ত্রাটক; Psychic Power; অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা ইত্যাদির সত্যতা কতটুকু ?

। ত্রাটক; Psychic Power; অতীন্দ্রিয় ক্ষমতা
ইত্যাদির সত্যতা কতটুকু ?।।
।আমাদের সকলের মাঝেই রয়েছে আত্ত্ব অলৌকিক
সুপার ন্যচেরাল কিছু পাওয়ার যা আমরা সাধারন
ভাবে বুঝতে না পারলেও জীবনের কোন না কোন
সময় তা ঠিকই উপলব্ধি করতে পারি, বিশেষ করে
আমরা যখন অবচেতন হৃদয়ে বা অন্যমনষ্ক ভাবে থাকি
তখনি অনাকাঙ্খীত ভাবেই অনেক সময় আমাদের
সাথে কিছু ঘটে যায় যা আমরা সেই মুহুর্তে তো
আশ্চার্য্য জনিত হই কিন্তু পরক্ষনেই তা বেমালুম
ভুলে যাই। আমাদের “ত্রাটক” সাধনার উদ্দেশ্য হচ্ছে
সেটাই যা আমাদের অভ্যন্তরে লুকায়িত শক্তিকে
আমাদের প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহার করার অবস্থায়
নিয়ে আসবে। আমরা যদি এটা ভুলে যাই যে
আমাদের এই মানব জন্ম নেওয়া কোন সাধারন ব্যপার
তবে আমরা ভুল করবো, আমাদের এই পৃথিবীর মুখ
দেখতে লক্ষকোটি জিবনকে (ভ্রুন) ডিঙ্গিয়ে তারপর
আমরা আজ আমরাতে পরিনত হয়েছি। আমরা যারা
স্রষ্টাকে বিশ্বাষ করি তারা একটু গভির ভাবে
ভাবলেই বুঝতে পারবো এই মানুষ্যরুপ যিনি দিয়েছেন
যিনি আমাদের এই ব্রহ্মান্ড জয় করার মেধা
দিয়েছেন তিনি কি আমাদের মাঝে কোন শক্তিই
দিয়ে পাঠায়নি।। অবশ্যই দিয়েছে- অনাদি কাল হতে
আমাদের যান্ত্রিক যুগের পূর্বেও আমরা আমাদের এই
আধ্যাতিক শক্তির ব্যবহারে নানা বিধ অসাধ্য
অকল্পনীয় কর্ম সাধনের কথা আমাদের পূর্বপুরুষদের
কাছ থেকে শুনে আসছি। এটা কোন গাল গল্প নয়,
কোন লোক গাথাও নয়। আমরা স্যাটেলাইট যুগে বাস
করি আমরা এখন পৃথিবীর আনাচে কানাচের খবর
মুর্হুতেই জানতে পাই, আজও আমরা দেখি তিব্বতের
সাধুদের কথা, ভারত উপমহাদেশের বিভিন্ন জাতীর
কথা আফ্রিকা ইউরোপের বিভিন্ন টাবুর প্রকৃয়া ও
তার ব্যবহারের কথা। এসব কিছু তো আর মিথ্যা নয়।
তবে হ্যা ম্যাজিক মানুষকে বিষ্মিত করার জন্য
দেখানো হয়- সাধনা নয়। সাধনা মানুষের লুকায়িত
শক্তি যা তার নিজ প্রয়োজন পূর্তির জন্য ব্যবহৃত হয়।
সাধনা আর ম্যজিক এক বিষয় নয়। আপনি সাধনা
দ্বারা আত্ব অলৌকিক শক্তি অর্জন করে তা জন
সম্মূখ্যে শক্তি প্রদর্শনের জন্য ব্যবহার করতে
পারবেন না। আপনি তা নিজ প্রয়োজনে ব্যবহার
করতে পারবেন। যেমন কিছু উদাহরন দেয়া যাক-
বর্তমানে ইসলামী তন্ত্রে বহুল ভাবে ব্যবহৃত “পরী
সাধনা” ইহা বিশ্বের প্রায় অধিকাংশ দেশেই
অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সাধনা কিন্তু এর দ্বারা সাধক
কি প্রাপ্ত হন? পরী সাধনা করলে কি সে কোহে
কাফের পরীকে বিয়ে করতে পারে ? তাকে দিয়ে
অজশ্র সম্পদ হাসিল করতে পারে? তা কিন্তু নয়। পরী
সাধনা দ্বারা আপনার ভৌতিক নারী চাহিদা পূর্ন
হতে পারে, আপনার অনেক অজানা বিষয় জানতে
পারেন, আপনি ভবিষ্যতের কিছু ইঙ্গিত পেতে
পারেন এই মাত্র। নারী চাহিদা পূরনের ক্ষেত্রেও
আমাদের অনেক সাধকের মাঝে কিছু ভিন্নতা
রয়েছে যেমন কেউ ঘুমন্ত অবস্থায় স্বপ্নঘোরে তার
সাখ্যাৎ পেয়ে থাকে, কেউ জাগ্রত অবস্থায় কোন
নারীকে অনাকাঙ্খীত ভাবে পেয়ে থাকে, আবার
কেউ কাঙ্খীত নারীকেও পেয়ে থাকে তবে তা
সম্পূর্ন ভাবেই জগতের অন্য সকলের চোখের
