বিসমিল্লাহ শরিফের কতিপয় ফজিলতঃ


.
বিসমিল্লাহ শরিফের কতিপয় ফজিলতঃ
“বিসমিল্লাহ হির রহমানির রাহিম”
বিধিঃ অবশ্যই প্রতিটি আমলের জন্য একজন কামেল
ব্যক্তির যর্থাথ অনুমতি ও সঠিক বিধি মেনে পড়তে
হবে।
১ম) যে কোন সৎ উদ্দেশ্য পূরনের জন্য উক্ত
আয়াত শরিফ এক রাত্রে ১২ (বার) হাজার পাঠ করিলে
এবং প্রতি হাজারের পর দুই রাকাত নফল নামজ পড়িতে
হইবে।
২য়) প্রতিদিন (মুসলিম) ফজর ও এশা নামাজ বাদে যদি
৭৮৬ (সাত শত সিয়াষি) বার উক্ত আয়াত পাঠ করা হয়
তবে সকল রকম বিপদাপদ থেকে নিরাপদ থাকা যায়।
৩য়) বর্ষা মৌসুমের বন্যার পানী সংরক্ষন করে যদি
উক্ত আয়াত এক হাজার বার বিধি মত পাঠ করে পানিতে
ফু দিয়ে কোন ব্যক্তি পান করে তবে সে
সকলের নিকট প্রিয় পাত্র হবে এবং নেতা হয়ে
যাবে।
৪র্থ) বর্ষা মৌসুমের বন্যার পানী সংরক্ষন করে যদি
উক্ত আয়াত এক হাজার বার বিধি মত পাঠ করে পানিতে
ফু দিয়ে কোন ব্যক্তি একাধারে সাতদিন পান করিলে
সেই ব্যক্তির মেধাশক্তি ও ধী-শক্তি প্রখর
হইবে।
৫ম) প্রতিদিন প্রযাপ্ত পরিমানে পাঠ করিতে থাকলে
স্রষ্টার কৃপায় সে মালদার হইবে এবং রোজগারে
বরকত হইবে।
৬ষ্ঠ) কোন অত্যাচারির সামনে বসিয়া যদি মনে
মনে উহা তেলাওয়াত করা হয় তবে অত্যাচারির হৃদয়
কোমল হইবে সে আর অত্যাচার করিতে পারিবে
না।
৭ম) প্রতিদিন ঘুমানোর আগে যদি কোন ব্যক্তি
আড়াই হাজার বার পাঠ করে ঘুমায় তবে সমস্ত মাখলুক
তার অনুগত হইবে।
৮ম) অনাবৃষ্টির সময় খাছ দিলে যদি কেউ বিধি মত
মাত্র ৭১ (একাত্তর) বার পাঠ করে বৃষ্টির জন্য র্পাথনা
করে তবে অবশ্যই বৃষ্টি হইবে।
৯ম) কোন ব্যক্তি যদি সূর্যদ্বয়ের সময় কেবলার
দিকে মুখ করিয়া তিনশত তেরবার উহা পাঠ করে এবং
শেষে একশত বার যে কোন দরুদ পাঠ করে
তবে তার রোজগার উত্ত্বরত্তর বৃদ্ধি পাইবে।
১০ম) কোন কয়েদি ব্যক্তি যদি কয়েদ খানায় বসিয়া
বিধি মোতাবেক এক বৈঠকে ১০০০( এক হাজার) বার
পাঠ করে তবে তার কয়েদ থেকে মুক্তির পথ
সুগম হইবে।
১১তম) ঘুমানোর আগে যদি বিধি মোতাবেক
কোন ব্যক্তি মাত্র ২১ বার তেলাওয়াত করে ঘুমায়
তবে তার ঘরে সেদিন চোর, ডাকাত, দেও, দানব,
জ্বীন, শয়তান কেহই উপদ্রব করিতে পারিবে না।
১২তম) কোন উন্মাদ পাগল বা মৃগি রুগীর বা জ্বীন
ধরা রোগীর কানে কানে বিধি মোতাবেক ৪১
(একচল্লিশ ) বার পাঠ করে যদি তাকে দম করা যায়
তবে তার এই সমস্যা লাঘব হইবে।
১৩তম) প্রেসমেন্ট কাগজ বা যে কোন পবিত্র
কাগজে বা চামড়ায় বা কাপড়ে নিয়ম মাফিক ৬২৫ ( ছয়
শত পচিঁশ ) বার লিখে সংগে রাখিলে সে ব্যক্তিকে
সকলে সম্মান করে এবং তার সমাজে সু-নাম প্রতিষ্ঠা
হয়।
ইহা ছাড়াও এই মহিম্মানিত আয়াতের আরও অসংখ্য
গুনাগুন রয়েছে যদি বিধি মোতাবেক ইহা পাঠ করা হয়
তবে তার সকল প্রকার সমস্যা বা প্রয়োজন
মেটানো সম্ভব।
মন্ত্রগুরু
Share

নারী বশীকরন টোটকা

নারী বশিকরন টোটকা

বশিকরণ টোটকা সবচাইতে সহজ এবং দ্রুত ফল দান কারী যেমন কোন মন্ত্র বা তন্ত্র প্র্য়োগ করলে যেমন ৭ দিনের সাধনা করলে প্রায় ৪৯ দিন লেগে যায় কিন্তু টোটকাতে প্রায় সাতে সাতে সব্বর্চ ১৪ দিন লাগতে পারে। তাই এতে সমস্য এবং সময় দুটোই কম কিন্তু একটা জিনিস খেয়াল রাখতে হয় তা হলো সঠিক দিন এবং সঠিক পয়ান। নিচে দুটো বহুল পরিক্ষিত টোটকা দেওয়া হলো ব্যবহার করুন- যে স্ত্রীকে বশ করতে চান তার ঋতু কালিন ব্যবহৃত কাপরের একটি টুকরো সাধরনত গ্রামের মেয়েরা এক কাপর কয়েকদিন/কয়েক বার ব্যবহার করে এটা খুজে বের করার দায়িত্ব আপনাদের তবে আমি এটুকু বলবো মেয়ের ঋতুকালীন কাপর খুজতে গিয়ে আবার মেয়ের মায়ের কাপর নিয়ে আসবেন না। এবার সেই কাপরের কিঞ্চিৎ কেটে নিয়ে তাতে রেডির তৈল মাখিয়ে আগুনে জ্বালাবেন এবং সেটাকে কাজল বানাবেন এবার সেই কাজল চোখে দিয়ে সেই মেয়ের সাথে দেখা করবেন। এবার দেখেন সেই মেয়ে আপনাকে কি বলে, সে অবশ্যই আপনাকে মনে করবে না যে আপনি তার বাপ চাচা বা অন্য কেউ !

