আসুন জেনে নেই রাশি কি

.


.আসুন জেনে নেই রাশি কাকে বলে,রাশি শব্দের সাধারন অর্থ- রাশ বা সমষ্টি, স্তুপ, সন্নিবেশিত, সন্নিকটে, একত্রে জড়োকৃত ইত্যাদি। যেমন- রাশি রাশি বললে অনেক গুলি বুঝায়। কিন্তু জ্যোতিষবিদ্যায় একত্রে কতগুলি জড়োকৃত নক্ষত্রের কল্পিত আকৃতি নিয়ে রাশি কথাটি এসেছে। অর্থাৎ অনেকগুলি তারকা সমন্বয়ে গঠিত বলেই রাশি নামকরন হয়েছে। প্রাচীনগণ রাশির বৈশিষ্ট্য এবং নক্ষত্রমন্ডলের দৃশ্যমান চিত্রানুযায়ী বিভিন্ন প্রাণী ও চিহ্ন সমন্বয়ে রাশি সমূহের কল্পিত নামকরন করেন। যেমন- মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ, কন্যা, তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীন। আমরা সকলেই জানি পৃথিবী নিজ অক্ষের ওপর লাটিমের মতো সর্বদানির্দিষ্ট গতিতে পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে আবর্তিত (Rotation) হচ্ছে। এই আবর্তনেরফলে দিবা-রাত্রি সংঘঠিত হয়। একে বলে পৃথিবীর আহ্নিক গতি। এছাড়াও আপন অক্ষে আবর্তনের সাথে সাথে পৃথিবী একটিনির্দিষ্ট পথে সূর্যের চতুর্দিকে পরিক্রমণ (Revolution) করে। সূর্যকে একবার পরিক্রমণকরতে পৃথিবীর যে সময় লাগে, তাকে সৌরবছর বলে। মহাকাশে পৃথিবীর চারপাশে সূর্যেরআপাত বার্ষিক গতিপথকে বলা হয় ‘রবিমার্গ‘। এই রবিমার্গেই বারোটি রাশির অবস্থান। সায়ন মতে রবি যখন যে রাশিতে থাকে তখন জন্মগ্রহণকারীর সেই রাশি। আর নিরায়ণ মতে চন্দ্র যখন যে রাশিতে থাকে তখন জন্মগ্রহণকারীর সেই রাশি হয়। রাশি সম্পর্কে পরবর্তীতে বিস্তারিত লিখব। সংক্ষেপে এই হল রাশির পরিচয়। সকল মানুষের মধ্যে সকল যোগ্যতা থাকেনা সত্য, কিন্তু কিছু মানুষের মধ্যে কিছু যোগ্যতার বীজ সুপ্ত থাকে যা অনুকুল পরিবেশ পেলে সময়ে তার অঙ্কুর উদ্গম হয়। আর তার সাথে প্রয়োজনীয় জোগান পেলে এবং চেষ্টা থাকলে এক সময় বিরাট মহীরুহে পরিনত হতে পারে। এজন্যই চেষ্টা করে যেতে হবে। জগতে যারা সৌভাগ্যবান তারা চেষ্টা করেই সৌভাগ্য অর্জন করেন বলেই আমরা জানি, কিন্তু আমরা জানিনা তারা যে জন্মগতভাবেই সৌভাগ্যের বীজ বয়ে এনেছেন। আর সেটা জানতে হলে এস্ট্রলজিকে জানতে হবে। এস্ট্রলজি তথা জ্যোতিষবিদ্যা কারো জন্মসময়, তারিখ ও স্থান সাপেক্ষে গ্রহ-নক্ষত্রাদির ভূ-কেন্দ্রিক অবস্থান (Geo-Centric Position) বিশ্লেষণ করে তার সারা জীবনের সম্ভাবনা সম্পর্কে আগাম ভবিষ্যদ্বানী করতে পারে। যেভাবে আবহাওয়াবিদ আবহাওয়ার পূর্বাভাস কিংবা ডাক্তার রোগীর রোগ সম্পর্কে বলতে পারেন। তারা যেমন কিছু লক্ষ্মণ দেখে পূর্বাভাস দেন জ্যোতিষবিদ্যাও তেমনি গ্রহ-নাক্ষত্রিক অবস্থান দেখে ভবিষ্যদ্বানী করেন।
 ...