আড়ালেই রয়ে যায়। তবে এ বিষয় সাধক কখনো
কাউকে বলতে পারে, না কেউ তা দেখতে পায়। তবে
এখানে একটি বিষয় “স্বপ্ন সেটা যা আপনাকে
ঘুমাতে দেয় না, স্বপ্ন সেটা নয় যা আপনি ঘুমিয়ে
ঘুমিয়ে দেখেন”। অনেকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা
থেকে যানা যায় যে কেউ কেউ পরী সাধনার দ্বারা
তাদের রাজ্যেই বিচরন করে এবং সে তাকে এ
জগতেই নিয়ে এসে রাখে, এবং তা এতোটাই জীবন্ত
যে প্রতিদিনের স্বাভাবিক সকল মানুষের মতই সে
তার কাছে বাস্তব। তবে সবার ক্ষেত্রে একই নয়।
একজন সাধকের বানীতে যানা যায় যে সাধনার পর
থেকে তার আহ্বান ছাড়াই জাগ্রত অবস্থায় তার রুমে
প্রতিদিন একটি অপরুপ নারীর আগমন ঘটতো এবং
সন্ধ্যা হতে সকাল পর্যন্ত তার যাবতীয় সংসারে সকল
কর্ম করে সে বিদায় নিত। মেয়েটিকে সে চিনতো
তার আসে পাসের’ই কেউ কিন্তু কোন বাড়ী বা
কতদুরে থাকে সেটা সে কখনই দিনের বেলায় খুজে
পাই নি। এমন অনেকের অনেক রকম অভিজ্ঞতা
রয়েছে। সেই সাথে যে সকল সাধক এই বিষয় তার
কোন কাছের লোকের কাছেও ব্যক্ত করেছে গুরু
ছাড়া সে চিরতরে তাকে হারিয়েওছে।। এমনি ভাবে
প্রতিটি সাধনার গোপনিয়তাই তার শক্তি ও
সার্থকতা। বিজ্ঞানে এমন হাজারো অতিপ্রাকৃত
বিষয় রয়েছে যা প্রমান সাধ্য নয়, এবং কখনই তা
প্রমান করা সম্ভবপর হবেও না, যেমন অনেক সাধক গন
এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বিচরন করে, তার
প্রয়োজন পূরন করতে সে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে
অন্য প্রান্তে চোখের পলকেই ঘুরে আসে কিন্তু তা
প্রমান করা না তো সাধকের পক্ষে না তো
বিজ্ঞানের পক্ষে সম্ভব, হিপনোটাইজের মাধ্যমে
এক ব্যক্তি অন্য আরেকজন ব্যক্তিকে সম্পূর্ণরুপে
অপ্রকৃতিস্থ করতে পারে কিন্তু সেটা কোন ধরনের
রেডিয়েন্স ব্যবহার হচ্ছে তা বিজ্ঞানের জ্ঞ্যানের
বাইরে। ট্যলিপ্যাথির মাধ্যমে এক ব্যক্তি অন্য
ব্যক্তির সাথে পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত থেকে
যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে বিজ্ঞান এটা চর্চা
করছে দির্ঘদিন যাবৎ কিন্তু সেটা কোন শক্তি বলে
ঘটে থাকে এবং কোন রেডিয়েশনে তা বিজ্ঞানের
জ্ঞ্যানের বাইরে রয়েছে। অটো সাজেশনের
মাধ্যমে একজন ব্যক্তিকে ১ বছর পরের কমান্ড প্রদান
করা সম্ভব যা নির্দিষ্ট সময় তার অবচেতন মনেই তা
করে ফেলে কিন্তু সেটা কি ভাবে ঘটে তা প্রমান
সম্ভব নয়। তেমনি “ত্রাটক” সাধনা দ্বারা আমরা
আমাদের মাঝে লুকায়িত সেই শক্তিকে ব্যবহার
করার উপযোগি করে থাকি যা একজন সাধরন
মানুষকে সুপার ন্যাচেরাল হিউম্যানে রুপান্তরিত
করে থাকে। তবে এর মানে এই নয় সে জন সম্মুখ্যে
হাত উপরে তুলে সুপার ম্যানের মত উড়ে যাবে। তবে
এমন কিছু সে করতে পারবে যা সে নিজেও কখনো
স্বপ্নযোগে বা কল্পনাতে ভাবতে পারেনি।
“ত্রাটক” সাধনার একজন মানুষ যে কোন ধরনের
অসাধ্যকেই সাধন করতে পারবে তার প্রাকটিস ও
উদ্দেশ্য প্রনোদিত চর্চায়। সে তার জীবনের প্রতিটি
পদক্ষেপে তার জীবনকে উপভোগ করতে পারবে, তার
সমস্ত চাওয়াকে পাওয়াতে রুপান্তরিত করতে
পারবে। চলবে। এ্যাটক ও যে কোন সাধনা
কালো যাদু যে কোন বিদ্যা প্রশিক্ষনের জনো
মন্ত গুরু জ্বিন সাধন।সাইট থেকে যোগা যোগ করুন।

