেষ প্রকারটিই হচ্ছে ব্ল্যাক ম্যাজিক বা ধ্বংসাত্মক ম্যাজিক। এটি রোগব্যাধি সৃষ্টি, সম্পত্তি ধ্বংস, জীবন নাশের কাজে ব্যবহার করা হয়। ডাইনিবিদ্যায় এর প্রয়োগ বেশি দেখা যায়। সেই প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে আজ পর্যন্ত এর প্রভাব দেখা যায় রাজনীতি, অর্থনীতি ও সংস্কৃতির ওপর। জাদুবিদ্যার প্রাচীন ইতিহাস যদি আমরা খুঁজে দেখতে চাই তাহলে আমাদের দৃষ্টি দিতে হবে সেই প্যালিওলিথিক যুগের গুহামানবদের গুহাচিত্রের দিকে। অরিগেনেসিয়া নামক গুহায় বেশ কিছু মুখোশ পরা মানুষ আর জন্তু জানোয়ারের ছবি দেখা যায়, যেখানে মানুষগুলোর হাতের আঙ্গুলের প্রথম গিঁট পর্যন্ত কাটা! যদিও নৃতাত্ত্বিকেরা এদের কুষ্ঠরোগাক্রান্ত মানুষ বলে বর্ণনা করেছেন। তবে জাদুবিদ্যা বিশারদদের মতে মৃত্যুকে জয় করার জন্যই হাতের আঙ্গুল কেটে তা নিবেদন করার রীতি সে আমলে প্রচলিত ছিল। দেহের অংশ বিশেষ দিয়ে গুণ [ব্ল্যাক ম্যাজিক] করার রীতি এদেশেও দেখা যায়। প্রাচীন ধর্মগ্রন্থগুলোতেও নানা আঙ্গিকের জাদুবিদ্যা চর্চার প্রমাণ পাওয়া যায়। সমসাময়িক ধর্মগুরু আর জনগণের মধ্যে। জাদুবিদ্যার এই চর্চা কখনই থেমে থাকেনি। গোপনে একদল ব্ল্যাক ম্যাজিকের চর্চা করে যাচ্ছে।
👺নানান দেশে প্রাচীনকাল থেকেই...
ব্ল্যাক ম্যাজিকের চর্চা হয়ে আসছে বহুকাল আগে থেকেই। কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা সভ্যতার লোক নয় ইতিহাস বলে বিভিন্ন সভ্যতায় বিভিন্ন গোষ্ঠীর মানুষের একটি অংশ কালো জাদুর চর্চা করে আসছে। কালো জাদু তাই কোনো দেশ কাল পাত্রে সীমাবদ্ধ নয়। ইহুদিরা মিসরে বন্দী অবস্থায় অবস্থানের সময়েই মিসরীয় জাদুবিদ্যার দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল। অবশ্য তাদের নিজেদেরও আলাদা বৈশিষ্ট্যময় জাদু বিশ্বাস ছিল। ইহুদি জাদুকরেরা বাষ্পস্নানের মাধ্যমে বলি আর উপহার দিয়ে অতিপ্রাকৃত শক্তিকে বশ করার চেষ্টা করত। এদের জাদু চর্চায় স্থূল যৌনাচার হতো। এ ছাড়া অল্পবয়স্ক বালকদের ব্যবহার করত অতীন্দ্রিয় শক্তির সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে। কালো জাদুর ইতিহাস বলে, ব্ল্যাক ম্যাজিকে বিশেষ দক্ষ ব্যক্তিদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ছিলেন কিং সলোমন। তার ‘দ্য কি অব সলোমানদ’ বইটি পরবর্তীকালে জাদুবিদ্যার সর্বশ্রেষ্ঠ বই হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে।
ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীন ধর্মগ্রন্থগুলোতেও জাদুবিদ্যা আর ধর্মের একটা জটিল সংমিশ্রণ দেখা যায়। এখনকার সমাজেও এমন অনেক বৈদিক জাদুবিদ্যাগত প্রক্রিয়া এখনো চালু আছে। হরপ্পা মহেঞ্জোদারতে উত্খননে প্রাপ্ত রিং স্টোনগুলো জাদুবিদ্যায় ব্যবহার করা হতো বলে জন মার্শাল ধারণা করেন। এ ছাড়া জাপানের প্রাচীন শিন্টো ধর্মের মধ্যে জাদুবিদ্যা চর্চার কথা জানা যায়। জাপানিরা বিশ্বাস করে, চালের মধ্যে ব্ল্যাক ম্যাজিক প্রতিহত করার বিশেষ শক্তি আছে। এ ছাড়া রাস্তার সঙ্গমস্থলও তাদের কাছে বিশেষভাবে পবিত্র। এসব স্থানে তারা এখনো জননেন্দ্রিয়র প্রতীক চিহ্ন স্থাপন করে, বিশ্বাস করে এই প্রতীক অশুভ শক্তিকে দূরে সরিয়ে রাখবে! জাপানিদের মতো চীনাদেরও ভূতপ্রেত সম্পর্কে বেশ ভালোই ভয়ভীতি ছিল। মজার ব্যাপার হলো, চীনের ঘরবাড়ি ও পুল নির্মাণে একটা বিশেষ দেবতা চীনাদের প্রভাবিত করেছে। এই দেবতার নাম হলো শা। শা হলো একটা অপদেবতা। আর চীনারা বিশ্বাস করে এই অপদেবতা সব সময়ে সোজা রেখা বরাবর চলে। তাই এটাকে প্রতিহত ছাদে আঁকা হতো বক্রতা আর কোণ! গ্রিকদের জাদুবিদ্যার জন্য বিশেষ বর্ণমালার সৃষ্টি করেছিল। এগুলো লেখা হতো পবিত্র কালি দিয়ে। আর লেখার সময় বার বার পাঠ করা হতো।
