অদৃশ্য হবার কালো যাদু


অদৃশ্য হবার কালো যাদু মন্ত
ম ন্ত্রঃ বিসমিল্লাহির রহমানির
রহিম।
আলি বা তা ছা-
ইয়া ফা ওয়া হা;
ক্বাফ আলিফের হরফন-
জ্বীন সূরার বাদশা।
দোহাই কামাখ্যা মা;
কেউ যেনো না দেখে মোরে-
দেখলে মা পদ্মা হবে"
রাবণের মহা স্বচ্ছর.!
ডানে থাক ইসরাফিল-
বামে থাক মনাইসা মা"
শরীর এক্ষণি গায়েব হয়ে যা.!
বাক্যের দাপটে বাক্য লড়ে;
বাক্য যদি লড়ে চড়ে-
দোহায় মা পদ্মার মাথা জটা;
কার্তিকের পায়ে পড়ে।
নিয়মঃ মন্ত্র ১২০০ বার পাঠ করে
সিদ্ধি করে নিতে হবে। তারপর ১০৮
বার পাঠ করে প্রয়োগ করতে হবে।
নোটঃ আমার কাছে অনুমতি নিয়ে
কাজ করতে হবে। অন্যথায় বিপদের
সম্মুক্ষিন হতে হবে।।  আপনারা যারা এই অদৃশ্যা হবার
কালো যাদু বিদ্যা টি শিখতে চান আমাদের।সাথে যোগা যোগ করুন। ১০০%গ্যারান্টিতে পশীক্ষন দেয়া হয়
বিফলে পুরো মুলো ফেরত।