জুয়া বা লটারীর নাম্বান জানার সাধনা

মন্ত গুরু জ্বিন সাধন
। লটারী জুয়ার নাম্বার জানার উপায়
লটারী জুয়া ও সাট্টার নাম্বার জানার সাধনা।
আজকাল মানুষ খুব সহজেই ধনী হবার জন্য জুয়া,
লটারী, সাট্টা ইত্যাদি বেছে নিয়েছে। যদি ও এই
খেলা গুলো আইনগত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ তবু ও সানুষ এই সব
খেলে। কখনো হারে আবার কখনো জিতে। এটি এক
ধরনের নেশার মত। ভৈরোজীর সাধনা ও কালী সাধনা
দ্বারা জানা যায় সঠিক লটারীর নাম্বার। লটারী
সাট্টার নাম্বার জানতে কল করুন আমাকে।। আমি
ভৈরোজীর সাধনা, ও কালী সাধনা দ্বারা বলে দিব
আপনার লটারীর নাম্বার। আযি যোগা যোগ করুন। 
মন্ত গুরু জ্বিন সাধনা সাইট থেকে।
তন্ত মন্ত কালো যাদু ও জ্বিন চালানের মাধমে তদবির
করা হয়। যে কোন জুয়া বা লটারীর
নাম্বার জানতে। তার উপযুক্ত হাদিয়া প্রথান করতে
হবে। সরা সরি বা অনলাইনের মাধমে
নাম্বান জানতে নিচের নাম্বারে যোগা  যোগ করুন।

অদৃশ্য হবার কালো যাদু

                         অদৃশ্য হবার কালো যাদু
এখন হয়তো আর কাউকে প্রুফশিট প্রদান করতে হবে
না, কারন বর্তমান স্যোসাল মিডিয়ার কল্যানে ও
বিভিন্ন পত্রিকায় বিষয়টি বেশ আলোড়িত।
তান্ত্রিক বা আধ্যাত্মিক কোনও অলৈাকিক
কাজের প্রমান বা স্বাক্ষি থাকে না কিন্তু অনেক
সময় আমাদের সকলের চোখের সামনেই তা ঘটে চলে
আমরা আমাদের অনুভব ও পরিবেশের বৈপিরিত্ব
দেখেই উপলব্ধি করি। ঘটনাটি এমন আমাদের কাছে
বেশ কিছুদিন যাবৎ কয়েকজন অদৃশ্য হওয়ার তদবীর
চাচ্ছিলো কিন্তু তদবীর টি পরিক্ষিত না হওয়ার
অত্যন্ত স্বল্প দক্ষিণায় অভিজ্ঞ গুরুদের দ্বারা
কয়েকজন ক্লাইন্টকে তদবীরের অনুমতি দেয়া হয়,
পরিক্ষিত না হয়ওয়ায় ক্লাইন্টদের বিস্তারিত তথ্য
উপাত্ত ও গ্রেট পর্যালোচনা না করেই কাজ শুরু করা
হয়, যাদের প্রশিক্ষণের ৭৫ দিনের মাথায় ২ জন
ক্লাইন্টের সাথে যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে যায়
একজন আমাদের তার সফলতার বিষয় অবহিত করেন।
পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি বাকি ২জন
ক্লাইন্টও সফল, তবে আমাদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন,
তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টাকালিন জানা
যায় তারা তাদের অমানবিক দুষ্টবুদ্ধির প্রবল চাপে
সমাজে নানাবিধ অসামাজিক অপকর্মের সাথে
জরিয়ে পরেছে, বর্তমানে আমাদের পক্ষহতে তাদের
নিজ আয়ত্বে নিয়ে ব্যবস্থা দেয়ার প্রক্রিয়া
অব্যাহত। হয়তো বিষয়টি দেশেই নয় দেশের বাইরেও
সমান ভাবে প্রচার পেয়েছে তবে এ জন্য কনোভাবে
আমরা দায়ি নই, কারন আমাদের কাজ প্রশিক্ষণ
প্রদান করা প্রশিক্ষিত ছাত্ররা যদি ভুল রাস্তায় পা
বারায় তবে কি ভাবে শিক্ষক দায় গ্রহন করবে। তবে
ভবিষ্যতে আর কাউকে এভাবে প্রশিক্ষণের আওতায়
নেয়া হবে না। প্রতিটি ছাত্রের লাগাম অবশ্যই
আমাদের হাতেই রাখা হবে। আমাদের সকল সেবা
ব্যক্তি, সমাজ, জাতী তথা সারা বিশ্বের মানব
কল্যানে, কনো ভাবেই মানব অনিষ্টকারক কিছু হতে
দেয়া হবে না।। অদৃশ্যতন্ত্র একটি প্রাচিন প্রশিদ্ধ
তন্ত্র, যা মানুষ তার নিজের ও সমাজের মঙ্গলহেতু
ব্যবহার করতে পারে। সকল সাধনার ক্ষেত্রেই
সাবধানতা ও জীবনের সংশ্বয় থাকবেই, তবে যিনি
জয়ি তিনিতো অক্ষয়। আপনারা যারা ইতিপূর্বে এই
সাধনা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন তারা
যোগাযোগ করতে পারেন তবে অবশ্যই মানব
কল্যানের নিমিত্তে। আমরা অবশ্যই আপনাকে

