অদৃশ্য হবার কালো যাদু

                         অদৃশ্য হবার কালো যাদু
এখন হয়তো আর কাউকে প্রুফশিট প্রদান করতে হবে
না, কারন বর্তমান স্যোসাল মিডিয়ার কল্যানে ও
বিভিন্ন পত্রিকায় বিষয়টি বেশ আলোড়িত।
তান্ত্রিক বা আধ্যাত্মিক কোনও অলৈাকিক
কাজের প্রমান বা স্বাক্ষি থাকে না কিন্তু অনেক
সময় আমাদের সকলের চোখের সামনেই তা ঘটে চলে
আমরা আমাদের অনুভব ও পরিবেশের বৈপিরিত্ব
দেখেই উপলব্ধি করি। ঘটনাটি এমন আমাদের কাছে
বেশ কিছুদিন যাবৎ কয়েকজন অদৃশ্য হওয়ার তদবীর
চাচ্ছিলো কিন্তু তদবীর টি পরিক্ষিত না হওয়ার
অত্যন্ত স্বল্প দক্ষিণায় অভিজ্ঞ গুরুদের দ্বারা
কয়েকজন ক্লাইন্টকে তদবীরের অনুমতি দেয়া হয়,
পরিক্ষিত না হয়ওয়ায় ক্লাইন্টদের বিস্তারিত তথ্য
উপাত্ত ও গ্রেট পর্যালোচনা না করেই কাজ শুরু করা
হয়, যাদের প্রশিক্ষণের ৭৫ দিনের মাথায় ২ জন
ক্লাইন্টের সাথে যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে যায়
একজন আমাদের তার সফলতার বিষয় অবহিত করেন।
পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি বাকি ২জন
ক্লাইন্টও সফল, তবে আমাদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন,
তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টাকালিন জানা
যায় তারা তাদের অমানবিক দুষ্টবুদ্ধির প্রবল চাপে
সমাজে নানাবিধ অসামাজিক অপকর্মের সাথে
জরিয়ে পরেছে, বর্তমানে আমাদের পক্ষহতে তাদের
নিজ আয়ত্বে নিয়ে ব্যবস্থা দেয়ার প্রক্রিয়া
অব্যাহত। হয়তো বিষয়টি দেশেই নয় দেশের বাইরেও
সমান ভাবে প্রচার পেয়েছে তবে এ জন্য কনোভাবে
আমরা দায়ি নই, কারন আমাদের কাজ প্রশিক্ষণ
প্রদান করা প্রশিক্ষিত ছাত্ররা যদি ভুল রাস্তায় পা
বারায় তবে কি ভাবে শিক্ষক দায় গ্রহন করবে। তবে
ভবিষ্যতে আর কাউকে এভাবে প্রশিক্ষণের আওতায়
নেয়া হবে না। প্রতিটি ছাত্রের লাগাম অবশ্যই
আমাদের হাতেই রাখা হবে। আমাদের সকল সেবা
ব্যক্তি, সমাজ, জাতী তথা সারা বিশ্বের মানব
কল্যানে, কনো ভাবেই মানব অনিষ্টকারক কিছু হতে
দেয়া হবে না।। অদৃশ্যতন্ত্র একটি প্রাচিন প্রশিদ্ধ
তন্ত্র, যা মানুষ তার নিজের ও সমাজের মঙ্গলহেতু
ব্যবহার করতে পারে। সকল সাধনার ক্ষেত্রেই
সাবধানতা ও জীবনের সংশ্বয় থাকবেই, তবে যিনি
জয়ি তিনিতো অক্ষয়। আপনারা যারা ইতিপূর্বে এই
সাধনা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন তারা
যোগাযোগ করতে পারেন তবে অবশ্যই মানব
কল্যানের নিমিত্তে। আমরা অবশ্যই আপনাকে

সার্বিক ভাবে সহযোগিতা করবো।। তন্ত মন্ত কালো যাদু ও জ্বিন চালানের মাধমে তদবির করা হয় যে কোন কাজ ৩/৫দিনে ১০০%গ্যারান্টিতে করা হয়। আপনার যে কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলাইনের মাধমে তদবির
করতে পারেন। বা যে কোন বিদ্যা প্রশিক্ষন পেতে পারেন
আরো জানতে নিচের নাম্বারে যোগা যোগ করুন। ধন্যবাদ