আবার অশ্বনী নক্ষত্রে পলাশ গাছের শিকর হাতে নিয়ে সেই দিন যদি আপনার কাঙ্খিত মেয়ের সাথে দেখা করেন তবে সেই মেয়ে আপনাকে দেখা মাত্র বিচলিত হবে এতে বিন্দু মাত্র সন্দেহ নাই । তবে পলাশ গাছ খুজে পাওয়া টা যেমন আপনার ব্যক্তিগত তেমনি গুরুর অনুমতি বিহিন এই কাজটি করাও মুর্খতা ছাড়া অন্য কিছু বলে আমি মনে করি না। তবে আপনি কিছু কিছু গাছ নিজ প্রয়োজনে আপনার বসত বাড়ীর চারপাশে লাগাতে পারেন এতে আপনার প্রেমিক হৃদয়ের স্বারাদিতে যেমন কাজে লাগবে প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করতেও কাজে লাগবে এবং ঔষধি গাছ হিসাবে তো লাগবেই।। তাই গাছটি আজই খুজে বের করুন
মন্ত গুরু জ্বিন সাধন। তন্ত মন্ত কালো যাদু তাবিজ টোটকা
ও জ্বিন চালানের মাধমে তদবির করা হয়
আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে
অনলাইনের মাধমে তদবির করতে পারেন
আরো জানতে নিচের নাম্বার  কল করুন

অবাধ্য/দুষ্টা স্ত্রী বশীকরণ মন্ত্রঃ


অবাধ্য/দুষ্টা স্ত্রী বশীকরণ মন্ত্রঃ

বর্তমান সমাজে দেখা যায়  অনেক ভাই এই বিপদের সম্মুখীন হয়ে পড়েছেন। আর সেটা হচ্ছে পরকীয়া বা অবৈধ্য সম্পর্ক্য গড়ে তোলা। আসলে আমাদের নিজের ভুলের কারণে এসকল ভুল ভ্রান্তি হয়ে থাকে। তবে বেশির ভাগ দেখা যায় যাহারা বিদেশে থাকে তাদের ক্ষেত্রেই এসব ঘটনা ঘটে। কারণ বর্তমান সমাজে মানুষ শুধুই অর্থের  পিছনে ছুটাছুটি করে। সেই কারণে আমাদের কে অনেক সময় দেখা যায় দেশের বিভিন্ন স্থানে কাজের জন্যে যেতে হয়। কিংবা অনেক সময় দেশে পরিবার ছেড়ে বিদেশে গিয়ে অর্থ উপার্জনের জন্যে যেতে হয়। অনেক পরিবারে দেখা গেছে স্বামী বিদেশে গেছে টাকা পয়সা ইনকাম করার জন্যে। বেশি বেশি টাকা রোজগার করে তাদের ভবিষ্যৎ উন্নতির জন্যেই আর তাদের পরিবারকে সমাজের উন্নশীল পরিবারে মতোই গড়ে তুলতে মানুষ বিদেশে কাজ করতে যায়। বিদেশে অবস্থানরত প্রবাশী ভাইয়েরা প্রায়ই একটা সমস্যার সমুখীণ হয় অার সেটি হলো, দেশে তাদের স্ত্রীরা পরকীয়ায় পরে। আসলে একটা মেয়ে মানুষের জিবনে তার সবচেয়ে চাওয়া পাওয়া হলো তার স্বামী। স্বামীকে কাছে না পেয়ে অনেক দিন ধৈর্য্য ধারণ করার পর দেখা যায় অনেক মেয়েরাই নোংরা কাজে লিপ্ত হয়ে পরে। আবার অনেকেই রয়েছে তাদের স্বামীর পথ চেয়ে সারাজিবন ধৈর্য্য ধারণ করে। সেই নারী বুঝতে পারে যে, আমার স্বামী আমাদের পরিবারের জন্যেই দেশ ছেড়ে বিদেশে গিয়ে টাকা রোজগার করছে। কেন আমি অবৈধ্য কাজে লিপ্ত হয়ে জিবন ও পরকাল ধ্বংস করবো। তবে এই সব ভাবে বেশির ভাগ ঈমান দার মা ও বোনেরা কিন্তু যেসকল দুষ্টা স্ত্রী ও অবাধ্য স্ত্রী রয়েছে ঠিক তাদের জন্যেই আমি বলবো নিচের প্রক্রিয়া টি কাজে লাগাতে পারবেন অথবা আমাদের সাথে  যোগাযোগ করুন।  বিদেশী ভাইয়েরা আমাদের ইমেইল বা ইমু নাম্বারে যোগা যোগ করুন।
তন্ত মন্ত কালো যাদু টোটকা তাবিজ ও জ্বিন চালানের মাধেম তদবির করা হয়। আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলাইনের মাধমে
তদবিরা করতে পারেন। আরো জানতে নিচের নাম্বারে যোগা যোগ করুন