সার্বিক ভাবে সহযোগিতা করবো।। তন্ত মন্ত কালো যাদু ও জ্বিন চালানের মাধমে তদবির করা হয় যে কোন কাজ ৩/৫দিনে ১০০%গ্যারান্টিতে করা হয়। আপনার যে কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলাইনের মাধমে তদবির
করতে পারেন। বা যে কোন বিদ্যা প্রশিক্ষন পেতে পারেন
আরো জানতে নিচের নাম্বারে যোগা যোগ করুন। ধন্যবাদ

মহা বশীকরণ। কুফরি মন্ত

। মহা বশিকরন কুফরী মন্ত্রঃ
মন্ত্রঃমাদার মনি অস্তাগ মনি,দোহায় আজাজিল
অমকের রুহু টানি,কাফ্ফাতা কুদরতে, মুহম্মদ গুরুর
দোহায় অমকের জান প্রান যৌনহানী আমাকে এনে
দে।আল্লার মস্তক কাল্লা ফাটে,আমার বিদ্যায়
অমকের মন প্রাণ দেহ যৌন আয় ছুটে।সামনে
আলী,পিছনে কালী,উত্তরে আজাজিল,বামে আল্লা
জুল জালালী।অমকের মন প্রাণ আমি করলাম চুরি,পার
কর মোকাররোম দোহায় তোরী।বিদ্যা যদি উল্টা
খাটে,দোহায় হযরত নবী ইবরাহিম আর নবী মহম্মাদের
মাথা ফাটে,লাগ আল্লার নামে লাগ,শয়তানের
নামে আমার দিকে অমকের মহব্বত জাগ।।।
বিদ্রঃআপনার পছন্দের মানুষের মন যতই কঠোর হোক
না কেন,অথবা শরীর বন্ধ থাকুক না কেন।এই মন্ত্রের
কাজ 100% মাত্র ৩ দিনে ফলাফল।
সমাধানঃ তাই যারা যারা কাজ করাতে ইচ্ছুক শুধু
তারাই আর দেড়ী না করে এক্ষুনী যোগাযোগ করুন।। তন্ত মন্ত কালো যাদু টোটকা ও জ্বিন চালানের মাধমে তদবির করা হয়। যে কোন কাজ ৩/৫দিনে ১০০%গ্যারান্টিতে করা হয়।  আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলাইনের
মাধমে তদবির করতে পারেন। আরো জানতে নিচের নাম্বারে যোগা যোগ করুন

ধ্যানের গভীরে প্রবেশ করার শ্রেষ্ঠতম উপায় “ত্রাটক”