গুরুজীর ব্যক্তিগতো জীবনি একটি অধ্যায়


।গুরুজীর ব্যক্তিগত জিবনী হতে একটি
অধ্যায়
প্রচীনকাল থেকেই তিব্বতীয় তান্ত্রিক ও লামাদের
মধ্যে ‘তৃতীয় নেত্র’ জাগরণের সাধনা প্রচলিত আছে
এবং এখনও লামাদের মধ্যে এই বিচিত্র সাধনা পদ্ধতি
অনুসৃত হয়। নিচে এক পর্যটকের প্রত্যক্ষ করা এই
বিচিত্র সাধনা পদ্ধতির বিবরণ দেওয়া হল। তন্ত্র
সাধনায় ভারতের থেকে তিব্বত অনেকটা এগিয়ে
আছে। ওখানে লামাদের অদ্ভুত ক্ষমতা সত্যিই
আশ্চর্যের বিষয়। বেশ কিছু পর্যটক তাদের তিব্বত
যাত্রার বিবরণীতে অনেক প্রকার চমৎকার ঘটনার
বর্ণনা দিয়েছেন। তারা হাওয়ায় ভেসে বেড়াতে
পারে এমনও বলা হয়েছে। এছাড়া লামাদের যে সব
পরম্পরাগত নিয়মানুসারে বিচিত্র ও অদ্ভুত পদ্ধতিতে
উত্তরসূরী মনোনীত করা হয় তার কার্যক্রম বেশ রহস্যে
ঘেরা। এক লামার মৃত্যুর পর তার অনুগামী শিষ্যেরা
খোঁজ করত তিনি আবার কোথায় জন্ম নিয়েছেন। এই
কারণে সকল অবতারকেই লামা বলা হত। লামাদের
পুনর্জন্মে পূর্ণ বিস্বাস ছিল তাই তারা উক্ত লামার
মৃত্যুর পর তার পুনর্জন্ম কোথায় হয়েছে তা খুঁজে বার
করত। তিব্বতকে তন্ত্রানুগামী রহস্যময় দেশ বলা হয়।
তারী লামাদের বিবরণ এখনও তিব্বতে বিদ্যমান।
তিব্বতের লামরা, যারা বৌদ্ধধর্মাবলম্বী, তারা
পুনর্জন্মে বিশ্বাস রাখে। এর স্পষ্ট অর্থ হল যে তারা
আত্মার অস্তিত্বে বিশ্বাসী। এই প্রসঙ্গে একটি সত্য
ঘটনার উল্লেখ করছি।
মাথার উপর কান পর্যন্ত ঢাকা রোয়া ওঠা চামড়ার
টুপি ও গাঢ় লাল রঙের হাঁটু পর্যন্ত ঢাকা গাউন পরে
একটি উচু কালো টিলার উপর বসে সে ধ্যানমগ্ন ছিল।
তার ডানহাতে সোনা দিয়ে নক্সা করা একটি পবিত্র
চক্র বরাবর ঘুরছিল এবং তার মুখ থেকে খুব নিচু স্বরে
“ওঁং পদ্মে মণি হুম” ধ্বনি সর্বদা শোনা যাচ্ছিল। তার
ফর্সা, সংকুচিত চেহারা ছিল যথেষ্ট আকর্ষক। আমি
চুপ করে তার সামনে দাঁড়িয়েছিলাম। ধ্যানমগ্ন
অবস্থায় তাকে কিছু জিজ্ঞাসা করা উচিত নয় এই
ভেবে।
আমার এই দীর্ঘ রোমঞ্চকর যাত্রাপথে এমন বহু লামার
সাক্ষাৎ পেয়েছি, কিন্তু এই বৃদ্ধ লামার চেহারায় যে
তেজ দেখেছি এমনটা আর কারও মধ্যে দেখিনি।
যৌবনকালে সে নিশ্চয়েই অদ্ভুত ধরনের ছিল। আমি
কল্পনায় মগ্ন ছিলাম। কিন্তু দৃষ্টি বরাবর তার উপরেই
ছিল। তার হাতের চক্র একই গতিতে ঘুরে চলেছিল।
চক্রের ঘূর্ণন ও শব্দ পরিবেশকে অমৃতময় করে
রেখেছিল।
হঠাৎ ঐ বৃদ্ধ লামা আমার উপস্থিতির কথা বুঝতে
পারল। সে চোখ মেলে তাকাল। গম্ভীর স্বরে আমাকে
প্রশ্ন করল, ‘তাহলে তুমি এসে গেছ?’
কাল তুমি লমছোংগে ছিলে না? অপরিচিত ঐ
ব্যক্তির সঠিক প্রশ্ন শুনে আমি হতবার হলাম।
“গ্যাংটক থেকে রবিবার রওনা হয়েছে?”
আমি বিনয়ের সঙ্গে বললাম, “ আজ্ঞে হ্যাঁ”
সে এবার তার হাতের ঘূর্ণায়মান চক্রটি থামিয়ে
অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে সেটাকে চুম্বুন ও নমস্কার করে
নিজের চামড়ার থলির মধ্যে রেখে দিল। যন্ত্রটি
চক্রাকারে ঘোরানো লামাদের একটি পবিত্র কর্ম
অনেকটা আমাদের মালা জপ করার মতো। সেই উঁচু
টিলা থেকে নিচে নেমে সে ঠিক আমার সামনে
এসে দাঁড়াল। বলল, “তামাং গুম্ফা যাবে না?”
হ্যাঁ। আমি প্রত্যত্তরে বললাম।
সে এবার আগে আগে চলতে লাগল আর আমি তাকে
অনুসরণ করতে লাগলাম। এবার আমার পূর্ণ বিস্বাস হল
যে উক্ত লামা নিশ্চিত কোন সিদ্ধ পুরুষ। মানুষের
মনের কোন খবরই তার অজানা নয়। তাকে কিছু বলার