মন্ত্রঃ-“ওঁ ঠঃ ঠঃ ঠঃ ঠঃ অমুকীং (নারীর নাম) মে বশমানয় স্বাহা, হ্রীং ক্লীং শ্রীং শ্রীং ক্লীং স্বাহা।”
যে কোনও রবিবার উক্ত মন্ত্র ১০,০০০ (দশ হাজার) বার জপ করলে মন্ত্র সিদ্ধ হবে। তারপর রবিবার ৩০০ গ্রাম যবের আটা খুব মিহি করে পেষণ করে, জল দিয়ে মেখে একখানা মোটা রুটি তৈরী করে আগুনে এক দিকটা সেঁকে নিতে হবে, তারপর যে দিকটি সেঁকা হয়নি, সেইদিকে ঘৃতের দ্বারা সিন্দুর গুলে নিজের তর্জনী অঙ্গুলির দ্বারা উক্ত সিদ্ধমন্ত্রটি লিখে একটি পাত্রে রাখবে, তাতে গন্ধ (রক্ত চন্দন),পুষ্প ও পান-সুপারী দিবে। পরে ধূপ-দ্বীপ জ্বেলে ঐ রুটির উপর বটুকনাথের পূজা করে, দক্ষিনান্ত করে, রুটিতে দিবে। এবার তার উপর সাধ্যমত মিষ্টান্ন, দধি, চিনি এমনভাবে দিবে, যাতে ‍রুটি ঢাকা পড়ে যায়। তারপর যাকে বশ করবে, তার নাম উচ্চারণ করে উপরোক্ত সিদ্ধ মন্ত্র ১০৮ (একশ আট) বার জপ করতে করতে ঐ রুটিকে টুকরো টুকরো করে কোন ও কালো কুকুরকে খাওয়াবে। এই ক্রিয়া করলে এবং সাধক পূর্ণ ব্রক্ষচর্য পালন করলে অভিলষিত নারী বশীভূতা হবে।

তান্তিক দের কিছু সাধনা।

। তান্তিক দের কিছু সাধনা সমহ।
। ১/ অপ্সরা সাধনা
২/ পরী সাধনা
৩/ পীর বীর সাধনা
৪/মোহাম্মদা বীর সাধনা
৫/ শাহজাদ সাধনা
৬/আলী সাধনা
৭/জ্বীন সাধনা
৮/মোয়াক্কেল সাধনা
৯/শয়তান সাধনা
১০/সোলাইমান সাধনা
১১/পূর্বপুরুষ সাধনা
১২/হামজাদ সাধনা
১৩/স্বপ্ন সাধনা
১৪/ভূত সাধনা
১৫/ফারাউ সাধনা।
১৬/চেনাবতী ডাকিনী সাধনা
১৭/ সপ্নশ্বরী দেবি সাধনা
১৮/ কালী সাধনা
১৯/ভোরবী সাধনা
২০/ বেতাল সাধনা
২১/ বার্তলীদেবি সাধনা
। যে কোন সাধনা প্রশিক্ষনের জনো
হাদিয়া বা দক্ষিনা প্রথান করতে হবে
প্রশিক্ষন চলা কালিন ৫০% দক্ষিনা
প্রথান করতে হবে। কাজে সফল হবার
পরে বাকি টা পেমেন্ট করতে হবে।
১০০%গ্যারান্টি সহকারে প্রশিক্ষন দিয়ে থাকি
বিফলে পুরো মুলো ফেরত।

আপনারা যারা তন্ত মন্ত কালো যাদু বিভিনো সাধনা
করে তান্তিক হতে চান বা অলৌকিক শক্তির
অধিকারি হতে চান। এখানে যে কোন
একটি সাধনা করে আপনি হয়ে উরতে
পারেন। তান্তিক ও অলৌকিক শক্তির
অধিকারি।  আপনি হবেন মহামানব
এখানে যে কোন সাধনা করে। আপনি
বাকী জীবন। নিজের ও মানব সেবা
করতে পারেন।যে কোন অসম্ভব কাজকে
সম্ভব করে ফেলতে। পারেন।
আপনি এমন কিছু করতে পারবেন
যা আপন আগে কল্পনাও করতে পারেনি
তন্ত মন্ত কালো যাদু টোটকা তন্ত বিদ্যা
যে কোন সাধনা প্রশিক্ষনের যনো আমাদের
সাইটে যোগা যোগ করুন।
মন্ত গুরু জ্বিন সাধন।
আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে
অনলাইনের মাধমে প্রশিক্ষন ও তদবির করতে
পারেন। আরো জানতে যোগা যোগ করুন।
montrigurbd12@gmail.com
call..01903153919/  
imo/ 01757786808