মহা বশীকরণ। কুফরি মন্ত

। মহা বশিকরন কুফরী মন্ত্রঃ
মন্ত্রঃমাদার মনি অস্তাগ মনি,দোহায় আজাজিল
অমকের রুহু টানি,কাফ্ফাতা কুদরতে, মুহম্মদ গুরুর
দোহায় অমকের জান প্রান যৌনহানী আমাকে এনে
দে।আল্লার মস্তক কাল্লা ফাটে,আমার বিদ্যায়
অমকের মন প্রাণ দেহ যৌন আয় ছুটে।সামনে
আলী,পিছনে কালী,উত্তরে আজাজিল,বামে আল্লা
জুল জালালী।অমকের মন প্রাণ আমি করলাম চুরি,পার
কর মোকাররোম দোহায় তোরী।বিদ্যা যদি উল্টা
খাটে,দোহায় হযরত নবী ইবরাহিম আর নবী মহম্মাদের
মাথা ফাটে,লাগ আল্লার নামে লাগ,শয়তানের
নামে আমার দিকে অমকের মহব্বত জাগ।।।
বিদ্রঃআপনার পছন্দের মানুষের মন যতই কঠোর হোক
না কেন,অথবা শরীর বন্ধ থাকুক না কেন।এই মন্ত্রের
কাজ 100% মাত্র ৩ দিনে ফলাফল।
সমাধানঃ তাই যারা যারা কাজ করাতে ইচ্ছুক শুধু
তারাই আর দেড়ী না করে এক্ষুনী যোগাযোগ করুন।। তন্ত মন্ত কালো যাদু টোটকা ও জ্বিন চালানের মাধমে তদবির করা হয়। যে কোন কাজ ৩/৫দিনে ১০০%গ্যারান্টিতে করা হয়।  আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলাইনের
মাধমে তদবির করতে পারেন। আরো জানতে নিচের নাম্বারে যোগা যোগ করুন

ধ্যানের গভীরে প্রবেশ করার শ্রেষ্ঠতম উপায় “ত্রাটক”