প্রয়োজনই হল না। সে সবই জানত। ঠিক এই রকমই
লমছোংগেও এক লামার দেখা মিলেছিল।
আমাকে দেখেই সে বলেছিল “তামাং গুম্ফা যাবে
না?”
আমি হ্যাঁ বলার পর সে ওখানে যাবার
পথ বাতলিয়ে দিয়েছিল।
সকাল সকাল উঠে ভাড়া করা খচ্চরের পিঠে আমি
রওনা হলাম। খচ্চরওয়ালা পাহাড়ের তলদেশে এসে
আমাকে বলল, “তামাং গুম্ফা এই পাহাড়েই আছে”
সে দুবার রাস্তার হদিশ দিয়ে চলে গেল, বলল, “উপরে
গিয়ে কাউকে জিজ্ঞাসা করে নেবে” আমি ও ঠিক
তেমনই করলাম। চড়াই পেরিয়ে অনেক সংকীর্ণ ও
কঠিন রাস্তা পাড়ি দিয়ে উপরে এসে সর্বপ্রথম সেই
লামাকেই নজরে এল, যে ধ্যানমগ্ন ছিল এবং এখন
আমাকে তার সাথে নিয়ে যাচ্ছে।
কিছুটা দূরে ঘূর্ণায়মান পথ ছিল। বড় বড় পাহাড়ের
পাশ দিয়ে ঘুরে ঘুরে ঐ পথ নিচে নেমে গেছে।
কিছুটা পথ পেরোতেই একটি বড় গোল গম্বুজওয়ালা
বাড়ি নজরে এল। এর কালো পাথর ও গঠনশৈলী বলে
দিচ্ছিল যে এটা একটিা গুম্ফা। হয়তো এটাই তামাং
গুম্ফা।
এর সংকীর্ণ পাথরের দরজা দিয়ে সে ভিতরে চলে
গেল। আমি তাকে অনুসরণ করলাম। আসলে এটা একটা
খব সুন্দর গুম্ফা। এখানে বেশ কিছু ভগবান বুদ্ধের মূর্তি
বানানো আছে।
যত্রতত্র অনেক লামাকে দেখতে পাওয়া গেল। তাদের
মাথায় কান পর্যন্ত ঢাকা টুপি, রং বেরং এর
গাউনপরা এবং প্রায় সবারই হাতে ধর্মচক্র ঘুরছে।
গুম্ফার মধ্যে থেকে “ওঁম্ পদ্মে মণি হুম” এর মিষ্টি
ধ্বনি শোনা যাচ্ছে। ঐ লামা সোজা সামনের ঘরে
চলে গেল। সেই ঘরে ভগবান বুদ্ধের একটি সম্পূর্ন নগ্ন
মূর্তি রাখা আছে।
তার নিচে পাথরের কয়েকটি চেয়ার রাখা আছে।
একটি চেয়ারে তিনি নিজে বসে আমাকেও বসতে
ইঙ্গিত করলেন। আমি বসে পড়লাম।
“এটিই তামাং গুম্ফার” তিনি বললেন। জিজ্ঞেস
করলেন, “কার সাথে দেখা করতে চাও?”
ঐ গুম্ফার শান্ত, ধার্মিক ভাবগম্ভীর পরিবেশে আমি
মুগ্ধ হলাম। প্রশ্ন শুনে আমি যেন স্বপ্ন থেকে জেগে
উঠলাম। সঙ্গে সঙ্গে বললাম ‘লাম গুরু ছেরিংগের
সাথে। ওনার নিমন্ত্রণেই আমি এখানে আসতে সাহসী
হয়েছি।
উত্তর শুনে লামার মুখে চওড়া ব্যঙ্গ হাসি ফুটে উঠল।
হয়তো উনি আমাকে উপহাস করছিলেন। হঠাৎই আমি নত
মস্তক হয়ে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে বললাম “ আপনাকে
প্রণাম”
লামা ছেরিংগ হেসে উঠলেন। এবার বললেন “এ
যাত্রা তো খুবই দর্গম তবে বিশেষ কষ্ট হবে না।” আমি
বললাম, “না প্রভু এ যাত্রা তো দুর্গম বলে মনে হয়নি
বরং বেশ রুচিকর বলেই মনে হয়েছে।” “তোমার চিঠি
গ্যাংটক থেকে আমার লোক গিয়ে নিয়ে এসেছিল।
কিন্তু তুমি জানো কি যে ওটা ছিল সিকিম আর এটা
তিব্বত?”
আমি হেসে ফেললাম।
“তোমার সাথে ভিক্ষুণী মায়ার দেখা হয়েছে?”
আমি বললাম, হ্যাঁ পথে দেখা হয়েছিল। সে বলেছিল,
আপনি তামাংদেরই একজন। “এখানে আসার ইচ্ছা তো
তখনই ছিল, কিন্তু তোমার আসার কথা শুনে দেরি হল।
চিনারা এখানকার অনেক কিছুই তছনছ করে দিয়েছে।
এখন আমি ও এখান থেকে চলে যাব।”
আমি আমার সামনে গম্ভীর হয়ে বসা লামা গুরু
ছেরিংগকে অবাক হয়ে দেখতে লাগলাম। মনে প্রশ্ন
জাগলো, সর্বব্যাপী , সর্বত্র, অন্তর্যামী যিনি, যিনি
এতবড় একজন সাধক, সেই লামাগুরু কেন চিনাদের হাত
থেকে এই সব জিনিসকে বাঁচাতে পারলেন না? তন্ত্র
কি এতই দুর্বল?
আমাকে মৌন দেখে লামা গুরু ছেরিংগ বলে উঠলেন,
তুমি যা চিন্তা করছো তা আমি বুঝতে পারছি। হয়তো
পথেও এই কথা তোমার মনে এসেছিলো। কিন্তু দেখ