গ্রাহক ‌সেবা . ‌আজিজ ‌রহমান

সম্মানিত ভিজিটর...আমার কাছে আপনারা যে ধরনের সমস্যার সমাধান পাবেন.....যেমন যে সকল ভাই,বোন ও বন্দুরা সংসারে অশান্তি ভোগ করতেছেন বা ভিবিন্ন সমস্যার সম্মুখিন হচ্ছেন সেই সকলদের আহবান করছি আমার সাথে যোগাযোগ করুন।
আপনাকে নিচ্চিত সেবা দেওয়া হবে,,আমাদের কাজের ফলাফল ১০০%.
বশিকরন গ্যারান্টি দিয়ে কাজ করে থাকি?
পরকীয়া প্রেমে মুক্তি?
সংসারে অমিল?
যাদু-টোনা বান থেকে মুক্তি?
বিচ্ছেদ করণ ১০০% গ্যারান্টী দিয়ে কাজ করে করি?
সন্তান হচ্চে না?
মালিক কে বশীভুত করতে চান?
যে কোন দেশের লটারীর তদবির দেওয়া হয়?
শত্রু দমন করুন ১০০% গ্যারান্টী দিয়ে কাজ করে থাকি?
পাগল করতে চান ১০০% গ্যারান্টী দিয়ে কাজ করে থাকি?
দুরের মানুষকে কাছে আনা?
শত্রুকে অচিৎ শিক্ষা দিন?
 ভিসার তদবির দেওয়া হয়?
বিস্তারিত কাজের জন্যে সরাসরী যোগাযোগ করুন আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলাইনের মাধমে তদবীর করতে পারেন . কালো জাদু ও জ্বীন চালানের মাধমে তদবীর করা হয় . আর জানতে ইমু 01757786808

খুলে ‌ফেলুন ‌তৃতীয় .‌নেত

তৃতীয় নয়ন বা থাড আই কি
দেবী দুর্গার কপালের মধ্যিখানে জ্বলজ্বল
করেন তিনি। তিনি ত্রিনয়ন। এই ত্রিনয়নেই
নাকি লুকিয়ে থাকে দেবীর দিব্যদৃষ্টি! এ
তো গেল দেবীর কথা। কিন্তু, আমরা?
আমার-আপনার মতো আম আদমিরও কি
ত্রিনয়ন থাকে?। আসলে তৃতীয় চক্ষু বিষয়টা কী? সেটা আমাদের
আগে একটু বুঝে নিলে ভালো হয়। মিথোলজি
অনুযায়ী যা দেবীর ত্রিনয়ন, তা বাস্তবে আসলে
মনঃসংযোগের এক উচ্চতর পর্যায়। যার মাধ্যমে
সে গোটা বিশ্বকে অনুধাবন করতে পারে। সোজা
ভাষায় বলতে গেলে, তৃতীয় চক্ষু বা থার্ড আই
সাধারণ মানুষের চেতনার এক বিশেষ ক্ষমতা। যা
নিয়ন্ত্রণ করবে আপনার মন ও আবেগকে। নিয়মিত
কিছু অভ্যাসের মাধ্যমে আপনিও সেই ক্ষমতার
অধিকারী হতে পারেন।
কীভাবে আপনিও হতে পারেন ত্রিনয়নী?
১) ধ্যানের অভ্যাস করুন। কপালের ঠিক
মধ্যিখানে একটি নির্দিষ্ট কাল্পনিক বিন্দুতে
মনঃসংযোগ করার চেষ্টা করুন। সাতরকম চক্র
রয়েছে। এক-একটি চক্রের সঙ্গে শরীর, মন ও
আধ্যাত্মিকতার এক একরকম যোগ। এরকমই কোনও
একটি চক্রকে ভেবে মনঃসংযোগের চেষ্টা করুন।
২) ধ্যানের জায়গা নির্দিষ্ট করুন। সাধারণত
প্রকৃতির মাঝে খোলামেলা জায়গায় বসে ধ্যান
করলে ভালো হয়।
৩) ধ্যানে বসারও নির্দিষ্ট ভঙ্গি আছে।
মেঝেতে বজ্রাসনে বসুন। শিরদাঁড়া সোজা রাখুন।
হাত জড়ো করে কোলের উপর রাখুন। মাটিতে
বসতে যদি খুব অসুবিধা হয়, তাহলে ধীরে ধীরে
একটি নির্দিষ্ট ছন্দে হাঁটুন। সমস্ত চিন্তা থেকে
নিজেকে দূরে সরানোর চেষ্টা করুন।
৪) মনঃসংযোগের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে সামনে
একটি জ্বলন্ত মোমবাতি রাখতে পারেন।
৫) নিজেই একটা মন্ত্র বানান। চোখ বন্ধ করে
বার বার আউড়ে চলুন সেটা। মনের বলুন শান্ত হতে।
মনের উপর নিয়ন্ত্রণ বাড়ান।তান্তিক গুরু আজিজ রহমান
তন্ত মন্ত কালো যাদু ও জ্বীন চালানের মাধমে তদবীর করা হয়
যে কোন কঠিন কাজ 3/5দিনে 100%গ্যারান্টিতে করা হয়
আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলাইনের মাধমে তদবীর করতে পারেন
ও যে কোন কালো যাদু বা সধনা প্রশিক্ষন পেতে পারেন
ইমু 01757786808/ 