। ধ্যানের গভীরে প্রবেশ করার
শ্রেষ্ঠতম উপায় “ত্রাটক”
।শুভ ভ্যলেনটাইনস ডে, বিশ্বের সকল হৃদয়বান মানুষদের
জন্য আমাদের ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা রইলো। আজ
আমরা এমন একটি বিষয় আলোচনা করবো, যা
আমাদের নিকট সম্প্রতি ত্রাটক গুরুগণ প্রেরন করেছেন
সর্বসাধারনের অবগতীর জন্য। আমরা ইতিপূর্বে ত্রাটক
সাধনা সর্ম্পক্যে সাম্ম্যক অবগত হয়েছি এর দ্বারা
সম্ভব্য কাজ সম্প্যর্কে জেনেছি। আজকের নতুন
বিষয়টি হচ্ছে ত্রাটক সাধনায় রশ্মির ব্যবহার,
সর্ম্পক্যে, আমরা জানি পৃথিবীতে প্রাকৃতিক শক্তির
মধ্যে যদি সর্ববৃহৎ শক্তি আখ্যা দেওয়া হয় তবে তা
সুর্যকেই দিতে হবে। দির্ঘ্যদিন যাবৎ সূর্যের
অপরিমিত শক্তিকে কাজে লাগিয়ে এর দ্বারা
বিভিন্ন ভাবে আমরা উপকৃত হতে পারি কি না তা
ভেবে দেখা হচ্ছিল। যেমন আমরা জানি সুর্যের
আলোক ও তাপ শক্তিকে বিজ্ঞানিগণ নানারুপে
ধারন করে তা আমাদের প্রত্যাহিক জীবনের নানা
কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। আবার এও জানি এই
বিশ্বব্রহ্মান্ডের এমন কিছু গ্রহের প্রানী রয়েছে
যাদের বেঁচে থাকার জন্য খাদ্য হিসেবে শুধু সুর্য্য
কিরণ প্রয়োজন পরে। ঠিক যেমনটি আমরা বেঁচে
থাকার প্রয়োজনে বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্য পানিয় দ্রব্য
খেয়ে থাকি। ন্যাশনাল জীওগ্রাফির বদৌলতে আমরা
অনেকেই জানি আধুনিক ভারত বর্ষেও জৈনিক সাধু
ব্যক্তি দির্ঘ্য কয়েক বছর যাবৎ শুধু মাত্র সুর্য্য কিরণ
শরীরে শোষণ করে অন্য কোন প্রকার খাদ্য দ্রব্য না
খেয়েই বেচে রয়েছে। আমরা এ বিষয়টি বহুবার
আলোচনায় এনেছি যে এমন কিছু সম্ভব কি না যা
দ্বারা ত্রাটকে সূর্য শক্তিকে ব্যবহার করা যায়।
দির্ঘ্য গবেষনা ও চর্চার পর্যবেক্ষনের ফলে সম্প্রতি
আমাদের গুরুগণ এই বিষয়টি জানিয়েছে যে একটি
মানুষ যদি ত্রাটক সাধনার স্বাভাবিক প্র্যাকটিস
বাদ দিয়ে শুধু ত্রাটকের সূর্য্য সাধন করে তবেই সে
তার অতিত ভবিষ্যৎ শত্রু মিত্র জীবনের সকল প্রকার
ভালো মন্দ সহসাই নিজেই নিয়ন্ত্রত করতে সক্ষম হবে।
এর সময় ও পরিশ্রমও তুলনা মূলক কম তবে কিছুটা কষ্ট
সাধ্য অবশ্যই। আমাদের গুরুগণের অনুমতি ও পরামর্শ্য
ছিলো এর কিছু নিয়মাবলী আপনাদের সামনে উন্মচন
করা হোক এতে আমাদের বিগত স্টুডেন্ট ও যারা
আমাদের নিকট হতে দুরে রয়েছে তারাও হয়তো
ত্রাটকের এই সুর্য্য সাধনা প্র্যাকটিস করে উপকৃত হতে
পারবে। কিন্তু বাংলাদেশের মত একটি নকল প্রবন
দেশে এই কাজটি করা হতে আমরা বাধ্য হয়েই ক্ষান্ত
হলাম কারন আমরা জানি যেমন ত্রাটক সাধনার
স্রষ্টা আমাদের প্রতিষ্ঠান হয়েও আজ হাজার হাজার
ভুয়ো ফেইক তান্ত্রিক সাইটে লেখা দেখা যায়
ত্রাটক সাধনার প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। সেখানে আমরা এই
বিষয়টিও পোষ্ট করার সঙ্গে সঙ্গেই তা হাজার
হাজার কপি হয়ে যাবে।। তবে যে সকল শুভানুধ্যায়ী
ভাই বোনেরা ইতি পূর্বে ত্রাটক সাধনা গ্রহন
করেছেন এবং যারা করতে ইচ্ছুক তেনাদের জন্য বলা
হচ্ছে আপনারা অবশ্যই ইমেইলে আমাদের সাথে
যোগাযোগ করবেন তাহলেই আমরা ত্রাটক সাধনায়
সংযুক্ত হওয়া এই নতুন সুর্য্য সাধনার বিধি নিয়ম
আপনাদের মেইল করে প্রেরন করে দিবো। সকলেই
ভালো থাকবেন।।