👺ছোট্ট শিশুর দেহে ৫০ সুই
প্রাচীনকালে কালো জাদুর বহু ব্যবহারের কথা শোনা গেলেও এখন ততটা বড় আকারে জাদুচর্চা করার কথা শোনা যায় না। তবে একেবারেই থেমে নেই কালো জাদু। সাম্প্রতিককালেরএমন দুটি ঘটনা মিডিয়ায় আলোড়ন তুলেছে। ব্ল্যাক ম্যাজিকের শিকার হয়ে সরাসরি হাসপাতালে ভর্তি হয় মাত্র দুই বছর বয়সী এক শিশু। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাকে দ্রুত চিকিৎসা দিতে গিয়ে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেলেন চিকিৎসক। কারণ এ-ক্সরে রিপোর্টে শিশুটির শরীরের ভিতরের বিভিন্ন অংশে পাওয়া গেল ৫০টির মতো সুই। সুইগুলো দেখেই ব্ল্যাক ম্যাজিকের কথা মনে পড়ে গেল। ৫০টি সুইয়ের মাঝে ১৭টি ছিল বাচ্চা ছেলেটির পরিপাকতন্ত্রের ভিতরে। এই ঘটনা ছড়িয়ে পড়ল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ঘটনার তদন্তের জন্য পুলিশ ডাকা হলো। পুলিশও প্রাথমিক মন্তব্য করল, কেউ একজন ব্ল্যাক ম্যাজিক বা কালো জাদুর অংশ হিসেবে ছেলেটির দেহে সুই ঢুকিয়ে দিয়েছে। প্রথম সুইটি পাওয়া গেল শিশুটির বাম ফুসফুসের ভিতরে। এক্স-রে করার পর দেখা গেল শিশুটির পেট, গলা, ঘাড় ও পায়ে মোট ৫০টির মতো সুই ঢুকানো হয়েছে। এরপর আর বুঝতে বাকি থাকে না শিশুটি ভয়াবহ ব্ল্যাক ম্যাজিকের শিকার হয়েছে। শিশুটিকে তার এক আত্মীয় হাসপাতালে নিয়ে আসে কিন্তু নিরাপত্তার স্বার্থে তার নাম প্রকাশ করেনি বিখ্যাত ডেইলি মেইল। ছেলেটির মায়ের নাম মারমা সুজা স্যান্তস। তিনি পুলিশকে জানান, যখন তিনি কর্মস্থলে যেতেন তখন শিশুটিকে দেখাশোনা করতেন শিশুটির দাদিমা। কিন্তু কেউ নিশ্চিত নন, শিশুটির দেহে কে সুই ঢুকিয়েছেন। ধারণা করা হয় তার সৎ বাবা এই কাজটি করে থাকতে পারেন কারণ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি ব্ল্যাক ম্যাজিক অনুশীলন করতেন। অভিযুক্ত অভিযোগ অস্বীকার করলেও এ নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে।
👹 যেকোনো প্রশ্ন ও পরামর্শে যোগাযোগ নাম্বার : IMO, 01757786808

জ্বীন ‌ভুত প্রেত ‌থেকে ‌বাচার ‌উপায় ‌কি

                                                জ্বিন ভুত প্রেত থেকে বাচার উপায়

আমাদের মধ্যে অনেকেই এরকম আছেন যারা রাতে ঘুমানোর পর ঘুমের মধ্যে অনেকেই ভূত-প্রেতের স্বপ্ন দেখে ভয় পান। কিন্তু আপনি জানেন কি এরকম স্বপ্ন দেখার অর্থ কি। এর অর্থ হচ্ছে আপনার আশেপাশে সবসময়ই অশুভ শক্তি ঘোরাফেরা করছে। আর আপনার আশেপাশে যদি অশুভ শক্তি ঘোরাফেরা করে শুধু যে আপনাকে ঘুমের মধ্যেই অশান্তি সৃষ্টি করবে তা নয় আপনার জীবনে যেকোনো সময় যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। এক্ষেত্রে কেউ যদি আপনার উপর প্রয়োগ করে থাকে তাহলে অনেক সময় আপনার পাড়ের অভ্যন্তরে খারাপ শক্তির প্রকোপ বেড়ে যায়। সেক্ষেত্রেও আপনার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠতে খুব বেশি সময় নেয় না। এজন্য আপনি যদি এ সমস্ত কালো শক্তি অপশক্তি ভুত-প্রেত এর প্রকোপ থেকে রক্ষা পেতে চান তাহলে অবশ্যই সে বিষয়ে আপনাকে জানতে হবে। আপনি এর থেকে কিভাবে মুক্তি পেতে পারেন সে বিষয় নিয়ে আজকে আমাদের এই প্রবন্ধ।