আমরা প্রকৃতির কাজে বাধা দেই না। দুশো বছর আগে
আমাদের গুরু বলেছিলেন, তিব্বতের উপর একদিন হলুদ
রাক্ষসের জোরদার আক্রমন হবে। আমাদেরকে এটা
প্রতিহত করতে হবে। কিন্তু েএর ফলে প্রকৃতির পূর্ভ
নির্ধারিত নিয়মকে ভাঙ্গতে হবে। একে আমরা কেমন
করে ভাঙ্গব? না তা সম্ভব নয়। এ সব আমাদের ভুগতেই
হবে। এটাই নিয়তি।
উনি উঠে গেলেন। হঠাৎ আমি চমকে গেলাম। ওখান
থেকেই চিৎকার করে বললেন ঠুনঠুন ! এ তুমি কী করছো?
এ কথা বলেই উনি খুব জোরে ছুটে গেলেন।
আমি এক মুহুর্তের জন্য অবাক হয়ে তখনি তার পিছু
ধাওয়া করলাম। হয়তো গুম্ফার মধ্যে কোন অঘটন ঘটে
গেছে। তার পূর্বাভাস পেয়েই লামা ছেরিংগ ছুটে
গেছেন। উনি সামনের দরজা খুলে উপরে উঠতে
লাগলেন।
ওটা একটি গলির দরজা। গলির শেষে সিঁড়ি। সিঁড়ির
উপর আবছা আলো। ওনার পিছনে আমিও ছিলাম।
সিঁড়িতে চড়তেই সামনে একটা ছোট সবুজ মাঠ দেখতে
পেলাম। চারিদিকে উচুভুমি দিয়ে ঘেরা।
লামা গুরু ছেরিংগ সামনে এগিয়ে গেলেন।
কিছু দুর থেকে আমি দেখলাম একটা নিম গাছের
নিচে বেশ বড় জায়গা ঘিরে আগুনের বেষ্টনী জ্বলছে
আর তার উপরে একটা কড়াই চড়ানো আছে। ঐ কড়াইতে
অজানা কোন বস্তু ফুটছে। নিম গাছের সাথে একটা
চোদ্দ পনের বছরের ছেলেকে বেঁধে রাখা হয়েছে।
তার হাত পা পিছমোড়া করে বাঁধা। পা থেকে কোমর
পর্যন্ত তার গাছের সাথে বাাঁধা। হয়তো ছেলেটা খুব
ঘাবড়িয়ে গেছে। ভয়ের কারণে সে মাঝে মাঝেই
জিভ দিয়ে শুকনো ঠোটেকে ভিজিয়ে নিচ্ছল।
লামা গুরু ছেরিংগ কিছুদুর থেকে চেঁচিয়ে
জিজ্ঞাসা করলেন-ঠুনঠুন! ত্রি জটার মালিশ দিয়েছ
একে? কড়াইটার পাশে একটি বেটে লামা
দাঁড়িয়েছিল। তার হাতের ত্রিশুলটা ঝকমক করছিল।
সে ছেলেটাকেই মনোযোগ দিয়ে দেখছিল।
হঠাৎ লামা গুরু ছেরিংগ এর কষ্ঠস্বর শুনে চমকে ঘুরে
তাকাল। ততক্ষণে লামা গুরু ছেরিংগ তার একদম
পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। উনি তার বক্তব্যের
পূনরাবৃত্তি করলেন। লামা ঠুঠুন যেন চমকে গেল। তার
চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে গেল। হয়তো সে তার নিজের
দোষ বুঝতে পেরেছিল। তার মাথা নিচেু হয়ে গেল।
তিনি আরও বললেন- আমি সব দেখছিলাম। আমি যদি
সব দিকে নজর না রাখি তাহলে তোমরা যে কী করে
বসবে তা জানি না। ছেলেটা মরে যেত যে।
লামা ঠুনঠুন ভীতস্বরে অত্যন্ত বিনীত ভাবে বলল,
গুরুদেব, আমি ভুলে গেছিলাম।
তিনি বিরক্ত হয়ে বললেন, তুমি সরে যাও। শেষ পর্যন্ত
এ কাজ আমাকেই করতে হবে।
বেঁটে লামা মাথা নিচু করে একদিকে সরে গেল। হঠাৎ
লামা গুরু ছেরিংগ এর খেয়াল হল যে আমি এখানে
আছি। তিনি তিব্বতী ভাষায় সবাইকে সব কিছু বুঝিয়ে
বলে দিলেন। এতে সবাই নিশ্চিন্ত হয়ে গেল।
আমি আর একটু কাছে চলে গেলাম।
ছেরিংগ বললেন- চুপ চাপ সব দেখে যাও।
আমি নির্বাক, পাথরের মতো দৃষ্টি নিয়ে সব কিছু
দেখতে লাগলাম। এবার লামা গুরু ছেরিংগ কড়াইতে
রাখা হাল্কা ছাই রঙ্গের বস্তুটিকে হাতার সাহায্যে
ছেলেটির সারা দেহে ছিটিয়ে দিতে লাগলেন।
যেভাবে হোলির সময় বাচ্চারা নোংরা বস্তু দেহে
ছুড়ে মারে, ঐ ভাবেই বস্তুটি তার সারা শরীরে
পড়তে লাগলো। যেখানে পড়ছে সেখানেই তা আটকে
যেতে লাগল আঠার মতো। ছেলেটি সমানে চীৎকার
করে যেতে লাগল। তার শরীরের মাংস, চর্বি সব গলে
গলে নিচে পড়তে লাগল। কিছুক্ষণ বাদে ছেলেটা
মাখামাখি হয়ে গেছে। তার সাথে সাথে তার