রত্ন মন্ত্র ও কবচে ভাগ্য ফেরানোঃ

।                রত্ন মন্ত্র ও কবচে ভাগ্য ফেরানোঃ
। 
রত্ন-মন্ত্র বর্ণনাঃ
রত্ন ব্যবহার হাজার হাজার বছর ধরে চলে আসছে।
সভ্যতার আলোকে উদ্ভাসিত হয়েছে যখন যে সব দেশ,
নিজেদের নব নব রুপে সাজানোর জন্য নরনারী তখন
থেকে সোনা রুপার গহনার সঙ্গে রত্ন ধারণ করা শুরু
করে। ইতিহাস পূর্বকালে আদিম নরনারী
বিবস্ত্রাবস্থায় বসবাস করলেও, তারা তাদের নগ্ন
অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে নানা প্রকার উল্কি আঁকতো, আর
কণ্ঠে, বাহুতে এবং কোমরে পরতো নান প্রকার
জীবজস্তর হাড়, দাঁত প্রভৃতি। সঙ্গে ফলের বীজও ধারণ
করতো। এবং দেহের উল্কি থেকে শুরু করে কণ্ঠাদির
হাড় তারা দলের পুরোহিতদের দ্বারা মন্ত্রপূত করে
নিতে ভুলতো না। কারণ সেই সভ্যতাবিহীন মানুষের দল
তখন থেকেই মনে মনে দৃঢ় বিশ্বাস করতো- এইগুলি
মন্ত্রের দ্বারা শুদ্ধ করে নিলে কোনো অপদেবতা,
কোনো দুর্যোগ এবং কোনো বাধা বিপত্তি তাদের
ক্ষতি সাধন করতে পারবে না। এমন কি তারা নিবিড়
অরণ্যের মধ্যে নানা প্রকার সরু- মোটা লতা দেহে
ব্যবহার করতো মন্ত্রশুদ্ধি করে। সে যুগের মানুষ
তাদের ক্ষীণ বুদ্ধি দৃষ্টিতে জেনেছিলো, জন্মের
মুহূর্ত থেকে তার জীবনে নানা কষ্ট ও বাধা প্রতীক্ষা
করছে তাকে আঘাত হানবার জন্য। কিন্তু সেই
বাঁধাগুলির হাত থেকে ত্রাণ পাবার জন্য সে নানা
মন্ত্র শেখে ও নানা বস্তু ব্যবহার করে। আর দলের
পুরোহিতের স্বল্পজ্ঞান তাদের জীবনকে সুন্দর
করবার গোপন কথা হয়তো জেনেছিলো নিভৃতে নানা
চিন্তার দ্বারা।
এই মানব-মানবী নানরকমের পাথরও দেহে পরতো।
তারপর বহুকাল পার হল। তাম্র প্রস্তর যুগের পর থেকেই
মানবজাতি নানা দতপ্রকার কারুকার্য করা অলংকার
ও তার সঙ্গে রত্ন ব্যবহার করে। এই ব্যবহার নিছক দেহ-
সজ্জা নায়- সেই ফেলে আসা দিনের সরণী ধরে
তাদের মনে প্রবেশ করেছিলো ভবিষ্যৎ জীবনের
অজানা আতঙ্কের অবর্ত থেকে উদ্ধার পাবার প্রয়াশ।
তাই তারাও পূর্বপুরুষদের প্রদত্ত মন্ত্রশুদ্ধিতে
প্রাণবন্ত অলংকার ও রত্নের ব্যবহার রীতি ও নানা
মন্ত্র এবং মূল ধারণ করার আগ্রহে অগ্রাহান্বিত হয়ে
পড়ে।
বিশ্বের সুপ্রাচীন সভ্যতা সিন্ধুজনপদ সভ্যতার যুগে
সেই মানব মানবী ব্যাপকভবে নানা ধাতুর অলংকার ও
রত্ন ধারণ করতো; করতো নান দেব-দেবীর পূজা, নানা
রকমের যন্ত্রের দ্বারা নিজেদের রক্ষা করবার
চেষ্টা। তার সেঙ্গ এলো মানব জাতিকে
ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করবার জন্য দৈবের সাহায্য
লাভের প্রচেষ্টা।সেটাই লিঙ্গদেববাদ অথবা লিঙ্গ-
যোনির নিবিড় আরাধনা।যা সূর্য রশ্মির মতো ছড়িয়ে
পড়লো মেসোপটেমিয়া, সুমেরীয়, কাবালা ও
মিশরের বুকে। তখনো কিন্তু বহিরাগত আর্যদের কোন
স্পন্দন ভারতের বুকে পড়েনি।
সিন্ধুজনপদ সভ্যতাকে যদি ঐতিহ্যমণ্ডিত সভ্যতার
ঊষালগ্ন ধরা হয় তাহলে দেখবো সেখান থেকে
জ্যোতিষ, তন্ত্র-মন্ত্র ও পূজার অরুণের হলুদ ঝরা দিন।
কোথায় তখন বহিরাগত আর্যদের আসার আশা? মনে
রাখতে হবে এবং আমি বার বার বলছি সিন্ধুজনপদ
সভ্যতাই পৃথিবীর বুকে যে নতুন ও চিরন্তন প্রথার
সূত্রপাত করলো তা হলো তন্ত্র ও মন্ত্রের পরিপূর্ণতা।
আদিম মানুষ নগ্নদেহে বৃক্ষের রস দিয়ে যে সব উল্কি
পরতো এবং দেহে জীবহাড় ও দাঁত পরতো তা কিন্তু
তন্ত্রের উদয়লগ্ন। মারণ, উচাটন, বশীকরণ, শান্তি ও
মিলনের প্রচেষ্টা তার মধ্যে ছিলো তাতে সন্দেহ
নেই। সেই বস্তুকেই আরো কুলীন করলো সিন্ধুজনপদ
সভ্যতা। এই সভ্যতার যে লিপি পাঠ এখনো উদ্ধার
হয়নি তাতে এটা কিন্তু প্রমাণিত হয় না- তারা
বহিরাগত আর্যদের চেয়ে অনর্বর চিন্তাশক্তি নিয়ে
বাস করতো। তারা যে অট্টালিকা, যে উপাসনাগার,
যে মাটির মূর্তি ব্রোঞ্জের মূর্তি ও অলংকার এবং
যে সব প্রতীক ব্যবহার করতো বা তৈরি করতো তাতে
তাদের চিন্তাশক্তির সূক্ষ্মাতাই বোঝায়। এবং তারা