মেডিটেশন ‌কি ‌বাবে ‌করবেন

মেডিটেশন” আমরা এই শব্দটার সাথে কমবেশি সবাই পরিচিত। অনেকেই হয়ত জানেন মেডিটেশন কি। আবার অনেকেই মেডিটেশন করেন। কিন্তু আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছে যারা হয়ত এখনো মেডিটেশনের সাথে পরিচিত হতে পারেনি। আজকের আর্টিকেলটা মূলত তাদের জন্যেই যারা এখনো জানেনা যে মেডিটেশন কি।
আসলে মেডিটেশন হল ধ্যান। আর ধ্যানের সম্পর্কে সর্বপ্রথম জানা যায় প্রাচীন ভারতবর্ষের বইয়ে। এটা বলা যেতে পারে যে ধ্যানের মূল উৎপত্তি ঘটে আসলে প্রাচীন ভারতবরর্ষে। প্রাচীন ভারতের অনেক বইয়েই ধ্যানের সম্পর্কে জানা যায়।
মেডিটেশন কি?
মেডিটেশন বা ধ্যান হল নিজের সাথে পরিচিত হওয়া। অনেকেই মেডিটেশন করতে গিয়ে একটা ভুল করে বসে। তারা মেডিটেশনকে অন্যান্য কাজের মত করে করতে যায়। কিন্তু মেডিটেশন কোনো করার মত বিষয় নয়। মেডিটেশনে কিচ্ছুই করতে হয়না। শুধু নিজের সাথে গভীরভাবে কানেক্ট হতে হয়।
শান্ত কোনো স্থানে রিলাক্স হয়ে বসে নিজের সাথে কানেক্ট করাকেই এক কথায় মেডিটেশন বলা যেতে পারে। আবার কেউ কেউ বলে মেডিটেশন যখন তখনই করা যায়। এর জন্য কোনো স্থান কালের বিচার না করলেও চলে। এমনকি কাজ করতে করতেও নাকি মেডিটেশন করা যায়। তবে আমি অবশ্য এর সাথে একমত নই।
মেডিটেশন করার মানে হল যেকোনো একটা জিনিসের প্রতি আপনার লক্ষ স্থির করা। একটা কিছুর উপর ফোকাস করা। মেডিটেশন এর সময় আপনাকে যেকোনো একটা কিছুর প্রতি ফোকাস করে মাইন্ডকে সম্পুর্ন রিলাক্স অর্থাৎ শান্ত করে দিতে হয়। মাইন্ডকে সম্পুর্ন শান্ত করাই হল মেডিটেশনের মুল লক্ষ। মেডিটেশন যে শুধুমাত্র আদ্ধাত্মিক একটা বিষয় সেটা নয়। যারা সৃস্টিকর্তায় বিশ্বাস করে না তারাও মেডিটেশন করতে পারে। এটা সম্পুর্ন এক সাইন্টিফিক প্রোসেস। আবার আপনি মেডিটেশনকে আদ্ধাত্মিক জগতের সাথেও মেলাতে পারেন। আদ্ধাত্মিক দিক থেকে দেখলে বলা যায় যে মেডিটেশনই হল এমন এক রাস্তা যেটা আপনাকে স্প্রিচুয়ালিটির দুনিয়ার সাথে যোগস্থাপন করায়।
মেডিটেশন করলে কি হয়?
মেডিটেশন করলে কি হয় এটা না বলে বরং এটা বলা যায় যে, মেডিটেশন করলে কি না হয়?
মেডিটেশন করলে যে কি কি হতে পারে এটা যদি সবাই জানত তাহলে সবাই দিনে একবার করে হলেও মেডিটেশন করত।
দিনের পাচ মিনিটের মেডিটেশন আপনার রাত্রের দুই ঘন্টার ঘুমকে পর্যন্ত কভার করতে পারে। আজ পর্যন্ত মেডিটেশনের উপরে প্রচুর রিসার্চ করা হয়েছে। ভারতবর্ষের গণ্ডি পেরিয়ে মেডিটেশন আজ গোটা বিশ্বে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। আজকে সবাই জানতে পারছে মেডিটেশনের ফলে কি কি হতে পারে। আর তাই পাশ্চাত্যের দেশগুলতে মেডিটেশন করার প্রবণতা প্রবল ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আজকের পোস্টে আপনাদের একটু বেসিক ধারনা দেয়ার চেস্টা করলাম যে মেডিটেশন কি এবং মেডিটেশন করলে কি হতে পারে। এর পরের পোস্টে আপনাদের সাথে শেয়ার করব মেডিটেশন কিভাবে করবেন। আশাকরি সাথেই থাকবেন।
ধন্যবাদ।