ধ্যান ও মনের শক্তি নিজেকে জানা

ধ্যান  ও মনের শক্তি নিজেকে জানা
প্রত্যেক প্রাণীকে পরিচালিত করে তার মন। আর এই
মন এক বিশাল শক্তির আধার। মানুষের মনকে
ইতিবাচক পথে পরিচালিত করার জন্যে সারা পৃথিবী
ব্যাপী মন নিয়ন্ত্রনের নানা কৌশল শেখার চেষ্টা
চালাচ্ছে মানুষ যুগ যুগ ধরে। অতীতে সাধু সন্নাসীরা
ধ্যানের মাধ্যমে মনকে নিয়ন্ত্রণ করে আপাত
দৃষ্টিতে অসাধ্য এমন অনেক কাজ করে মানুষকে চমকে
দিয়েছেন।
অটুট বিশ্বাস ছাড়া কোন কিছু অর্জন করা আসলেই
সম্ভব নয়। মানুষের হাসি কান্না, সুখ দুখ সব অনুভূতিই মন
থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়। মন মানুষকে যেমন ভাল বা
ইতবাচক দিকে পরিচালিত করতে পারে, তেমনি
নেতিবাচক দিকেও। মনের শক্তিতে বলিয়ান হয়ে
মানুষ নানা অসাধ্য সাধন করে।আবার মনের শক্তি
হারিয়ে পরাজয় স্বীকার করে আত্মহত্যাও করে বসে।
মন আসলেই আল্লাহপাকের সৃষ্ট এক রহস্যেভরা
মহাশক্তির আধার। মনকে সঠিকভাবে পরিচালিত
করতে পারলে আমরা সরল ও সঠিক পথে থাকতে
পারবো।
বিশ্বাস থেকে শক্তি পায় মন। পৃথিবীর বিভিন্ন
দেশে মানুষের মনকে নিয়ন্ত্রনের নানা কৌশল
প্রয়োগ হচ্ছে। আমাদের দেশেও কোয়ান্টাম মেথড,
সিলভা মেথড, লীড সহ আরো বেশ কিছু মেথড
প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। এসব মেথডের গুরুত্বকে খাটো
করে দেখার উপায় নেই। তবে এর কোনটাই জীবন
ধারনের মেথড বা পদ্ধতি নয়। এ রকমটা যারা বলে
তারা নিঃসন্দেহে মানুষকে কৌশলে ধোঁকা
দিচ্ছেন। এগুলোকে বরং বলা যায়, মানুষের মনকে
পজিটিভ করার কিছু কৌশল মাত্র। জীবন ধারনের
পদ্ধতি অবশ্যই নয়। জীবন ধারনের পরিপূর্ণ পদ্ধতি হলো
ইসলাম। কোরআন ও সুন্নাহর উপর অটুট বিশ্বাস থাকলে
মন এমনিতেই সঠিক পথে পরিচালিত হবে। এর জন্যে
বিশেষ কোন পদ্ধতির প্রয়োজন পড়ে না।
মনকে পজিটিভ পথে পরিচালিত করার কথা ইসলামই
বলে। কুচিন্তা ও ভীরুতা থেকে মুক্তির কথা ইসলামেই
আছে। কোরআন-সুন্নাহ মনকে নিয়ন্ত্রণ করার মহৌষধ।
এরপরও মানুষ নানা ধোঁকায় পড়ে বিভ্রান্ত হয়।
তবে বড়ই বিচিত্র জিনিস এই ‘মন’। পজিটিভ থাকা
সত্বেও অনেক সময় শয়তানের প্ররোচনায় মন দ্রুত
নেগেটিভ পথে হাঁটা শুরু করে দেয়। যে বিশ্বাস
এতোদিন তার মধ্যে শক্তি যুগিয়েছে, সেই মনই আবার
সবকিছু ভেঙ্গে চুরমার করে দিতে সময় নেয় না। মনের
গতি প্রকৃতি নির্ণয় করা তাই কোন মানুষের পক্ষে
সম্ভব নয়।
কিন্তু এসব আমার এখনকার আলোচ্য বিষয় নয়। আলোচ্য
হলো, মনের শক্তি বিশ্বাস। এই বিশ্বাস মানুষকে
কিভাবে শক্তি যোগায় তার একটা বাস্তব ঘটনা শুনুন।
হাজার বছর ধরে মানুষ ৪ মিনিটে ১ মাইল দৌড়ানোর
বহু চেষ্টা করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিল যে,
মানুষের দৈহিক গঠনের কারনে সেটা একেবারেই
অসম্ভব। মানুষের ফুসফুসের গঠন এবং হাঁড়ের
কাঠামোর জন্যে মানুষ কখনোই ৪ মিনিটে ১ মাইল
দৌড়াতে সক্ষম হবে না। দু’হাজার বছর কেটে গেলো
এভাবেই। তারপর একদিন এলো শুভ দিন। বিশেষজ্ঞরা
গবেষনা করে জানালেন, আগের ধারনা ভুল। এবার
ঘটলো আরো চমকপ্রদ ঘটনা। রজার ব্যনিষ্টার নামের
এক দৌড়বিদ ৪ মিনিটে ১ মাইল দৌড়ে প্রথম বিশ্ব
রেকর্ড স্থাপন করলেন। এর ৬ সপ্তাহের মধ্যে জন
ল্যান্ডি নামের আরেক দৌড়বিদ আরো ২ সেকেন্ড
কম সময়ের মধ্যে ১ মাইল দৌড়ে রজার ব্যনিষ্টারের
রেকর্ড ভেঙ্গে দিলেন। সেই শুরু। এরপর হাজারেরও
বেশী দৌড়বিদ ৪ মিনিটের কম সময়ে ১ মাইল
দৌড়েছেন। এতে একটা বিষয় সুষ্পষ্ট হয়েছে যে, যখন
মানুষ বিশ্বাস করেছে সে পারবে না তখন পারেনি।
আর যখনই বিশ্বাস করেছে সে পারবে তখন ঠিকই
পেরেছে।
মানুষকে তার নিজের বিশ্বাসের শক্তি সম্পর্কে
বোঝাবার জন্যে আমাদের দেশের কোয়ান্টাম
মেথডে এই বিষয়টা ফোকাস করা হয়।