দেহের সব মাংস ও চর্বি গলে গলে নিচে পড়তে
লাগল। তার মাংস, চর্বি ও রক্ত গলে গলে পড়ছিলো ও
পায়ের দিকে গড়িয়ে নিচে জমা হচ্ছিল। মানব
দেহের মাংসের খন্ড ও চর্বি এইরকম শ্মশানে চিতায়
জ্বলতে দেখেছি বা কোন পুড়ে যাওয়া মানুষের
শরীরে দেখেছি। কিন্তু এখানে তো সরা শরীর গলে
গলে পড়ছিল। ঠিক যেমন জ্বলন্ত মোমবাতীর মোম
গলে গলে পড়ে। তার শরীরের সব মাংস মোমের মত
গলে গলে নিচে পায়ের কাছে জমা হচ্ছিল। রক্তের
ধারা আমার কাছ পর্যন্ত এসে গেছিল।
হতবাক হয়ে আমি সব কিছু দেখছিলাম। বিষ্ময়ে চোখ
বিস্ফারিত হচ্ছিল। আমার লোমকুপ ভয়ে খাড়া হয়ে
যাচ্ছিল। দেখতে দেখতে ছেলেটির দেহ কঙ্কালে
পরিণত হল। হাড় দিয়ে তৈরী একটি কঙ্কাল। তার সেই
সুন্দর শরীর নিমেষেই শুধু হাড় বিশিষ্ট কঙ্কালে
পরিণত হল।
একবার লামা ছেরিংগ ঘুরে আমাকে দেখলেন। তার
আগুনের গোলার মতো চোখ দেখে আমি ভীত-সন্ত্রস্ত
হলাম এবং পিছে হটে গেলাম। পা বাঁধা কঙ্কালটা
খাড়া হয়ে দঁড়িয়েছিল। তাকে যা দিয়ে বাঁধা
হয়েছিল সেটাও গলে গেছিল। তার সমস্ত মাংস, চর্বি
গলে নিচে পড়েছিল। লাল, সাদা রঙ্গের টুকরোগুলো
টপটপ করে পড়ছিল।
হঠাৎ উপস্থিত সব লামা নিজেদের অঞ্জলি ভরে ভরে
ঐ রক্ত মাংস, চর্বি ইত্যাদি কড়াইতে ফেলতে
লাগলো। দেখতে দেখতে সবটাই কড়াইতে রাখা শেষ
হলো। মাংস ভাজার তীব্র কটু গন্ধে আমার মাথা
ঘুরতে লাগল। ঐ সব জিনিসগুলো খুব দ্রুত কড়াইতে
ফেলা হয়েছিল। লামারা কোন অশ্রুতপূর্ব শব্দ বলে
যাচ্ছিল। যখন সবটা কড়াইতে ফেলে নাড়া চাড়া
করা শেষ হল তখন আবার হাতার সাহায্যে কঙ্কালের
উপর ছিটাতে লাগল। এমন ভাবে ফেলতে লাগল যে,
যেখানেই পড়লো কঙ্কালের হাড়ের সাথে আঠার
মতো লেগে রইল। এই ভাবে ধীরে ধীরে পুরো
কঙ্কালটা ঢাকা পড়ে গেল। কিছু কিছু জায়গায় অবশ্য
ঘনত্ব কমবেশি হল।
বেঁটে লামা ঠুনঠুন তার হাতের সাহায্যে সেগুলো
সমান করে দিতে লাগল।
দেখতে দেখতে কঙ্কালটা একটা মুর্তিতে পরিণত হল।
তখন ঠুনঠুন তার কপালের ঠিক নিচে একটি চোখ
বানিয়ে দিল। তারপর তার উপর এক পরত রক্ত মাংস
মিশানো বস্তু দিয়ে তা ঢেকে দিল।
তার এ টুকু করার পরই লামা গুরু ছেরিংগ ওখানে রাখা
তামার একটা কলসি থেকে কিছুটা তরল বস্তু নিয়ে ওর
উপরে ছড়িয়ে দিলেন। ঐ দেহ খাঁচাটা যেন তাতে
স্নান করে ফেলল। এবার লামা ঠুনঠুন দেহটা মুছতে
লাগল। একটা বিচিত্র ধরনের কাপড় তার হাতে ছিল।
তাই দিয়েই সে মুছতে শুরু করল।
এরপর এক বিশেষ ধরনের মালিশ লাগিয়ে দিল।
যখন ঐ মালিশ লাগন শেষ হলো তখন লামা গুরু
ছেরিংগ ছেলেটির দেহে কিছু একটা ছিটিয়ে
দিলেন। একটা অদ্ভুত তেজাল গন্ধে আমার নাক ফেটে
যাচ্ছিল।
লামা গুরু ছেরিংগ অস্ফুট স্বরে কিছু একটা বললেন
এবং ছেলেটির মুর্তি হড়বড় করে যেন গভীর ঘুম থেকে
জেগে উঠে প্রানবন্ত হল।
আমি লামা গুরু ছেরিংগ এর সামনে মাথা নত করলাম।
অতিথিরুপে তিনি আমাকে গুম্ফায় রেখেছিলেন।
এবার আমি ফিরে চললাম। সকুশলে ফিরে এসে শুনলাম
যে তিব্বতের উপর চিনের পুরা অধিকার হয়ে গেছে।
আমার এ সফর দীর্ঘ ও কষ্টপ্রদ অবশ্যই ছিল তবুও আমি
ভাগ্যবান যে আমি আমার জীবন কালেই মরা মানুষের
পূনজর্ন্ম ( অবশ্যই তন্ত্র ও ঔষধের দ্বারা) ও তৃতীয়
নেত্র দেখতে পেয়েছি। জানি না লামা গুরু ছেরিংগ
এখন কোথায়? কিন্তু যখনই তার কথা মনে আসে আমি
তাঁকে প্রণাম করি এবং আমি বিশ্বাস করি যে আমার
প্রণাম তাঁর কাছে অবশ্যই পৌঁছেছে।।