। ধ্যানের গভীরে প্রবেশ করার
শ্রেষ্ঠতম উপায় “ত্রাটক”
।শুভ ভ্যলেনটাইনস ডে, বিশ্বের সকল হৃদয়বান মানুষদের
জন্য আমাদের ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা রইলো। আজ
আমরা এমন একটি বিষয় আলোচনা করবো, যা
আমাদের নিকট সম্প্রতি ত্রাটক গুরুগণ প্রেরন করেছেন
সর্বসাধারনের অবগতীর জন্য। আমরা ইতিপূর্বে ত্রাটক
সাধনা সর্ম্পক্যে সাম্ম্যক অবগত হয়েছি এর দ্বারা
সম্ভব্য কাজ সম্প্যর্কে জেনেছি। আজকের নতুন
বিষয়টি হচ্ছে ত্রাটক সাধনায় রশ্মির ব্যবহার,
সর্ম্পক্যে, আমরা জানি পৃথিবীতে প্রাকৃতিক শক্তির
মধ্যে যদি সর্ববৃহৎ শক্তি আখ্যা দেওয়া হয় তবে তা
সুর্যকেই দিতে হবে। দির্ঘ্যদিন যাবৎ সূর্যের
অপরিমিত শক্তিকে কাজে লাগিয়ে এর দ্বারা
বিভিন্ন ভাবে আমরা উপকৃত হতে পারি কি না তা
ভেবে দেখা হচ্ছিল। যেমন আমরা জানি সুর্যের
আলোক ও তাপ শক্তিকে বিজ্ঞানিগণ নানারুপে
ধারন করে তা আমাদের প্রত্যাহিক জীবনের নানা
কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। আবার এও জানি এই
বিশ্বব্রহ্মান্ডের এমন কিছু গ্রহের প্রানী রয়েছে
যাদের বেঁচে থাকার জন্য খাদ্য হিসেবে শুধু সুর্য্য
কিরণ প্রয়োজন পরে। ঠিক যেমনটি আমরা বেঁচে
থাকার প্রয়োজনে বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্য পানিয় দ্রব্য
খেয়ে থাকি। ন্যাশনাল জীওগ্রাফির বদৌলতে আমরা
অনেকেই জানি আধুনিক ভারত বর্ষেও জৈনিক সাধু
ব্যক্তি দির্ঘ্য কয়েক বছর যাবৎ শুধু মাত্র সুর্য্য কিরণ
শরীরে শোষণ করে অন্য কোন প্রকার খাদ্য দ্রব্য না
খেয়েই বেচে রয়েছে। আমরা এ বিষয়টি বহুবার
আলোচনায় এনেছি যে এমন কিছু সম্ভব কি না যা
দ্বারা ত্রাটকে সূর্য শক্তিকে ব্যবহার করা যায়।
দির্ঘ্য গবেষনা ও চর্চার পর্যবেক্ষনের ফলে সম্প্রতি
আমাদের গুরুগণ এই বিষয়টি জানিয়েছে যে একটি
মানুষ যদি ত্রাটক সাধনার স্বাভাবিক প্র্যাকটিস
বাদ দিয়ে শুধু ত্রাটকের সূর্য্য সাধন করে তবেই সে
তার অতিত ভবিষ্যৎ শত্রু মিত্র জীবনের সকল প্রকার
ভালো মন্দ সহসাই নিজেই নিয়ন্ত্রত করতে সক্ষম হবে।
এর সময় ও পরিশ্রমও তুলনা মূলক কম তবে কিছুটা কষ্ট
সাধ্য অবশ্যই। আমাদের গুরুগণের অনুমতি ও পরামর্শ্য
ছিলো এর কিছু নিয়মাবলী আপনাদের সামনে উন্মচন
করা হোক এতে আমাদের বিগত স্টুডেন্ট ও যারা
আমাদের নিকট হতে দুরে রয়েছে তারাও হয়তো
ত্রাটকের এই সুর্য্য সাধনা প্র্যাকটিস করে উপকৃত হতে
পারবে। কিন্তু বাংলাদেশের মত একটি নকল প্রবন
দেশে এই কাজটি করা হতে আমরা বাধ্য হয়েই ক্ষান্ত
হলাম কারন আমরা জানি যেমন ত্রাটক সাধনার
স্রষ্টা আমাদের প্রতিষ্ঠান হয়েও আজ হাজার হাজার
ভুয়ো ফেইক তান্ত্রিক সাইটে লেখা দেখা যায়
ত্রাটক সাধনার প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। সেখানে আমরা এই
বিষয়টিও পোষ্ট করার সঙ্গে সঙ্গেই তা হাজার
হাজার কপি হয়ে যাবে।। তবে যে সকল শুভানুধ্যায়ী
ভাই বোনেরা ইতি পূর্বে ত্রাটক সাধনা গ্রহন
করেছেন এবং যারা করতে ইচ্ছুক তেনাদের জন্য বলা
হচ্ছে আপনারা অবশ্যই ইমেইলে আমাদের সাথে
যোগাযোগ করবেন তাহলেই আমরা ত্রাটক সাধনায়
সংযুক্ত হওয়া এই নতুন সুর্য্য সাধনার বিধি নিয়ম
আপনাদের মেইল করে প্রেরন করে দিবো। সকলেই
ভালো থাকবেন।।