নেতিবাচক বা ইতিবাচক বিশ্বাসগুলো মানুষের মনে
বাল্যকাল থেকেই গেঁথে যায় তথা ইনষ্টল হয়ে যায়।
অনেকটা কম্পিউটারের সফটওয়ার ইনষ্টলের মতোই।
বেশ কিছু নেতিবাচক সফটওয়ার আমাদের অজান্তে
আমাদের অবচেতন মনেও কাজ করে। যার কারনে
আমরা অহেতুক ভয়ে ভীত থাকি। কিছু কুসংস্কার ও
ভীতি মনে ইনষ্টল হয়ে যাবার কারনে মন পজিটিভ
কাজ করার সাহস পায় না।
আমাদের মুরব্বীদের অজ্ঞতার কারনে আমরা
অনেকেই বাল্যকাল থেকেই পীর ফকির ও মাজারের
অলৌকিক ও কল্পিত ক্ষমতায় বিশ্বস্ত হয়ে পড়ি। যার
কারনে কোন বিপদ আপদে মাজারে বা পীর ফকিরের
দরবারে নানাজাতের মানত করে থাকি। কিন্তু আমরা
জানি না যে, এগুলো সরাসরি শির্ক। এসব শির্ক যারা
করে তাদের পরিনাম জাহান্নাম ছাড়া আর কোথাও
নয়। নানা কুসংস্কার যেমন হাঁচি দেওয়া বা খালি
কলসী দেখা কিম্বা কুকুরে ডাকা অনিষ্টের লক্ষণ
বলে মনে করার বিষয়গুলো বাল্যকাল থেকেই মনের
মধ্যে ইনষ্টল হয়ে যায়। আর এই ভুল সফটওয়ারগুলোই
আমাদেরকে সারাজীবন পরিচালিত করে ভুল পথেই।
নিজের অজান্তেই আমরা ধাবিত হই জাহান্নামের
পথে। ভ্রান্ত সফটওয়ারে ভ্রান্ত বিশ্বাসে জীবনটা
ভ্রান্তির মধ্যেই কেটে যায়।
খেয়াল করুন, সার্কাসে জঙ্গলের দুরন্ত এবং বিশাল
শক্তিসম্পন্ন একেকটা হাতিকে কিভাবে পোষ
মানিয়ে ছাগল বাঁধার একটা খুঁটির সাথে বেঁধে
রাখলেও সে আর পালাতে পারে না। বাচ্চা হাতিকে
যখন ধরে আনা হয়, তার পায়ে শিকল দিয়ে শক্ত করে
বেঁধে রাখা হয়। দুরন্ত এই বাচ্চা হাতি শিকল ছেঁড়ার
জন্যে প্রানান্ত চেষ্টা করে। কিন্তু তার ছোট্ট শরীর
দিয়ে এই বাচ্চা হাতিটা সে শিকল ছিড়তে পারে না।
উল্টো তার পা কেটে রক্তাক্ত হয়ে যায়। সে আবার
চেষ্টা করে। রক্তাক্ত পা আরো রক্তাক্ত এবং
বিষাক্ত হয়ে পড়ে। শিকল ছেঁড়া তার জন্যে আরো
বেশী কঠিন হয়ে যায়। এভাবে অনেক চেষ্টা করে এক
সময় সে হার মানে। বন্দিত্বের এই ছয়ফুট গন্ডিকেই
তার নিয়তি হিসেবে মেনে নেয়। ধীরে ধীরে এই
সফটওয়ারটা তার মধ্যে ইনষ্টল হয়ে যায়। পরবর্তী
সময়ে এই বাচ্চা হাতিটা বিশাল দেহের ও শক্তির
অধিকারী হলেও ছাগল বাঁধার একটা খুঁটির সাথে
তাকে বেঁধে রাখলেও সে আর তা ছিঁড়ে পালাবার
সাহস করে না। পায়ে শিকলের টান পড়লেই বুঝে নেয়
তার সীমানা শেষ। এমনও হয়েছে, সার্কাসে আগুন
লাগায় সবাই পালিয়ে গেলেও হাতির পায়ে
শিকলের টান পড়ায় সে আর পালাবার চেষ্টা
করেনি। আগুনে পুড়ে মারা গেছে। অথচ নেতিবাচক
সফটওয়ারটা তার মধ্যে না থাকলে সে ইচ্ছে করলেই
সবকিছু তছনছ করে পালাতে পারতো। কেবল
সার্কাসের হাতি নয়, মানুষ থেকে শুরু করে পৃথিবীর
সমস্ত প্রাণী এরুপ ইতিবাচক বা নেতিবাচক সফটওয়ার
দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। মনোবিজ্ঞানীরা নানা
পরীক্ষা নিরীক্ষা দ্বারা তার প্রমাণ পেয়েছেন।
খেয়াল করে থাকবেন, কিছু মুসলমান নামধারী ব্যক্তি
একদিকে নামাজও পড়েন, আবার মাজার বা পীরের
উপরও বিশ্বাস রাখেন। আবার নিজের কল্যানের জন্য
আল্লাহর কাছে নয়, পীর ফকির এবং তাবিজ কবজের
আশ্রয় নেন। বাল্যকালে এসব ভুল সফটওয়ার তার মধ্যে
ইনষ্টল হওয়ার কারনে সে এমন ভুল পথে পরিচালিত
হচ্ছে। আল্লাহর উপর অটুট বিশ্বাস যদি তার মধ্যে
ভালভাবে ইনষ্টল হতো, তাহলে পৃথিবীর কোন কিছুই
তাকে টলাতে পারতো না। আমি অনেক পীর এবং
আলেমকে দেখেছি যারা কোরআন হাদীসে অনেক
বিশেষজ্ঞ বটে, কিন্তু বাল্যকালের শেখানো
ভুলগুলো তারা শেষ বয়সে এসেও শুধরাতে পারেননি।
মাথার মধ্যে ভুল সফটওয়ার ইনষ্টল থাকায় কোরআন-
হাদীসের কথাগুলো ভালমত আমল করতে পারছেন না।
কাজেই আল্লাহর উপর অটুট বিশ্বাস এবং ইতিবাচক
মনোভাব ছাড়া মনকে সরল ও সঠিক পথে পরিচালিত
করা সম্ভব নয়।
মন্ত গুর জ্বিন সাধনা।