শিখেছিলো অতি গোপন বিদ্যা ও পূজা। তা হলো
জ্যোতিষ ও তন্ত্র।
পাশ্চাত্য ঐতিহাসিকরা ভারত সম্পর্কে সর্বদাই
ইতরবিশেষ কথা বলে চলেন। তাঁরা যতই প্রমাণ করবার
চেষ্টা করেন বহিরাগত আর্যরাই ঋগ্বেদ রচনা করে
ভারতের আদিম মানুষকে সভ্যতার আলোকের সামনে
এনেছেন, ততই এই সব পণ্ডিতদের নয়ন সম্মুখে প্রতিভাত
হয় সিন্ধুজনপদ সভ্যতা। তখন আমাদের মনে হয় এই সব
প্রাচ্যবাদীরা ককত সংকীর্ণমনা ও কত নীচু জাতের
নিন্দুকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন।
বেদ বহিরাগত আর্যদের সৃষ্টি হলেও তাদের উপর
সিন্ধুজনপদ সভ্যতার প্রভাব অনেক পড়েছে। আমাদের
মনে রাখতে হবে- বহিরাগত আর্যরা ছিলো পশুপালক ও
কৃষিসভ্যমানব। তারা তখনো নগর সভ্যতাকে চিন্তা
করতে পারেনি। আর অপরদিকে সিন্ধুজনপদ সভ্যতা
একাধারে নগর জীবনের সঙ্গে কৃষিজীবন ও
পশুপালকের জীবনের সমন্বয় সৃষ্টি করতে সক্ষম
হয়েছিল। তাই তারা জ্যেতিষ ও তন্ত্রকে এতোখানি
প্রকাশ করতে পেরেছিলো।
বেদের আর্যরা অবশ্য ভাগ্যকে সুপ্রসন্ন করাবার জন্য
উন্মুখ হয় কিন্তু এই বিদ্যা শিখেছিলো সিন্ধুজনপদ
সভ্যতার কাছ থেকে।তারা অলংকার ও নানাবিধ
রত্নও মন্ত্রপূত করে ব্যবহার করা শিখেছিলো। তাদের
যে ভবিষ্যৎ বক্তা তারা বরতে ঋষি নাম পেলেও
পশ্চিম এমিয়াতে এরা ছিলে Magi নামে পরিচিত।এই
সম্প্রদায় নর-নারীর ভাগ্য বিচার করে অশুভ ভাবকে
নষ্ট করবার জন্য রত্ন, ধাতু ও মন্ত্র দ্বারা শোধিত বস্তু
ব্যবহার করতে দিতেন। এই জন্য তাঁরা ছিলেন সমাজে
সবার পূজ্য।
এই সব তন্ত্রমন্ত্র এবং রত্ন ধারনের প্রচার বৈদিক
যুগেও ছিলো। আমাদের মনে রাখা দরকার বেদের
ক্রিয়াকাণ্ডই তন্ত্রের বাহক মাত্র। পার্থিব বস্তুকে
সুন্দরভাবে লাভ করাই এই ক্রিয়াকাণ্ড। এই
ক্রিয়াকাণ্ডেরে মন্ত্রলোতে আমরা দেখি-ইন্দ্র, বরুণ,
রুদ্র প্রভৃতি দেবতার কাছে শত্রুবিনাশের জন্য অধিক
শস্যের জন্য, ভূমির ও নারীর উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধির
জন্য, ভাগ্যকে সুপ্রসন্ন করবার জন্য আকুল প্রার্থনা ও
তার সঙ্গে সঙ্গে যজ্ঞে হবিঃ দোয়া এই দাও দাও
মন্ত্রের মধ্যে তন্ত্রের হিরণ্যগর্ভ মত্যের দ্বারা আবৃত
হয়ে আছে। বিভিন্ন রোগ থেকে উদ্ধারের জন্য নানা
মণির ব্যবহার, নানা মন্ত্রের দ্বারা হোম করা ও কবচ
ধারন প্রথা সুন্দর ও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে অথর্ববেদে।
সেখানে জ্যোতিষ ও তন্ত্র নিজস্ব আসন লাভ
করেছে। যেমন অথর্ববেদের দশম খণ্ডের প্রথম
অণুবাকে দেখি- বরণ নামক মণির প্রশংসা,
ধারণবিধি, সর্পবিষের মন্ত্র ও চিকিৎসা, শান্তি
কর্মানুষ্ঠান, তৃতীয় ও চতুর্থ অণুবাকে দেখি
শক্রনাশাদি কাজে নানারকম মন্ত্র ও মণি ধারণের
বিধান; ঙ্কম্ভ নামক সনাতন দেবতার স্তুতি ও শ্রেষ্ঠত্ব
প্রতিপাদন, পঞ্চম অণুবাকে শতৌদন যজ্ঞের
মন্ত্রাদি এবং দেবীরুপা গভীর স্তুতি। উক্ত বেদের
একাদশ কাণ্ডের প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও পঞ্চম
অনুবাকে আয়ুষ্কামনায় বিবিদ মন্ত্র, শত্রুজয়ের মন্ত্র
ইত্যাদি। শুধু তাই নয়-অথর্ববেদে দেখি বন্ধ্যা নারীর
পুত্র হবার উপায়, মন্ত্র, যজ্ঞ, মণি ধারণ,
মহাশান্তিকর্ম, অভয় প্রার্থনা, শস্যগৃহের রক্ষা, কবচ,
জঙ্গিড়মণি ধারণ প্রভৃতির মন্ত্র।
মহাভারতের যুগে জ্যোতিষ শাস্ত্রও তন্ত্র শাস্ত্র
বিরাটভাবে উৎকর্ষতা লাভ করেছিলো।তা আমি এই
গ্রন্থের মধ্যে আলোচনা করেছি।এখন আমি
আপনাদের কাছে রত্ন ও মন্ত্রের গোপন কথার প্রথম
পাঠ দেবার চেষ্টা করবো।তা হলো আমার
দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, পুরাণ ইতিহাস ও তন্ত্র গ্রন্থ
থেকে নেওয়া।
ব্যবহারযোগ্য রত্নাদির নামঃ
আমরা চুনী, চন্দকান্তমণি, প্রবাল, পান্না, পোখরাজ,
হীরা, নীলা, গোমেদ ও বৈদুর্যমণি- রত্নকেই শ্রেষ্ঠ