ধ্যান ও মনের শক্তি নিজেকে জানা

ধ্যান  ও মনের শক্তি নিজেকে জানা
প্রত্যেক প্রাণীকে পরিচালিত করে তার মন। আর এই
মন এক বিশাল শক্তির আধার। মানুষের মনকে
ইতিবাচক পথে পরিচালিত করার জন্যে সারা পৃথিবী
ব্যাপী মন নিয়ন্ত্রনের নানা কৌশল শেখার চেষ্টা
চালাচ্ছে মানুষ যুগ যুগ ধরে। অতীতে সাধু সন্নাসীরা
ধ্যানের মাধ্যমে মনকে নিয়ন্ত্রণ করে আপাত
দৃষ্টিতে অসাধ্য এমন অনেক কাজ করে মানুষকে চমকে
দিয়েছেন।
অটুট বিশ্বাস ছাড়া কোন কিছু অর্জন করা আসলেই
সম্ভব নয়। মানুষের হাসি কান্না, সুখ দুখ সব অনুভূতিই মন
থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়। মন মানুষকে যেমন ভাল বা
ইতবাচক দিকে পরিচালিত করতে পারে, তেমনি
নেতিবাচক দিকেও। মনের শক্তিতে বলিয়ান হয়ে
মানুষ নানা অসাধ্য সাধন করে।আবার মনের শক্তি
হারিয়ে পরাজয় স্বীকার করে আত্মহত্যাও করে বসে।
মন আসলেই আল্লাহপাকের সৃষ্ট এক রহস্যেভরা
মহাশক্তির আধার। মনকে সঠিকভাবে পরিচালিত
করতে পারলে আমরা সরল ও সঠিক পথে থাকতে
পারবো।
বিশ্বাস থেকে শক্তি পায় মন। পৃথিবীর বিভিন্ন
দেশে মানুষের মনকে নিয়ন্ত্রনের নানা কৌশল
প্রয়োগ হচ্ছে। আমাদের দেশেও কোয়ান্টাম মেথড,
সিলভা মেথড, লীড সহ আরো বেশ কিছু মেথড
প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। এসব মেথডের গুরুত্বকে খাটো
করে দেখার উপায় নেই। তবে এর কোনটাই জীবন
ধারনের মেথড বা পদ্ধতি নয়। এ রকমটা যারা বলে
তারা নিঃসন্দেহে মানুষকে কৌশলে ধোঁকা
দিচ্ছেন। এগুলোকে বরং বলা যায়, মানুষের মনকে
পজিটিভ করার কিছু কৌশল মাত্র। জীবন ধারনের
পদ্ধতি অবশ্যই নয়। জীবন ধারনের পরিপূর্ণ পদ্ধতি হলো
ইসলাম। কোরআন ও সুন্নাহর উপর অটুট বিশ্বাস থাকলে
মন এমনিতেই সঠিক পথে পরিচালিত হবে। এর জন্যে
বিশেষ কোন পদ্ধতির প্রয়োজন পড়ে না।
মনকে পজিটিভ পথে পরিচালিত করার কথা ইসলামই
বলে। কুচিন্তা ও ভীরুতা থেকে মুক্তির কথা ইসলামেই
আছে। কোরআন-সুন্নাহ মনকে নিয়ন্ত্রণ করার মহৌষধ।
এরপরও মানুষ নানা ধোঁকায় পড়ে বিভ্রান্ত হয়।
তবে বড়ই বিচিত্র জিনিস এই ‘মন’। পজিটিভ থাকা
সত্বেও অনেক সময় শয়তানের প্ররোচনায় মন দ্রুত
নেগেটিভ পথে হাঁটা শুরু করে দেয়। যে বিশ্বাস
এতোদিন তার মধ্যে শক্তি যুগিয়েছে, সেই মনই আবার
সবকিছু ভেঙ্গে চুরমার করে দিতে সময় নেয় না। মনের
গতি প্রকৃতি নির্ণয় করা তাই কোন মানুষের পক্ষে
সম্ভব নয়।
কিন্তু এসব আমার এখনকার আলোচ্য বিষয় নয়। আলোচ্য
হলো, মনের শক্তি বিশ্বাস। এই বিশ্বাস মানুষকে
কিভাবে শক্তি যোগায় তার একটা বাস্তব ঘটনা শুনুন।
হাজার বছর ধরে মানুষ ৪ মিনিটে ১ মাইল দৌড়ানোর
বহু চেষ্টা করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিল যে,
মানুষের দৈহিক গঠনের কারনে সেটা একেবারেই
অসম্ভব। মানুষের ফুসফুসের গঠন এবং হাঁড়ের
কাঠামোর জন্যে মানুষ কখনোই ৪ মিনিটে ১ মাইল
দৌড়াতে সক্ষম হবে না। দু’হাজার বছর কেটে গেলো
এভাবেই। তারপর একদিন এলো শুভ দিন। বিশেষজ্ঞরা
গবেষনা করে জানালেন, আগের ধারনা ভুল। এবার
ঘটলো আরো চমকপ্রদ ঘটনা। রজার ব্যনিষ্টার নামের
এক দৌড়বিদ ৪ মিনিটে ১ মাইল দৌড়ে প্রথম বিশ্ব
রেকর্ড স্থাপন করলেন। এর ৬ সপ্তাহের মধ্যে জন
ল্যান্ডি নামের আরেক দৌড়বিদ আরো ২ সেকেন্ড
কম সময়ের মধ্যে ১ মাইল দৌড়ে রজার ব্যনিষ্টারের
রেকর্ড ভেঙ্গে দিলেন। সেই শুরু। এরপর হাজারেরও
বেশী দৌড়বিদ ৪ মিনিটের কম সময়ে ১ মাইল
দৌড়েছেন। এতে একটা বিষয় সুষ্পষ্ট হয়েছে যে, যখন
মানুষ বিশ্বাস করেছে সে পারবে না তখন পারেনি।
আর যখনই বিশ্বাস করেছে সে পারবে তখন ঠিকই
পেরেছে।
মানুষকে তার নিজের বিশ্বাসের শক্তি সম্পর্কে
বোঝাবার জন্যে আমাদের দেশের কোয়ান্টাম
মেথডে এই বিষয়টা ফোকাস করা হয়।