বিসমিল্লাহ শরিফের কতিপয় ফজিলতঃ


.
বিসমিল্লাহ শরিফের কতিপয় ফজিলতঃ
“বিসমিল্লাহ হির রহমানির রাহিম”
বিধিঃ অবশ্যই প্রতিটি আমলের জন্য একজন কামেল
ব্যক্তির যর্থাথ অনুমতি ও সঠিক বিধি মেনে পড়তে
হবে।
১ম) যে কোন সৎ উদ্দেশ্য পূরনের জন্য উক্ত
আয়াত শরিফ এক রাত্রে ১২ (বার) হাজার পাঠ করিলে
এবং প্রতি হাজারের পর দুই রাকাত নফল নামজ পড়িতে
হইবে।
২য়) প্রতিদিন (মুসলিম) ফজর ও এশা নামাজ বাদে যদি
৭৮৬ (সাত শত সিয়াষি) বার উক্ত আয়াত পাঠ করা হয়
তবে সকল রকম বিপদাপদ থেকে নিরাপদ থাকা যায়।
৩য়) বর্ষা মৌসুমের বন্যার পানী সংরক্ষন করে যদি
উক্ত আয়াত এক হাজার বার বিধি মত পাঠ করে পানিতে
ফু দিয়ে কোন ব্যক্তি পান করে তবে সে
সকলের নিকট প্রিয় পাত্র হবে এবং নেতা হয়ে
যাবে।
৪র্থ) বর্ষা মৌসুমের বন্যার পানী সংরক্ষন করে যদি
উক্ত আয়াত এক হাজার বার বিধি মত পাঠ করে পানিতে
ফু দিয়ে কোন ব্যক্তি একাধারে সাতদিন পান করিলে
সেই ব্যক্তির মেধাশক্তি ও ধী-শক্তি প্রখর
হইবে।
৫ম) প্রতিদিন প্রযাপ্ত পরিমানে পাঠ করিতে থাকলে
স্রষ্টার কৃপায় সে মালদার হইবে এবং রোজগারে
বরকত হইবে।
৬ষ্ঠ) কোন অত্যাচারির সামনে বসিয়া যদি মনে
মনে উহা তেলাওয়াত করা হয় তবে অত্যাচারির হৃদয়
কোমল হইবে সে আর অত্যাচার করিতে পারিবে
না।
৭ম) প্রতিদিন ঘুমানোর আগে যদি কোন ব্যক্তি
আড়াই হাজার বার পাঠ করে ঘুমায় তবে সমস্ত মাখলুক
তার অনুগত হইবে।
৮ম) অনাবৃষ্টির সময় খাছ দিলে যদি কেউ বিধি মত
মাত্র ৭১ (একাত্তর) বার পাঠ করে বৃষ্টির জন্য র্পাথনা
করে তবে অবশ্যই বৃষ্টি হইবে।
৯ম) কোন ব্যক্তি যদি সূর্যদ্বয়ের সময় কেবলার
দিকে মুখ করিয়া তিনশত তেরবার উহা পাঠ করে এবং
শেষে একশত বার যে কোন দরুদ পাঠ করে
তবে তার রোজগার উত্ত্বরত্তর বৃদ্ধি পাইবে।
১০ম) কোন কয়েদি ব্যক্তি যদি কয়েদ খানায় বসিয়া
বিধি মোতাবেক এক বৈঠকে ১০০০( এক হাজার) বার
পাঠ করে তবে তার কয়েদ থেকে মুক্তির পথ
সুগম হইবে।
১১তম) ঘুমানোর আগে যদি বিধি মোতাবেক
কোন ব্যক্তি মাত্র ২১ বার তেলাওয়াত করে ঘুমায়
তবে তার ঘরে সেদিন চোর, ডাকাত, দেও, দানব,
জ্বীন, শয়তান কেহই উপদ্রব করিতে পারিবে না।
১২তম) কোন উন্মাদ পাগল বা মৃগি রুগীর বা জ্বীন
ধরা রোগীর কানে কানে বিধি মোতাবেক ৪১
(একচল্লিশ ) বার পাঠ করে যদি তাকে দম করা যায়
তবে তার এই সমস্যা লাঘব হইবে।
১৩তম) প্রেসমেন্ট কাগজ বা যে কোন পবিত্র
কাগজে বা চামড়ায় বা কাপড়ে নিয়ম মাফিক ৬২৫ ( ছয়
শত পচিঁশ ) বার লিখে সংগে রাখিলে সে ব্যক্তিকে
সকলে সম্মান করে এবং তার সমাজে সু-নাম প্রতিষ্ঠা
হয়।
ইহা ছাড়াও এই মহিম্মানিত আয়াতের আরও অসংখ্য
গুনাগুন রয়েছে যদি বিধি মোতাবেক ইহা পাঠ করা হয়
তবে তার সকল প্রকার সমস্যা বা প্রয়োজন
মেটানো সম্ভব।
মন্ত্রগুরু
Share