বলে জ্ঞান করি।। 

বশীকরন কি কেনো করা হয়।

               বশীকরণ কি কেনো করা হয়।


নারী, পুরষ, শত্রু, রাজা প্রভৃতি যাহাকে ইচ্ছা বশীভূত করিতে হইলে যে মন্ত্র দ্বারা করিতে হয় তাহাই বশীকরণ মন্ত্র।এই মন্ত্র অতীব গুহ্য। ইহা অতি প্রাচীনকাল হইতে চলিয়া আসিতেছে। কিন্তু এই বিদ্যা আয়ত্ত করিতে হইলে উপযু্ক্ত গুরুর সাহায্য লইতে হয়। মন্ত্র পাঠাদি ও প্রক্রিয়া সকল গুরুর উপদেশ ও নির্দেশক্রমে করিতে হইবে, নতুবা তাহা ফলপ্রদ হইবে না। সাধক বা সাধিকা যিনি এই মন্ত্র আয়ত্তাধীন করিতে পারিবেন তাঁহার পক্ষে ত্রিলোককেও বশীভূত করা সম্ভব হইবে।
প্রত্যেক মানুষের নিজ পছন্দ ও মন থেকে ভালো লাগা আলাদা আলাদা মন পছন্দের কেউ থাকতেই পারে আর তা জিবন সঙ্গিণী বাছাই করার ক্ষেত্রে তো বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু সব সময়ই কি আর দুজনের পছন্দ সমান হয়????????
ঠিক সেই সময়ই মন পছন্দের ব্যক্তিকে বশীকরণ করতে হয়।
সকলেরই চাহিদা রয়েছে একজন সুন্দর-সুশীল নারী। কিন্তু অনেক সময় সেই চাহিদাটা হয়ে দাঁড়ায় একপাক্ষিক, ঠিক তখনই প্রাচীন কালের মানুষেরা তান্ত্রিকের সরনাপন্ন হতো। সেই চাহিদা বা চাওয়া টা যেন বশীকরণের মাধ্যমে দুজনের মধ্যে মহব্বত পয়দা করে। তাই তারা তান্ত্রিকের আশ্রয় নিতো।
ইহা ছাড়াও আমাদের বিভিন্ন ক্ষেত্রেও বশীকরণের প্রয়োজন পড়ে। নিম্নে কয়েকটি বিষয় তুলে ধরা হলোঃ-
  1. সবলোক বশীকরণ
  2. মেয়ে বশীকরণ
  3. প্রেমিক/প্রেমিকা বশীকরণ
  4. মনপছন্দ মেয়ে বশীকরণ
  5. রূপবতী নারী বশীকরণ
  6. স্বামী বশীকরণ
  7. স্ত্রী বশীকরণ
  8. বিবাহিত মহিলা বশীকরণ
  9. বিবাহিত পুরুষ বশীকরণ
  10. দুষ্টা নারী বশীকরণ
  11. দেমাগী মেয়ে বশীকরণ
  12. ধনী ব্যক্তি বশীকরণ
  13. শশুর/শাশুড়ী বশীকরণ
  14. কর্মস্থানের বড় স্যার বশীকরণ
  15. নির্বাচনের সময় ভোটারদের বশীকরণ
ইত্যাদি আরোও অনেক কিছু চাহিদা রয়েছে যা তুলে ধরলাম না।
এই নিয়ে পরে আরো আলোচনা করব। মন্ত গুরু জ্বিন সাধনা
তন্ত মন্ত কালো যাদু তাবিজ টোটকা ও জ্বিন চা্লানের মাধমে
তদবির করা হয়। যে কোন কঠিন কাজ ৩/৫দিনে ১০০%গ্যারান্টিতে কাজ করা হয়। আপনারা যো কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলাইনের মাধমে
তদবির করতে পারেন।আরো জানতে নিচের নাম্বারো যোগা যোগ করুন।