নেতিবাচক বা ইতিবাচক বিশ্বাসগুলো মানুষের মনে
বাল্যকাল থেকেই গেঁথে যায় তথা ইনষ্টল হয়ে যায়।
অনেকটা কম্পিউটারের সফটওয়ার ইনষ্টলের মতোই।
বেশ কিছু নেতিবাচক সফটওয়ার আমাদের অজান্তে
আমাদের অবচেতন মনেও কাজ করে। যার কারনে
আমরা অহেতুক ভয়ে ভীত থাকি। কিছু কুসংস্কার ও
ভীতি মনে ইনষ্টল হয়ে যাবার কারনে মন পজিটিভ
কাজ করার সাহস পায় না।
আমাদের মুরব্বীদের অজ্ঞতার কারনে আমরা
অনেকেই বাল্যকাল থেকেই পীর ফকির ও মাজারের
অলৌকিক ও কল্পিত ক্ষমতায় বিশ্বস্ত হয়ে পড়ি। যার
কারনে কোন বিপদ আপদে মাজারে বা পীর ফকিরের
দরবারে নানাজাতের মানত করে থাকি। কিন্তু আমরা
জানি না যে, এগুলো সরাসরি শির্ক। এসব শির্ক যারা
করে তাদের পরিনাম জাহান্নাম ছাড়া আর কোথাও
নয়। নানা কুসংস্কার যেমন হাঁচি দেওয়া বা খালি
কলসী দেখা কিম্বা কুকুরে ডাকা অনিষ্টের লক্ষণ
বলে মনে করার বিষয়গুলো বাল্যকাল থেকেই মনের
মধ্যে ইনষ্টল হয়ে যায়। আর এই ভুল সফটওয়ারগুলোই
আমাদেরকে সারাজীবন পরিচালিত করে ভুল পথেই।
নিজের অজান্তেই আমরা ধাবিত হই জাহান্নামের
পথে। ভ্রান্ত সফটওয়ারে ভ্রান্ত বিশ্বাসে জীবনটা
ভ্রান্তির মধ্যেই কেটে যায়।
খেয়াল করুন, সার্কাসে জঙ্গলের দুরন্ত এবং বিশাল
শক্তিসম্পন্ন একেকটা হাতিকে কিভাবে পোষ
মানিয়ে ছাগল বাঁধার একটা খুঁটির সাথে বেঁধে
রাখলেও সে আর পালাতে পারে না। বাচ্চা হাতিকে
যখন ধরে আনা হয়, তার পায়ে শিকল দিয়ে শক্ত করে
বেঁধে রাখা হয়। দুরন্ত এই বাচ্চা হাতি শিকল ছেঁড়ার
জন্যে প্রানান্ত চেষ্টা করে। কিন্তু তার ছোট্ট শরীর
দিয়ে এই বাচ্চা হাতিটা সে শিকল ছিড়তে পারে না।
উল্টো তার পা কেটে রক্তাক্ত হয়ে যায়। সে আবার
চেষ্টা করে। রক্তাক্ত পা আরো রক্তাক্ত এবং
বিষাক্ত হয়ে পড়ে। শিকল ছেঁড়া তার জন্যে আরো
বেশী কঠিন হয়ে যায়। এভাবে অনেক চেষ্টা করে এক
সময় সে হার মানে। বন্দিত্বের এই ছয়ফুট গন্ডিকেই
তার নিয়তি হিসেবে মেনে নেয়। ধীরে ধীরে এই
সফটওয়ারটা তার মধ্যে ইনষ্টল হয়ে যায়। পরবর্তী
সময়ে এই বাচ্চা হাতিটা বিশাল দেহের ও শক্তির
অধিকারী হলেও ছাগল বাঁধার একটা খুঁটির সাথে
তাকে বেঁধে রাখলেও সে আর তা ছিঁড়ে পালাবার
সাহস করে না। পায়ে শিকলের টান পড়লেই বুঝে নেয়
তার সীমানা শেষ। এমনও হয়েছে, সার্কাসে আগুন
লাগায় সবাই পালিয়ে গেলেও হাতির পায়ে
শিকলের টান পড়ায় সে আর পালাবার চেষ্টা
করেনি। আগুনে পুড়ে মারা গেছে। অথচ নেতিবাচক
সফটওয়ারটা তার মধ্যে না থাকলে সে ইচ্ছে করলেই
সবকিছু তছনছ করে পালাতে পারতো। কেবল
সার্কাসের হাতি নয়, মানুষ থেকে শুরু করে পৃথিবীর
সমস্ত প্রাণী এরুপ ইতিবাচক বা নেতিবাচক সফটওয়ার
দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। মনোবিজ্ঞানীরা নানা
পরীক্ষা নিরীক্ষা দ্বারা তার প্রমাণ পেয়েছেন।
খেয়াল করে থাকবেন, কিছু মুসলমান নামধারী ব্যক্তি
একদিকে নামাজও পড়েন, আবার মাজার বা পীরের
উপরও বিশ্বাস রাখেন। আবার নিজের কল্যানের জন্য
আল্লাহর কাছে নয়, পীর ফকির এবং তাবিজ কবজের
আশ্রয় নেন। বাল্যকালে এসব ভুল সফটওয়ার তার মধ্যে
ইনষ্টল হওয়ার কারনে সে এমন ভুল পথে পরিচালিত
হচ্ছে। আল্লাহর উপর অটুট বিশ্বাস যদি তার মধ্যে
ভালভাবে ইনষ্টল হতো, তাহলে পৃথিবীর কোন কিছুই
তাকে টলাতে পারতো না। আমি অনেক পীর এবং
আলেমকে দেখেছি যারা কোরআন হাদীসে অনেক
বিশেষজ্ঞ বটে, কিন্তু বাল্যকালের শেখানো
ভুলগুলো তারা শেষ বয়সে এসেও শুধরাতে পারেননি।
মাথার মধ্যে ভুল সফটওয়ার ইনষ্টল থাকায় কোরআন-
হাদীসের কথাগুলো ভালমত আমল করতে পারছেন না।
কাজেই আল্লাহর উপর অটুট বিশ্বাস এবং ইতিবাচক
মনোভাব ছাড়া মনকে সরল ও সঠিক পথে পরিচালিত
করা সম্ভব নয়।
মন্ত গুর জ্বিন সাধনা।