আধ্যাত্মিক শক্তি উন্মোচন


।আধ্যাত্মিক শক্তি উন্মোচন
সকলেই বলে থাকে মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। কিন্তু
আর দশটা বিষয়ের মতোই এটিও আমরা শুধু মুখেই বলে
থাকি। আমরা নিজেরাও তা অন্তরে বিশ্বাস করি না।
অন্যকিছু বাদ দিন, শুধু যদি আমরা অন্তরেই এই চির সত্য
কথাটি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতে পারি তবে আমাদের
আত্মশক্তির বলে অনেক বাস্তব সমস্যাকেই
অনায়েশে দূর করতে পারি। আমরা কখনো ভাবি না
আমাদের জন্মান্তর সর্ম্পকে, কেন কোথা থেকে
কিভাবে আমাদের এই ভূ-মন্ডলে অবতার হলো। একটু
ভাবুন, শত’কোটি শুক্রানুর সাথে অলেম্পিক রেসে
অংশগ্রহন করে আপনি জয়ী, একজন সুপার হিরোর
মতো একাই শত’কোটি শুক্রানুর সাথে যুদ্ধ করে
সর্ম্পূন্য অক্ষতভাবে আপনি জয়ী, লক্ষ লক্ষ মাইল পথ
একাই পাড়ী দিয়ে অভেদ্য প্রাচীর স্বীয় ক্ষমতায়
ভেদ করে আপন অস্তিত্যকে টিকিয়ে রেখেছেন।
একাধিক্রমে জলীয়দ্রবন রক্তপুঁচ খেয়ে বেঁচে
থেকেছেন দশটি মাস।
এর পরও কেন আমাদের বোধদয় হয়না। আমরা মানুষ নিজ
বুদ্ধি বলে গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে ঘুরে বেড়াচ্ছি।
প্রতিনিয়ত আবিষ্কার করছি আশ্চার্য্য সব
যন্ত্রপাতি। ডানাবিহিন উড়ে বেড়াচ্ছি খোলা
আকাশে, তারবিহিন কথা বলছি যোজন দূরের কোন
ব্যক্তির সাথে, পৃথিবীর আনাচে কানাচে কোথায়
কি হচ্ছে সকল কিছু দেখতে পাচ্ছি বিছানায় শুয়ে
থেকে। অথচ যে প্রকৃতি বা স্রষ্টা এতো আশ্চার্য্য
সুন্দর এই মানুষ সৃষ্টি করেছে, তার নিজ ক্ষমতা
সর্ম্পক্যে অজ্ঞ্যাত।
প্রতিটি মানুষের রয়েছে নিজস্ব কিছু কোড,তার
নিজস্ব আইডিন্টিফিকেশন। যেমন ধর্মানুসারে
স্রষ্টার নিজস্ব কিছু নাম রয়েছে, মুসলিমরা যাকে
”ইসমে আজম” আখ্যায়িত করে, বলা হয়ে থাকে এই
নামে তাকে ডাকলে সঙ্গে সঙ্গেই স্রষ্টা বান্দার
ডাকে সাড়া দেয়। ঠিক তেমনি মানুষের
আইডিন্টিফিকেশন কোডে তাকে ডাকা হলে সে
যেখানে যে অবস্থায় যত দূরে অবস্থান করুক না
কেনো সঙ্গে সঙ্গেই সে সাড়া দিবেই। যেমন আপনার
মোবাইল নাম্বারটি শুধুমাত্র আপনার জন্যই প্রযোজ্য
যে কেহ’ই সে নাম্বারে কল দিক না কেনো আপনি
সেটি রিসিভ্ করবেন।
আমরা আমাদের এই পর্বের আলোচনা গুলোতে,
প্রতিটি মানুষের কোড ও তার ডায়াল নাম্বার
কিভাবে বের করবো, কিভাবে ডায়াল করবো, নিজ
প্রয়োজনে কোন প্রকার প্রযুক্তির সাহায্য ছাড়া
একে অপরকে কোন তথ্য বা সংবাদ আদান প্রদান
করবো। আমাদের সামনে প্রাকৃতিক বা মানব সৃষ্ট
দূর্যোগ দূর্ঘটনা আসার পূর্বেই তা সর্ম্পক্যে অবহিত
হবো, সেসকল বিষয়ে পুঙ্খানু পুঙ্খানু ভাবে জানবো।

নারী/ পুরুষ বশীকরন

নারী/ পুরুষ বশীকরণ। মন্ত।
। 

নারী। পুরুষ বশীকরন মন্ত
মন্ত
দুই চক্ষে করিলাম নজর বন্ধি। এই নজর করিলাম শিশি
তুলসী বান্ধি। রাম-লক্ষন ধনুকের বান। জিতা থাকলে
খাট পালংক।। মইরা গেলে মহা শ্মশানঘাট। ছার ছার
ছার তো বাপ মা ছার। ছার ছার ছার তোর
আত্মীয়স্বজন ছার। ছার ছার ছার তোর পাড়া
প্রতিবেশী ছার। আমারে ছাড়িয়া যদি অন্য দিকে
যাস ফিরে। দোহায় হযরত আলী মা ফাতেমার মাথা
খাস ছিঁড়ে। আমার এই মন্ত্র বিদ্যা যদি টুটে- মা
ফাতেমার মস্তক ছিড়ে ভুমিষ্ঠে পড়ে।
বিদ্রঃ
এই মন্ত্র দ্বারা নারী পুরুষ কে মাত্র ৩ ঘন্টায় বশ করা
যায়। তবে হ্যা এই মন্ত্রের যাকাত হিসেবে চন্ডিবরন
করা প্রয়োজন। চন্ডিবরন ছাড়া এই মন্ত্র কাজ হবে
না।। এর জন্য চন্ডিবরন করার জন্য আপনার নাম ও
আপনার মাতার নাম আর পিতার নাম লাগবে।আর হ্যা
যারা যারা চন্ডিবরন কি বুঝেন না,তারা অবশ্যই
যোগাযোগ করে জেনে নিবেন।।মন্ত গুরু জ্বিন সাধন    ।  তন্ত মন্ত কালো যাদু টোটকা ও জ্বিন
চালানের মাধমে তদবির করা হয়। যে কোন
কাজ ৩/৫দিনে ১০০%গ্যারান্টিতে করা হয় বিফলে
মুলো ফেরত। আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে
অনলাইনের মাধমে তদবির করতে পারেন
আযি যোগা যোগ করুন। চেম্বারের ঠিকানা। খুলনা
খারিস পুর বাজার রোড ২৫/৩.. ইমু নাম্বার imo/
   01757786808/বা সরা সরি কল করুন call..01903153919/..montrogurbd12@gmail.com