আমাদের আশেপাশে যদি খারাপ শক্তির প্রকোপ বেড়ে যায় তাহলে শুধুমাত্র ঘুমের মধ্যেই নয় আমাদের জীবনে বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। যেমন ধরুন আপনি বাড়িতে একা একা আছেন কেউ যেন আপনাকে ফলো করছে, হয়তো বা অনেক সময় আপনার হঠাৎ করে ঠান্ডা লাগতে শুরু করেছে, আপনার শরীর একটু ছমছম করছে, হঠাৎ করেই আপনার বাড়ির আশপাশ থেকে একটা কুকুর চিৎকার দিয়ে উঠলো এছাড়াও আপনার ঘরের দরজায় একটা শব্দ শোনা গেল। আপনার সাথে যদি এরকম কোন কিছু হয়ে থাকে তাহলে আজকে আমরা আপনাদের সামনে তুলে ধরছি সেগুলো যদি আপনারা নিয়মিত পাঠ করতে পারেন তাহলে খারাপ কোনো অপশক্তি আপনাকে কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আর সেই সাথে আপনার উপর যদি কেউ কালো জাদু প্রয়োগ করে থাকে তাহলে তার প্রভাব খুব দ্রুত নিষ্পত্তি হয়ে যাবে।
এখন হয়তো আপনার কাছে প্রশ্ন হতে পারে তাহলে কোন মন্ত্র গুলির মাধ্যমে আমরা এর থেকে রেহাই পাব। তো চলুন আমরা সে সমস্ত মন্ত্রগুলি দেখে নেই-
১. সিদ্ধিদাতা মন্ত্রঃ হিন্দু ধর্ম শাস্ত্র অনুযায়ী আমরা যদি প্রতিদিন নিয়ম করে পাঠ করতে পারি তাহলে আমাদের থেকে খারাপ আত্মা দূরে থাকবে আর সেই সাথে আমাদের মানসিক শক্তি প্রচুর পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে। সেই সাথে আপনার মনের ভিতর যত রকম থাকবে তা আপনি সিদ্ধিদাতা মন্ত্র যদি পাঠ করে থাকেন তাহলে তা খুব দ্রুত নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। সিদ্ধিদাতা মন্ত্রটি হচ্ছে -"ওম ঘথ ত্রাহা সায়া নামাহ"। এ বিষয়ে দিক থেকে বর্তমান সমাজের দিকে তাকালে দেখা যায় যে বেশিরভাগ যুবকরা মানসিক সমস্যায় জর্জরিত। আর মানসিক সমস্যায় ভুগে থাকে তাহলে তাদের শরীরের মধ্যে বিভিন্ন রকমের রোগ বাসা বাঁধে। বর্তমান সমাজের এই যুবকেরা যদি নিয়মিতভাবে এই সিদ্ধিদাতা মন্ত্রটি পাঠ করে থাকে তাহলে তাদের সমস্ত রকম বাধা বিপত্তি পেরিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে কোন রকম সমস্যা হয় না।
২. হনুমানজি মন্ত্রঃ আপনি যদি প্রতিনিয়ত হনুমানজির মন্ত্র পাঠ করতে পারেন তাহলে আপনার উপর যদি কেউ কালো জাদু প্রয়োগ করে থাকে তাহলে তার প্রভাব খুব দ্রুত নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। সেইসাথে এই হনুমান মন্ত্র পাঠ করার ফলে আপনার কাছে কোন প্রকার অপআত্মা ঘেঁষতে পারবে না। আপনি যদি মনে করেন আপনার আশেপাশে অশুভ শক্তির প্রভাব ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে তাহলে আপনি প্রতিনিয়ত হনুমানজির এই মন্ত্রটি পাঠ করুন। হচ্ছে - "ওম হানুমাতে নামাহ"।এই মন্ত্রটি যখন আপনি পাঠ করবেন তার সাথে অবশ্যই হনুমান চল্লিশা পাঠ করতে কোন ভাবেই ভুল করবেন না। আপনি যদি এভাবে করতে পারেন তাহলে আপনার মনের জোর প্রচুর পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে আর সেই সাথে আপনি বিভিন্ন দিক থেকে বিভিন্ন ভাবে উপকৃত হবেন যা আপনি কখনোই কল্পনা করতে পারবেন না।
৩. দশভূজা মন্ত্রঃ দশভূজা মায়ের মন্ত্র আপনি যদি প্রতিনিয়ত পাঠ করতে পারেন তাহলে আপনার ওপর যদি কেউ কোন প্রকার কালো জাদু প্রয়োগ করে থাকে এবং সেই সাথে আপনার আশেপাশে যদি কোন প্রকার অশুভ শক্তি বিরাজ করে তাহলে তা খুব দ্রুত নির্মূল হয়ে যায়। এ সমস্ত খারাপ শক্তি এবং কালো জাদুর প্রভাবে আপনি যদি ভয় পেয়ে থাকেন এবং সবসময়ই স্বপ্ন দেখতে থাকেন তাহলে এই মন্ত্রটি পাঠ করুন। আমরা সবাই জানি দশভূজা মা হচ্ছেন শক্তির প্রতীক। এজন্য এই মন্ত্রটি আমরা সবসময় পাঠ করব। মন্ত্রটি হচ্ছে -"ওম সার্বা স্বরূপা সার্বেশা, সর্বো শক্তি সমনভিতা ভায়াভায়াসত্রাহি নো দেভি, দূর্গা দেবী নামাস্তুতে"।এই মন্ত্রটি যদি আপনি নিয়মিত ভাবে পাঠ করতে পারেন তাহলে আপনার মনের শক্তি এমনভাবে বৃদ্ধি পাবে আপনার কাছে কোন প্রকার কালো জাদু বা কোনো অশুভ শক্তি আপনাকে কোন ক্ষতি করতে পারবে না।