তুলসী পাতার গুনা গুন।



তুলসী পাতার গুনা গুন।


তুলসী একটি ঔষধিগাছ। তুলসী অর্থ যার তুলনা নেই।
সুগন্ধিযুক্ত, কটু তিক্তরস, রুচিকর। এটি সর্দি, কাশি,
কৃমি ও বায়ুনাশক এবং মুত্রকর, হজমকারক ও
এন্টিসেপটিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে বিশেষ করে
কফের প্রাধান্যে যে সব রোগ সৃষ্টি হয় সে ক্ষেত্রে
তুলসী বেশ ফলদায়ক। মানুষ একসময় প্রকৃতি থেকেই
তাঁর অসুখ বিশুখের পথ্য আহরন করতো। বিভিন্ন গাছ ,
লতা , পাতা বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে ব্যবহৃত হতো।
এসবে কোন পার্স প্রতিক্রিয়া নেই। মানুষ যত আধুনিক
হচ্ছে, এসবকে পরিত্যাগ করছে। তবে চীন এবং ভারতে
এই ভেষজ চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে ব্যাপক গবেষণা
হচ্ছে।
১। নিরাময় ক্ষমতা
তুলসী পাতার অনেক ঔষধি গুনাগুণ আছে। তুলসি পাতা
নার্ভ টনিক ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি কারী। এটা শ্বাস
নালী থেকে সর্দি–কাশী দূর করে। তুলসীর ক্ষত
সারানোর ক্ষমতা আছে। তুলসী পাকস্থলীর শক্তি
বৃদ্ধি করে ও অনেক বেশি ঘাম নিঃসৃত হতে সাহায্য
করে।
২। জ্বর ভালো করে
তুলসীর জীবাণু নাশক, ছত্রাক নাশক ও ব্যাক্টেরিয়া
নাশক ক্ষমতা আছে। তাই এটা জ্বর ভালো করতে
পারে। সাধারণ জ্বর থেকে ম্যালেরিয়ার জ্বর পর্যন্ত
ভালো করতে পারে তুলসী পাতা।
– আধা লিটার পানিতে কিছু তুলসী পাতা ও এলাচ
গুঁড়া দিয়ে ফুটিয়ে নিন
– এক্ষেত্রে তুলসী ও এলাচ গুঁড়ার অনুপাত হবে ১:০.৩
– জ্বাল দিতে দিতে মিশ্রণটিকে অর্ধেক করে
ফেলুন
– মিশ্রণটির সাথে চিনি ও দুধ মিশিয়ে ২-৩ ঘণ্টা পর
পর পান করুন
– এই মিশ্রণটি শিশুদের জন্য অনেক কার্যকরী।
বিভিন্ন প্রকার জ্বরে তুলসীপাতার রসের ব্যবহার
অনেকটা শাস্ত্রীয় বিষয় হিসেবে পরিচিত। বিশেষত
ঋতু পরিবর্তন হেতু যে জ্বর, ম্যালেরিয়া জ্বর এবং
ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসায় এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে
সমাজে। এর জন্য কচি তুলসীপাতা চায়ের সাথে সেদ্ধ
করে পান করলে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ
হয়ে থাকে।
*. একিউট জ্বরে তুলসীপাতার সেদ্ধ রসের সাথে
এলাচিগুঁড়া এবং চিনি ও দুধ মিশিয়ে পান করলে দ্রুত
উপকার পাওয়া যায়। গলক্ষতের জন্য তুলসীপাতা
সেদ্ধ পানি পান করলে এবং গারগল করলে ভালো
উপকার পাওয়া যায়।
তুলসী পাতার ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে ফুসফুসীয়
সমস্যায়। ব্রঙ্কাইটিস, অ্যাজমা, ইনফ্লুয়েঞ্জা,
কাশি এবং ঠাণ্ডাজনিত রোগে তুলসী পাতার রস, মধু
ও আদা মিশিয়ে পান করলে উপশম পাওয়া যায়।
ইনফ্লুয়েঞ্জা হলে তুলসী পাতার রস, লবণ ও লবঙ্গ
মিশিয়ে পান করলে ফল পাওয়া যায়। এ ধরনের
রোগের ব্যবহারের জন্য তুলসী পাতা আধা লিটার
পানিতে সেদ্ধ করতে হয় ততক্ষণ পর্যন্ত যতক্ষন তা
অর্ধেকে পরিণত হয়।
৩। ডায়াবেটিস নিরাময় করে
তুলসী পাতায় প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও
এসেনশিয়াল অয়েল আছে যা ইউজেনল, মিথাইল
ইউজেনল ও ক্যারিওফাইলিন উৎপন্ন করে। এই উপাদান
গুলো অগ্নাশয়ের বিটা সেলকে কাজ করতে সাহায্য
করে( বিটা সেল ইনসুলিন জমা রাখে ও নিঃসৃত করে)।
যার ফলে ইনসুলিন এর সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি পায়। এতে
ব্লাড সুগার কমে এবং ডায়াবেটিস ভালো হয়।
৪। কিডনি পাথর দূর করে
রক্তের ইউরিক এসিড-এর লেভেলকে কমতে সাহায্য
করে কিডনিকে পরিষ্কার করে তুলসী পাতা। তুলসীর
অ্যাসেটিক এসিড এবং এসেনশিয়াল অয়েল এর
উপাদান গুলো কিডনির পাথর ভাঙতে সাহায্য করে ও
ব্যাথা কমায়। কিডনির পাথর দূর করার জন্য প্রতিদিন
তুলসী পাতার রসের সাথে মধু মিশিয়ে খেতে হবে।
এভাবে নিয়মিত ৬ মাস খেলে কিডনি পাথর দূর হবে।
৫। ক্যান্সার নিরাময় করে
তুলসীর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি
কারসেনোজেনিক উপাদান ব্রেস্ট ক্যান্সার ও ওরাল
ক্যান্সার এর বৃদ্ধিকে বন্ধ করতে পারে। কারণ এর
উপাদানগুলো টিউমারের মধ্যে রক্ত চলাচল বন্ধ করে
দেয়। উপকার পেতে প্রতিদিন তুলসীর রস খান।
৬। তুলসীপাতার রস শিশুদের জন্য বেশ উপকারী।
বিশেষত শিশুদের ঠাণ্ডা লাগা, জ্বর হওয়া, কাশি
লাগা, ডায়রিয়া ও বমির জন্য তুলসীপাতার রস ভালো
কাজ করে। জলবসন্তের পুঁজ শুকাতেও তুলসীপাতা
ব্যবহৃত হয়।
৭। মানসিক চাপ কমায়: মানসিক চাপে
অ্যান্টিস্ট্রেস এজেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, মানসিক অবসাদ
প্রশমনে এমনকি প্রতিরোধে তুলসী চমৎকার কাজ
করে। কোনো সুস্থ ব্যক্তি যদি প্রতিদিন অন্তত ১২টি