সকল কাজে সফলতা লাভের মন্ত

সকল কাজে সফলতা
মন্ত্রঃ
জাগো জাগো ব্রক্ষ্ম তুমি যক্ষ পক্ষ নিয়ে। নাহি
ব্রক্ষ্মন্ড উঠি,আমি অমুক কাজে লাগাই তোরে। সেই
কামে লাগ লাগ লাগ। শয়তান আসে ব্রক্ষ্মের কাছে
বানী মোর নিয়ে। মোর অমুক কাজ করিবে ব্রক্ষ্ম
শয়তান মিলে। জাগ্রনী চন্ডাল হেতু।ব্রক্ষ্ম শয়তান
মহা হেতু। লাগ লাগ লাগ অমুক কাজে লাগ লাগ লাগ
শীঘ্র লাগ। ওম হ্রীং শ্রীং ক্লীং ভবতে ব্রক্ষ্ম
নমঃ। আমার এই কদাচ বাক্য যদি হয় মিছে। শয়তান
ব্রক্ষ্মের মাথা খা।।
নোটঃ
এই মন্ত্র শয়তান ব্রক্ষ্ম মন্ত্র।এই মন্ত্র দ্বারা সকল
ধরনের খারাপ ও ভালো কাজ করা যায়।যা বলেও
শেষ করা যাবে না। এই মন্ত্রের কাজ করতে একটি
ত্রিয়জয়ন্তী এর গুড়ো লাগে এবং এই জিনিষ পেতে ও
নিয়ম জানতে কল করুন বা মেইল করুন। মন্ত গুরু জ্বিন সাধন।  সাইট থেকে। তন্ত মন্ত কালো যাদু ও কালী সাধনা ও জ্বিন চালানের মাধমে তদবির করা হয়। যে কোন কঠিন কাজ ৩/৫দিনে ১০০% গ্যারান্টি
সহকারে যেকোন কাজ করা হয়।
আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলাইনের মাধমে
তদবির পেতে পারেন।