৪. মহাদেব মন্ত্রঃ আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যাদের মধ্যে ভূতের ভয় তো আছেই কিন্তু তার থেকেও অধিক ভয় হচ্ছে মৃত্যু। আপনি যখন জন্মগ্রহণ করেছেন তখন মৃত্যু আপনারা সেই এ কথাটি চিরসত্য। এই সত্যটিকে আপনারা কখনোই অস্বীকার করতে পারবেন না। কিন্তু তারপরও কিছু অপ্রত্যাশিত ভয় থাকে যেগুলো আপনার জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে। এ সমস্ত অপ্রত্যাশিত ভয় কে আপনার নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য আপনি অবশ্যই এই মন্ত্রটি পাঠ করবেন। আর সেই সাথে আপনি যখন জন্মগ্রহণ করেছেন তখন আপনার মৃত্যু আসে একথাটি যেমন ঠিক আবার এই মৃত্যু ভয় কে আপনি কিভাবে জয় করবেন সেটি আপনাকে এই মন্ত্র দ্বারা আপনাকে সে দিকে নিয়ে যাবে। মন্ত্রটি হচ্ছে -"ওম ত্রম্বকে ইযামাহে সুগান্ধিয়াম পুষ্টি বার্ধানাম উর্ভারুকামিভা বান্ধানাথ মৃত্যুমুকশিয়া মামরিতাত"।
৫.প্রভু বিষ্ণু মন্ত্রঃ আপনার বর্তমান সময় কি অনেক খারাপ এর মধ্য দিয়ে যাচ্ছে? সেইসাথে ভূত-প্রেত অপশক্তি আপনাকে বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে? তাহলে দেরি না করে আজ থেকেই আপনি প্রভু বিষ্ণুর শক্তিশালী এই মন্ত্রটি পাঠ করা আরম্ভ করুন। আপনি যদি প্রতিনিয়ত নিয়ম করে প্রভু বিষ্ণুর এই মন্ত্রটি পাঠ করতে পারেন তাহলে আপনার আশেপাশের সমস্ত প্রকার অশুভ শক্তির বিনাশ হয়ে যাবে। আর সেই সাথে আপনার শুভ শক্তি সব সময় সাথী হয়ে উঠবে। শুধু তাই নয় যত রকম ভূত প্রেত অপশক্তি আপনাকে বিরক্ত করছে তারাও আপনার নিকট থেকে দূরে চলে যাবে। এজন্য অবশ্যই প্রভু বিষ্ণুর এই শক্তিশালী মন্ত্র পাঠ করা থেকে বিরত থাকবেন না। অবশ্যই এই মন্ত্রটি পাঠ করবেন। প্রভু বিষ্ণুর শক্তিশালী মন্ত্র টি হচ্ছে -"ওম ওহরজিতায়া নমহ!"
 যেকোনো প্রশ্ন ও পরামর্শে যোগাযোগ নাম্বার. ..ইমু .01757786808/ 

montroguro.com

আমরা আজ আমাদের সার্বজনিন কিছু ভুল নিয়ে আলোচনা করবো। সাধারনত তান্ত্রিক বিষয়ে আমরা সচারাচর যে ভুল গুলো করে থাকি-
আমরা অনেকেই জীবনের কোন এক সময় এসে আমাদের চিরচেনা খুব কাছের খুব আপন, খুব’ই গুরুত্বপূর্ণ মানুষটাকে অকারনেই হটাৎ বদলে যেতে দেখি বা অন্যের সাথে ঘনিষ্ট হতে দেখি বা নিজের কাছ থেকে দুরে সরে যেতে দেখি যা আমাদের হৃদয়কে আন্দলিত করে, কখনো কখনো হৃদয়কে ক্ষত বিক্ষত চূর্ন বিচূর্ণ করে দেয়। আমাদের বেচে থাকার অর্থ’ই শেষ করে দেয়। কোন ভাবেই তাকে ফেরাতে পারি না, তাকে বোঝাতে পারি না, তাকে পূর্বের ন্যায় ভালোবাসায় জরাতে পারি না। হটাৎ করেই যেনো চিরচেনা মানুষটা একদম অপরিচিত হয়ে যায়। এমন সময় খুব সাধারন ভাবেই আমাদরে মেধা শূন্য হয়ে যায়, এবং তাকে ফিরে পাবার জন্য ব্যকুল হয়ে উঠি, যে কোন মূল্যেই তাকে ফিরে পেতে চাই, কাছে পেতে চাই। দ্বিক-বিদ্বীক জ্ঞানশুন্য হয়ে যাই। আর এই আমাদের মাথায় আসে তান্ত্রিকদের কথা, বশিকরণের কথা, আকর্ষন, বশ করা বা বাধ্য করার কথা। তখন আমরা বন্ধু মহলে বা এলাকার কিছু চতুর মানুষদের সাথে আলাপ চারিতার মাধ্যমে জানতে চেষ্টা করি কে বা কারা এই সকল তান্ত্রিক কাজের সাথে জরিত। অনেকেই অনলাইনে বিভিন্ন স্যোসাল মিডিয়ায় সার্চ করা শুরু করি। মনে পরে যায় পথে ঘাটে বিভিন্ন লিফলেট বা ২৪ ঘন্টায় মুশকিল আসান সাইন বোর্ড ইত্যাদি। এ ক্ষেত্রে শতকরা আমরা ৯৯% ভুল করি সঠিক তান্ত্রিক চিনতে। কারন বর্তমান সময়ে আমাদের আসে পাসে যেমন হাজারো ভূইফোড় জিন হুজুর, জীন মাতা, কালি সাধকের অবির্ভাব তেমনি অনলাইনেও টোকাই শ্রেনীর নষ্টবুদ্ধির অল্প বয়ষ্ক ছেলেদের দ্বারা তৈরী ফেইসবুক বা ব্লগার তান্ত্রিকের ছরাছরি। বিশেষ করে এ্যন্ড্রোয়েড মোবাইল যারা ব্যবহার করে তারা নিশ্চয় মোবাইল এ্যাপ ও ভিডিও ডাউনলোড করতে এমন হাজারো হাইব্রিড তান্ত্রিকের এ্যড বা পেইজ দেখেই থাকবে। আমরা ইতিপূর্বেই ফেইক তান্ত্রিক পেইজ বা সাইট চেনার বেশ কয়েকটি পোষ্ট করেছি। আজ এ বিষয় আলোচনা নয়, আজকের আলোচনা যারা সত্যিকারের তান্ত্রিকের স্বরনাপন্য হয়েও ফল পেতে বিলম্ব হচ্ছে তাদের বিষয় নিয়ে।