নারী বশীকরন টোটকা

নারী বশিকরন টোটকা

বশিকরণ টোটকা সবচাইতে সহজ এবং দ্রুত ফল দান কারী যেমন কোন মন্ত্র বা তন্ত্র প্র্য়োগ করলে যেমন ৭ দিনের সাধনা করলে প্রায় ৪৯ দিন লেগে যায় কিন্তু টোটকাতে প্রায় সাতে সাতে সব্বর্চ ১৪ দিন লাগতে পারে। তাই এতে সমস্য এবং সময় দুটোই কম কিন্তু একটা জিনিস খেয়াল রাখতে হয় তা হলো সঠিক দিন এবং সঠিক পয়ান। নিচে দুটো বহুল পরিক্ষিত টোটকা দেওয়া হলো ব্যবহার করুন- যে স্ত্রীকে বশ করতে চান তার ঋতু কালিন ব্যবহৃত কাপরের একটি টুকরো সাধরনত গ্রামের মেয়েরা এক কাপর কয়েকদিন/কয়েক বার ব্যবহার করে এটা খুজে বের করার দায়িত্ব আপনাদের তবে আমি এটুকু বলবো মেয়ের ঋতুকালীন কাপর খুজতে গিয়ে আবার মেয়ের মায়ের কাপর নিয়ে আসবেন না। এবার সেই কাপরের কিঞ্চিৎ কেটে নিয়ে তাতে রেডির তৈল মাখিয়ে আগুনে জ্বালাবেন এবং সেটাকে কাজল বানাবেন এবার সেই কাজল চোখে দিয়ে সেই মেয়ের সাথে দেখা করবেন। এবার দেখেন সেই মেয়ে আপনাকে কি বলে, সে অবশ্যই আপনাকে মনে করবে না যে আপনি তার বাপ চাচা বা অন্য কেউ !

আবার অশ্বনী নক্ষত্রে পলাশ গাছের শিকর হাতে নিয়ে সেই দিন যদি আপনার কাঙ্খিত মেয়ের সাথে দেখা করেন তবে সেই মেয়ে আপনাকে দেখা মাত্র বিচলিত হবে এতে বিন্দু মাত্র সন্দেহ নাই । তবে পলাশ গাছ খুজে পাওয়া টা যেমন আপনার ব্যক্তিগত তেমনি গুরুর অনুমতি বিহিন এই কাজটি করাও মুর্খতা ছাড়া অন্য কিছু বলে আমি মনে করি না। তবে আপনি কিছু কিছু গাছ নিজ প্রয়োজনে আপনার বসত বাড়ীর চারপাশে লাগাতে পারেন এতে আপনার প্রেমিক হৃদয়ের স্বারাদিতে যেমন কাজে লাগবে প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করতেও কাজে লাগবে এবং ঔষধি গাছ হিসাবে তো লাগবেই।। তাই গাছটি আজই খুজে বের করুন
মন্ত গুরু জ্বিন সাধন। তন্ত মন্ত কালো যাদু তাবিজ টোটকা
ও জ্বিন চালানের মাধমে তদবির করা হয়
আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে
অনলাইনের মাধমে তদবির করতে পারেন
আরো জানতে নিচের নাম্বার  কল করুন