সকল কাজে সফলতা লাভের মন্ত

সকল কাজে সফলতা
মন্ত্রঃ
জাগো জাগো ব্রক্ষ্ম তুমি যক্ষ পক্ষ নিয়ে। নাহি
ব্রক্ষ্মন্ড উঠি,আমি অমুক কাজে লাগাই তোরে। সেই
কামে লাগ লাগ লাগ। শয়তান আসে ব্রক্ষ্মের কাছে
বানী মোর নিয়ে। মোর অমুক কাজ করিবে ব্রক্ষ্ম
শয়তান মিলে। জাগ্রনী চন্ডাল হেতু।ব্রক্ষ্ম শয়তান
মহা হেতু। লাগ লাগ লাগ অমুক কাজে লাগ লাগ লাগ
শীঘ্র লাগ। ওম হ্রীং শ্রীং ক্লীং ভবতে ব্রক্ষ্ম
নমঃ। আমার এই কদাচ বাক্য যদি হয় মিছে। শয়তান
ব্রক্ষ্মের মাথা খা।।
নোটঃ
এই মন্ত্র শয়তান ব্রক্ষ্ম মন্ত্র।এই মন্ত্র দ্বারা সকল
ধরনের খারাপ ও ভালো কাজ করা যায়।যা বলেও
শেষ করা যাবে না। এই মন্ত্রের কাজ করতে একটি
ত্রিয়জয়ন্তী এর গুড়ো লাগে এবং এই জিনিষ পেতে ও
নিয়ম জানতে কল করুন বা মেইল করুন। মন্ত গুরু জ্বিন সাধন।  সাইট থেকে। তন্ত মন্ত কালো যাদু ও কালী সাধনা ও জ্বিন চালানের মাধমে তদবির করা হয়। যে কোন কঠিন কাজ ৩/৫দিনে ১০০% গ্যারান্টি
সহকারে যেকোন কাজ করা হয়।
আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলাইনের মাধমে
তদবির পেতে পারেন।

পুরাতন পোষ্ট গুলি দেখুন