দেখুন সর্বপ্রথম কাজ হচ্ছে আপনার সমস্যাটি নিজেই বা তান্ত্রিক মহোদয়কে দিয়ে সঠিক ভাবে বিশ্লেষন করুন। কারন যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি আপনার সম্পর্কের অবনতির কারন খুজে বের করতে না পারবেন ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি সঠিক ভাবে তার তদবীরও করতে পারবেন না। মনে রাখুন তান্ত্রিকতা এক প্রকার চিকিৎসা ব্যবস্থা যাকে আপনি আধ্যাত্মিক চিকিৎসা বা মনচিকিৎসাও বলতে পারেন। সুতারাং কোন রোগের চিকিৎসার জন্য যেমন সর্বপ্রথম বিভিন্ন পরিক্ষা নিরিক্ষার মাধ্যমে সমস্যার মূল খুজে বের করতে হয়, তেমনি এই তান্ত্রিকতার ক্ষেত্রেও আপনাকে সর্বপ্রথম সমস্যার মূল খুজে বের করতে হবে। সমস্যার মূল খুজে না পেলে আপনার সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। যেমনটা প্যারাসিটামল টেবলেটে সব ধরনের জ্বর ভালো হয় না। তেমনি বশিকরণ তদবীর করলেই যে একজনকে বশিকরণ করতে পারবেন সেটা ভাবা মূর্খতা। পৃথিবীতে প্রায় ৭৩ হাজারের মত বশিকরণ মন্ত্র/দোওয়া তাবিজ রয়েছে, এই সকল কিছুই বিভিন্ন প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে সৃষ্টি। বিভিন্ন জাতের বিভিন্ন ধরনের মানুষের জন্য বিভিন্ন প্রকার তন্ত্র। একটি ছেলে বা একটি মেয়ে কেমন, তার আচরণ কেমন, তার স্বভাব কেমন, তার ভালো লাগা, মন্দ লাগা, তার পূর্বশুরীরা কোন চরিত্রের/ তার বর্তমান কোন নতুন সঙ্গী রয়েছে কি না, তার জন্ম তারিখ কি, তার উপর পূর্বেকার কোন তদবীর চলমান কি না, বর্তমানে তার উপর কোন ভিন্ন ধর্মি তদবীর চলছে কি না, তার পূর্বের কোন পছন্দের মানুষ আছে কি না। ইত্যাদি নানা বিষয় অনুসন্ধান করতে হয়। আর যদি যিনি তদবীর করাতে এসেছে তার দ্বারা এই সকল কিছু অনুসন্ধান করা সম্ভব না হয় তবে অবশ্যই তান্ত্রিক মহোদয়কে দিয়ে এই বিষয়গুলো পরিষ্কার করে বের করতে হবে। তবেই একজন নারী/স্ত্রী বা পূরুষকে সহযেই বশিকরণ করা সম্ভব। নতুবা আপনার সময়, শ্রম, অর্থ সবকিছুই জলে ডুববে। আর একটি কথা আপনার তান্ত্রিক যদি আপনাকে এটি বলে যে তার কাছে জীন বা পরী আছে তার মাধ্যমে সে সবকিছুই যেনে যাবে সমস্যা নেই ২৪ ঘন্টা বা ৭ দিনে আপনার আকাঙ্খীত ব্যক্তিকে সে আপনার কাছে এনে দিবে। তবে আমাদের পরামর্শ থাকবে সেই সকল তান্ত্রিক হতে শতহাত দুরে থাকুন। কারন এই শ্রেনীর ভন্ডরাই আমাদের মাঝে তান্ত্রিক সম্প্রদায়ের কলঙ্ক লেপে দিচ্ছে। একটু ভাবুন তো------ ছোট বেলায় আলিফ লায়লা দেখেছেন নিশ্চয় ??? আলাদিনের নিকট হাজার টা নয়, একটি মাত্র জীন ছিলো তাতেই সে একটি রাজ্যের মালিক ও রাজ কন্যাকে বিয়ে করে সুখি হয়। তাহলে এই জীন পালক তান্ত্রিক কেনো আপনার কাজ করে পয়সা নিচ্ছে। সেতো কোটি কোটি টাকা জীনের মাধ্যমেই আনতে পারতো বা কোথায় মাটির নিচে কোষ্টি পাথর রয়েছে তা খুজে বের করতে পারতো। নিজে ভাবুন অন্যকেও ভাবতে উৎসাহিত করুন। মনে রাখবেন তান্ত্রিকতা একটি আধ্যাত্মিক চিকিৎসা পদ্ধতী মাত্র, এরদ্বারা অনেক অসাধ্য সাধন সম্ভব তবে এমন কিছু ভাববেন না যা ভন্ডরা আপনাকে ডুবিয়ে ভাবায়।।

তন্তু ‌সাধনা . রহস

                                              তন্ত সাধনা র রহসৎ


তন্ত্র শাস্ত্রবিশেষ। ‘তন্ত্র’ শব্দের অনেক অর্থের মধ্যে একটি হলো ত্রাণ বা মুক্তি। যে শাস্ত্রানুযায়ী সাধন করলে জীবের মোক্ষ বা মুক্তি লাভ হয়, সাধারণভাবে তাকেই বলা হয় তন্ত্র। তত্ত্ব ও মন্ত্রের সমন্বয় হচ্ছে তন্ত্র; এর সাধনার দ্বারা জীব উন্নততর স্তরে পৌঁছতে পারে বলে তান্ত্রিকদের বিশ্বাস। তন্ত্র শ্রৌতজ্ঞানভিত্তিক বলে একে ‘পঞ্চম বেদ’ নামেও অভিহিত করা হয়।