এ্যাটক সাধনা করার উপায়।

এ্যাটক সাধনা করার উপায়।
প্রথমে।একটি শান্ত নিযুন রুম বা জায়গা।ঠিক করুন।যে খানে। আপনি প্রতি দিন।১৫/২০মিনিট।একা থাকতে পারেন। সাধনা শুরু করার আগে পাক পবিত্ত হয়ে নিন। তার পরে। একটি পবিত্ত আসন বিছিয়ে নিন। তার পরে। আগর বা মোমবাতি জালান। তার পরে।ছবি টির মতো করে। বসুন। এক মনে। ১০ বার জোরে জরো নিস্ষাস নিন। তার পরে চুখ বন্ধ করুন।মন থেকে সকল চিন্তা ভাবনা যেরে ফেলুন। মনে মনে ভাবুন
।আপনি এখন। মহা যাদুর জগতে আসেন।আপনার আসে পাসে কেউ নেই। ভাবুন আপনি দিরে দিরে এখন আকাশে শুনে বেসে বেরা চ্ছেন। তার পরে। এক মনে বিশ্বাস ও ভক্তিসহ মন্ত টি ৬মিনিট পরুন। মন্ত টি হলো ইযা আলহাবু। এই কুরানের মন্ত টি ৫ মিনিট বলার পরে। এক মনে ধ্যান করুন।আপনি জীবনে কি কি পেতে চান। বা কেরকম বিদ্যা লাশী হতে চান। তার পরে কল্পনা করুন। আপনি সব পেয়ে গেছেন ও আপনার মাযে এক অলৌকিক শক্তি বর করে ছে। এমক কিছু ধ্যান করুন। ১৫ মিনিট বা বেসি ও করতে পারেন। এবাবে। ২১দিনে। প্রিতি দিন।  এক সময় হতেহবে।।  দিরে দিরে আপনার বিতর অলৌকিক শক্তি জাগত হতে থাকবে।
তবে আপনারা যারা এই এ্যাটক সাধনা করতে চান আমাদের গুরু জির অনমতি নিয়ে চন্ডিবরন করতে হবে।
না হলে সারা জীবন সাধনা করলেও কোন ফল পাবেন না
এ্যাটক সাধনা করার আগে আমাদের কাজ থকে আপনাকে একটি তদবির নিতে হবে। তা আপনার ডান হাতে দাথতে হবে। এর পরে সাধনা শুরু করতেনহবে।
তার পরে আপনার মাযে দিরে দিরে অলৌকিক শক্তি জাগত হতে শুরু করবে। 
আপনার এই অলৌকিক শক্তির কথা গোপন রাখতে হবে।
এ্যাটক সাধনার তদবির টি মাদের কাজ থেকে নিতে হাদিয়া প্রথান করতে হবে।।
এ্যাটক। ও আধ্যাত্নিক বিদ্যা।
জ্বিন। পরী সাধনা। ও যে কোন বিদ্যা।
১০০%গ্যারান্টিতে প্রশিক্ষন দেয়া হয়।
আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেক অনলাইনোর 
মাধমে প্রশিক্ষন ও তদবির করতে পারেন।
তন্ত মন্ত কালো যাদু ও জ্বিন চালানের মাধমে কাজ করা
হয়। যে কোন কাজ ৩/৫দিনে গ্যারান্টিতে তদবির করা হয়।