তুলসীপাতা দিনে দু’বার নিয়মিত চিবাতে পারেন
তাহলে সেই ব্যক্তি কখনো মানসিক অবসাদে
আক্রান্ত হবেন না বলে গবেষকরা জানিয়েছেন।
কর্টিসলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে মানসিক চাপ
কমিয়ে আনতে সাহায্য করে তুলসি পাতা। স্নায়ু
শিথিল করে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে, যা মানসিক
চাপ সৃষ্টিকারী ফ্রি রেডিকলকে নিয়ন্ত্রণ করে।
অতিরিক্ত অবসাদ এবং মানসিক চাপ অনুভূত হলে ১০
থেকে ১২টি তুলসী পাতা চিবিয়ে খেয়ে নিন, উপকৃত
হবেন।তুলসীর স্ট্রেস কমানোর ক্ষমতা আছে। সুস্থ
মানুষও প্রতিদিন ১২ টি তুলসী পাতা চিবালে স্ট্রেস
মুক্ত থাকতে পারবেন।
৮। মুখের ঘা দূর করতেঃ তুলসী পাতা মুখের আলসার
ভালো করতে পারে। মুখের ঘা শুকাতেও তুলসীপাতা
ভালো কাজ করে। মুখের ইনফেকশন দূর করতে
তুলসীপাতা অতুলনীয়। প্রতিদিন কিছু পাতা (দিনে
দুবার) নিয়মিত চিবালে মুখের সংক্রমণ রোধ করা
যেতে পারে। চর্মরোগে তুলসীপাতার রস উপকারী।
দাউদ এবং অন্যান্য চুলকানিতে তুলসীপাতার রস
মালিশ করলে ফল পাওয়া যায়। ন্যাচার অ্যাথিতে
শ্বেতীরোগের চিকিৎসায় তুলসীপাতার ব্যাপক
ব্যবহার রয়েছে।
৯। মাথা ব্যথা ভালো করতে পারে।এর জন্য চন্দনের
পেস্ট এর সাথে তুলসী পাতা বাটা মিশিয়ে কপালে
লাগালে মাথাব্যথা ভালো হবে।
১২। তুলসী পাতা রক্ত পরিষ্কার করে, কোলেস্টেরল
কমায় ।
১৩। পোকায় কামড় দিলে তুলসীর রস ব্যবহার করলে
ব্যথা দূর হয়।
১৪। ডায়রিয়া হলে ১০ থেকে বারোটি পাতা পিষে
রস খেয়ে ফেলুন।
১৫। তুলসীর বীজ গায়ের চামড়াকে মসৃণ রাখে। বীজ
সেবনে প্রস্রাবের মাত্রা বেড়ে থাকে।
১৬। চোখের ক্ষতে এবং রাতকানা রোগে নিয়মিত
তুলসীপাতার রস ড্রপ হিসেবে ব্যবহারে ফল পাওয়া
যায়। দাঁতের সুরক্ষায় তুলসীপাতা শুকিয়ে গুঁড়া করে
দাঁত মাজলে দাঁত ভালো থাকে। এ ছাড়া সরিষার
তেলের সাথে তুলসীপাতার গুঁড়া মিশিয়ে পেস্ট
বানিয়ে দাঁত মাজলেও দাঁত শক্ত থাকে। মুখের দুর্গন্ধ
রোধে তুলসীপাতার মাজন ভালো ফল দিয়ে থাকে।
১৭। তুলসীর বীজ পানিতে ভিজালে পিচ্ছিল হয়। এই
পানিতে চিনি মিশিয়ে শরবতের মত করে খেলে
প্রস্রাবজনিত জ্বালা যন্ত্রনায় বিশেষ উপকার হয়।
এছাড়াও তুলসী পাতার রস ২৫০ গ্রাম দুধ এবং ১৫০
গ্রাম জলের মধ্যে মিশিয়ে পান করুন ।
১৮। মুখে বসন্তের কাল দাগে তুলসীর রস মাখলে ঐ দাগ
মিলিয়ে যায়। হামের পর যে সব শিশুর শরীরে কালো
দাগ হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে তুলসী পাতার রস মাখলে
গায়ে স্বাভাবিক রং ফিরে আসে।
১৯। মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে দিনে ৪-৫ বার তুলসী পাতা
চেবান ৷
২০। ত্বকের চমক বাড়ানোর জন্য, এছাড়াও ত্বকের
বলীরেখা এবং ব্রোন দূর করার জন্য তুলসী পাতা
পিষে মুখে লাগান ৷
২১। কোন কারনে রক্ত দূষিত হলে কাল তুলসিপাতার রস
কিছুদিন খেলে উপকার পাওয়া যায়। শ্লেষ্মার জন্য
নাক বন্ধ হয়ে কোনো গন্ধ পাওয়া না গেলে সে সময়
শুষ্ক পাতা চূর্ণের নস্যি নিলে সেরে যায়। পাতাচূর্ণ
দুই আঙ্গুলের চিমটি দিয়ে ধরে নাক দিয়ে টানতে হয়,
সেটাই নস্যি।
২২। তুলসি পাতার রসে লবন মিশিয়ে দাদে লাগালে
উপশম হয়।
২৩। যদি কখনও বমি কিংবা মাথা ঘোরা শুরু করে,
তাহলে তুলসী রসের মধ্যে গোলমরিচ মিশিয়ে খেলে
বিশেষ উপকার পাওয়া যায়।
২৪। সকালবেলা খালি পেটে তুলসী পাতা চিবিয়ে
রস পান করলে খাবার রুচী বাড়ে।
২৫। ঘা যদি দ্রুত কমাতে চান তাহলে তুলসী পাতা এবং
ফিটকিরি একসঙ্গে পিষে ঘা এর স্থানে লাগান,
কমে যাবে ৷
২৬। তুলসী মূল শুক্র গাঢ় কারক। তুলসী পাতার ক্বাথ,
এলাচ গুঁড়া এবং এক তোলা পরিমাণ মিছরী পান
করলে ধাতুপুষ্টি সাধিত হয় যতদিন সম্ভব খাওয়া যায়।
এটি অত্যন্ত ইন্দ্রিয় উত্তেজক। প্রতিদিন এক ইঞ্চি
পরিমাণ তুলসী গাছের শিকড় পানের সাথে খেলে
যৌনদূর্বলতা রোগ সেরে যায়।
২৭। চোখের সমস্যা দূর করতে রাতে কয়েকটি তুলসী
পাতা পানিতে ভিজিয়ে রেখে ওই পানি দিয়ে
সকালে চোখ ধুয়ে ফেলুন।
২৮। শরীরের কোন অংশ যদি পুড়ে যায় তাহলে তুলসীর
রস এবং নারকেলের তেল ফেটিয়ে লাগান, এতে
জ্বালাপোড়া কমে যাবে। পোড়া জায়গাটা
তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে এবং পোড়া দাগ ওঠে
যাবে।
২৯। চর্মরোগে তুলসী পাতা দূর্বাঘাসের ডগার সংগে
বেটে মাখলে ভালো হয়ে যায়।
৩০। পেট খারাপ হলে তুলসীর ১০ টা পাতা সামান্য
জিরের সঙ্গে পিষে ৩-৪ বার খান ৷ হাগু একেবারে
বন্ধ হয়ে যাবে!!! মানে পায়খানার ওই সমস্যাটা আর
কি!
৩১। মানবদেহের যেকোনো ধরনের সংক্রমণ
প্রতিরোধে তুলসীর পাতা অনন্য। এতে রয়েছে
জীবাণুনাশক ও সংক্রমণ শক

পুরাতন পোষ্ট গুলি দেখুন