তন্ত্রের উদ্ভব সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, কলিযুগে বেদমন্ত্রের কার্যকারিতা হ্রাস পেলে জীবের মোক্ষ লাভের উপায় হিসেবে তন্ত্রের উদ্ভব হয়। প্রকৃত ঘটনা হয়তো এই যে, সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের প্রয়োজন ও রুচির যেমন পরিবর্তন ঘটে, তেমনি অন্যান্য বিষয়ের মতো শাস্ত্রাদিরও পরিবর্তন ঘটেছে। তাছাড়া শাস্ত্রমতে কলিযুগে মানুষের আয়ুষ্কাল কমে যাওয়ায় বিশাল বৈদিক শাস্ত্র অনুযায়ী সাধনা করা তাদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়ে; তাই বিকল্প হিসেবে তন্ত্রশাস্ত্রের উদ্ভব ঘটে। কলিযুগে তন্ত্রোক্ত মন্ত্র আশুফলপ্রদ; জপ, তপ, যজ্ঞ প্রভৃতি সব কর্মেই তা প্রশস্ত। তাই বঙ্গের বিখ্যাত স্মৃতিশাস্ত্রকার রঘুনন্দন ভট্টাচার্য (১৫শ-১৬শ শতক) তন্ত্রশাস্ত্রকে প্রামাণিক বলে গ্রহণ করেছেন।
বিষয়গত দিক থেকে তন্ত্রশাস্ত্র প্রধানত তিন শ্রেণীতে বিভক্ত আগম, যামল ও তন্ত্র। সৃষ্টি, প্রলয়, দেবপূজা ইত্যাদি সপ্ত লক্ষণযুক্ত রচনাকে বলা হয় আগম; সৃষ্টিতত্ত্ব, জ্যোতিষ, বর্ণভেদ, নিত্যকর্ম, যুগধর্ম ইত্যাদি আটটি লক্ষণযুক্ত রচনা যামল এবং সৃষ্টি, লয়, দেবতাদের কাহিনী, তীর্থবর্ণন, আশ্রমধর্ম, পুরাণাখ্যান, নারী-পুরুষের লক্ষণ, রাজধর্ম, যুগধর্ম ইত্যাদি লক্ষণযুক্ত রচনাকে বলে তন্ত্র। তবে এই পার্থক্য সর্বৈব রক্ষিত হয়নি।
সম্প্রদায়গত দিক থেকে তন্ত্র প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত হিন্দু ও বৌদ্ধ তন্ত্র। ঐতিহ্যগতভাবে হিন্দুতন্ত্রকে বলা হয় শিবোক্ত শাস্ত্র। এর প্রাচীনতম উল্লেখ পাওয়া যায় অথর্ববেদীয় নৃসিংহতাপনীয় উপনিষদে। শঙ্করাচার্য এর ভাষ্য রচনা করেছেন বলে অনুমান করা হয় যে, সপ্তম শতকের পূর্বেই হিন্দুতন্ত্র রচিত হয়েছে এবং তার অনুকরণে রচিত হয়েছে বৌদ্ধতন্ত্র। খ্রিস্টীয় ৯ম থেকে ১১শ শতকের মধ্যে বহুসংখ্যক বৌদ্ধতন্ত্র তিববতি ভাষায় অনূদিত হয়; সুতরাং মূল তন্ত্রসমূহ ন্যূনপক্ষে এর এক-দেড়শ বছর আগে রচিত হয়েছে সন্দেহ নেই। মধ্যযুগ হচ্ছে তন্ত্রসাহিত্যের গৌরবময় যুগ। আধুনিক যুগে তন্ত্রশাস্ত্রের সর্বাপেক্ষা বড় পন্ডিত ছিলেন ভাস্কর রায় (১৮শ শতক)। তাঁর রচিত বামকেশ্বরতন্ত্রের অনেক টীকা রচিত হয়েছে। ভারতবর্ষে ব্রিটিশ রাজত্ব কায়েম হওয়ার পরেও অনেক তন্ত্র রচিত হয়েছে; এর প্রমাণ কোনো কোনো তন্ত্রে ‘লন্ড্রজ’, ‘ইঙ্গ্রেজ’ ইত্যাদি শব্দের ব্যবহার।
তন্ত্রের বিকাশ ঘটেছে বঙ্গদেশে। বঙ্গে বৌদ্ধধর্ম হীনবীর্য হয়ে পড়লে তান্ত্রিক ধর্ম প্রচারিত হয় এবং এখান থেকেই এক সময় তা সমগ্র ভারতবর্ষে ছড়িয়ে পড়ে। বাঙালি পন্ডিত অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান (৯৮০-১০৫৩) তিববতে গিয়ে তান্ত্রিক বৌদ্ধধর্ম প্রচার করেন। রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব (১৮৩৬-১৮৮৬), বামাক্ষ্যাপা (১৮৩৭-১৯১১) প্রমুখ সিদ্ধপুরুষ তান্ত্রিক সাধক ছিলেন। অর্ধকালী নামে জনৈকা বাঙালি মহিলাও তন্ত্রসাধক হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করেন। তান্ত্রিকদের ইষ্ট দেবী হলেন কালী, তারা বা ভৈরবী। বঙ্গের বিভিন্ন পূজা-পার্বণ এখন তন্ত্র অনুযায়ীই সম্পন্ন হয়। তারা বঙ্গে তান্ত্রিকমতে দীক্ষাগ্রহণ হিন্দুদের জীবনে অপরিহার্য; বৈদিক দীক্ষার প্রচলন এখন আর নেই। তান্ত্রিক দীক্ষার আবশ্যকতা সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, অদীক্ষিত ব্যক্তির জপ-পূজাদি নিষ্ফল হয় এবং মৃত্যুর পরে তার নরকে গতি হয়। তান্ত্রিক মতের পূজা এখনও কোনো কোনো মন্দির এবং রক্ষণশীল পরিবারে অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ মানুষের বিশ্বাস, তন্ত্রে তাদের ব্যবহারিক জীবনে সুখ-সম্পদ লাভের জন্য করণীয় বিভিন্ন প্রকার আচার-আচরণের বিবরণ আছে। এছাড়া বশীকরণ, বিদ্বেষণ, উচ্চাটন, অভিচার ইত্যাদি গুহ্য কর্মকান্ড তন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