বশীকরন কি কেনো করা হয়

বশীকরন কি
সাধারনত যখন কোন ব্যাক্তিকে আপনার প্রয়োজন
সেটা ভালোবাসার জন্য হোক বা আপনার কোন
কাজে ব্যবহারের জন্য হোক যদি তাকে আপনার
কাজে ব্যবহার করতে না পারেন সে যদি আপনার শত
চেষ্টাতেও আপনার কথা না শুনে তবে তাকে বাধ্য
করার জন্য তান্ত্রিক মতে যে পদ্ধতী ব্যবহার করা হয়
তাকেই বশিকরণ বলা হয়। সাধারনত বশিকরণে একজন
ব্যক্তি বা নারী অপর ব্যক্তির সর্ম্পন্ন আয়ত্তে
অর্থাৎ অনুগত্ত্ব থাকে। এটা কয়েক ভাবেই করা সম্ভব
সাধারনত যে সকল ব্যক্তির রাষ ভারি তাদের
কথাতেই অন্যরা অনুগত্ত্ব থাকে কিন্তু সাধারন
লোকের জন্য কিছু পদ্ধতী ব্যবহার করা হয়। যেমন
ত্রাটক, মন্ত্র, তন্ত্র, টোটকা, তাবিজ, দোওয়া
ইত্যাদি। কিন্তু এ সবের মধ্যে ত্রাটক’ই আমার মতে
সর্বপেক্ষা কার্যক্ষম কিন্তু অনেকে অন্যগুলোতেও
কাজ করে থাকে নিয়ম মাফিক কাজ করলে যে কোন
টাতেই দ্রুত কাজ করা সম্ভব। তবে বর্তমান যুগে যেহুতু
মানুষের মুখের সিদ্ধি নাই, আত্তার সিদ্ধি নাই তাই
সকল ক্ষেত্রে দেখা যায় মন্ত্র বা দোওয়ার চাইতে
টোটকা বেশি ফলবান। তবে যদি আপনি চান যেটা
ইচ্ছা প্রয়োগ করে দেখতে পারেন। এর জন্য কয়েকটি
বিষয় আপনাকে লক্ষ রাখতে হবেঃ- যেমন আপনাকে
তান্ত্রিক নিয়ম যানতে হবে তান্ত্রিক নিয়ম না
যানলে আপনি যদি প্রকৃত বৌশল্যকরণী গাছও নিয়ে
আসেন তবু সেটা মৃত্যুর কারন বই জীবন দান করতে ব্যর্থ
হবে। এবং বশিকরণ কার্যে হাত দেওয়ার আগে
কয়েকটি নমুনা আপনাকে যোগার করতে হবে-নিচে
তার বিবরণ দেওয়া হলো তবে সব গুলো নয় এখানকার
অন্তত্য দুটি জিনিস যোগার করতে পারলেই আপনি
অবশ্যই কাজে সফল হতে পারবেনঃ-
1. আপনার পছন্দের ব্যক্তির নাম।
2. আপনার পছন্দের ব্যক্তির মায়ের নাম।
3. আপনার পছন্দের ব্যক্তি ছেলে হলে তার পিতার
নাম।
4. আপনার পছন্দের ব্যক্তির ছবি।
5. আপনার পছন্দের ব্যক্তি প্রতিদিন যে পথে
যাতায়াত করে সেই পথ।
6. মেয়ের মাথার চুল।
7. মেয়ের পরনের কাপর।
8. মেয়ের ঋতু কালীন পরনের কাপর।
9. মেয়ের ঋতু স্নানের (গোসলের) পর তার যাওয়ার
রাস্তার পায়ের নিচের মাটি।
10. তার চলার সময় পায়ের নিচের মাটি।
11. তাকে খাওয়াতে পারবেন এমন একজন বাহক।
12. তার সাথে দেখা করার জন্য একটি স্থান।
13. তাকে ছুয়ে দিতে পারেন এমন অবস্থান।
14. তার গায়ে ফেলতে পারবেন এমন স্থান।
15. সে যে ঘরে থাকে তার অবস্থান যানা।
16. সে কখন ঘুমায় সেটার সময় যানা।
17. তার সাথে কথা বলতে পারবেন এমন সময়।
18. এমন কেউ যার মাধ্যমে তার কাছে কিছু পাঠাতে
পারবেন।
19. এমন কোন বস্তু বা ফুল যা তার হাত পর্যন্ত যাবে।।
উপরক্ত বস্তুগুলোর যে কোন দুইটি যদি আপনার কাছে
থাকে তবে তাকে যদি আপনি আপনার তান্ত্রিক/
মান্ত্রিক উপায়ে আপনার কবজায় আনাতে চান তবে
আপনি অবশ্যই সফল হবে।।
দ্রঃবঃ আপনারা যখন কোন কাজের জন্য
ফরমায়েস দিবেন, বিশেষ করে মেয়ে বা
ছেলেকে বশীকরন বা প্রেম পাওয়ার জন্য তার
আগে অবশ্যই আপনার নাম, আপনার বাবার নাম,
আপনার মায়ের নাম, আপনার জন্ম তারিখ ও যে
স্থানে আপনার জন্ম হয়েছে সেটার বিস্তারিত
ঠিকানা এবং আপনার ডান হাত অথবা বাম হাতের
তালুর একটি ছবি (সেটা স্ক্যান করে বা
মোবাইলে ছবি ) তুলে ই-মেইল করে পাঠাবেন।
সেই সাথে বাংলাতে আপনার সমস্যাটা লিখে
পাঠাবেন। আমাদের গ্রুপ সেটা পাওয়ার পর
আপনার সাথে বিস্তারিত কথা বলতে পারবে।।
আর আমাদের যা কিছু দেওয়ার বা বলার তা
মোবাইলে বা ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠানো হবে।
প্রয়োজন বোধে আপনার ঠিকানায় কুরিয়ার
যোগে পাঠানো হবে। 
। সরাসরি
যোগাযোগ শুধু মাত্র যারা আমাদের রেগুলার
স্টুডেন্ট তাদের সাথে করা হয়ে থাকে। তবে রোগি ও কিছু সাধনা প্রশিক্ষনের জনো সরা সরি আসতে পারেন ।  তবে আসার আগে অবশ্যই। আমাদের সাথে ফোনে যোগা যোগ করতে হবে। সাইটের নিচে নাম্বার ও ঠিকানা দেয়া হলো

পুরাতন পোষ্ট গুলি দেখুন