এ্যাটক দিয়ে বশীকরণ।



এ্যাটক দিয়ে বশীকরণ।
ত্রাটক দিয়ে বশিকরন অথবা কারো মনের খবর
জানাঃ বর্তমান ত্রাটক ( সুপারভিষন) এমন একটি
শক্তিশালী বিদ্যা যা অন্য সব বিদ্যাকে হার মানায়।
যারা ত্রাটক সম্পর্কে কিছুটা হলেও জানে তাদের
সবারই আকাঙ্খা হচ্ছে ত্রাটক শেখা। কিন্তু এটা
শেখা তো সহজ বিষয় নয়। তবে একটি সুখবরঃ যে
আমরা অনেক কষ্টে একটি ত্রাটক দিয়ে বশিকরনের
উপায় বের করলাম। যেটা দিয়ে আপনি ১-৩ দিনের
মধ্যে যে কাউকে বশিভূত করে ফেলতে পারবেন। এই
নিয়মটির কাজ হচ্ছে আপনি যে কারো অন্তরে বা
হৃদয়ে ঢুকতে পারবেন। এবং তার হৃদয়কে আপনার দিকে
আকর্ষন করতে পারবেন। এটা করতে তেমন কিছুর
প্রয়োজন পড়েনা, শুধু যাকে বশ করবেন তার একখানা
ছবি অথবা তাকে যদি আপনি চিনেন অর্থাত
দেখেছেন তাহলে আর ছবি এর প্রয়োজন হবেনা। মনের
খবর জানাঃ এটা তো আগেই বললাম যে এই শক্তি
দিয়ে আপনি যে কারো হৃদয়ে ঢুকতে পারবেন অর্থাত
তার হৃদয়ে ঢুকতে পারলে তার ভেতরে কি আছে আছে
যেমন অতীতের কোন স্মৃতি, বর্তমান অবস্থা,
ভবিষ্যতের জন্য কি ভাবছে এগুলো সবই জানতে
পারবেন । বি:দ্র: এটা সর্বসাধারনের জন্য নয়। তাই
নিয়ম টি প্রকাশ করলাম না। কারন ইদারিং ফেসবুকে
ও অনলাইনে বিভিনো সাইটে দেখি ভুয়া তান্তিক
দের অবাব নেই। অনেকেই
আমাদের পোষ্ট করা মন্ত কপি করে তাদের আইডিতে
পোষ্ট করে মানুষের টাকা ছিনিয়ে নিচ্ছে। তাই
নিয়ম টি পোষ্ট দিলাম না তবে। কেউ যদি নিয়মটি
শিখতে চান তাহলে যোগাযোগ করতে পারেন।
শর্তাবলীঃ এটা খুবই গোপনীয় একটি নিয়ম তাই
শেখার পরে অতি গোপনীয় রাখতে হবে না হলে শক্তি বিফল হবে। আমাদের যে কোন সমসার যনো নিচের নাম্বরে যোগা যোগ করুন। 

সুপার ভিশন এ্যাটক সাধনা

সুপার ভিশন এ্যাটক)
এ্যাটক সাধনা। 
পৃথিবীতে এখন পর্যুন্ত যতগুলো দোওয়া, তাবিজ,
মন্ত্র, তন্ত্র, টোনা, টোটকা, নকশা
ইত্যাদি আছে তার ভিতর সবচাইতে পাওয়ারফুল হলো
“ত্রাটক”।
এই “ত্রাটক” সাধনের ফলেই আগের দিনের মনি
ঋষিগন ও অন্নান্য পীর দরবেশগন,
নানান অলৈকিক কর্মকান্ড করেগেছেন।
বর্তমানে আমাদের মাঝে যে সকল ব্যক্তিগন
দোওয়া / মন্ত্র ইত্যাদি নিয়ে সফলকাম
হয়ে থাকেন বা চেষ্টা করছেন তাদের মাঝে বেশির
ভাগই বিফল কারন-
বর্তমানে মানুষের মাঝে ধর্য্য ও সময় দুই খুব কম, এবং
সবচাইতে কম ন্যায়পরায়নতা
সততা, নিষ্ঠা, মুখের কথার মূল্যবোধ। তার চাইতে
বেশি
সমস্যা হচ্ছে পেটের চিন্তা। আমাদের প্রয়োজন নগদ
অর্থ এবং সেটাও জলদি।
আর তাই আমরা এগুলো থেকে অনেক পিছিয়ে
পড়েছি। অনেকেই তো বিশ্বাষ
পর্যন্ত করতে চায় না, যে মানুষের পক্ষে এ সকল
কাজ করা সম্ভব।।
তাই বর্তমানে শুধু মাত্র একটি পথ খোলা আছে একজন
সাধারন মানুষ
অসাধারন অলৈকিক ক্ষমতার অধিকারী হতে পারার,
আর তা হলো “ত্রাটক”।
কারন ত্রাটক সাধনায় সময় অত্যন্ত কম লাগে, একজন
মানুষের মাঝে গুটিকয়েক
লক্ষন দেখেই বোঝা যায় সে এই সাধনা করতে সক্ষম
কি না। এর ফলাফল দ্রুত
ঠিক যেমন বর্তমানে রিমট-কন্ট্রোল এর ব্যবহারের
মতই।
মানুষের কল্পনার চাইতেও শক্তিশালী এই ক্ষমতা।
ব্যবহারের জন্য নিয়ম নিতি নাই বল্লেই চলে।
শ্রেনীবিভাগ প্রায়ই একই প্রকার।
তবে শিখার খরচ তুলনা মুলক একটু বেশি।
যে কেউ শুধু অনুশিলনেই হয়ে উঠতে পারে অতিমানব।
তবে এর সবচাইতে বড় বাধা হচ্ছে গোপনিয়তা।
শক্তি সর্ম্পকে গোপনিয়তা রক্ষা করতে না পারলে
শক্তি নিশ্বেষ হতে পারে।
আপনি যা চান আর যা চান নি সবই করতে পারেন এই
একটি মাত্র বিদ্যায়।।
সুপার ভিষন
“ত্রাটক”