হিন্দুতন্ত্র প্রধানত শৈব, শাক্ত ও বৈষ্ণব ভেদে ত্রিবিধ। তান্ত্রিকগণ স্বস্ব সম্প্রদায়ের তন্ত্র অনুযায়ী তাঁদের ক্রিয়াকর্ম পরিচালনা করে থাকেন। তন্ত্রশাস্ত্রে সাত প্রকার আচারের কথা বলা হলেও মূলত দক্ষিণাচার ও বামাচার এই দুই প্রকার আচারই প্রধান। দক্ষিণাচারীরা বেদোক্ত বিধি অনুযায়ী চলে; তারা মাছ, মাংস, মদ্য ইত্যাদি পরিহার করে। অপরপক্ষে বামাচারীরা অনেক বেদবিরোধী আচরণ করে এবং মৎস্যাদি তাদের নিকট নিষিদ্ধ নয়, এমনকি নারীসঙ্গও। অতীতে বঙ্গদেশে তান্ত্রিক বলতে বামাচারীদেরই বোঝাত; বর্তমানে উভয় প্রকারই রয়েছে।
তন্ত্রের সংখ্যা অনেক। তন্মধ্যে কয়েকটি প্রধান হিন্দুতন্ত্র হলো: সারদাতিলক, যোগিনীতন্ত্র, বারাহীতন্ত্র, বিশ্বসারতন্ত্র, দুর্গাডামর, রুদ্রযামল, তন্ত্রসার, সরস্বতীতন্ত্র, কুলার্ণবতন্ত্র, কামাখ্যাতন্ত্র ইত্যাদি। কয়েকটি বৌদ্ধতন্ত্র হলো: হেবজ্র, বারাহীকল্প, মরীচিতন্ত্র, উড্ডামরতন্ত্র, ক্রিয়াসার, মঞ্জুশ্রীতন্ত্র, প্রমোদমহাযুগ, কৌলজ্ঞাননির্ণয় ইত্যাদি। হিন্দুতন্ত্রসমূহ যেমন শিবোক্ত বলে কথিত, তেমনি বৌদ্ধতন্ত্রগুলি বজ্রসত্ব বুদ্ধ কর্তৃক বর্ণিত বলে উক্ত হয়। উল্লেখ্য যে, তন্ত্রসকল সংস্কৃত ভাষায় রচিত এবং বর্তমানে সেসবের যে পুথিসমূহ দেশের বিভিন্ন গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত আছে সেগুলি বঙ্গাক্ষরে লিখিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারসহ বিভিন্ন সংগ্রহশালায় প্রচুর তন্ত্রের পুথি রয়েছে। এ থেকে প্রমাণিত হয় যে, বাংলার অন্যান্য অঞ্চলের মতো এক সময় এ অঞ্চলেও তন্ত্রের ব্যাপক চর্চা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত সবচেয়ে প্রাচীন তন্ত্রের পুথি হলো ১৪৩৯ খ্রিস্টাব্দে গাছের বাকলে লিখিত সারদাতিলক (নং-৪৬০৮)।
তন্ত্রশাস্ত্রের কয়েকজন প্রধান রচয়িতা হলেন: শীলভদ্র (৭ম শতক), শান্তিদেব (জহোর/সাভার, ৭ম শতক), কুমারবজ্র (১০ম শতক), মৎস্যেন্দ্রনাথ (চন্দ্রদ্বীপ/সন্দ্বীপ, ১০ম শতক), অভয়াঙ্কর গুপ্ত (১১শ শতক), মহামহোপাধ্যায় পরিব্রাজকাচার্য (১৪শ শতক), সর্বানন্দ (মেহার, ১৫শ শতক), কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ (নবদ্বীপ, ১৬শ শতকের প্রথমভাগ), ব্রহ্মানন্দ গিরি (১৬শ শতক), পূর্ণানন্দ পরমহংস পরিব্রাজক (নেত্রকোনা, ১৬শ শতক), গৌড়ীয় শঙ্কর (১৬শ-১৭শ শতক), হরগোবিন্দ রায় (শ্রীহট্ট, ১৯শ শতক) প্রমুখ।  [দুলাল ভৌমিক]

জাদু ‌টোনা ‌থেকে ‌বাচার ‌উপায়


জাদুটোনা কিংবা কুফরি থেকে বাঁচতে আমাদের যেমন সঠিক আমল করা জরুরি। তেমনি আক্রান্ত হয়ে গেলে তা থেকে বাঁচতে সঠিক তদবির গ্রহণ করাও জরুরি। 
জাদুটোনা কিংবা কুফরির মাধ্যমে মানুষের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যায়। তা থেকে বেঁচে থাকতে রয়েছে আমল ও দোয়া। এ জাদুটোনা মানুষ এবং বদ-জ্বীনের কুপ্রভাবে হয়ে থাকে।
জাদুটোনার প্রভাব থেকে মুক্তির জন্য কিছু আমল, উপা
য় ও পদ্ধতি নিম্নে তুলে ধরা হলো-
> জাদুটোনার ধরণ বুঝে পদক্ষেপ গ্রহণ: মানুষের ক্ষতি কী ধরণে জাদুটোনা দ্বারা করা হয়েছে প্রথমেই সে সম্পর্কে জেনে নিতে হবে। আর তা জানতে সক্ষম হলে জাদুর জিনিসগুলো ধ্বংসের মাধ্যমেই তা থেকে মুক্ত হওয়া যায়। যেমন- কোনো নির্দিষ্ট স্থানে কিংবা নির্দিষ্ট কোনো জিনিসের মাধ্যমে হতে পারে তা মানুষের চুল, ব্যবহৃত চিরুনি, পানি পানের গ্লাস বা মগ কিংবা অন্য কোনো ব্যবহৃত জিনিস। তবে সে সব জিনিস আগুণে কিংবা পানি দ্বারা নষ্ট করে দিতে হবে।