অবাধ্য/দুষ্টা স্ত্রী বশীকরণ মন্ত্রঃ


অবাধ্য/দুষ্টা স্ত্রী বশীকরণ মন্ত্রঃ

বর্তমান সমাজে দেখা যায়  অনেক ভাই এই বিপদের সম্মুখীন হয়ে পড়েছেন। আর সেটা হচ্ছে পরকীয়া বা অবৈধ্য সম্পর্ক্য গড়ে তোলা। আসলে আমাদের নিজের ভুলের কারণে এসকল ভুল ভ্রান্তি হয়ে থাকে। তবে বেশির ভাগ দেখা যায় যাহারা বিদেশে থাকে তাদের ক্ষেত্রেই এসব ঘটনা ঘটে। কারণ বর্তমান সমাজে মানুষ শুধুই অর্থের  পিছনে ছুটাছুটি করে। সেই কারণে আমাদের কে অনেক সময় দেখা যায় দেশের বিভিন্ন স্থানে কাজের জন্যে যেতে হয়। কিংবা অনেক সময় দেশে পরিবার ছেড়ে বিদেশে গিয়ে অর্থ উপার্জনের জন্যে যেতে হয়। অনেক পরিবারে দেখা গেছে স্বামী বিদেশে গেছে টাকা পয়সা ইনকাম করার জন্যে। বেশি বেশি টাকা রোজগার করে তাদের ভবিষ্যৎ উন্নতির জন্যেই আর তাদের পরিবারকে সমাজের উন্নশীল পরিবারে মতোই গড়ে তুলতে মানুষ বিদেশে কাজ করতে যায়। বিদেশে অবস্থানরত প্রবাশী ভাইয়েরা প্রায়ই একটা সমস্যার সমুখীণ হয় অার সেটি হলো, দেশে তাদের স্ত্রীরা পরকীয়ায় পরে। আসলে একটা মেয়ে মানুষের জিবনে তার সবচেয়ে চাওয়া পাওয়া হলো তার স্বামী। স্বামীকে কাছে না পেয়ে অনেক দিন ধৈর্য্য ধারণ করার পর দেখা যায় অনেক মেয়েরাই নোংরা কাজে লিপ্ত হয়ে পরে। আবার অনেকেই রয়েছে তাদের স্বামীর পথ চেয়ে সারাজিবন ধৈর্য্য ধারণ করে। সেই নারী বুঝতে পারে যে, আমার স্বামী আমাদের পরিবারের জন্যেই দেশ ছেড়ে বিদেশে গিয়ে টাকা রোজগার করছে। কেন আমি অবৈধ্য কাজে লিপ্ত হয়ে জিবন ও পরকাল ধ্বংস করবো। তবে এই সব ভাবে বেশির ভাগ ঈমান দার মা ও বোনেরা কিন্তু যেসকল দুষ্টা স্ত্রী ও অবাধ্য স্ত্রী রয়েছে ঠিক তাদের জন্যেই আমি বলবো নিচের প্রক্রিয়া টি কাজে লাগাতে পারবেন অথবা আমাদের সাথে  যোগাযোগ করুন।  