নাগের শ্বরীদেবী সাধনা

নাগের শ্বরীদেবী সাধনা

নাগেশ্বরী সাধনা
আপনাদের এমন একটা বিদ্যা শিখাবো যার দ্বারা
আপনি নাগেশ্বরী (নাগমাতা) কে বশিভূত করে
ভুত,ভবিষ্যৎ, কালো জাদু সাধনা, কুফুরী যাদু মন্ত্র
বান, আসমানি জাদু, লজ্জাতুন্নেছা কিতাব, তন্ত্র
মন্ত্র সাধনা। যে কোনো জটিল-কঠিন কাজ
অনায়াসে করতে পারবেন। এই দেবী পৃথিবীর দ্বীতিয়
স্থান দখল করে আছে। অতএব, যে ব্যক্তি এই দেবিকে
বশিভূত করতে পারবে পৃথিবীর সকল কিছু তার গোলাম
হয়ে যাবে। (পরীক্ষিত) মন্ত্রঃ দ্বীন দহরে থাকে
মাতা- আধা বস্ত্র পড়ে" নরসিংহের হরিদ্রা মাতা-
কাল কালী দৌয়ের ভরে। আয় মাতা ডাকি আসনে-
ফুল চন্দন আছে সামনে; ভক্ষণ করে মাতা- সন্তুষ্ট করে
জগৎ তারিনীরে। পুষ্পের উপড় দিয়ে ফোটা- রাম
লক্ষণ আছে সেতা" সন্তুষ্ট হয়ে মাতা- দেখা দাও
মোরে। দক্ষিণে রাখিলাম রক্ত" কপালে তিলকের
ফোটা- আগ্রমাতা গায়েত্রী নাশিনী" খাবি নাইলে
মহাদেবের মাথা। চন্দ্র সূর্য্য রক্ষা দ্রাত্রি- জগাই
গাছে আমবশ্যার ফুল; আমার ডাকে সারা না দিলে-
নড়বে ত্রিজগতের মুকুল। আয় মাতা দোহাই লাগে-
দিলাম তোরে চন্দন আগে' সাথে দিলাম ব্রহ্মার
আঘ্রা- দেখা না দিলে খাবি চন্ডীর মাথা। দোহাই
লাগে সোলাইমান নবী। আয় আয় আয় দোহাই মাতা
পার্বতি। নিয়মঃ মন্ত্র কোনো সিদ্ধি করতে হবেনা।
প্রথমে একটি নির্দিষ্ট কক্ষ লাগবে। প্রতিদিন একই
কক্ষে কার্য সম্পন্ন করতে হবে। শরীরে ভালো শুগুন্ধি
লাগিয়ে নিতে হবে। এবার যে কোনো ভাল সময় বুঝে
রাত ১১ টার পরে মন্ত্রটি ১০০১ বার পাঠ করবেন। মন্ত্র
পাঠ করার সময় অনেক উৎপাত হতে পারে এতে
কোনো ভয় করা যাবেনা। এভাবে নিয়মিত ২১ দিন এক
নাগারা সাধনা করতে হবে। ২১ দিনের আগেও দেবী
প্রশন্ন হয়ে চলে আসতে পারে। তাই বলে সাধনা
ঐখানে থেমে দিলে এতো দিনের কষ্ট সব বিফলে
যাবে। কাজেই সাধনা ২১ দিন অবশ্যই করতে হবে।
এতে দেবী ১০০% গ্যারান্টি আপনার বশিভূত হবেই।
যদি কারো সন্দেহ থাকে তবে আমাকে' ফোন করে
নিশ্চিত হতে পারেন।

পুরাতন পোষ্ট গুলি দেখুন