> জাদুকার চিহ্নিত করা: কোন ব্যক্তির দ্বারা ক্ষতিকর জাদুটোনা করা হয়েছে, সম্ভব হলে তা জেনে নেয়া। জাদুটোনাকারী কে? তা জানতে পারলে সে ব্যক্তিকে তা নষ্ট করতে বাধ্য করা। জাদুটোনাকারী ব্যক্তিকে তা নষ্ট করার পর তাওবা করানো। ইসলামে জাদুটোনাকারীকে হত্যার নির্দেশ এসেছে। মুসলিম (ইসলামি শাসন প্রক্রিয়ায়) শাসকের ওপর দায়িত্ব হলো জাদুকারীকে তাওবার আহ্বান না করেই হত্যা করা।
হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদিস পাকে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘জাদুকরের শাস্তি হচ্ছে তলোয়ারের আঘাতে তার গর্দান ফেলে দেয়া।’ ফলে হজরত হাফসা রাদিয়াল্লাহু আনহা যখন জানতে পারলেন যে, তার এক বাদী জাদুটোনা করে, তখণ তাকে হত্যা করা হয়।
> ঝাঁড়ফুঁকের মাধ্যমে জাদুটোনা নষ্ট করা: জাদু নষ্ট করার ক্ষেত্রে ঝাড়ফুঁকের রয়েছে বড় ধরনের প্রভাব। আর তাহলো এমন, ‘জাদুটোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির ওপর অথবা কোনো একটি পাত্রের পানিতে আয়াতুল কুরসি অথবা সূরা আরাফ, সূরা ইউনুস, সূরা ত্বহা এর যাদু বিষয়ক আয়াতগুলো পড়ে দম করা এবং তা পান করা।
হজরত ওয়াহাব রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, যে ব্যক্তি জাদু-টোনার শিকার হয়, তাকে জাদুর প্রভাব থেকে মুক্ত করতে হলে নিম্নোক্ত আমলটি করতে হবে। আর তা হলো, ‘কুলের সাতটি পাতা পাটায় বেটে পানিতে মিশাতে হবে। অতঃপর আয়াতুল কুরসি পড়ে ওই পাটা পাতার ওপর ফু দিতে হবে। সেগুলো পানির সঙ্গে মিশাতে হবে। তা থেকে জাদুকৃত ব্যক্তিকে তিন ঢোক পানি পান করাতে হবে। অবশিষ্ট পানি দিয়ে গোসল করাতে হবে। ইনশাল্লাহ! এ আমলের কারো প্রতি জাদু ক্রিয়া হয়ে থাকে; তবে তা নষ্ট হয়ে যাবে।
জাদুটোনা থেকে বাঁচার আমল: নিয়মিত আয়াতুল কুরসি, সূরা কাফিরুন, সূরা ইখলাস, সূরা নাস ও সূরা ফালাক পড়া। 
এবং নিয়মিত নিম্নের দোয়াটি পড়া-
اَللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ أذْهِبِ الْبَأسَ وَاشْفِ أنْتَ الشَّافِيْ لَا شِفَاءَ إلَّا شِفَاؤُكَ ، شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمَا
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা রাব্বান নাস! আজহিবিল বাস। ওয়াশফি আনতাশ শাফি। লা শিফাআ ইল্লা শিফাউকা, শিফাআন লা ইয়ুগাদিরু সাকামা।’
অর্থ : ‘হে আল্লাহ, হে মানুষের প্রতিপালক! আপনি কষ্ট দূর করে দিন ও সুস্থতা দান করুন। (কেননা) আপনি রোগ থেকে সুস্থতা দানকারী। আপনার সুস্থতা দানই হচ্ছে প্রকৃত সুস্থতা দান। আপনি এমনভাবে সুস্থতা দান করুন, যাতে তা রোগকে নির্মূল করে দেয়।’
> হজরত জিবরাঈল (আ.) এর দোয়া: বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য হজরত জিবরাঈল আলাইহিস সালাম এ দোয়া পড়ে ঝাঁড়ফুঁক করেছিলেন।
জিবরিলের দোয়াটি পড়া-
بِاسْمِ اللهِ أَرْقِيكَ، مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيكَ، مِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنِ حَاسِدٍ، اللهُ يَشْفِيكَ بِاسْمِ اللهِ أَرْقِيكَ
উচ্চারণ : ‘বিসমিল্লাহি আরক্বিকা মিন কুল্লি শাইয়িন ইয়ুজিকা। মিন শাররি কুল্লি নাফসিন আও আইনি হাসিদিন; আল্লাহু ইয়াশফিকা । বিসমিল্লাহি আরক্বিকা।’
অর্থ : ‘আল্লাহর নামে সব কষ্টদায়ক বিষয় থেকে আমি আপনাকে ঝাঁড়ফুঁক করছি। প্রত্যেক আত্মা ও ঈর্ষাপরায়ণ চোখের অনিষ্ট থেকে। আল্লাহ আপনাকে সুস্তরাখুক. ..তান্তিক গুরু আজিজ রহমান ..01757786808/

পুরাতন পোষ্ট গুলি দেখুন