বিদেশী ভাইয়েরা আমাদের ইমেইল বা ইমু নাম্বারে যোগা যোগ করুন।
তন্ত মন্ত কালো যাদু টোটকা তাবিজ ও জ্বিন চালানের মাধেম তদবির করা হয়। আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলাইনের মাধমে
তদবিরা করতে পারেন। আরো জানতে নিচের নাম্বারে যোগা যোগ করুন

মন্ত্রঃ-“ওঁ ঠঃ ঠঃ ঠঃ ঠঃ অমুকীং (নারীর নাম) মে বশমানয় স্বাহা, হ্রীং ক্লীং শ্রীং শ্রীং ক্লীং স্বাহা।”
যে কোনও রবিবার উক্ত মন্ত্র ১০,০০০ (দশ হাজার) বার জপ করলে মন্ত্র সিদ্ধ হবে। তারপর রবিবার ৩০০ গ্রাম যবের আটা খুব মিহি করে পেষণ করে, জল দিয়ে মেখে একখানা মোটা রুটি তৈরী করে আগুনে এক দিকটা সেঁকে নিতে হবে, তারপর যে দিকটি সেঁকা হয়নি, সেইদিকে ঘৃতের দ্বারা সিন্দুর গুলে নিজের তর্জনী অঙ্গুলির দ্বারা উক্ত সিদ্ধমন্ত্রটি লিখে একটি পাত্রে রাখবে, তাতে গন্ধ (রক্ত চন্দন),পুষ্প ও পান-সুপারী দিবে। পরে ধূপ-দ্বীপ জ্বেলে ঐ রুটির উপর বটুকনাথের পূজা করে, দক্ষিনান্ত করে, রুটিতে দিবে। এবার তার উপর সাধ্যমত মিষ্টান্ন, দধি, চিনি এমনভাবে দিবে, যাতে ‍রুটি ঢাকা পড়ে যায়। তারপর যাকে বশ করবে, তার নাম উচ্চারণ করে উপরোক্ত সিদ্ধ মন্ত্র ১০৮ (একশ আট) বার জপ করতে করতে ঐ রুটিকে টুকরো টুকরো করে কোন ও কালো কুকুরকে খাওয়াবে। এই ক্রিয়া করলে এবং সাধক পূর্ণ ব্রক্ষচর্য পালন করলে অভিলষিত নারী বশীভূতা হবে।

পুরাতন পোষ্ট গুলি দেখুন